ঢাকা, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮

ক্রিকেট বিশ্বে ভাইয়ে-ভাইয়ে একই দলে থাকা ১০ ক্রিকেটারের তালিকা প্রকাশ

২০২১ মার্চ ০৭ ১৭:৫৫:৫৪
ক্রিকেট বিশ্বে ভাইয়ে-ভাইয়ে একই দলে থাকা ১০ ক্রিকেটারের তালিকা প্রকাশ

অনেক খেলাতেই দেখা যায় পরিবারের সদস্যরা খেলার সাথে সংযুক্ত থাকে। পারিবারিকভাবে খেলার সংস্কৃতি গড়ে উঠে। ক্রিকেটেও এমন অনেক পারিবারিক ঐতিহ্য দেখা গেছে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য যুক্ত হন এই খেলাতে।

দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলা কিংবা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা আসলেই সন্মানের এক বিষয়। সেই সুযোগ সবাই চায়,কিন্তু কত জন পারে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে। যাই হোক, অনেক খেলাতেই দেখা যায় পরিবারের সদস্যরা খেলার সাথে সংযুক্ত থাকে। পারিবারিকভাবে খেলার সংস্কৃতি গড়ে উঠে। ক্রিকেটেও এমন অনেক পারিবারিক ঐতিহ্য দেখা গেছে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য যুক্ত হন এই খেলাতে।

ক্রিকেট যেহেতু একটি দলীয় খেলা, সেহেতু এখানে এক একেক জন দেশের এক একেক প্রান্ত থেকে আসবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর মধ্যেও দেখা গেছে দুই ভাই একসাথে অনেকবারই জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এমনই পাঁচ ভাইয়ের জুটি নিয়ে খেলা ৭১ এর আজকের এই আয়োজন।

ইরফান পাঠান এবং ইউসুফ পাঠান (ভারত)ভারতীয় ক্রিকেটে সবচেয়ে পরিচিত ভাইয়ের জুটি হলেন ইরফান পাঠান এবং ইউসুফ পাঠান। অনেক ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থক্দের অজানা যে তারা দুইজনই ঘরোয়া ক্রিকেটে বারোদাকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দুই ভাই অনেকবারই জাতীয় দলে একসাথে খেলেছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার সময়ে দুই ভাই অনেক দ্রুতই জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।

ইরফান পাঠান এবং ইউসুফ পাঠান দুই ভাই একসাথে ভারতের ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। শুধু সদস্য নয়, বিশ্বকাপ জিততে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তারা। বড় ভাই ইরফান পাঠান না পারলেও ছোটো ভাই ইউসুফ পাঠান ২০১১ সালের ভারতের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিততে ভূমিকা রেখেছেন। ইরফান পাঠান ২০১১ বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে ছিলেন না।

মার্ক ওয়াহ এবং স্টিভ ওয়াহ (অস্ট্রেলিয়া)আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন ক্রিকেটার কমই আছেন যারা নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। মার্ক ওয়াহ এবং স্টিভ ওয়াহ দুইজনই ছিলেন অস্ট্রেলিয়া দলের বেশ গুরুত্বপুর্ণ সদস্য। তারা ১৯৯৯ বিশ্বকাপ জয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন। আর এই বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন স্টিভ ওয়াহ।

ক্রিকেট খেলায় পেশাদারিত্বের প্রশ্নের তারা দুই ভাই ছিলেন সবার থেকে ভিন্ন এবং কার্যকরী। মার্ক ওয়াহ আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম নান্দনিক ব্যাটসম্যান। আর স্টিভ ওয়াহ ইতিহাসের অন্যতম সেরা অধিনায়ক।

নাথান ম্যাককালাম এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (নিউজিল্যান্ড)নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাইয়ের জুটি হলেন নাথান ম্যাককালাম এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তারা খুব বেশি সময় জাতীয় দলের হয়ে একসাথে খেলতে পারেননি। তারা যদিও বেশি সময় একসাথে খেলতে পারেননি তবুও তারা ভাই জুটি হিসেবে ছিলেন বেশ ভয়ংকর। তারা একহাতে প্রতিপক্ষকে গুড়িয়ে দেয়ার সামর্থ্য রাখতেন।

তাদের সাফল্য এবং খ্যাতি দুইটাই ভিন্ন ভিন্ন। ব্রেন্ডন ম্যাককালামের পরিচিতি ছিলো একজন মারকুটে ব্যাটসম্যান হিসেবে। অপরদিকে নাথান ম্যাককালাম ছিলেন একজন স্পিনিং অলরাউন্ডার।

শন মার্শ এবং মিশেল মার্শ (অস্ট্রেলিয়া)এই তালিকায় বর্তমানে খেলছে এমন ভাইয়ের জুটির মধ্যে একমাত্র জুটি। তাদের জাতীয় দলে অভিষেক প্রায় একই সময়ে। মার্শ ভ্রাতৃদ্বয়ের বাবা জিওফ মার্শ ছিলেন একজন ক্রিকেটার এবং অস্ট্রেলিয়া দলের কোচ।

তারা বর্তমানে জাতীয় দলে যেভাবে খেলছেন তাতে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলে খেলতে পারবেন বলে মনে হয়। শন মার্শ একজন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান এবং মিশেল মার্শ একজন অলরাউন্ডার।

অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবং গ্র্যন্ট ফ্লাওয়ার (জিম্বাবুয়ে)জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার হলেন ফ্লাওয়ার ভ্রাতৃদ্বয়। দুইজনই বেশ ভালো ব্যাটিং করতে পারতেন। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ছিলেন একজন উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান এবং গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন একজন ব্যাটসম্যান যিনি কিনা মাঝে মাঝে বল করতেন। দুইজনেরই ছিলো রান করার নেশা।

জিম্বাবুয়ের সোনালি প্রজন্মের এই দুই ভাই ক্রিকেটে এসেছেন, জয় করেছেন এবং চলে গেছেন। ক্রিকেটে তাদের অবদান ছিলো বিস্ময়কর। তারা দুই জনই ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল দু’জন ক্রিকেটার।

পাঠকের মতামত:

খেলা এর সর্বশেষ খবর

খেলা - এর সব খবর



রে