ঢাকা, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০

একটা সিদ্ধান্তই কেরিয়ার বদলে গেলো যে ক্রিকেটারের

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেট নিউজ
২০২৩ ডিসেম্বর ০৪ ১২:২৯:১৩
একটা সিদ্ধান্তই কেরিয়ার বদলে গেলো যে ক্রিকেটারের

জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন অনেক আগেই। তবে এটা বলা যায় ভারতের দ্বিতীয় শ্রেণীর দল। প্রথমবার আয়ারল্যান্ডে যাচ্ছি। এমনকি এশিয়ান গেমসেও। নীল জার্সিতে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে জিতেশ অনেক আকর্ষণীয় ইনিংস খেলেছেন। জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যান প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের কথায়। একটি সাক্ষাত্কারে, জিতেশ বলেছিলেন যে দ্রাবিড় স্যার তাকে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যেতে বলেছিলেন।

বিকল্প ছিল নতুন বল নিয়ে খেলা। ইনিংস করতে কিছুটা সময় নিতে বলেছেন। কিন্তু তার খেলার ধরন দেখে ভিন্ন ধারণা পেলেন কোচ। তিনি একজন ওপেনার থেকে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানে রূপান্তরিত হন। পুরো পরিস্থিতি বদলে দিয়েছেন। এরপর ক্রিজে নামা ও সেট হওয়ার সুযোগ হয়নি। প্রথম বলেই শট খেলতে হয় তাকে। চিন্তা করবেন না। আসলে এই সিদ্ধান্ত তার কেরিয়ার পাল্টে দিয়েছে, অবলীলা মানতে পারেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ সবার নজর কেড়েছে। আবার জাতীয় দলে সুযোগ। এটি কোনও কুইজের ভূমিকা নয়, ভারতীয় দলের তরুণ কিপার ব্যাটসম্যান জিতেশ শর্মার ক্যারিয়ারের সংক্ষিপ্তসার।

এশিয়ান গেমসে জাতীয় দলে অভিষেক হয় জিতেশের। রুতুরাজ গায়কওয়াদের নেতৃত্বে এশিয়ান গেমসের সোনা জয়ী দলের সদস্য। তবে তার জন্য সেরা সুযোগ ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে। রায়পুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ঈশান কিষানের পরিবর্তে জিতেশকে নেওয়া হয়েছিল। কঠিন কন্ডিশনে ব্যাট করতে এসেছেন। একপাশে রিংকু সিং আর অন্যদিকে জিতেশ। দুজনেই সুপরিচিত ফিনিশার। রিংকুর একটু সময় লাগলো। তবে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন জিতেশ। এই কি তাকে শেখানো হয়েছিল!

জীতেশের মুখেই উঠে এল সেই প্রসঙ্গ। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে বলছিলেন, ‘আমি ওপেনার ছিলাম। কোচ প্রীতম গান্ধে বলেছিলেন পরের দিকে ব্যাট করতে। সেই সিদ্ধান্তটা গুরুত্ব দিয়েছিলাম। সেই আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়েছি। আর দেখুন, এখন দেশের হয়েও খেলছি। সমস্ত কৃতিত্ব কোচকে। তিনি আমার জন্য এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলেন।’

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ



রে