Street Fighter রিভিউ: অ্যাকশন দুর্দান্ত, গল্পে দুর্বলতা
১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে Street Fighter। পরিচালক কিতাও সাকুরাইয়ের এই সিনেমায় মার্শাল আর্ট, অতিপ্রাকৃত শক্তি, হাস্যরস এবং ভিডিও গেমের পরিচিত চরিত্রগুলোকে একসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। অ্যান্ড্রু কোজি, নোয়া সেন্টিনিও, জেসন মোমোয়া ও ডেভিড ডাস্টমালচিয়ানের মতো অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি সিনেমাটিকে আকর্ষণীয় করেছে। তবে জমজমাট অ্যাকশন ও বিচিত্র চরিত্রের ভিড়েও গল্পের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ছবিটি।
সিনেমাটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর প্রাণবন্ত পরিবেশ। আগুনের গোলা ছোড়া, অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার ব্যবহার, অস্বাভাবিক চেহারার যোদ্ধা এবং একের পর এক লড়াই—সব মিলিয়ে পর্দায় তৈরি হয়েছে উচ্ছল ও বিশৃঙ্খল এক জগৎ। নির্মাতারা এখানে বাস্তবতার চেয়ে বিনোদনকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্ত কিছু দৃশ্যে ভালো ফল দিলেও অতিরিক্ত কৌতুক, অসংখ্য চরিত্র এবং দুর্বল চিত্রনাট্যের কারণে সিনেমাটি সব সময় প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
রিউ ও কেনের বন্ধুত্ব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অতীত
সিনেমার শুরুতে অ্যানিমে-ধাঁচের একটি দৃশ্যের মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় রিউ ও কেনের। অ্যান্ড্রু কোজি অভিনীত রিউ এবং নোয়া সেন্টিনিও অভিনীত কেন মার্শাল আর্টের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে একসময় ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে উঠেছিল। তাদের গুরু গৌকেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ডন লি।
পরবর্তী সময়ে দুজনের জীবন আলাদা পথে এগোয়। রিউ ধীরে ধীরে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেলেও কেন জনপ্রিয় সংস্কৃতির পরিচিত মুখ হয়ে ওঠে। কিন্তু খ্যাতি অর্জনের পরও কেনের মনে একটি অস্বস্তি থেকে যায়—রিউ হয়তো তার চেয়ে ভালো যোদ্ধা। রিউয়ের ‘হাডো পাওয়ার’ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
হাডো পাওয়ার হলো আত্মিক জগতের সঙ্গে সম্পর্কিত এক রহস্যময় শক্তি, যা কেবল শ্রেষ্ঠ যোদ্ধারাই ব্যবহার করতে পারে। তবে সিনেমায় এই ক্ষমতার ব্যাখ্যা খুব বেশি বিস্তৃত নয়। ফলে গল্পের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি সম্পর্কে দর্শক বিস্তারিত ধারণা পাওয়ার আগেই কাহিনি এগিয়ে যায়।
এম. বাইসনের টুর্নামেন্ট ঘিরে মূল সংঘাত
ডেভিড ডাস্টমালচিয়ান অভিনীত এম. বাইসন শাডালু অপরাধী সংগঠনের নিষ্ঠুর নেতা। নিজের ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সে বিশ্বের সেরা যোদ্ধাদের নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। তার লক্ষ্য পর্যাপ্ত হাডো পাওয়ার সংগ্রহ করা, যা তার নিজস্ব পরিসরে ‘সাইকো পাওয়ার’ নামে পরিচিত। এই শক্তি ব্যবহার করে নিজের জন্য বিশেষ লড়াইয়ের কৌশল অর্জন করতে চায় বাইসন।
এই আয়োজন সিনেমার দ্বিতীয়ার্ধের মূল ভিত্তি তৈরি করলেও টুর্নামেন্টের গুরুত্ব সব সময় গল্পে সমানভাবে বজায় থাকে না। বিভিন্ন চরিত্র, তাদের ক্ষমতা এবং ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য একত্র করার চেষ্টা থাকলেও কাহিনির গভীরতা তুলনামূলকভাবে কম। চরিত্রের সংখ্যা বাড়লেও তাদের প্রত্যেকের গল্প যথেষ্ট বিকশিত হয়নি।
কেনের চরিত্রে নোয়া সেন্টিনিওর সাবলীল অভিনয়
দুই প্রধান চরিত্রের মধ্যে কেনের ব্যক্তিত্ব প্রকাশের সুযোগ তুলনামূলকভাবে বেশি পেয়েছেন নোয়া সেন্টিনিও। রিউয়ের ছায়ায় থাকার অস্বস্তি, নিজের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা এবং সবার মনোযোগ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তাঁর অভিনয়ে প্রাণ পেয়েছে। কেনের অস্থিরতা ও ছোট ভাইসুলভ আচরণ সিনেমার হাস্যরসের একটি কার্যকর উৎস।
তবে চরিত্রটির উদ্দেশ্য সব সময় পরিষ্কার নয়। কেন টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে রিউকে হারানোর জন্য, গুরুর প্রতি সম্মান জানাতে, নাকি অন্য কোনো কারণে—সিনেমা তা যথেষ্ট স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেনি। ফলে পরবর্তী সময়ে তার ব্যক্তিগত সংকটগুলো আরও গভীর আবেগ তৈরি করার সুযোগ হারায়।
অন্যদিকে রিউয়ের চরিত্রে অ্যান্ড্রু কোজি সংযত অভিনয় করেছেন। তার শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অন্ধকার শক্তির সঙ্গে দ্বন্দ্ব কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত চরিত্র আকুমার ভূমিকায় রয়েছেন রোমান রেইনস। রিউ ও কেনের অতীতের সঙ্গে আকুমার সম্পর্ক বোঝাতে সিনেমায় বারবার ফ্ল্যাশব্যাক দেখানো হয়েছে। তবে অতীতের দৃশ্যে ঘন ঘন ফিরে যাওয়ার কারণে গল্পের গতি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়।
কোজির অভিনয়ের বিশেষত্ব হলো, তিনি রিউয়ের গম্ভীর স্বভাবকে একঘেয়ে হতে দেননি। অন্যদিকে কেনের প্রাণচাঞ্চল্য এই সংযমের সঙ্গে সুন্দর বৈপরীত্য তৈরি করে। হোটেলের একটি কক্ষে রিউ ও কেনের লড়াইয়ে তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালোভাবে ফুটে ওঠে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে হাস্যরস এবং ক্যামেরার সাবলীল ব্যবহার দৃশ্যটিকে সিনেমার উল্লেখযোগ্য মুহূর্তগুলোর একটিতে পরিণত করেছে।
অ্যাকশন সিনেমার শক্তি, কিন্তু অতিরিক্ত কৌতুকে ছন্দপতন
Street Fighter-এ লড়াইয়ের অভাব নেই। সিনেমার বিভিন্ন পর্যায়ে মারামারির দৃশ্য কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের টুর্নামেন্টে অ্যাকশন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হংকংয়ের মার্শাল আর্ট সিনেমা, অ্যানিমে এবং আশি ও নব্বইয়ের দশকের চলচ্চিত্রের প্রভাব এসব দৃশ্যে দেখা যায়।
কিছু লড়াইয়ে নিখুঁত কোরিওগ্রাফি গুরুত্ব পেয়েছে, আবার কোথাও বড় পরিসরের বীরত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও গেম থেকে অনুপ্রাণিত অ্যাকশন ও কমেডির সমন্বয়ের কারণে Scott Pilgrim vs. The World সিনেমাটির সঙ্গেও এর মিল রয়েছে।
তবে পরিচালক কিতাও সাকুরাই অনেক দৃশ্যে একসঙ্গে এত বেশি কৌতুক ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা যুক্ত করেছেন যে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার আগেই দৃশ্য বদলে যায়। স্টান্ট দলের কাজ প্রশংসনীয় এবং জটিল অ্যাকশন সামলাতে সক্ষম অভিনয়শিল্পীরাও ভালো করেছেন। কিন্তু গল্প যত এগিয়েছে, ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের ব্যবহার তত বেড়েছে। এসব সংযোজন সব ক্ষেত্রে অ্যাকশনের তীব্রতা বা বাস্তব অনুভূতি বাড়াতে পারেনি।
গেমের পরিচিত চরিত্রগুলোই বড় আকর্ষণ
গল্পের সীমাবদ্ধতা থাকলেও গেমের বিভিন্ন চরিত্রকে পর্দায় হাজির করার ক্ষেত্রে সিনেমাটি বৈচিত্র্য দেখিয়েছে। চুন-লি, গাইল, ভেগা, ধালসিম ও ক্যামির মতো পরিচিত চরিত্রের সঙ্গে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় প্রথমার্ধে। পরে মেট্রোলাও সিটিতে টুর্নামেন্ট শুরু হলে তাদের উপস্থিতি বজায় থাকে।
চুন-লির চরিত্রে ক্যালিনা লিয়াং, গাইলের ভূমিকায় কোডি রোডস, ভেগা চরিত্রে অরভিল পেক, ধালসিমের ভূমিকায় বিদ্যুৎ জামওয়াল এবং ক্যামির চরিত্রে মেল জার্নসন অভিনয় করেছেন।
টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার পেছনে চরিত্রগুলোর ব্যক্তিগত কারণ পরে আর তেমন গুরুত্ব পায় না। তবে এর ফলে তাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, আচরণ ও হাস্যরস পর্দায় তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সিনেমার অনেক চরিত্রের সংলাপ ও ব্যক্তিত্ব চিত্রনাট্যে পর্যাপ্ত গভীরতা না পেলেও অভিনয়শিল্পীদের পারফরম্যান্স তাদের আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
ড্যান হিবিকি ও গাইলের উপস্থিতিতে বাড়তি বিনোদন
অ্যান্ড্রু শুলজ অভিনীত ড্যান হিবিকি সিনেমার অন্যতম চমক। রিউ হারিয়ে যাওয়ার পর কেনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তার আবির্ভাব ঘটে। শুরুতে কেনের এজেন্ট ড্যানকে অর্থলোভী ও সুযোগসন্ধানী মনে হলেও পরে বন্ধুর প্রতি তার আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। এই সম্পর্ক সিনেমার অল্প কয়েকটি আবেগঘন দিকের একটি।
শক্তিশালী যোদ্ধাদের পাশে নিজেকে অসহায় মনে করা ড্যানের বিভিন্ন পরিস্থিতি হাস্যরস তৈরি করে। অ্যান্ড্রু শুলজ চরিত্রটির এই সীমাবদ্ধতাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়েছেন।
এরিক আন্দ্রে অভিনীত উপস্থাপক ডন স্যাভেজও সিনেমার কমেডির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর চরিত্রে অভিনেতার নিজস্ব অপ্রত্যাশিত ও বিশৃঙ্খল অভিনয়শৈলী স্পষ্ট। অন্যদিকে কোডি রোডসের গাইল চরিত্রের প্রবেশ দৃশ্যটিও নজরকাড়া। পরিচিত থিম সংগীতের সঙ্গে তার আবির্ভাব চরিত্রটিকে আলাদা মাত্রা দেয়। তবে পর্দায় তার উপস্থিতির সময় তুলনামূলকভাবে কম।
বালরগ ও জ্যাংগিফের মতো চরিত্রগুলো মূলত সংক্ষিপ্ত উপস্থিতিতে সীমাবদ্ধ থাকলেও নিজেদের দৃশ্যে আলাদা বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে।
জেসন মোমোয়ার ব্লাঙ্কা ও ডেভিড ডাস্টমালচিয়ানের বাইসন
জেসন মোমোয়ার ব্লাঙ্কা চরিত্রটি সিনেমায় খুব বেশি সময় পায় না। তবু তার অস্বাভাবিক কম্পিউটার-নির্মিত চেহারা এবং কথা বলার অদ্ভুত ধরন দর্শকের মনে বিস্ময় ও হাস্যরসের মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
ডেভিড ডাস্টমালচিয়ানের এম. বাইসনও নিজের অদ্ভুত ব্যক্তিত্বের কারণে নজর কাড়ে। ক্ষমতার প্রতি তার আকর্ষণ এবং সেই ক্ষমতা অর্জনের পথে ক্রমশ তৃপ্ত হয়ে ওঠার আচরণ চরিত্রটিকে প্রচলিত ভয়ংকর খলনায়কের ধারণা থেকে কিছুটা আলাদা করেছে। ডাস্টমালচিয়ান এই বৈশিষ্ট্যগুলো সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
এই চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রে অভিনয়শিল্পীদের নিজস্ব শক্তি চিত্রনাট্যের সীমাবদ্ধতা অনেকটাই সামলে দিয়েছে। তবে সব চরিত্র সমানভাবে বিকশিত না হওয়ায় তাদের সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগানো যায়নি।
নারী চরিত্রের উপস্থাপনায় প্রশ্ন
চুন-লি ও ক্যামির মতো গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্রের উপস্থাপনা সিনেমাটির দুর্বল দিকগুলোর একটি। ভিডিও গেমে এই চরিত্রগুলোকে অতিরিক্ত যৌন আবেদননির্ভরভাবে উপস্থাপনের যে প্রবণতা রয়েছে, সেটিকে সিনেমাটি যথেষ্ট সচেতনভাবে ব্যঙ্গ বা সমালোচনা করতে পারেনি। বরং সেই উপস্থাপন আরও জোরালো হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অন্যান্য চরিত্রের ক্ষেত্রে অভিনয়শিল্পীরা নিজেদের দক্ষতা দিয়ে দুর্বল চিত্রনাট্যের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করেছেন। কিন্তু নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপনায় সেই প্রচেষ্টা একইভাবে কার্যকর হয়নি।
নব্বইয়ের দশকের আবহ তৈরিতে পুরোপুরি সফল নয় সিনেমাটি
Street Fighter-এর কাহিনি নব্বইয়ের দশকে স্থাপন করা হয়েছে। এই সময়কালকে ঘিরে নস্টালজিয়া ও ক্যাম্পধর্মী হাস্যরস তৈরির সুযোগ ছিল। কিন্তু দৃশ্যসজ্জা ও নির্মাণশৈলীতে সেই দশকের বৈশিষ্ট্য সব সময় স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।
পরিবেশ ও দৃশ্যসজ্জার চেয়ে পরিচিত গান ব্যবহারের মাধ্যমে সময়কালটির আবহ তৈরির চেষ্টা বেশি চোখে পড়ে। এমনকি ব্যবহৃত একটি গান সিনেমার কাহিনি যে দশকে স্থাপন করা হয়েছে, সেই দশকের একেবারে শেষ দিকেও প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে সংগীতের ওপর নির্ভর করে নব্বইয়ের দশকের আবহ তৈরির প্রচেষ্টা সব ক্ষেত্রে সফল হয়নি।
Street Fighter কি দেখার মতো সিনেমা?
Street Fighter এমন একটি অ্যাকশন-কমেডি, যেখানে গল্পের গভীরতা ও যুক্তির ধারাবাহিকতার চেয়ে বিনোদন, লড়াই এবং অদ্ভুত চরিত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কিতাও সাকুরাইয়ের পরিচালনায় সিনেমাটি অনেক সময় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অভিনয়শিল্পীদের পারফরম্যান্স, রিউ ও কেনের পারস্পরিক রসায়ন এবং গেমের চরিত্রগুলোর বৈচিত্র্য এর উল্লেখযোগ্য শক্তি।
অন্যদিকে অসংখ্য চরিত্র, অসম্পূর্ণভাবে বিকশিত কাহিনি, অতিরিক্ত কৌতুক এবং কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের ওপর নির্ভরতা সিনেমাটির দুর্বলতা। নারী চরিত্রের উপস্থাপনা এবং নব্বইয়ের দশকের আবহ তৈরিতেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, Street Fighter নিখুঁত গল্পনির্ভর সিনেমা নয়। তবে দ্রুতগতির অ্যাকশন, কমেডি এবং ভিডিও গেমের পরিচিত চরিত্র দেখতে আগ্রহী দর্শকদের জন্য এটি উপভোগ্য হতে পারে। এর সব চেষ্টা সফল না হলেও যেসব দৃশ্য কার্যকর হয়েছে, সেগুলো সিনেমাটিকে বিনোদনমূলক করে তুলেছে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. Street Fighter সিনেমাটি কবে মুক্তি পেয়েছে?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটি ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
২. Street Fighter সিনেমার পরিচালক কে?
সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন কিতাও সাকুরাই।
৩. সিনেমায় রিউ ও কেনের চরিত্রে কারা অভিনয় করেছেন?
অ্যান্ড্রু কোজি রিউ এবং নোয়া সেন্টিনিও কেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
৪. Street Fighter সিনেমার প্রধান খলনায়ক কে?
ডেভিড ডাস্টমালচিয়ান অভিনীত এম. বাইসন শাডালু অপরাধী সংগঠনের নেতা। হাডো পাওয়ার সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সে বিশ্বের সেরা যোদ্ধাদের নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে।
৫. Street Fighter সিনেমার ভালো ও খারাপ দিক কী?
সিনেমাটির শক্তি হলো দ্রুতগতির অ্যাকশন, বৈচিত্র্যময় চরিত্র, অভিনয় ও কমেডি। দুর্বল দিকের মধ্যে রয়েছে গল্পের গভীরতার অভাব, কিছু চরিত্রের অস্পষ্ট উদ্দেশ্য, অতিরিক্ত কৌতুক এবং নারী চরিত্রের উপস্থাপনায় সীমাবদ্ধতা।
তানভির ইসলাম/