এবার সব ধরনের প্রস্তুতি থাকার পরও কোনো রোহিঙ্গা নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক ও বিভিন্ন রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতকারের পর জানা যায়, রোহিঙ্গারা পাঁচটি শর্ত বেঁধে দিয়ে বলেছেন, এসব শর্ত পূরণ হলেই তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবেন।

আজ ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান বদরুল ইসলাম দেশি-বিদেশি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, ‘রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য পাঁচটি শর্ত দিয়েছেন।’

এদিকে তাদের সেসব দাবি হলো- রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়া, কেড়ে নেওয়া জমি ফেরত দেয়া, ভোটের অধিকার দেয়া, ক্ষতিপূরণ দেয়া ও জাতিসংঘের মাধ্যমে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এ ব্যাপারে বদরুল ইসলাম জানান, এসব দাবি মেনে নেয়া হলেই কেবল রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে।

এদিকে অনেক রোহিঙ্গা পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মিয়ানমারে তারা অনেকে পরিবার, স্বামী ও সন্তান হারিয়েছেন। মিয়ানমারের বাহিনীর দ্বারা তারা হত্যার শিকার। এজন্য তাদের বিচার করা হবে কি না তার নিশ্চয়তাও চায় রোহিঙ্গারা।

এ সময় রফিকুল ইসলাম নামে একজন রোহিঙ্গা বলেন, কোনো রকম প্রাণ নিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছিলাম। ওখানে অনিশ্চয়তার মধ্যে আর ফিরতে চাই না। আমাদের জীবনের নিরাপত্তা দিলে আমরা নিজ দেশে ফেরত যাবো।’