ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে যে কীর্তিতে মাশরাফি সাকিবের পাশে শান্ত

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৩ ডিসেম্বর ০২ ১৪:৫৫:৫০
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে যে কীর্তিতে মাশরাফি সাকিবের পাশে শান্ত

মাশরাফি, সাকিব ও লিটন দাসের পর সাদা দলের নেতৃত্ব দেওয়া চতুর্থ বাংলাদেশ অধিনায়ক হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেকেই ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আজ (শনিবার) সিলেটে নিউজিল্যান্ডকে ১৫০ রানের স্বাচ্ছন্দ্য ব্যবধানে হারিয়েছে টাইগাররা। এমন বিজয় দিবসে শান্তার আনন্দই আলাদা।

এই কৃতিত্ব একটি আকর্ষণীয় মিল খুঁজে পায়. একই বছর অভিষেক টেস্টে জিতেছিলেন মাশরাফি ও সাকিব। এছাড়াও ২০২৩ সালে, লিটন-শান্ত দুজনেরই অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের টেস্ট অভিজ্ঞতা ছিল উপভোগ্য। ২০০৯ সালে, মুর্তজার দল অধিনায়ক হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯৫ রানে পরাজিত করে। সে বছর সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশ ৪ উইকেটে হারায় ক্যারিবিয়ানদের। টেস্ট ক্রিকেটের আধুনিক ইতিহাসে টাইগারদের সবচেয়ে বড় জয়ে নেতৃত্ব দেন লিটন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানে জিতেছে তারা। শান্তা শেষ পর্যন্ত ১৫০ রানের ব্যবধানে জয়ের নেতৃত্ব দেন।

গেল বছর জানুয়ারিতেও মাউন্ট মঙ্গানুইয়েও স্মরণীয় টেস্টজয়ী দলের সদস্য ছিলেন শান্ত। এবার ঘরের মাঠে অধিনায়কত্বে জিতলেন আরেকটি ম্যাচ। দুটির মধ্যে কোন জয়টিকে এগিয়ে রাখবেন শান্ত, জানালেন উত্তরে, ‘দুইটাই। টেস্ট যেকোনো দলের বিপক্ষে যেকোনো সময় জিততেই ভালো লাগে।’

ম্যাচ শেষে টাইগারদের এই তারকা ব্যাটসম্যান বলেন, ‘ভালো লাগছে। খুবই খুশি। যে রকম চিন্তা করে এসেছিলাম, যে রকম পরিকল্পনা করেছি, সব মিলিয়ে যদি চিন্তা করি, তাহলে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়, আমরা খুব ভালো একটা ম্যাচ খেলেছি। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে এ রকম জয়—খুবই আনন্দিত।’

কিউইরা হারলেও শান্ত তাদের শক্তিমত্তার কথাও স্মরণ করিয়ে দিলেন পুনরায়, ‘তারা অবশ্যই ভালো দল। টেস্ট ম্যাচের গুরুত্বটা অনেক বেশি আমার কাছে। আমার মনে হয়, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো দলের বিপক্ষে জিততেই ভালো লাগে। স্বাভাবিকভাবেই তারা এমন এক দল, দুই বছর আগে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম চক্রের চ্যাম্পিয়ন ছিল।’

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এমন জয় টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে অন্যরকম বার্তা দেবে বলে বিশ্বাস শান্তর, ‘এমন দলকে হারালে খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাসটা বাড়ে। টেস্ট ক্রিকেটে আমরা এখন যে অবস্থায় আছি, তার চেয়ে ভালো অবস্থায় যেতে পারি, এই বিশ্বাস কিন্তু আরও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। এ ধরনের ম্যাচগুলো যদি আমরা না ভুলি, কী কী ঠিক করেছিলাম—এসব নিয়ে যদি ভবিষ্যতে এগোতে পারি, তাহলে টেস্ট ক্রিকেটে আমরা এগিয়ে যাব।’

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে