পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কী করবেন? নতুন পাসপোর্ট পাওয়ার নিয়ম
বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে কিংবা দেশের ভেতরে হঠাৎ পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে দুশ্চিন্তায় পড়েন অনেকেই। তবে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলেই নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে না, এমন নয়। বাংলাদেশি পাসপোর্ট হারালে প্রথমে নিকটস্থ থানায় হারানোর বিষয়ে জিডি করতে হবে, এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। আগের পাসপোর্টের তথ্য, জিডির কপি এবং পরিচয়সংক্রান্ত নথি ঠিকভাবে জমা দিতে পারলে নতুন পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যায়।
তবে হারানো পাসপোর্টটি যদি বিদেশে হারিয়ে যায়, তাহলে করণীয় কিছুটা আলাদা। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের স্থানীয় পুলিশ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হতে পারে। আবার পাসপোর্ট হারানোর পর সেটি কেউ খুঁজে পেলে বা অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।
পাসপোর্ট হারানোর পর কোথায় যাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগতে পারে এবং নতুন পাসপোর্ট পেতে কত টাকা খরচ হবে—এসব বিষয় ধাপে ধাপে জানা থাকলে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি এড়ানো সহজ হবে।
পাসপোর্ট হারালে প্রথমে যে কাজটি করবেন
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে দেরি না করে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন। পাসপোর্ট চুরি হয়ে গেলেও একইভাবে পুলিশকে জানাতে হবে। জিডিতে পাসপোর্ট হারানোর স্থান, সময় ও পরিস্থিতি সম্পর্কে যথাসম্ভব সঠিক তথ্য দিন।
জিডির কপি সংগ্রহ করে নিরাপদে রাখুন। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার সময় হারানো পাসপোর্টের জিডির মূল কপি দেখানো বা জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট পোর্টালে। পুরোনো পাসপোর্টের ফটোকপি থাকলে সেটিও কাজে লাগবে।
পাসপোর্টের নম্বর বা ফটোকপি কাছে না থাকলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন এবং পুরোনো পাসপোর্টের অন্য কোনো রেকর্ড থাকলে তা সংগ্রহ করুন। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে আপনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো নথি প্রয়োজন কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
হারানো পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন পাসপোর্ট পাওয়ার নিয়ম
বাংলাদেশে হারানো পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন পাসপোর্ট পেতে সাধারণত রি-ইস্যু প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
ধাপ ১: থানায় জিডি করুন
পাসপোর্ট হারানোর বিষয়টি জানিয়ে নিকটস্থ থানায় জিডি করুন। জিডির নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট থানার তথ্য সংরক্ষণ করুন। জিডির মূল কপি ও কয়েকটি ফটোকপি সঙ্গে রাখলে পরবর্তী কাজ সহজ হবে।
ধাপ ২: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
আবেদনের আগে পরিচয় ও পুরোনো পাসপোর্টের তথ্যসংক্রান্ত নথি গুছিয়ে নিন। সাধারণভাবে যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলো হলো:
- জিডির মূল কপি।
- জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ।
- হারানো পাসপোর্টের ফটোকপি বা তথ্যের প্রমাণ, যদি থাকে।
- অনলাইনে পূরণ করা পাসপোর্ট আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি।
- আবেদন সারাংশ ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের কপি, যদি প্রযোজ্য হয়।
- পাসপোর্ট ফি জমার রসিদ।
- প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত পরিচয় বা সহায়ক নথি।
ই-পাসপোর্টের সরকারি নির্দেশনায় হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে জিডির মূল কপি এবং পুরোনো পাসপোর্টের ফটোকপি থাকলে তা জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আবেদনকারীর পরিচয় ও আবেদনের ধরন অনুযায়ী অতিরিক্ত নথিও চাইতে পারে কর্তৃপক্ষ।
ধাপ ৩: অনলাইনে রি-ইস্যুর আবেদন করুন
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করুন।
সরকারি পোর্টাল: [epassport.gov.bd](https://www.epassport.gov.bd/)
আবেদন করার সময় আগের পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে অসংগতি থাকলে আবেদন আটকে যেতে পারে। তাই ফরম পূরণের সময় তথ্য ভালোভাবে যাচাই করুন।
আবেদনের ধরন হিসেবে রি-ইস্যু নির্বাচন করার সুযোগ থাকলে সেটি ব্যবহার করুন এবং হারানো পাসপোর্টের তথ্য ও জিডির বিবরণ নির্ধারিত জায়গায় দিন। কোন ঘরে কী তথ্য দিতে হবে, তা বুঝতে সমস্যা হলে পাসপোর্ট অফিসের সহায়তা নিন।
ধাপ ৪: নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন
আবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধের আগে পাসপোর্টের মেয়াদ, পৃষ্ঠা সংখ্যা এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করে বর্তমান ফি যাচাই করুন।
ধাপ ৫: পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করুন
আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হন। সঙ্গে রাখুন আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি, পরিচয়পত্র, জিডির মূল কপি এবং পেমেন্ট স্লিপসহ প্রযোজ্য নথি।
কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ছবি, আঙুলের ছাপ বা অন্যান্য বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হতে পারে। এরপর আবেদন যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলবে।
ধাপ ৬: আবেদন স্ট্যাটাস দেখুন এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ করুন
আবেদনের ডেলিভারি স্লিপ বা আবেদন নম্বর যত্ন করে রাখুন। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনের অগ্রগতি যাচাই করুন। পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে সংশ্লিষ্ট অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী সংগ্রহ করুন।
মনে রাখবেন, আবেদন জমা দেওয়ার পরই পাসপোর্ট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। প্রয়োজনীয় যাচাই, নথির সঠিকতা এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের প্রক্রিয়ার ওপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করে।
হারানো পাসপোর্ট করতে কত টাকা খরচ হবে?
হারানো পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন ই-পাসপোর্ট নিতে কত টাকা লাগবে, তা নির্ভর করবে পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরনের ওপর। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের নিয়মিত ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা থেকে শুরু।
নিচের তালিকাটি সরকারি পোর্টালে প্রকাশিত সাধারণ ই-পাসপোর্ট ফি। হারানো পাসপোর্টের রি-ইস্যু আবেদনে প্রযোজ্য চূড়ান্ত ফি আবেদন করার সময় যাচাই করে নিন।
| পাসপোর্টের ধরন | নিয়মিত ডেলিভারি | জরুরি ডেলিভারি | অতি জরুরি ডেলিভারি |
|---|---|---|---|
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৪,০২৫ টাকা | ৬,৩২৫ টাকা | ৮,৬২৫ টাকা |
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৫,৭৫০ টাকা | ৮,০৫০ টাকা | ১০,৩৫০ টাকা |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৬,৩২৫ টাকা | ৮,৬২৫ টাকা | ১২,০৭৫ টাকা |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৮,০৫০ টাকা | ১০,৩৫০ টাকা | ১৩,৮০০ টাকা |
সূত্র: বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের সরকারি ফি তালিকা।
নতুন পাসপোর্ট পেতে কত দিন সময় লাগতে পারে?
ই-পাসপোর্টের সরকারি ফি পেজে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর সাধারণ ডেলিভারির জন্য ১৫ কর্মদিবস, জরুরি ডেলিভারির জন্য ৭ কর্মদিবস এবং অতি জরুরি ডেলিভারির জন্য ২ কর্মদিবসের সময়সীমা উল্লেখ রয়েছে।
তবে হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই বা পুলিশ প্রতিবেদন প্রয়োজন হলে বাস্তবে বেশি সময় লাগতে পারে। তাই বিদেশযাত্রা বা ভিসার নির্ধারিত তারিখ সামনে থাকলে আবেদন করার আগেই সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে সময়সীমা নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কী করবেন?
বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে বাংলাদেশের ভেতরে অনুসরণ করা প্রক্রিয়ার সঙ্গে কিছু পার্থক্য থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে যে দেশে অবস্থান করছেন, সেই দেশের স্থানীয় পুলিশের কাছে হারানো বা চুরির বিষয়টি জানান এবং সম্ভব হলে পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করুন।
এরপর সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনার পরিচয়, নাগরিকত্ব ও ভ্রমণসংক্রান্ত পরিস্থিতি যাচাই করে কর্তৃপক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ জানাবে।
জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফেরার জন্য ট্রাভেল পারমিট বা অন্য কোনো ভ্রমণ নথি প্রয়োজন হতে পারে। তবে কোন নথি দেওয়া হবে এবং কী কী কাগজপত্র লাগবে, তা পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট মিশনের নিয়মের ওপর নির্ভর করে। তাই নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট নথি পাওয়ার নিশ্চয়তা ধরে না নিয়ে বাংলাদেশ মিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
পাসপোর্ট হারালে যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
পাসপোর্ট হারানোর পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
- জিডি করতে দেরি করবেন না: পাসপোর্ট হারানো বা চুরির বিষয়টি দ্রুত পুলিশকে জানান।
- ভুল তথ্য দেবেন না: আবেদনপত্রে আগের পাসপোর্ট ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য যথাসম্ভব নির্ভুলভাবে দিন।
- দালালের ওপর নির্ভর করবেন না: সরকারি পোর্টাল ও সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে আবেদন করুন।
- নথির কপি সংরক্ষণ করুন: জিডি, আবেদনপত্র, পেমেন্ট স্লিপ ও ডেলিভারি স্লিপের কপি রাখুন।
- পুরোনো পাসপোর্ট পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষকে জানান: হারানো পাসপোর্ট পরে ফিরে পেলেও সেটি ব্যবহার করার আগে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হয়ে গেলে পুরোনো পাসপোর্টের বৈধতা ও ব্যবহারযোগ্যতা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পাসপোর্ট হারানোর পর দ্রুত জিডি করা এবং সঠিক তথ্য দিয়ে রি-ইস্যুর আবেদন করা। সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করলে প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায় এবং অপ্রয়োজনীয় ভুলের ঝুঁকি কমে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কি নতুন পাসপোর্ট করা যায়?
হ্যাঁ। থানায় জিডি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ই-পাসপোর্টের রি-ইস্যু প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যায়। চূড়ান্ত অনুমোদন কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করে।
২. পাসপোর্ট হারালে কি জিডি করা বাধ্যতামূলক?
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, হারানো বা চুরি যাওয়া পাসপোর্টের জন্য দ্রুত থানায় জিডি করতে হবে এবং পুনরায় আবেদনের সময় জিডির মূল কপি দেখাতে বা জমা দিতে হবে।
৩. পুরোনো পাসপোর্টের ফটোকপি না থাকলে কী করবেন?
জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রযোজ্য জন্মনিবন্ধন সনদসহ পরিচয়সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত করুন। পুরোনো পাসপোর্টের তথ্য না থাকলে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে আপনার আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি নিশ্চিত করুন।
৪. হারানো পাসপোর্টের নতুন কপি পেতে কত দিন লাগে?
সরকারি ফি তালিকায় সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ডেলিভারির জন্য পৃথক সময়সীমা রয়েছে। তবে হারানো পাসপোর্টের তথ্য যাচাই বা পুলিশ প্রতিবেদন প্রয়োজন হলে সময় বেশি লাগতে পারে।
৫. বিদেশে পাসপোর্ট হারালে কি বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন?
পরিস্থিতি অনুযায়ী বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট কিংবা উপযুক্ত ভ্রমণ নথির বিষয়ে সহায়তা নিতে পারেন। কী নথি প্রয়োজন হবে, তা সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশন নির্ধারণ করবে।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- Samsung-এর সেরা ৫ ফোন: ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম
- HONOR-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটির দাম কত বাংলাদেশে?
- Redmi Note 17 Pro 5G: ৮,৩৪০mAh ব্যাটারি, ১২০Hz AMOLED ডিসপ্লে
- ওয়ারিশি জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে, জানুন নিয়ম
- ব্রাজিলের খেলা কবে? জাপান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের সময়সূচি
- OPPO Find X10 Pro Max: ২০০MP ক্যামেরা ও ৮,০০০mAh ব্যাটারি
- HSC Result২০২৬ কবে? জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ
- আজকের সোনার দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম কত
- ব্রাজিলের পরের ম্যাচের তারিখ ও সময়, থাকছে পূর্ণ সূচি
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৩টি দেশের টাকার মান
- Galaxy S27 Ultra-এর ব্যাটারি, ক্যামেরা ও দাম নিয়ে যত তথ্য
- আজকের স্বর্ণের দাম:১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন দাম কত
- আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ টেস্টের লাইভ স্কোর ও সর্বশেষ অবস্থা
- Honor X6E: ৭৫০০mAh ব্যাটারি, ২৪ হাজারে কতটা ভালো?
- এইচএসসি ফল ২০২৬ কবে? জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ