ঢাকা, রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮

৬,৬,৬,৬,৬,৬ টি-২০ তে ছক্কার রেকর্ড

২০২১ ফেব্রুয়ারি ২৭ ১৮:২১:২৬
৬,৬,৬,৬,৬,৬ টি-২০ তে ছক্কার রেকর্ড

এই ফরম্যাটে একজন ব্যাটসম্যানের লক্ষ্যই থাকে কিভাবে বলকে বাউন্ডারি ছাড়া করানো যায়। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির আগমনের পর এই কাজটাই করতে দেখা গেছে বেশ অনেক ব্যাটসম্যানকে।

টি-টোয়েন্টি যুগের আগমনের পর ক্রিকেটের ধরণটাই বদলে গেছে। এখানে এখন দ্রুত রান তোলাটাই বড় ব্যাপার, সেটা যেকোনো উপায়েই হোক।

এই ফরম্যাটে একজন ব্যাটসম্যানের লক্ষ্যই থাকে কিভাবে বলকে বাউন্ডারি ছাড়া করানো যায়। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির আগমনের পর এই কাজটাই করতে দেখা গেছে বেশ অনেক ব্যাটসম্যানকে। তাদের মধ্যে কারো কারো তো সবচাইতে বেশি ছয় হাঁকানোর রেকর্ডই আছে। এই গল্পটা তাদের।

ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ‘ইউনিভার্স বস’ খ্যাত ক্রিস গেইল যেন দিনে দিনে হয়ে উঠেছেন ছক্কারই আরেক নাম। ব্যাটের মোচড়ে এত আয়েশি ভঙ্গিতে ক্রিসের মত কেউ ছয় মারতে পারে বলে কারো জানা নেই।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এই ব্যাটসম্যানের আছে ছক্কার সেঞ্চুরি, ৫৪ ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে মেরেছেন ঠিক ১০৫ টা ছয়! এমনিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৪২.৮৪ স্ট্রাইক রেট আর ৩২.৫৪ গড় বলে দেয় এই ফরম্যাটে তিনি কতটা কার্যকরী!

কলিন মানরো (নিউজিল্যান্ড)বর্তমানে টি-টোয়েন্টিতে অন্যতম ধ্বংসাত্মক ব্যাটসম্যান কলিন মানরো। মানরোর সবচাইতে শক্তির জায়গা হল ওর পেশীশক্তি। এই পেশীশক্তির সাহায্যেই মানরো বলকে সহজেই সীমানা ছাড়া করতে পারে। আর এই সীমানাছাড়া করার ব্যাপারে মানরোর পারদর্শিতার সাক্ষ্য দেয় ওর ছয়ের পরিসংখ্যান। এখন অবধি ৬২ টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমে মানরো ছয় মেরেছেন ১০৭ টা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মানরোর স্ট্রাইক রেট ১৫৬, এতে আর খুব অবাক হবার কিছু নেই। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে মানরোর আছে তিন তিনটে সেঞ্চুরি।

ইয়ন মরগ্যান (ইংল্যান্ড)ইয়ন মরগান খেলেন মিডল অর্ডারে, বেশিরভাগ সময়েই তাকে হাজির হতে হয় ফিনিশারের ভূমিকায়। রান তুলতে হয় দ্রুত, দলের রানকে আরো বাড়িয়ে দিতে হয়। তা সেই কাজটা যে তিনি সবচাইতে ভাল পারেন সেটার প্রমাণ তো এই যে- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচাইতে বেশি ছয় মারার রেকর্ডে মরগ্যান আছেন তিন নম্বরে।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এখন পর্যন্ত ৯৪ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমেছেন। এই ৯৪ টি-টোয়েন্টিতে সব মিলিয়ে বলকে গ্যালারিতে পাঠিয়েছেন ১১৩ বার। ২০০৯ সালে অভিষেকের পর থেকেই মূলত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করে যাচ্ছেন তিনি।

রোহিত শর্মা (ভারত)এই নামটা কমন পড়ার কথা। মুড়ি মুড়কির মত ছক্কা মারতে পারা রোহিতের নাম এই তালিকায় না থাকলেই বরং বেমানান দেখাত। শুধুমাত্র বাউন্ডারি ছাড়া করতে পারেন বলেই যে তাঁর ডাকনামই হয়ে গেছে ‘হিটম্যান’। এই হিটম্যানের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক ২০০৭ সালে।

অভিষেকের পর থেকে এখন অব্দি তিনি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ১০৮ টি, ব্যাট করতে নেমেছেন ঠিক ১০০ ইনিংসে। এই ১০০ ইনিংসে উইলো হাতে নেমে রোহিতের ছক্কার সংখ্যা- ১২৭ টা! আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই ফরম্যাটে রোহিতের চাইতে বেশি ছয় কেবল মাত্র একজনই মেরেছেন।

মার্টিন গাপটিল (নিউজিল্যান্ড)নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা স্ট্রোক-মেকার’এর নাম বলতে বললে সেখানে মার্টিনের নাম সম্ভবত উপরের দিকেই থাকবে। ২০০৯ সালে অভিষেকের পর থেকে এই ফরম্যাটে নিজের জারিজুরি বহাল রেখেছেন তিনি।

৯২ টি-টোয়েন্টিতে এখন অবধি রান করেছেন ২৭১৮, স্ট্রাইক রেটটাও দুর্দান্ত- ১৩৫.৯০! তবে মার্টিনের মাহাত্ম্য অন্য জায়গাতে। এখন অবধি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে তাঁর চাইতে বেশি ছয় যে আর কেউই মারতে পারেনি- ১৩২ টি!

পাঠকের মতামত:

খেলা এর সর্বশেষ খবর

খেলা - এর সব খবর



রে