ঢাকা, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লায় গভীর রাতে পুলিশের চিরুনি অভিযান, ধরা পড়লেন ৩৫৩ জন

সারাদেশ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১২ ২১:০৪:১৩
কুমিল্লায় গভীর রাতে পুলিশের চিরুনি অভিযান, ধরা পড়লেন ৩৫৩ জন

গত ১৮ সেপ্টেম্বর স্কুলছাত্র অপ্রতিম কিশোর গ্যাং সদস্যদের হাতে নিহত হওয়ার পর কুমিল্লায় যে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় রবিবার রাতেও মাঠে নামে জেলা পুলিশ। সেই রাতের অভিযানে ধরা পড়েছেন আরও ৩৫৩ জন। অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত আটক মোট ২ হাজার ৬৪৯ জন, যাঁদের মধ্যে আট শতাধিককে নানা অপরাধের অভিযোগে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

হত্যাকাণ্ড থেকে অভিযান

অপ্রতিম হত্যার ঘটনার পরপরই জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে অভিযান শুরু করে পুলিশ। সেই অভিযান আজও থামেনি। সোমবার জেলা পুলিশ সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য জানায়।

রবিবারের অভিযানের চিত্র

সন্ধ্যা নামার পর শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে রবিবারের এই অভিযান। কুমিল্লা নগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় যেসব জায়গায় কিশোরদের উৎপাত বেশি এবং যেসব এলাকা অপরাধপ্রবণ বলে পরিচিত, সেখানেই জোর দেওয়া হয়।

অভিযানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে ছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অভিযানে অংশ নেন।

আটকদের ভবিষ্যৎ

আটক ব্যক্তিদের কে কতটা অপরাধে জড়িত, তা যাচাই-বাছাই করে দেখছে পুলিশ। সেই যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

হয়রানি নিয়ে পুলিশের আশ্বাস

অভিযানের উদ্দেশ্য ও নজরদারির বিষয়ে কথা বলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান। তাঁর বক্তব্য, উঠতি বয়সের কিশোররা যাতে অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যই নিয়মিত এই অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কিশোর অপরাধ ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রাসঙ্গিক FAQ

১. কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান কেন শুরু হয়?

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কিশোর গ্যাং সদস্যদের হাতে স্কুলছাত্র অপ্রতিম নিহত হওয়ার পর জেলার ১৮টি থানায় এ অভিযান শুরু হয়।

২. রবিবারের অভিযানে কতজনকে আটক করা হয়েছে?

রবিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চালানো অভিযানে আরও ৩৫৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

৩. এ পর্যন্ত মোট আটক কত এবং কতজন আদালতে গেছেন?

মোট আটক ২ হাজার ৬৪৯ জন। এর মধ্যে আট শতাধিককে বিভিন্ন অপরাধে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

৪. অভিযানে কারা অংশ নিচ্ছেন?

জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

৫. নিরপরাধ ব্যক্তিদের হয়রানি নিয়ে পুলিশ কী বলেছে?

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান জানান, অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ