ঢাকা, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১৬ বৈশাখ ১৪৩২

সাকিব নেই একাদশে, কলকাতার ম্যাচ হেরে দুষালেন অধিনায়ক মরগান

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২১ এপ্রিল ২২ ২৩:১৬:২৮
সাকিব নেই একাদশে, কলকাতার ম্যাচ হেরে দুষালেন অধিনায়ক মরগান

ম্যাচ শেষে কলকাতার অধিনায়ক মর'গান বলেন, “এটা আসলে রু'দ্ধশ্বা'স সময় ছিল। ক্রিকেট এমনই এক অনিশ্চয়তার খেলা। পাওয়ারপ্লের সময় আমা'রা খুব বাজে খেলেছি। প্রথম'দিকে এভাবে সবাই এমন বাজে খেলবে তা ভাবিনি। তবে রাসেল ও কার্তিক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগিয়েছে। তাদের বড় জুটি গড়ার পর আট'কে রাখা প্রায় অসম্ভব ছিল।

তারপর আবারও প্যাট কামিন্স জুটি গড়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। আমা'দের মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা অসাধারণ লড়াই করেছে আজকে।”

মুম্বাইর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। দলের দুই ওপেনার ফাফ ডু প্লেসিস এবং রুতুরাজ গায়কোয়াত শুরুটা করেন উড়ন্ত।

এই জুটি স্কোরবোর্ডে যোগ করে ১১৫ রান। দুর্দান্ত ব্যাটিং করা রুতুরাজ ৪২ বলে ৬৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বরুণ চক্রবর্তীর বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে গেলে বিচ্ ছিন'্ন হয় চেন্নাইর ওপেনিং জুটি।

তিন নম্বরে নামা মঈন আলি এদিন খেলেন ১১ বলে ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংস। ব্যাট হাতে ৮ বল স্থায়ী হওয়া ধোনির ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ রান। অ'পরপ্রান্তে থাকা ডু প্লেসিস অবশ্য শুরু থেকে চালানো তাণ্ডব অব্যা'হত রাখেন শেষ পর্যন্ত।

৬০ বল মোকাবেলায় ৯টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে শতক থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থেকে অ'পরাজিত থাকেন ৯৫ রানে। প্লেসিসের এমন দুর্দান্ত হার না মানা ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে চেন্নাই সুপার কিংস ২২০ রানের বিশাল পুঁজি পায়।

বল হাতে সাকিবের বিকল্প হিসেবে সুনীল নারাইন ছিলেন অসহায়। ৪ ওভারে ১ উইকেট নিলেও ব্যয় করেছেন ৩৪ রান। জবাবে খেলতে নেমে শুরু থেকেই বিপদে পড়ে কলকাতা। ইনিংসের চতুর্থ বলেই কোনো রান না করে সাজঘরে ফিরেন ওপেনার শুভম্যান গিল।

একে একে ব্যর্থতার তালিকায় যোগ হয় নিতীশ রানা, ইয়ন মর'গান, রাহুল ত্রিপাঠি ও সুনীল নারাইনদের নাম। যারা কেউই নিজেদের রান নিয়ে যেতে পারেননি দুই অ 'ঙ্কের ঘরে। সাকিবের বিকল্প হিসেবে নামা নারাইনের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৪ রান।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে এসে ৩১ রানে ৫ উইকেট হারানো কলকাতাকে আশার আলো দেখানোর চেষ্টা করেন আন্দ্রে রাসেল ও দীনেশ কার্তিক। এই দুই ব্যাটসম্যান মিলে ৮১ রানের জুটি গড়লে তা বিচ্ ছিন'্ন হয় মাত্র ২২ বল মোকাবেলায় ৩টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে রাসেল বিদায় নিলে।

এরপর দীনেশ কার্তিকের সাথে আবারও জুটি বাধেন প্যাট কামিন্স। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে এই দুই ব্যাটসম্যান গড়েন ৩৪ রানের জুটি। এই জুটি বিচ্ ছিন'্ন হয় ২৪ বল মোকাবেলায় ৪টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৪০ রান করে কার্তিক ফিরে গেলে।

শেষের দিকে তাণ্ডব চালান প্যাট কামিন্স। বলের সাথে রানের ব্যবধান কমিয়ে আনলে শেষ ৪ ওভারে নাইটদের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয় ৪৫ রান। এরপর ৩ ওভারে ২৫ রান নিলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার হয় ২০ রান।

এরপর শেষ ওভারের প্রথম বলেই ২ রান নিতে গিয়ে প্র'শিধ কৃষ্ণা রানআউটে কা'টা পড়লে সব কয়টি উইকেট হারিয়ে নাইটরা ম্যাচ হারে ১৮ রানে। ব্যাট হাতে ৩৪ বল মোকাবেলায় ৪টি চার ও ৬টি ছয়ে ৬৮ রানে অ'পরাজিত ছিলেন কামিন্স।

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ