ঢাকা, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জমির দলিল হারিয়ে গেলে নতুন কপি পাবেন যেভাবে

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৪ ১১:৪৪:০১
জমির দলিল হারিয়ে গেলে নতুন কপি পাবেন যেভাবে

জমির মূল দলিল হারিয়ে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ, বাংলাদেশে নিবন্ধিত জমির দলিল হারিয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের সার্টিফায়েড কপি বা অবিকল নকল পাওয়ার জন্য আবেদন করা যায়। তবে কোথায় আবেদন করতে হবে, কী কী তথ্য লাগবে, দলিলের নম্বর জানা না থাকলে কী করবেন এবং কপি পেতে কত খরচ হতে পারে—এসব বিষয়ে আগে থেকে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।

জমি কেনাবেচা, নামজারি, জমির মালিকানা-সংক্রান্ত বিরোধ কিংবা ভবিষ্যতে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দলিল গুরুত্বপূর্ণ নথি। তাই মূল দলিল হারিয়ে গেলে শুধু নতুন কপি সংগ্রহ করাই নয়, দলিলটি যাতে অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা দরকার। সঠিক দপ্তরে আবেদন করে প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন করলে হারানো দলিলের পরিবর্তে ব্যবহারযোগ্য প্রত্যয়িত অনুলিপি সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে কোথায় আবেদন করবেন?

জমির দলিল যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন করা হয়েছিল, সাধারণত সেই অফিস থেকেই দলিলের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। দলিলের মূল কপি না থাকলেও রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষিত রেকর্ড ও সূচিবহি ব্যবহার করে দলিল শনাক্ত করার সুযোগ রয়েছে। পুরোনো দলিলের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের রেকর্ডরুমেও খোঁজ নিতে হতে পারে।

এ বিষয়ে ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫৭ ধারায় নির্দিষ্ট রেজিস্টার ও সূচিবহিতে থাকা তথ্যের নকল পাওয়ার বিধান রয়েছে। তবে কোন ধরনের দলিলের নকল কে চাইতে পারবেন, তা দলিলের প্রকৃতি ও সংশ্লিষ্ট আইনি বিধানের ওপর নির্ভর করে।

হারানো জমির দলিলের নতুন কপি পাওয়ার নিয়ম

প্রথম ধাপ: দলিলের তথ্য সংগ্রহ করুন

দলিলের নম্বর ও নিবন্ধনের সাল জানা থাকলে কাজ সহজ হয়। এগুলো জানা না থাকলে জমির মৌজার নাম, দাগ ও খতিয়ান নম্বর, জমির পরিমাণ, ক্রেতা-বিক্রেতার নাম এবং আনুমানিক নিবন্ধনের সময় সংগ্রহ করুন। পুরোনো ফটোকপি, ছবি, স্ক্যান কপি বা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র থাকলে সেগুলোও সঙ্গে রাখুন।

দ্বিতীয় ধাপ: সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করুন

যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল, সেখানে গিয়ে দলিলের তথ্য অনুসন্ধানের নিয়ম জেনে নিন। দলিল নম্বর জানা না থাকলে বিক্রেতা বা ক্রেতার নাম এবং মৌজার তথ্য দিয়ে সূচিবহি তল্লাশের আবেদন করতে হতে পারে।

তৃতীয় ধাপ: তল্লাশি ও নকলের আবেদন করুন

রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা, ২০১৪-এর ১০৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রথমে ৩৬ নম্বর ফরমে তল্লাশি ও পরিদর্শনের আবেদন এবং পরে ৩৭ নম্বর ফরমে নকলের আবেদন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে বর্তমান ফরম ও আবেদন জমার নিয়ম নিশ্চিত করে নিন।

চতুর্থ ধাপ: নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন

দলিলের নকল প্রস্তুত ও সরবরাহের জন্য প্রযোজ্য সরকারি ফি দিতে হবে। আবেদন গ্রহণের সময় ফি, অতিরিক্ত প্রযোজ্য খরচ এবং অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি জেনে নিন। টাকা জমা দিলে রসিদ সংগ্রহ করুন।

পঞ্চম ধাপ: সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করুন

রেকর্ড যাচাই ও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নির্ধারিত নিয়মে প্রত্যয়িত নকল সংগ্রহ করুন। হাতে পাওয়ার পর দলিল নম্বর, পক্ষগুলোর নাম, জমির তফসিল, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও অন্যান্য তথ্য মূল রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

দলিলের নম্বর জানা না থাকলে কী করবেন?

দলিলের নম্বর বা নিবন্ধনের সাল মনে না থাকলেও অনুসন্ধান বন্ধ হয়ে যায় না। রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষিত সূচিবহিতে দলিলের পক্ষগুলোর নাম এবং জমির মৌজাসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে।

এক্ষেত্রে যত বেশি নির্ভুল তথ্য দিতে পারবেন, দলিল শনাক্ত করা তত সহজ হবে। বিশেষ করে নিচের তথ্যগুলো কাজে আসতে পারে:

- জমির জেলা, উপজেলা ও সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম।

- মৌজার নাম এবং জে.এল. নম্বর জানা থাকলে সেটি।

- দাগ ও খতিয়ান নম্বর।

- দলিলের ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম।

- দলিল নিবন্ধনের সম্ভাব্য বছর।

- আগের কোনো ফটোকপি, বায়া দলিল বা জমিসংক্রান্ত কাগজপত্র।

মনে রাখবেন: শুধু খতিয়ান বা দাগ নম্বর জানলেই যে সঙ্গে সঙ্গে দলিলের নকল পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ডে তথ্য খুঁজে দলিল শনাক্ত করতে হবে।

জমির দলিলের নতুন কপি তুলতে কী কী কাগজ লাগতে পারে?

দলিলের নকলের আবেদনে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র অফিসভেদে এবং আবেদনের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। সাধারণভাবে নিচের তথ্যগুলো প্রস্তুত রাখা ভালো।

প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজকেন প্রয়োজন
আবেদনকারীর পরিচয়পত্র আবেদনকারীর পরিচয় যাচাইয়ের জন্য
দলিল নম্বর ও নিবন্ধনের সাল নির্দিষ্ট দলিল শনাক্ত করতে
ক্রেতা-বিক্রেতার নাম সূচিবহিতে অনুসন্ধানের জন্য
মৌজার নাম ও দাগ নম্বর জমির পরিচিতি নিশ্চিত করতে
পুরোনো ফটোকপি বা স্ক্যান দলিলের তথ্য যাচাইয়ে সহায়তার জন্য
প্রযোজ্য আবেদন ফরম ও ফি দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে

এটি প্রস্তুতিমূলক তালিকা, সব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক কাগজের চূড়ান্ত তালিকা নয়। আবেদন জমা দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা নিশ্চিত করুন।

জমির দলিলের নকল তুলতে কত টাকা লাগে?

দলিলের সার্টিফায়েড কপি তোলার খরচ দলিলের পৃষ্ঠাসংখ্যা, ভাষা, প্রযোজ্য ফি ও অন্যান্য নির্ধারিত খরচের ওপর নির্ভর করতে পারে। কিছু সরকারি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ওয়েবসাইটে নকল প্রস্তুতের ফি ও নকলনবিশের পারিশ্রমিকের পৃথক হার প্রকাশ করা আছে। তবে এসব অনলাইন তালিকার প্রকাশের তারিখ পুরোনো হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট অঙ্ককে বর্তমান সর্বত্র প্রযোজ্য ফি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে জেনে নিন:

- তল্লাশি ও পরিদর্শনের জন্য কোনো ফি দিতে হবে কি না।

- নকল প্রস্তুতের বর্তমান সরকারি ফি কত।

- কোর্ট ফি বা অন্য কোনো খরচ প্রযোজ্য কি না।

- সাধারণ ও অগ্রাধিকারভিত্তিক আবেদনের খরচ আলাদা কি না।

কত দিনে জমির দলিলের নকল পাওয়া যায়?

দলিলের নকল পাওয়ার জন্য সবার ক্ষেত্রে একই সময় লাগবে—এমন নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে নেওয়া উচিত নয়। দলিলের রেকর্ড সহজে পাওয়া যাচ্ছে কি না, পুরোনো নথি খুঁজতে হচ্ছে কি না, আবেদন অসম্পূর্ণ কি না এবং অফিসের কাজের চাপ কেমন—এসবের ওপর সময় নির্ভর করতে পারে।

দলিলের নম্বর, সাল ও অন্যান্য তথ্য আগে থেকেই জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হতে পারে। অন্যদিকে, বহু পুরোনো দলিল বা জেলা রেকর্ডরুমে সংরক্ষিত নথির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার সময় সম্ভাব্য সরবরাহের তারিখ জেনে রসিদ বা আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন।

দলিল হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করা কি জরুরি?

দলিল হারিয়ে গেলে কীভাবে হারিয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। অসাবধানতাবশত হারিয়ে গেলে এবং চুরি বা অন্য কারও নিয়ে যাওয়ার সন্দেহ থাকলে পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশের কাছে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার জন্য সব ক্ষেত্রেই জিডি বাধ্যতামূলক—এমন সাধারণ নিয়ম ধরে নেওয়া ঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে জেনে নিন, আপনার আবেদনের ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত নথি প্রয়োজন কি না।

আরও পড়ুন:

ওয়ারিশি জমির নামজারি: নিয়ম, কাগজপত্র ও খরচ

অনলাইনে জমির নামজারি করবেন যেভাবে, খরচ ১১৭০ টাকা

আপনার নামে কত জমি আছে? মোবাইলেই জানুন অনলাইনে

দলিল চুরি হয়ে থাকলে বা কেউ সেটি ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টা করলে দ্রুত পুলিশ ও প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। জিডি বা অভিযোগের কপি থাকলে সেটিও নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।

দলিলের নকল পাওয়া গেলে কি সেটি মূল দলিলের মতো ব্যবহার করা যাবে?

রেজিস্ট্রি অফিস থেকে যথাযথভাবে ইস্যু করা সার্টিফায়েড কপি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয়িত নথি। এটি প্রয়োজন অনুযায়ী জমিসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজে এবং আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে। রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫৭ ধারায় নির্দিষ্ট রেজিস্টারে থাকা তথ্যের প্রত্যয়িত নকল দেওয়ার বিধান রয়েছে।

তবে সার্টিফায়েড কপি হাতে পেলেই জমির মালিকানা নিয়ে সব প্রশ্নের নিষ্পত্তি হয়ে যায়, এমন নয়। জমির মালিকানা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দলিলের ধারাবাহিকতা, খতিয়ান, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ, দখল এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য নথিও বিবেচনায় আসতে পারে।

এ ছাড়া জমির বিরোধ, জালিয়াতি বা একাধিক ব্যক্তির মালিকানা দাবি থাকলে শুধু দলিলের নকলের ওপর নির্ভর না করে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া ভালো।

দলিল হারানো ঠেকাতে এখন থেকেই যা করবেন

মূল দলিল ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমির অন্যান্য কাগজপত্র এক জায়গায় গুছিয়ে রাখুন। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

- দলিলের প্রতিটি পৃষ্ঠা স্ক্যান করে নিরাপদ ডিজিটাল কপি রাখুন।

- দলিল নম্বর, নিবন্ধনের সাল ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম আলাদা করে লিখে রাখুন।

- ফটোকপি ও অন্যান্য জমির কাগজপত্র মূল দলিল থেকে পৃথক স্থানে সংরক্ষণ করুন।

- অননুমোদিত ব্যক্তির হাতে দলিলের কপি বা ব্যক্তিগত তথ্য তুলে দেবেন না।

- জমি বিক্রি, হস্তান্তর বা আইনি কাজে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথির সত্যতা যাচাই করুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জমির মূল দলিল হারিয়ে গেলে দেরি না করে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করা। দলিলের নম্বর জানা না থাকলেও জমির পরিচিতি ও পক্ষগুলোর তথ্য দিয়ে অনুসন্ধান শুরু করা যায়। প্রয়োজনীয় যাচাই ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. জমির দলিল হারিয়ে গেলে কি জমির মালিকানা চলে যায়?

না, শুধু মূল দলিল হারিয়ে গেলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমির মালিকানা শেষ হয়ে যায় না। তবে মালিকানা প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট দলিল ও অন্যান্য নথি যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

২. দলিল নম্বর না জানলে কি নকল পাওয়া সম্ভব?

সম্ভব হতে পারে। ক্রেতা-বিক্রেতার নাম, মৌজা, দাগ নম্বর ও নিবন্ধনের সম্ভাব্য সময়ের তথ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে অনুসন্ধান করা যায়।

৩. জমির দলিলের নকল কি অনলাইনে ডাউনলোড করা যায়?

সব নিবন্ধিত দলিলের সার্টিফায়েড কপি সরাসরি অনলাইনে ডাউনলোড করা যায়—এমন নিশ্চয়তা নেই। দলিলের নকলের জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

৪. দলিলের নকল পেতে কি আইনজীবী লাগবে?

সাধারণভাবে নিজেই সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করে আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন। তবে জটিল মালিকানা বিরোধ, পুরোনো রেকর্ড বা আইনি সমস্যা থাকলে আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

৫. পুরোনো জমির দলিলের নকল কোথায় পাওয়া যাবে?

প্রথমে যে অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছিল, সেখানে যোগাযোগ করুন। পুরোনো রেকর্ড সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের রেকর্ডরুমে থাকলে সেখানেও অনুসন্ধান করতে হতে পারে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ