ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিদিন মাথাব্যথা হয় কেন? কোন লক্ষণ বিপদের সংকেত

স্বাস্থ্য ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৩ ১৬:১০:১৩
প্রতিদিন মাথাব্যথা হয় কেন? কোন লক্ষণ বিপদের সংকেত

মাথাব্যথা কমাতে ওষুধ খেয়েও কি বারবার ফিরে আসছে ব্যথা? কিংবা ঘুম থেকে ওঠার পর, দীর্ঘ সময় কাজ করার সময় বা দিনের শেষে নিয়মিত মাথা ধরছে? এমন পরিস্থিতিতে সাময়িক আরাম পাওয়ার চেয়ে মাথাব্যথার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা বোঝা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণ পানিশূন্যতা, ঘুমের ঘাটতি ও মানসিক চাপের পাশাপাশি মাইগ্রেন, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা কিংবা ঘন ঘন ব্যথানাশক ব্যবহারের কারণেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বেশির ভাগ মাথাব্যথা গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ নয়। কিন্তু ব্যথা হঠাৎ অসহনীয় হয়ে উঠলে, আগের ধরন বদলে গেলে অথবা সঙ্গে শরীর অবশ হয়ে যাওয়া, কথা বলতে অসুবিধা কিংবা জ্বরের সঙ্গে ঘাড় শক্ত হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তাই প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং কোন লক্ষণে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন, তা জানা দরকার।

প্রতিদিন মাথাব্যথার পেছনে কী থাকতে পারে?

একই ধরনের মাথাব্যথা সবার ক্ষেত্রে একই কারণে হয় না। কারও ব্যথার সঙ্গে ঘুম ও দৈনন্দিন অভ্যাসের সম্পর্ক থাকে, আবার কারও ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মাথাব্যথাজনিত রোগ বা অন্য শারীরিক সমস্যা দায়ী হতে পারে।

ঘুমের অভাব ও মানসিক চাপ

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, অনিয়মিত সময়ে ঘুমানো এবং দীর্ঘদিন মানসিক চাপের মধ্যে থাকার সঙ্গে ঘন ঘন মাথাব্যথার সম্পর্ক রয়েছে। এসব কারণে কারও মাথার দুই পাশে চাপ চাপ ব্যথা হতে পারে। ঘাড় ও কাঁধের পেশিতে টান থাকলেও অস্বস্তি বাড়তে পারে।

এ ধরনের সমস্যায় ঘুমের নিয়ম ঠিক রাখা এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা উপকারী হতে পারে। তবে শুধু ব্যথার ধরন দেখে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে এর কারণ মানসিক চাপ।

পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ও খাবারের অনিয়ম

দীর্ঘ সময় পানি পান না করা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কিংবা অসুস্থতার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হলে মাথাব্যথা হতে পারে। একইভাবে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা বা নিয়মিত খাবার বাদ দেওয়ার পরও কিছু মানুষের মাথা ধরতে পারে।

কাজের ব্যস্ততায় পানি পান ও খাবারের সময় যেন বাদ না পড়ে, সেদিকে নজর রাখা প্রয়োজন। মাথাব্যথার সঙ্গে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা প্রস্রাব কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ থাকলে সেগুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

মাইগ্রেনের আক্রমণ

মাইগ্রেন এমন একটি মাথাব্যথাজনিত সমস্যা, যা বারবার ফিরে আসতে পারে। এতে মাথার এক পাশে কিংবা দুই পাশেই ব্যথা হতে পারে। ব্যথা অনেক সময় স্পন্দিত হওয়ার মতো অনুভূত হয় এবং সঙ্গে বমি বমি ভাব, বমি, আলো বা শব্দে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দৃষ্টিতে ঝলকানি বা সাময়িক পরিবর্তনের মতো উপসর্গও হয়। মাইগ্রেনের আক্রমণ ঘন ঘন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথা কমানোর পাশাপাশি আক্রমণের সংখ্যা কমানোর চিকিৎসাও প্রয়োজন হতে পারে।

দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার

একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, চোখের সমস্যাকে অবহেলা করা এবং ঘাড় বাঁকিয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করার কারণে মাথাব্যথা বাড়তে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে ঘাড় ও কাঁধে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়া, বসার ভঙ্গি ঠিক রাখা এবং প্রয়োজন হলে চোখ পরীক্ষা করানো উপকারী। তবে স্ক্রিন ব্যবহারই প্রতিদিনের মাথাব্যথার একমাত্র কারণ—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।

বারবার ব্যথানাশক খাওয়ার প্রভাব

মাথাব্যথা হলেই ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস কিছু ক্ষেত্রে সমস্যাকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করে তুলতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে মেডিকেশন-ওভারইউজ হেডেক বলা হয়।

এ ক্ষেত্রে ওষুধের প্রভাব কমে গেলে আবার মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। কোন ওষুধ কত ঘন ঘন ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর ঝুঁকি নির্ভর করে। তাই সপ্তাহে দুই দিনের বেশি মাথাব্যথার ওষুধের প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। দীর্ঘদিন ব্যবহৃত ওষুধ নিজে থেকে বন্ধ বা পরিবর্তন না করে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

সর্দি, সাইনাস ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা

সর্দি-কাশি, জ্বর, সাইনাসের প্রদাহ, দাঁতের সমস্যা কিংবা কানের সংক্রমণের কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। আবার কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা অন্য শারীরিক অসুস্থতার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।

মাথার সামনের দিকে বা চোখের আশপাশে ব্যথা হলেই সাইনাসের সমস্যা ধরে নেওয়া উচিত নয়। নাক বন্ধ থাকা, সর্দি এবং মুখে চাপ অনুভব করার মতো অন্যান্য লক্ষণও বিবেচনায় নিতে হয়।

দীর্ঘস্থায়ী দৈনিক মাথাব্যথা

যাঁদের মাসের অধিকাংশ দিন মাথাব্যথা হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে সমস্যাটি আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে মাসে অন্তত ১৫ দিন করে তিন মাসের বেশি সময় মাথাব্যথা থাকাকে দীর্ঘস্থায়ী দৈনিক মাথাব্যথার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী মাইগ্রেন ও দীর্ঘস্থায়ী টেনশন-টাইপ হেডেকের মতো অবস্থা রয়েছে। তবে এই সংজ্ঞা মানেই যে সবার একই রোগ হয়েছে, তা নয়। মাথাব্যথার ইতিহাস, উপসর্গ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসক সম্ভাব্য কারণ নির্ধারণ করেন।

কোন লক্ষণ দেখা দিলে মাথাব্যথাকে অবহেলা করা যাবে না?

মাথাব্যথার তীব্রতা ছাড়াও কীভাবে ব্যথা শুরু হয়েছে এবং সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ রয়েছে কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

অবিলম্বে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যেতে হবে যদি—

হঠাৎ অত্যন্ত তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয় এবং কয়েক সেকেন্ড বা মিনিটের মধ্যে সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছায়।

মাথাব্যথার সঙ্গে শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যায়।

কথা বলা, কথা বোঝা, হাঁটা বা ভারসাম্য রাখতে নতুন করে সমস্যা দেখা দেয়।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি বা বিভ্রান্তির মতো লক্ষণ দেখা দেয়।

তীব্র মাথাব্যথার সঙ্গে জ্বর ও ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।

মাথায় আঘাত পাওয়ার পর ব্যথা তীব্র হয় বা ক্রমশ বাড়তে থাকে।

এসব লক্ষণ স্ট্রোক, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা গুরুতর সংক্রমণের মতো জরুরি সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সব ক্ষেত্রে এমন রোগ থাকে না, তবে বিপজ্জনক কারণগুলো দ্রুত শনাক্ত করা প্রয়োজন।

দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন যদি—

আগের তুলনায় মাথাব্যথা ঘন ঘন হচ্ছে বা তীব্রতা বাড়ছে।

ব্যথার কারণে ঘুম, কাজকর্ম বা স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্রাম বা প্রচলিত ওষুধ ব্যবহারের পরও ব্যথা কমছে না।

কাশি, হাঁচি, ঝুঁকে পড়া বা ব্যায়ামের সময় মাথাব্যথা বাড়ছে।

নতুন ধরনের মাথাব্যথার সঙ্গে দৃষ্টির পরিবর্তন বা অন্য অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে।

৫০ বছর বয়সের পর প্রথমবার নতুন ধরনের মাথাব্যথা শুরু হয়েছে।

প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে কীভাবে কারণ শনাক্ত করবেন?

মাথাব্যথার কারণ বুঝতে চিকিৎসক সাধারণত প্রথমে রোগীর কাছ থেকে বিস্তারিত ইতিহাস নেন। ব্যথা কখন শুরু হয়, কতক্ষণ থাকে, মাথার কোন অংশে হয়, কী করলে বাড়ে এবং সঙ্গে বমি, জ্বর বা দৃষ্টির সমস্যা রয়েছে কি না—এসব তথ্য রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করে।

এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক ও স্নায়বিক পরীক্ষা করা হয়। উপসর্গ ও পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা, চোখের পরীক্ষা কিংবা সিটি স্ক্যান বা এমআরআইয়ের মতো পরীক্ষা দিতে পারেন। তবে প্রতিদিন মাথাব্যথা হলেই সবার এসব স্ক্যান করানোর প্রয়োজন হয় না।

চিকিৎসাও নির্ভর করে মাথাব্যথার কারণের ওপর। মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে, আবার অন্য কোনো অসুস্থতার কারণে মাথাব্যথা হলে সেই সমস্যার চিকিৎসা করতে হয়।

মাথাব্যথা কমাতে দৈনন্দিন জীবনে কী পরিবর্তন আনবেন?

প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে শুধু ব্যথা কমানোর দিকে মনোযোগ না দিয়ে নিজের দৈনন্দিন অভ্যাসও পর্যবেক্ষণ করা দরকার।

প্রথমত, প্রতিদিন কাছাকাছি সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। পর্যাপ্ত ঘুমের পাশাপাশি নিয়মিত খাবার খাওয়া এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করার দিকে নজর দিন।

দ্বিতীয়ত, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করলে মাঝেমধ্যে বিরতি নিন। বসার ভঙ্গি ঠিক রাখুন এবং ঘাড় ও কাঁধে অস্বস্তি হলে তা অবহেলা করবেন না।

তৃতীয়ত, মাথাব্যথার একটি নথি রাখুন। কখন ব্যথা শুরু হয়েছে, কতক্ষণ স্থায়ী হয়েছে, আগের রাতে ঘুম কেমন হয়েছিল, খাবার বাদ পড়েছিল কি না এবং কী ওষুধ খেয়েছেন—এসব লিখে রাখুন। এতে ব্যথার সম্ভাব্য কারণ ও ধরন বুঝতে চিকিৎসকের সুবিধা হবে।

সবশেষে, ঘন ঘন ব্যথানাশক খাওয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। মাথাব্যথা বারবার ফিরে এলে নিজে থেকে ওষুধের মাত্রা বাড়ানোর পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে কি ব্রেন টিউমারের আশঙ্কা রয়েছে?

মাথাব্যথা হওয়ার অনেক সাধারণ কারণ রয়েছে। শুধু প্রতিদিন মাথাব্যথা হচ্ছে বলে ব্রেন টিউমার হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কারণ নেই। তবে নতুন ধরনের মাথাব্যথা, ক্রমশ বাড়তে থাকা ব্যথা বা সঙ্গে স্নায়বিক ও দৃষ্টিসংক্রান্ত উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

প্রতিদিন মাথাব্যথা হওয়া মানেই গুরুতর রোগ নয়, আবার নিয়মিত ব্যথা হচ্ছে বলে বিষয়টি উপেক্ষা করাও ঠিক নয়। ঘুমের অনিয়ম, পানিশূন্যতা ও মাইগ্রেনের মতো কারণ থেকে শুরু করে ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার—বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই মাথাব্যথার ধরন বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, নিয়মিত ব্যথানাশক ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং ব্যথা স্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর হঠাৎ অসহনীয় ব্যথা বা বিপজ্জনক উপসর্গ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

১. প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে কি চিকিৎসক দেখানো প্রয়োজন?

হ্যাঁ, মাথাব্যথা নিয়মিত হলে, ক্রমশ বাড়লে বা স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. মাথাব্যথার সঙ্গে কোন লক্ষণ দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?

হঠাৎ অত্যন্ত তীব্র ব্যথা, শরীরের এক পাশ দুর্বল হওয়া, কথা বলতে সমস্যা, খিঁচুনি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা জ্বরের সঙ্গে ঘাড় শক্ত হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

৩. প্রতিদিন মাথাব্যথা হলে কি মাইগ্রেন হতে পারে?

হতে পারে। তবে প্রতিদিন মাথাব্যথার পেছনে মাইগ্রেন ছাড়াও অন্য কারণ থাকতে পারে। উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কারণ নির্ধারণ করতে হয়।

৪. ঘন ঘন ব্যথানাশক খেলে কি মাথাব্যথা বাড়তে পারে?

হ্যাঁ, কিছু ব্যথানাশক নিয়মিত অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত মাথাব্যথা তৈরি হতে পারে। ঘন ঘন ওষুধের প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. মাথাব্যথা হলেই কি সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করতে হবে?

না। সবার ক্ষেত্রে এসব পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করেন।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ