ঢাকা, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Honor X6E: ৭৫০০mAh ব্যাটারি, ২৪ হাজারে কতটা ভালো?

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১২ ২২:০৯:৩৩
Honor X6E: ৭৫০০mAh ব্যাটারি, ২৪ হাজারে কতটা ভালো?

বড় ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং ১.৮ মিটার উচ্চতা থেকে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুরক্ষার দাবি—এসব সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে এসেছে Honor X6E। তবে ফোনটির ৪ জিবি র‍্যাম, এইচডি প্লাস রেজল্যুশনের ডিসপ্লে এবং সীমিত পারফরম্যান্সের বিষয়গুলো ২৪ হাজার টাকা দামের ডিভাইসটিকে নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে। বিশেষ করে যারা এই বাজেটে ভালো ক্যামেরা, গেমিং পারফরম্যান্স ও উন্নত ডিসপ্লে চান, তাঁদের জন্য ফোনটি কেনার আগে সুবিধা-অসুবিধাগুলো বিবেচনা করা জরুরি।

ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ৭৫০০mAh ব্যাটারি, যা সাধারণ ব্যবহারে প্রায় দুই দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে পারে। পাশাপাশি রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে এবং MagicOS 10। অন্যদিকে, ২৪ হাজার টাকা খরচ করে মাত্র ৪ জিবি র‍্যামের ফোন কেনা কতটা যুক্তিযুক্ত, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

Honor X6E-এর দাম ও প্রধান স্পেসিফিকেশন

Honor X6E-এর ৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের সংস্করণটির দাম ২৪ হাজার টাকা। ফোনটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে এটি সুবিধা দিলেও ডিসপ্লে, র‍্যাম এবং গেমিংয়ের মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি: মজবুত অনুভূতি, তবে ওজন বেশি

Honor X6E-এর ডিজাইনে খুব বেশি অভিনবত্ব না থাকলেও ফোনটি হাতে নিলে শক্তপোক্ত অনুভূতি পাওয়া যায়। এর ওজন ২০৭ গ্রাম হওয়ায় দীর্ঘ সময় এক হাতে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছুটা ভারী মনে হতে পারে। তবে ফোনটির সামগ্রিক নকশা ও নির্মাণ নিয়ে পর্যালোচনায় নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসেনি।

ডিভাইসটিতে প্লাস্টিকের ফ্রেম ও প্লাস্টিকের ব্যাক প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে। পেছনের অংশে ম্যাট ফিনিশ থাকায় আঙুলের ছাপ সহজে চোখে পড়ে না। তবে এই ফিনিশ স্ক্র্যাচ থেকে পুরোপুরি সুরক্ষা দেয় না। তাই ফোনটির বাহ্যিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে কভার ব্যবহার করা ভালো।

নির্মাতা ফোনটি ১.৮ মিটার উচ্চতা থেকে পড়ে গেলেও ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকার দাবি করেছে। পর্যালোচনাকারীও ফোনটি কয়েকবার পরীক্ষা করার কথা জানিয়েছেন। তবে এ ধরনের দাবি থেকে সব পরিস্থিতিতে ফোনটি ক্ষতিমুক্ত থাকবে, এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।

আরও পড়ুন:

HONOR-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটির দাম কত বাংলাদেশে?

Samsung-এর সেরা ৫ ফোন: ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম

এ ছাড়া রয়েছে IP64 রেটিং। সব মিলিয়ে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য ফোনটির নির্মাণ যথেষ্ট শক্তপোক্ত মনে হলেও এর ওজন এবং প্লাস্টিকের বডি কেনার আগে বিবেচনায় রাখা উচিত।

১২০ হার্টজ ডিসপ্লে থাকলেও রেজল্যুশনে আপস

Honor X6E-তে রয়েছে ৬.৬১ ইঞ্চির TFT LCD ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট সর্বোচ্চ ১২০ হার্টজ। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ব্যবহারের সময় রিফ্রেশ রেট সাধারণত ৯০ থেকে ১১০ হার্টজের মধ্যে ছিল, যদিও তা ১২০ হার্টজ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

দৈনন্দিন ব্যবহারে ডিসপ্লের টাচ রেসপন্স নিয়ে উল্লেখযোগ্য সমস্যা পাওয়া যায়নি। ঘরের ভেতরে উজ্জ্বলতাও মোটামুটি ভালো। তবে বাইরে সরাসরি আলোতে স্ক্রিন দেখতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে। রঙের উপস্থাপনও আরও প্রাণবন্ত হলে অভিজ্ঞতা উন্নত হতো।

এখানে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো HD+ রেজল্যুশন। ডিসপ্লেটি চোখের কাছাকাছি এনে দেখলে কম রেজল্যুশনের বিষয়টি বোঝা যায়। বিশেষ করে যারা ফোনে নিয়মিত ভিডিও দেখেন কিংবা ছবি ও লেখা স্পষ্টভাবে দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে এই সীমাবদ্ধতা চোখে পড়তে পারে।

ফোনটির ডিসপ্লেতে পাঞ্চ-হোল কাটআউট রয়েছে। তবে নিচের বেজেল তুলনামূলক মোটা। সুরক্ষার জন্য অ্যালুমিনোসিলিকেট গ্লাস ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হলেও এর সক্ষমতা সম্পর্কে পর্যালোচনায় নিশ্চিত ধারণা পাওয়া যায়নি। তাই স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা কেমন?

Honor X6E-এর পেছনে দুটি ক্যামেরা দেখা গেলেও কার্যকর প্রধান ক্যামেরাটি ৫০ মেগাপিক্সেলের। ফোনটির ক্যামেরা পারফরম্যান্সে আলোর পরিস্থিতি বড় ভূমিকা রাখে।

ভালো আলোতে দিনের বেলায় ছবি তুললে যথেষ্ট শার্পনেস ও ডিটেইল পাওয়া যায়। রঙের উপস্থাপন মোটামুটি ভারসাম্যপূর্ণ হলেও সব ছবিতে রঙের প্রাণবন্ত ভাব থাকে না। কিছু ছবিতে রং ফিকে দেখানোর পাশাপাশি উজ্জ্বল আলোর অংশ নিয়ন্ত্রণেও সীমাবদ্ধতা দেখা যায়।

বিশেষ করে গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে আলো পড়ার মতো পরিস্থিতিতে কিছু অংশ অতিরিক্ত উজ্জ্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে ছবির সব জায়গায় আলো ও ছায়ার ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

ঘরের ভেতরে বা কম আলোতে ছবি তুললে ডিটেইল কিছুটা নরম হয়ে আসে। কখনো রঙ সামান্য বেশি উজ্জ্বল দেখালেও ছবির সামগ্রিক মান সব সময় সন্তোষজনক থাকে না। ভালো ফল পেতে স্থির হাতে ছবি তোলা প্রয়োজন।

পোর্ট্রেট মোডে ইতিবাচক দিক

পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফিতে Honor X6E তুলনামূলক ভালো ফল দিতে পারে। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিষয়বস্তুর চারপাশের প্রান্ত শনাক্ত করার কাজটি মোটামুটি ভালোভাবে হয়। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারও অতিরিক্ত কৃত্রিম মনে হয় না।

এ ছাড়া পোর্ট্রেট মোডে দুটি ফোকাল লেন্থ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ২x জুমে তোলা ছবিগুলো দেখতে ভালো লাগতে পারে, যদিও ছবিতে কিছুটা সফটনেস থাকে। স্কিন টোনকে নরম ও উজ্জ্বলভাবে উপস্থাপনের প্রবণতাও দেখা গেছে।

৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরায় সীমাবদ্ধতা

ফোনটির সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। পর্যাপ্ত আলোতে এটি মোটামুটি কাজ করলেও ঘরের ভেতরে ছবি তুললে সফটনেস বেশি দেখা যায়। ফলে যাঁরা নিয়মিত সেলফি তোলেন বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করেন, তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে।

ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও ফোনটিকে খুব বেশি এগিয়ে রাখা যাচ্ছে না। পর্যালোচনায় ভিডিওর মানকে সাধারণ পর্যায়ের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

৪ জিবি র‍্যাম: ২৪ হাজার টাকায় বড় সীমাবদ্ধতা

Honor X6E-এর সবচেয়ে আলোচিত দুর্বলতাগুলোর একটি হলো এর ৪ জিবি র‍্যাম। ১২৮ জিবি স্টোরেজ থাকলেও র‍্যামের পরিমাণ একই দামের ফোনে প্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফোনটি Android 16 ও MagicOS 10-এ চলে। পর্যালোচনায় ইউজার ইন্টারফেসকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হয়েছে। অ্যাপ খোলা, বন্ধ করা এবং সাধারণ দৈনন্দিন কাজের ক্ষেত্রে ফোনটি মোটামুটি সাবলীলভাবে চলে। তবে এটিকে দ্রুতগতির পারফরম্যান্সের ফোন বলা যাচ্ছে না।

একসঙ্গে কয়েকটি অ্যাপ চালু রাখলে কিংবা তুলনামূলক ভারী অ্যাপ ব্যবহার করলে গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একাধিক অ্যাপের মধ্যে বারবার পরিবর্তন করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

এ কারণে ফোনটিতে অন্তত ৬ জিবি র‍্যাম থাকলে আরও ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যেত বলে পর্যালোচনায় মত দেওয়া হয়েছে। ২৪ হাজার টাকা দামের ফোনে মাত্র ৪ জিবি র‍্যাম থাকাকে তাই বড় আপস হিসেবে বিবেচনা করা যায়।

গেমিংয়ের জন্য কি Honor X6E উপযুক্ত?

Honor X6E-তে Unisoc T81 Ultra প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণ অ্যাপ ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্রাউজিং এবং হালকা কাজের জন্য এর পারফরম্যান্স মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হলেও ভারী কাজের ক্ষেত্রে একই অভিজ্ঞতা আশা করা ঠিক হবে না।

হালকা গেম খেলে সময় কাটাতে চাইলে ফোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে Free Fire-এর মতো গেমও সব সময় প্রত্যাশিত গতিতে চলবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আর PUBG Mobile-এর মতো গেম নিয়মিত খেলার জন্য ফোনটিকে আদর্শ পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

বিশেষ করে যাঁরা গেমিংকে ফোন কেনার প্রধান কারণ হিসেবে দেখেন, তাঁদের অন্য বিকল্প বিবেচনা করা উচিত। কারণ এখানে র‍্যাম ও প্রসেসরের সীমাবদ্ধতা একসঙ্গে পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে।

পর্যালোচনায় ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (Camera API) সীমিত থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ক্যামেরা-নির্ভর কিছু বিশেষ অ্যাপ বা ফিচার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।

৭৫০০mAh ব্যাটারি Honor X6E-এর সবচেয়ে বড় শক্তি

ফোনটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো ৭৫০০mAh ব্যাটারি। বড় ব্যাটারির কারণে ডিভাইসটি কিছুটা ভারী হলেও দীর্ঘ সময় চার্জ ধরে রাখার সুবিধা পাওয়া যায়।

পর্যালোচনায় ব্যাটারি ব্যাকআপকে ফোনটির অন্যতম শক্তিশালী দিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সাধারণ ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে একবার চার্জে প্রায় দুই দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে। এমনকি নিয়মিত ব্যবহারে পরের দিন বিকেল পর্যন্ত চার্জ ধরে রাখার অভিজ্ঞতার কথাও বলা হয়েছে।

ব্যাটারির সঙ্গে রয়েছে ৪৫ ওয়াট চার্জিং সাপোর্ট। ফলে বড় ব্যাটারি ও তুলনামূলক দ্রুত চার্জিংয়ের সমন্বয় ফোনটিকে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

এ ছাড়া Honor X6E-তে ৭.৫ ওয়াট রিভার্স চার্জিং রয়েছে। প্রয়োজন হলে এই সুবিধা দিয়ে অন্য গ্যাজেট চার্জ করা যেতে পারে।

যাঁদের দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ প্রয়োজন, যাঁরা নিয়মিত চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কমাতে চান কিংবা যাঁরা ফোন একটু বেশি ব্যবহার করেন, তাঁদের কাছে এই ব্যাটারি কার্যকর হতে পারে। তবে দীর্ঘ ব্যাকআপের সুবিধা পেতে গিয়ে ওজনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

সিঙ্গেল স্পিকার ও সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর

Honor X6E-তে সিঙ্গেল স্পিকার রয়েছে। পর্যালোচনায় স্পিকারের শব্দের মান নিয়ে বড় অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ডুয়াল স্পিকার না থাকায় স্টেরিও অডিওর অভিজ্ঞতা মিলবে না।

অন্যদিকে, ফোনটির সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর দ্রুত কাজ করে এবং নির্ভুলতার দিক থেকেও সন্তোষজনক বলে পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, কিছু সুবিধা ঠিকঠাক থাকলেও অডিও অভিজ্ঞতায় আরও উন্নতির সুযোগ ছিল।

২৪ হাজার টাকায় Honor X6E কেনা কি ঠিক হবে?

Honor X6E কেনার সিদ্ধান্ত মূলত নির্ভর করবে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের ওপর। যাঁদের কাছে ব্যাটারি ব্যাকআপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাঁদের জন্য ফোনটি বিবেচনাযোগ্য। বড় ব্যাটারি, ৪৫ ওয়াট চার্জিং, ৭.৫ ওয়াট রিভার্স চার্জিং এবং শক্তপোক্ত অনুভূতির বডি এর প্রধান আকর্ষণ।

তবে যাঁরা ২৪ হাজার টাকা খরচ করে উন্নত ডিসপ্লে, বেশি র‍্যাম, ভালো গেমিং পারফরম্যান্স কিংবা উন্নত সেলফি ক্যামেরা চান, তাঁদের কাছে ফোনটি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হতে পারে।

বিশেষ করে HD+ ডিসপ্লে, ৪ জিবি র‍্যাম, সিঙ্গেল স্পিকার এবং কম আলোতে ক্যামেরার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। ফোনটি সাধারণ ব্যবহারের জন্য চলনসই হলেও এই দামে আরও ভারসাম্যপূর্ণ স্পেসিফিকেশন প্রত্যাশা করা অস্বাভাবিক নয়।

সব মিলিয়ে Honor X6E-এর মূল শক্তি ব্যাটারি, আর বড় দুর্বলতা র‍্যাম ও ডিসপ্লে। তাই শুধু দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের প্রয়োজন থাকলে এটি বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু পারফরম্যান্স, ডিসপ্লে ও ক্যামেরাকে সমান গুরুত্ব দিলে কেনার আগে বিকল্পগুলোও যাচাই করা ভালো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. বাংলাদেশে Honor X6E-এর দাম কত?

দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের Honor X6E-এর দাম ২৪ হাজার টাকা।

২. Honor X6E-এর ব্যাটারি কত mAh?

ফোনটিতে ৭৫০০mAh ব্যাটারি রয়েছে। এর সঙ্গে ৪৫ ওয়াট চার্জিং এবং ৭.৫ ওয়াট রিভার্স চার্জিং সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

৩. Honor X6E কি গেমিংয়ের জন্য ভালো?

হালকা গেম খেলার জন্য ফোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে ভারী গেমিং ও নিয়মিত PUBG Mobile খেলার জন্য এটি আদর্শ পছন্দ নয়।

৪. Honor X6E-এর ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেল?

ফোনটির পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে।

৫. Honor X6E-এর প্রধান অসুবিধা কী?

এর প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো ৪ জিবি র‍্যাম, HD+ রেজল্যুশনের ডিসপ্লে, কম আলোতে ক্যামেরার পারফরম্যান্স এবং সিঙ্গেল স্পিকার।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ