ঢাকা, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি?

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৪:১৫:৪০
বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি?

জিম্বাবুয়ের কাছে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের পর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কঠিন সমীকরণের মুখে বাংলাদেশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজাহতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় পেলেই চলবে না, ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে জিততে হবে বড় ব্যবধানে। অন্যদিকে, দারুণ ছন্দে থাকা আফগানিস্তান জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ফাইনালের পথে এগিয়ে যেতে চাইবে।

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে। দিবা-রাত্রির এই ম্যাচে টস, ব্যাটিং এবং বোলিংয়ের পরিকল্পনা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, প্রতিপক্ষকে হারানোর পাশাপাশি রান ব্যবধান কিংবা রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ওভারসংখ্যার হিসাবও বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচের সমীকরণ কী?

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। বিপরীতে আফগানিস্তান নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। দুই দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের এই পার্থক্যই বুধবারের ম্যাচে আফগানিস্তানকে এগিয়ে রাখছে।

ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে টিকে থাকতে বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে। প্রথমে ব্যাটিং করলে প্রায় ৪০ রানের ব্যবধানে জয় বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন হতে পারে। আর রান তাড়া করতে নামলে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে তুলনামূলক কম ওভারে। ফলে বাংলাদেশের সামনে কাজটি যে সহজ নয়, তা বলাই যায়।

বাংলাদেশের এই ম্যাচের ফলাফলের দিকে বিশেষ নজর থাকবে জিম্বাবুয়েরও। ফাইনালের সমীকরণে বাংলাদেশের জয়-পরাজয় এবং জয়ের ব্যবধান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

দুর্দান্ত ছন্দে আফগানিস্তান, চাপে বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কতটা কঠিন, তা বুঝতে দুই দলের সাম্প্রতিক ফলাফলই যথেষ্ট। সর্বশেষ পাঁচটি সম্পন্ন ম্যাচে আফগানিস্তানের জয়-পরাজয়ের ধারাবাহিকতা WWWWL। অন্যদিকে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই রেকর্ড LWLLL। অর্থাৎ, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে দুই দলের মধ্যে স্পষ্ট ব্যবধান রয়েছে।

সোমবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৫৮ রানের জয়টি ছিল দলটির সামগ্রিক দক্ষতার প্রতিফলন। ব্যাট হাতে সেদিন সেদিকউল্লাহ আতাল নিজের তৃতীয় ওয়ানডে শতক তুলে নেন। ইব্রাহিম জাদরানও বড় ইনিংসের সম্ভাবনা তৈরি করলেও নব্বইয়ের ঘরে আউট হন। ক্যারিয়ারের তুলনামূলক শুরুর পর্যায়েই এটি নব্বইয়ের ঘরে তার চতুর্থবার আউট হওয়ার ঘটনা।

বল হাতে আফগানিস্তানের সাফল্য আরও পূর্ণতা পায় রশিদ খানের চার উইকেট শিকারে। মাঝের ওভারগুলোতে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং ভেঙে দেওয়ার পরিচিত দক্ষতা আবারও দেখান তিনি। পাশাপাশি ফজলহক ফারুকি ও এএম গজনফরও কার্যকর বোলিং করেন।

অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের বোলাররা প্রথম তিনটি উইকেট নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় সময়ে আর সাফল্য এনে দিতে পারেননি। ব্যাটাররাও ভালো শুরুকে বড় ইনিংসে রূপ দিতে ব্যর্থ হন। দলের এমন পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ ও প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।

তাসকিন দলের পরিস্থিতি বুঝে খেলার ঘাটতির কথা স্বীকার করেছেন। কোচ সিমন্সের মূল্যায়নেও উঠে এসেছে ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারার বিষয়টি। অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও কোচের এমন বক্তব্য ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জের দিকটি তুলে ধরছে।

বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি ইব্রাহিম জাদরান

আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে ইব্রাহিম জাদরানের ওপর। সোমবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯০ রানের ইনিংস খেলা এই ব্যাটার আগেও বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

গত বছর বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা দুটি ম্যাচে ৯৫ রান করে আউট হয়েছিলেন জাদরান। এবার শারজাহতে তার সামনে রয়েছে বড় ইনিংস খেলার আরেকটি সুযোগ। আগের ম্যাচে তার ব্যাটিং এবং শট খেলার দক্ষতা বিবেচনায় আফগানিস্তানের ইনিংসের ভিত্তি গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন তিনি।

জাদরান শুরুটা ভালো করতে পারলে আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহ গড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তাই এই ওপেনারকে দ্রুত ফেরানো বাংলাদেশের বোলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হয়ে দাঁড়াবে।

জাদরানকে থামানোর দায়িত্বে শরিফুল ইসলাম

ইব্রাহিম জাদরানকে আউট করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো রেকর্ড শরিফুল ইসলামের। সব সংস্করণ মিলিয়ে ৫৫ বলের মধ্যে ছয়বার জাদরানকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন শরিফুল। এর মধ্যে ওয়ানডেতে রয়েছে দুটি উইকেট।

শরিফুলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও বাংলাদেশের জন্য আশার জায়গা হতে পারে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে তিনি ৪৭ রানের বিনিময়ে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। এর আগে ম্যাকেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে সাত উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও রয়েছে তার।

ডানহাতি ব্যাটারদের বিপক্ষে বল ভেতরের দিকে ফিরিয়ে আনার দক্ষতা শরিফুলের বোলিংকে কার্যকর করে তুলেছে। জাদরানের মতো ব্যাটারকে চাপে রাখতে সেই দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগ প্রয়োজন হবে।

আফগানিস্তানের একাদশে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম

দ্রুতগতির বোলারদের বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা না থাকলে আফগানিস্তানের একাদশে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখছে না দলটি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বড় জয় পাওয়ার পর একই সমন্বয় ধরে রাখার সম্ভাবনাই বেশি।

সম্ভাব্য আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকউল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহিদি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, এএম গজনফর, জিয়া উর রহমান ও ফজলহক ফারুকি।

মিরাজের অসুস্থতা ভাবাচ্ছে বাংলাদেশকে

বাংলাদেশের একাদশ সাজানোর ক্ষেত্রে বড় উদ্বেগের কারণ মেহেদী হাসান মিরাজের শারীরিক অবস্থা। ভাইরাল জ্বর থেকে তিনি সেরে উঠতে না পারলে দলের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং ও বোলিংয়ের সমন্বয় ঠিক রেখে একাদশ নির্বাচন করতে হবে বাংলাদেশকে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যর্থতার পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে দলটির জন্য সঠিক সমন্বয় খুঁজে পাওয়া জরুরি।

সম্ভাব্য বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন, নুরুল হাসান (উইকেটরক্ষক), রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।

শারজাহর পিচে টস জিতে কী করতে চাইবে দুই দল?

শারজাহর আবহাওয়া ও পিচের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় টসজয়ী দল প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দিবা-রাত্রির ওয়ানডেতে দ্বিতীয়ার্ধে গরম ও আর্দ্রতার কারণে পিচে বল কিছুটা গ্রিপ করতে পারে। ফলে পরে ব্যাটিং করা দলের জন্য পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলে বড় সংগ্রহ গড়ার পাশাপাশি বোলারদের জন্য প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার মতো স্কোর দাঁড় করানো গুরুত্বপূর্ণ হবে। আর রান তাড়া করতে হলে দ্রুত রান তোলার সঙ্গে উইকেট ধরে রাখার ভারসাম্যও বজায় রাখতে হবে।

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান

বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের অন্যতম বড় শক্তি রশিদ খান। গত বছর আবুধাবিতে দুই দলের দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটারদের বিপক্ষে ১১টি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে একটি পাঁচ উইকেটের পারফরম্যান্সও ছিল। বাংলাদেশের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত তার উইকেটসংখ্যা ৩৫, গড় ১৯.২২।

অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের আগের ম্যাচে তাসকিন আহমেদ প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই তিনটি উইকেট নিয়েছিলেন। তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো এমন ঘটনা ঘটে।

শারজাহতে ইব্রাহিম জাদরানের ওয়ানডে স্কোর ৬০ ও ২২। তার ১১টি অর্ধশতকের মধ্যে চারবারই নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে তাই জাদরানকে বড় ইনিংস খেলার আগেই ফেরানোর সুযোগ থাকবে।

দুই দলের ওয়ানডে মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাবও সমান। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান উভয়েই ১১টি করে জয় পেয়েছে। তবে চলমান সিরিজের পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে তুলনামূলক শক্তিশালী দেখাচ্ছে।

ফিল সিমন্সের চোখে বাংলাদেশের ব্যর্থতার কারণ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পর বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলার ঘাটতিকে দলের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

তার মূল্যায়ন অনুযায়ী, শুরুতে তিনটি উইকেট পাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্রুত আরও উইকেট নেওয়ার মতো চাপ তৈরি করতে পারেনি। পরে ব্যাটিংয়ের সময়ও দল পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বুঝে খেলতে পারেনি। ভালো শুরুর পর পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারলে ম্যাচের ফল অন্য রকম হতে পারত বলে মনে করেন তিনি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে তাই শুধু বড় জয় পাওয়ার লক্ষ্যই নয়, পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরীক্ষাও থাকছে। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা এবং বোলিংয়ে সময়মতো উইকেট নেওয়ার ওপর নির্ভর করবে দলটির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা।

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ লাইভ দেখবেন যেভাবে

ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। ম্যাচটি সরাসরি দেখতে পারবেন টি স্পোর্টসে।

ম্যাচটি শারজাহতে অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে ওঠার সমীকরণ সামনে রেখে বাংলাদেশের জন্য এটি সিরিজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। জয় পেলেও ব্যবধানের হিসাব মেলাতে হবে, তাই ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি রান ও উইকেট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ কবে অনুষ্ঠিত হবে?

ম্যাচটি বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে।

২. বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ কখন শুরু হবে?

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে।

৩. বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ সরাসরি দেখবেন কোথায়?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে টি স্পোর্টসে।

৪. ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের কী করতে হবে?

বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে হবে বড় ব্যবধানে। প্রথমে ব্যাটিং করলে প্রায় ৪০ রানের ব্যবধানে জয় কিংবা রান তাড়া করার ক্ষেত্রে কম ওভারে লক্ষ্য পূরণ করা প্রয়োজন হতে পারে।

৫. আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ কারা?

ব্যাট হাতে ইব্রাহিম জাদরান এবং বল হাতে রশিদ খান বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারেন। জাদরানকে দ্রুত আউট করা এবং রশিদের বোলিং সামলে খেলা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: