ঢাকা, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

পাকিস্তানের সাথে না পেরে আমিরের অতীত নিয়ে টান দিলেন হরভজন

২০২১ অক্টোবর ২৭ ১১:২৫:২৭
পাকিস্তানের সাথে না পেরে আমিরের অতীত নিয়ে টান দিলেন হরভজন

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শেষ দিন তিনেক হয়ে গেল। তবে এই ম্যাচের রেশ যে এখনো কাটেনি সেটা পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির এবং ভারতের সাবেক অফ স্পিনার হরভজন সিংয়ের কথার যুদ্ধে পরিষ্কার হয়ে গেল।

শুরুতে রঙ্গ-রসিকতা চললেও, আমির এবং হরভজনের মধ্যে কথার যুদ্ধ একটা সময় কুৎসিত রূপ নেয়। মূলত, ভারতের হারের পর আমিরের খোঁচাখুঁচি ভালো লাগেনি হরভজনের। একটা সময় তাই এই পেসারের অতীত নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণও করে বসেন ভাজ্জি।

কাদা ছোড়াছুড়ির শুরু মোহাম্মদ আমিরের এক টুইটকে ঘিরে। যেখানে আমির লেখেন, পাকিস্তানের কাছে ভারতের লজ্জাজনক হারের পর হরভজন নিজের টিভি ভেঙে ফেলেছেন কি-না। জবাবে আমিরের বলে নিজের ছক্কা মারার একটি ভিডিও দিয়ে হরভজন লেখেন, এই ছক্কাই আমিরের ঘরের টেলিভিশন সেট ভেঙে দিয়েছিল কি-না।

এরপর আমির হরভজনকে মারা শহিদ আফ্রিদির টানা ৪ ছয়ের একটি ভিডিও আপলোড করে লেখেন, ‘লালা (আফ্রিদি) আসছে, হরভজন এবার পালাও।’ এতেই যেন রেগেমেগে একাকার হরভজন। আমিরকে ছোট করতে তার ফিক্সিং কাণ্ডকে টেনে আনেন এই অফ-স্পিনার।

২০১০ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ গড়াপেটার দায়ে আমির ক্রিকেট থেকে পাঁচ বছর নিষিদ্ধ ছিল, খাটতে হয়েছে জেলও। এই প্রসঙ্গ টেনে আমিরকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন ভাজ্জি। হরভজন আমিরের বিশাল সেই নো বলের ছবি দিয়ে লেখেন, ‘লর্ডসে নো বল কীভাবে হয়েছিল? টেস্ট ক্রিকেটে নো বল কীভাবে হয়?’ এরপর আমিরের সমর্থকদেরও একহাত নেনে ভাজ্জি, ‘এই সুন্দর খেলাটিকে অপমান করার জন্য তোমার এবং তোমার সমর্থকদের লজ্জিত হওয়া উচিত।’

হরভজনের পক্ষ থেকে বিব্রতকত জবাব আসার পরেও থেমে যাননি আমির। চালিয়ে যান কথার যুদ্ধ। তাতে যেন আরও চটে যান হরভজন। ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে আমিরকে ধুয়ে দেন তিনি। লেখেন, ‘তোমারদের মতো মানুষদের জন্য টাকাই সব। কোনো লাজ-লজ্জা নেই। দেশবাসী এবং তোমার সমর্থকদের কি বলতে পারবে, কত টাকা পেয়েছিলে (ম্যাচ পাতানোর জন্য)?’

এভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণেও যেন শান্তি পাননি হরভজন। তাই তো আমিরকে ছয় মারার ভিডিওটি আরেকবার আপলোড করে লেখেন, ‘ফিক্সার কে সিক্সার।’

শেষে ক্ষিপ্ত আমির জবাব দেন, ‘আমার অতীত নিয়ে কথা বলছো, তাহলে নিজের অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কিছু বলো। তিনদিন আগেই তোমাদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। এখন দেখ, কীভাবে আমরা বিশ্বকাপ জিতি। যাও পার্কে গিয়ে হাওয়া খাও। মন ভালো থাকবে।’

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শেষে বিরাট কোহলি-বাবর আজমদের সৌহার্দ-সম্প্রীতি দিয়েছিল অন্য বার্তা। তবে আমির-হরভজনের কথার যুদ্ধ আবার প্রমাণ করলো, ভারত-পাকিস্তান কখনো যেন কারও বন্ধু হতে পারে না।

পাঠকের মতামত:

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

খেলা এর সর্বশেষ খবর

খেলা - এর সব খবর



রে