ঢাকা, সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

চ্যাম্পিয়ন হলে কী করবেন এমন প্রশ্নে অবাক করা উত্তর দিলেন ডি ভিলিয়ার্স

২০২১ এপ্রিল ১৮ ১১:১৭:০৪
চ্যাম্পিয়ন হলে কী করবেন এমন প্রশ্নে অবাক করা উত্তর দিলেন ডি ভিলিয়ার্স

আইপিএলের প্রতি আসরে তারকাখচিত দল গড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ব্যতিক্রম নয় এবারও। আগেই দলের সঙ্গে থাকা বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে এবার ১৫ কোটিতে কাইল জেমিসন ও সোয়া ১৪ কোটি রুপিতে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে দলে নিয়েছে তারা।

টুর্নামেন্টের আগের আসরগুলোতে এই দলের হয়ে খেলেছেন ক্রিস গেইল, ডেল স্টেইন, কেভিন পিটারসেন, জ্যাক ক্যালিস, অনিল কুম্বলের মতো তারকা ক্রিকেটাররাও। কিন্তু কোনোবারই শেষ হাসি হাসতে পারেনি বিরাট কোহলির। তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য তিনবার রানার্সআপ হওয়া।

তবে এবারের আসরে শুরুটা দুর্দান্ত করেছে ব্যাঙ্গালুরু। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচের জয়ের দেখা পেয়েছে তারা। উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে পেয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর এক জয়।

সবমিলিয়ে অতীত ইতিহাস ভুলিয়ে দেয়ার মিশনে শুরুটা নিজেদের পক্ষেই রাখতে পেরেছে ব্যাঙ্গালুরু। এই ধারাবাহিকতা টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারলেই মিলবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। আর চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে ঠিক কী করবেন তা জানেন না দলের তারকা ক্রিকেটার ডি ভিলিয়ার্স।

ব্যাঙ্গালুরুর টুইটারে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেছেন ডি ভিলিয়ার্স। ২০১১ সালের আসরে তখনকার দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ছেড়ে ব্যাঙ্গালুরুতে এসেছিলেন এ প্রোটিয়া মারকুটে ব্যাটসম্যান। এরপর থেকে টানা ১১ মৌসুম ধরে একই দলে খেলছেন তিনি।

এবার শিরোপা জেতা ব্যতীত অন্য কোনো ভাবনা মাথায়ও আনতে চাইছেন না ডি ভিলিয়ার্স। তার লক্ষ্য একটাই, ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএল শিরোপা জেতা। পুরো দল মিলে এ লক্ষ্যপূরণে বদ্ধ পরিকর বলে জানিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স।

ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘সবাই শিরোপা জিততে চায়। আমিও চাই আইপিএল জিততে। যেদিন আইপিএল শিরোপা জিতব, জানি না তখন আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে। ট্রফি জয়ের পর বোঝা যায়, জয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরও অনেক কিছু আছে। আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জিততে চাই। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

এসময় তিনি কথা বলেন, আইপিএলের এবারের আসরে না থাকা হোম অ্যাডভান্টেজের ব্যাপারেও। করোনা সতর্কতার কারণে প্রতিবারের মতো হোম-অ্যাওয়ে পদ্ধতি বাদ দিয়ে ছয়টি স্টেডিয়ামে বায়ো বাবল বানিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে পুরো আইপিএল।

যার ফলে অভিনব সূচিতে কোনো দলেরই তাদের ঘরের মাঠে কোনো ম্যাচ রাখা হয়নি। যেমন ব্যাঙ্গালুরু তাদের ঘরের মাঠে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে একটি ম্যাচও খেলতে পারবে না। তবে সব দলের ক্ষেত্রেই এটি সমান হওয়ায়, এতে সমস্যা দেখছেন না ডি ভিলিয়ার্স।

পাঠকের মতামত:

খেলা এর সর্বশেষ খবর

খেলা - এর সব খবর



রে