ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

রানারের ডিভিডেন্ড কি বাড়বে? ২৬ অক্টোবরের সভায় নজর

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২০ ১৪:৫২:৪৯
রানারের ডিভিডেন্ড কি বাড়বে? ২৬ অক্টোবরের সভায় নজর

আগামী ২৬ অক্টোবর, সোমবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে বসছে রানার অটোমোবাইলস পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা। এই সভাতেই বিবেচনায় আসবে ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন। আগের বছর ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এবার তা বাড়বে, নাকি একই থাকবে, এ নিয়েই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ। কারণ, নয় মাসের হিসাবে আয়ের চিত্র বেশ ভালো হলেও পুরোটা মসৃণ ছিল না।

নয় মাসের হিসাব এক নজরে

২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির অনিরীক্ষিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র:

শেয়ারপ্রতি আয়: ৫০ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭ পয়সা। বেড়েছে ৪৩ পয়সা, শতাংশের হিসাবে প্রায় ৬১৪ দশমিক ২৯।

শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ: ১৬ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর ছিল ১৪ টাকা ২৮ পয়সা। বেড়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, অর্থাৎ প্রায় ১৬ দশমিক ১১ শতাংশ।

শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য: ৩১ মার্চ ৬৬ টাকা ২০ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন ছিল ৬৬ টাকা ৭০ পয়সা। কমেছে ৫০ পয়সা, প্রায় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ।

তবে ৫০ পয়সার এই আয় একটানা ভালো সময়ের ফল নয়। মুনাফা, লোকসান আর আবার মুনাফা, এই তিন ধাপ পেরিয়ে এসেছে সংখ্যাটি।

তিন প্রান্তিকে তিন রকম ছবি

জুলাই-সেপ্টেম্বর: লোকসান থেকে মুনাফায়। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ঋণাত্মক ৭২ পয়সা, অর্থাৎ ফলাফল ভালো হয়েছে ১ টাকা ১০ পয়সা। কোম্পানির ব্যাখ্যা, তিন চাকার ও চার চাকার বাণিজ্যিক যানবাহনের বিক্রি বাড়ায় আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

অক্টোবর-ডিসেম্বর: আবার ধাক্কা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় নেমে যায় ঋণাত্মক ১২ পয়সায়, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৫ পয়সা। অবনতি ৪৭ পয়সা। কোম্পানি বলছে, তিন চাকার যানবাহন বিভাগের সরবরাহব্যবস্থায় অনিবার্য বিঘ্ন ঘটায় রাজস্ব আয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথম প্রান্তিকে বিক্রি বাড়ার যে সুফল মিলেছিল, তা এই সময় ধরে রাখা যায়নি। তবু প্রথম ছয় মাস মিলিয়ে কোম্পানি মুনাফায় ছিল। ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় ২৬ পয়সা, আগের বছর ছিল ঋণাত্মক ৩৭ পয়সা, উন্নতি ৬৩ পয়সা।

জানুয়ারি-মার্চ: মুনাফা টিকল, তবে আগের বছরের নিচে। তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় ২৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ের ৪৩ পয়সার তুলনায় তা ১৯ পয়সা বা প্রায় ৪৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কম। আগের বছরের এই প্রান্তিকে আয় তুলনামূলক বেশি ছিল বলেই এবারের অঙ্ক কম দেখাচ্ছে। তবু চলতি অর্থবছরে কোম্পানি মুনাফা ধরে রেখেছে। শুধু এক প্রান্তিকের তুলনা দেখে পুরো অর্থবছরের অবস্থা বোঝা যাবে না, কারণ প্রথম দুই প্রান্তিকের সম্মিলিত উন্নতিই নয় মাসের আয়কে ৫০ পয়সায় টেনে তুলেছে।

নগদ প্রবাহ: চাপ থেকে উত্তরণ

শুরুর দিকে নগদ প্রবাহ ছিল চাপে। প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ নেমে আসে ৩ টাকা ৭০ পয়সায়, আগের বছর ছিল ৭ টাকা ১০ পয়সা। কমেছে ৩ টাকা ৪০ পয়সা বা প্রায় ৪৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ছয় মাসের হিসাবেও একই প্রবণতা: ৭ টাকা ৩১ পয়সা, আগের বছর ছিল ১৪ টাকা ১১ পয়সা, হ্রাস ৬ টাকা ৮০ পয়সা বা প্রায় ৪৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। দুই ক্ষেত্রেই কোম্পানি কারণ হিসেবে সরবরাহকারীদের পাওনা পরিশোধের কথা বলেছে।

পরিস্থিতি বদলায় তৃতীয় প্রান্তিকে। কোম্পানির ভাষ্য, গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় বাড়ায় নয় মাসের সম্মিলিত নগদ প্রবাহ ইতিবাচক হয়েছে। তবে এ থেকে সরবরাহসংকট পুরোপুরি কেটে গেছে বা ব্যবসার সব বিভাগ স্বাভাবিক হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

সম্পদমূল্য এখনো আগের অবস্থানে ফেরেনি

২০২৫ সালের ৩০ জুন শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৬৬ টাকা ৭০ পয়সা। প্রথম প্রান্তিক শেষে (৩০ সেপ্টেম্বর) তা বেড়ে হয় ৬৭ টাকা ৮ পয়সা, অর্থাৎ ৩৮ পয়সা বৃদ্ধি। কোম্পানি এর কারণ হিসেবে মুনাফার উন্নতি এবং মূল কোম্পানি ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নিট সম্পদমূল্য বাড়ার কথা বলেছে।

কিন্তু ৩১ ডিসেম্বর তা নেমে আসে ৬৫ টাকা ৯৬ পয়সায়, যা ছয় মাসে ৭৪ পয়সা কম। কারণ হিসেবে কোম্পানি জানিয়েছে, তিন চাকার যানবাহন ব্যবসায় অপ্রত্যাশিত সরবরাহসংকটে মুনাফা কমে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নয় মাস শেষে (৩১ মার্চ) অঙ্কটি ৬৬ টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানির ব্যাখ্যায় এখানে শেয়ারহোল্ডারদের ডিভিডেন্ড পরিশোধের কথাও যুক্ত হয়েছে। ফলে আয় ও নগদ প্রবাহ ভালো হলেও সম্পদমূল্য আগের অর্থবছরের সমাপনী অবস্থানে ফিরতে পারেনি।

বিওয়াইডি: সম্ভাবনার নতুন দরজা

রানারের ভবিষ্যৎ ব্যবসার সবচেয়ে আলোচিত অধ্যায় চীনের গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডির সঙ্গে অংশীদারত্ব। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০২৬ সালের ২০ মার্চ বিওয়াইডি অটো ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে মাস্টার সাপ্লাই অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের অনুমোদন দেয়। কোম্পানি একে বাংলাদেশের অটোমোবাইল শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রশ্নের জবাবে কোম্পানি জানায়:

এই চুক্তি হবে সম্পূর্ণভাবে সংযোজিত যানবাহন উৎপাদনব্যবস্থার মূল কাঠামো।

প্রকল্পের বিনিয়োগ-সম্ভাব্যতা, বাস্তবায়নের সময়সূচি ও প্রত্যাশিত আর্থিক ফল মূল্যায়নের ভিত্তি হিসেবে চুক্তিটি ব্যবহার হচ্ছে।

প্রতিটি গাড়ির মডেলের জন্য আলাদা কারিগরি লাইসেন্স চুক্তি করতে হবে, যেখানে বাণিজ্যিক, পরিচালন ও আর্থিক শর্ত আরও বিস্তারিত ঠিক হবে।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, মূল চুক্তিটি ২০২৫ সালের ২০ মার্চ চীনের শেনজেনে এক সম্মেলনের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তখন বিওয়াইডির পক্ষে অবশিষ্ট আইনি আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। চূড়ান্ত বিনিয়োগের অঙ্ক, আর্থিক পূর্বাভাস ও ফলাফল তখনো মূল্যায়নাধীন ছিল এবং সরবরাহকারী ও কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল ছিল।

পরে রানারের পর্ষদ সংশ্লিষ্ট কারিগরি লাইসেন্স চুক্তি স্বাক্ষর এবং বিওয়াইডির সম্পূর্ণ তৈরি যানবাহন আমদানি ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন দেয়। কোম্পানির ভাষ্য, প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক গড়া ও উৎপাদন প্রকল্প চালুর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চুক্তির অনুলিপি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া তখনো বাকি ছিল।

আমদানি ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে নতুন যানবাহন বাজারে আনা কোম্পানির বিক্রয়ে সহায়ক হতে পারে। তবে কখন কত আয় আসবে, বিনিয়োগ কত হবে এবং মুনাফায় কতটা অবদান থাকবে, এসব বিষয়ে চূড়ান্ত আর্থিক তথ্য প্রকাশ হয়নি। তাই নির্দিষ্ট অঙ্কে সম্ভাব্য আয় এখনই বলা যায় না। একটি বিষয় আলাদা করে মনে রাখা জরুরি: তৃতীয় প্রান্তিকে মুনাফায় থাকার কারণ হিসেবে কোম্পানি সরবরাহসংকটের প্রভাব ও গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের উন্নতির কথা বলেছে। বিওয়াইডি চুক্তিকে ওই মুনাফার প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

মূলধন পুনর্গঠন: কী অনুমোদন হয়েছে, কী বাকি

২০২৬ সালের ২০ আগস্ট ২০২তম সভায় কোম্পানির পর্ষদ দুটি বড় প্রস্তাব অনুমোদন করে:

অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করা।২৫০ কোটি টাকার ক্রমপুঞ্জীভূত, অংশগ্রহণবিহীন অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু, যার ৫০ শতাংশ রূপান্তরের সুযোগ থাকবে।

দুটিই বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ সাধারণ সভা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরসহ প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন লাগবে।

এই উদ্যোগ ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের চাহিদা মেটানো ও আর্থিক কাঠামো মজবুত করতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবার নতুন শেয়ার ইস্যু ও মূলধন কাঠামোর বদল বিদ্যমান সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অংশীদারত্বের অনুপাত এবং ভবিষ্যৎ শেয়ারপ্রতি আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। সেই প্রভাব নির্ভর করবে ইস্যুর শর্ত, রূপান্তরের বাস্তবায়ন, অর্থের ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ মুনাফার ওপর। তাই মূলধন বৃদ্ধির প্রস্তাবকে মুনাফা বা লভ্যাংশ বাড়ার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

ঋণমান

ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড রানার অটোমোবাইলসকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ১’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ ঋণমান দিয়েছে। ঋণমানের পূর্বাভাস স্থিতিশীল। ২০২৫, ২০২৪ ও ২০২৩ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিত্তিতে এই মূল্যায়ন হয়েছে।

লভ্যাংশ বাড়ার পক্ষে ও বিপক্ষে

যা ইতিবাচক:

নয় মাসে শেয়ারপ্রতি আয় ৭ পয়সা থেকে ৫০ পয়সায় উঠেছে।

গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় বাড়ায় নয় মাসের পরিচালন নগদ প্রবাহ ১৪ টাকা ২৮ পয়সা থেকে বেড়ে ১৬ টাকা ৫৮ পয়সা হয়েছে।

বাণিজ্যিক যানবাহনের বিক্রি বাড়ায় প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানি লোকসান কাটিয়েছে।

বিওয়াইডির সঙ্গে অংশীদারত্ব ও সম্প্রসারণ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

যা অনিশ্চিত:

দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ১২ পয়সা লোকসান হয়েছে।

তৃতীয় প্রান্তিকে আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৪ শতাংশের বেশি কমেছে।

নয় মাসের নিট সম্পদমূল্য আগের অর্থবছরের সমাপনী অবস্থানের নিচে।

সরবরাহব্যবস্থার সমস্যা পুরোপুরি কেটেছে কি না এবং বিওয়াইডি প্রকল্প থেকে কবে আয় শুরু হবে, তা নিশ্চিত নয়।

ডিভিডেন্ড ঠিক করার সময় পর্ষদ শুধু শেয়ারপ্রতি আয় নয়, পুরো বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, নগদ অর্থের প্রাপ্যতা, পরিচালন নগদ প্রবাহ, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের প্রয়োজন ও মূলধন পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও বিবেচনা করতে পারে। বড় বিনিয়োগের দরকার হলে মুনাফার একটি অংশ ব্যবসায় ধরে রাখার সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে আয় বাড়লেও ক্যাশ ডিভিডেন্ড একই থাকার সম্ভাবনা থাকে। উল্টো দিকে, শেষ প্রান্তিকে বিক্রি ও মুনাফা ভালো হলে, নগদ প্রবাহ ইতিবাচক থাকলে এবং সরবরাহসংকটের প্রভাব কমে উৎপাদন ও বিক্রি স্বাভাবিক হলে ১০ শতাংশের বেশি দেওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে। এসব সম্ভাবনা কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা নির্ভর করবে পূর্ণ বছরের ফল ও ব্যবসায়িক পরিস্থিতির ওপর।

সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রানারের ডিভিডেন্ড বাড়ার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু নিশ্চয়তা নেই। এ বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ইঙ্গিত মিলবে ২৬ অক্টোবরের সভায় প্রকাশিত নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও ডিভিডেন্ডের সুপারিশে।

প্রাসঙ্গিক FAQ

প্রশ্ন ১: রানার অটোমোবাইলসের ডিভিডেন্ড নিয়ে পর্ষদ সভা কবে?

উত্তর: ২০২৬ সালের ২৬ অক্টোবর, সোমবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে। সভায় ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হবে। চলতি অর্থবছরের ডিভিডেন্ডের পরিমাণ এখনো ঘোষণা হয়নি।

প্রশ্ন ২: গত অর্থবছরে রানার কত ডিভিডেন্ড সুপারিশ করেছিল?

উত্তর: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড।

প্রশ্ন ৩: নয় মাসে রানারের শেয়ারপ্রতি আয় কত?

উত্তর: ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৫০ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৭ পয়সা।

প্রশ্ন ৪: দ্বিতীয় প্রান্তিকে কেন লোকসান হয়েছিল?

উত্তর: কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তিন চাকার যানবাহন বিভাগের সরবরাহব্যবস্থায় অনিবার্য বিঘ্নের কারণে রাজস্ব আয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ওই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় ঋণাত্মক ১২ পয়সায় নেমে যায়।

প্রশ্ন ৫: রানারের মূলধন বাড়ানোর পরিকল্পনা কী?

উত্তর: ২০২৬ সালের ২০ আগস্টের সভায় পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব এবং ২৫০ কোটি টাকার ক্রমপুঞ্জীভূত, অংশগ্রহণবিহীন অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বিশেষ সাধারণ সভা, বিএসইসি ও আরজেএসসিসহ প্রযোজ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: