ঢাকা, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ওয়ানডে দলে ফিরবেন মুশফিক-রিয়াদ? ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন ডি ভিলিয়ার্স?

খেলা ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৯:০৪:৫২
ওয়ানডে দলে ফিরবেন মুশফিক-রিয়াদ? ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন ডি ভিলিয়ার্স?

বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে মিডল অর্ডারের দুর্বলতা ও ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাবের মধ্যে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুশফিকুর রহিমকে আবারও ওয়ানডে দলে ফেরানোর সম্ভাবনা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা এবি ডি ভিলিয়ার্সকে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ করার গুঞ্জন সামনে এসেছে। তবে তিনটি বিষয়েই বাস্তব পরিস্থিতি আলাদা। মুশফিককে নিয়ে আলোচনার পেছনে বর্তমান ব্যাটিং অর্ডারের দুর্বলতা থাকলেও রিয়াদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, ডি ভিলিয়ার্সকে কোচ করার বিষয়ে বিসিবির নিশ্চিত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগকে শক্তিশালী করা এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে মিডল ওভারে রান তোলা, ইনিংসের শেষ দিকে কার্যকর ব্যাটিং এবং বিদেশের মাটিতে ভালো করার ক্ষেত্রে দলকে আরও উন্নতি করতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন ও বিশেষজ্ঞ ব্যাটিং কোচ নিয়োগের আলোচনা গুরুত্ব পাচ্ছে।

ডিপিএলের নিলামে রিয়াদের ক্যাটাগরি নিয়ে কেন আলোচনা?

আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) নিলামে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এই ক্যাটাগরিকে জাতীয় দলে তাঁর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সরাসরি ইঙ্গিত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

রিয়াদের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পেছনে ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি চার দিনের ক্রিকেট খেলছেন না। পাশাপাশি, ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটেও তাঁর নিয়মিত অংশগ্রহণ নেই। ফলে তাঁকে দলে নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট দল মূলত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তাঁর সেবা পাবে।

ডিপিএলের নিলামে প্রতিটি দল ২৩ জন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ পাবে। এরই মধ্যে একজন করে ক্রিকেটার নেওয়া হয়েছে বলে বাকি রয়েছে ২২টি জায়গা। নিলামে দলগুলো নিজেদের পয়েন্ট ব্যয় করে ক্রিকেটার বেছে নিতে পারবে।

রিয়াদকে ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রাখার বিষয়টি তাই ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই তথ্য থেকে জাতীয় দলে তাঁকে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

ওয়ানডে দলে রিয়াদের ফেরার সম্ভাবনা কতটা?

বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের ছয় ও সাত নম্বর পজিশনে কার্যকর ব্যাটার খুঁজে পাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ দিকে দ্রুত রান তোলা এবং চাপের মধ্যে ম্যাচ শেষ করার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফল পাচ্ছে না দল।

এই জায়গায় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অভিজ্ঞতা মনে করছেন অনেকে। বাংলাদেশের হয়ে দীর্ঘ সময় মিডল অর্ডারে খেলেছেন তিনি। ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিং করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। অতীতে নানা আলোচনা ও বিতর্ক থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার কারণে এই পজিশনে তিনি পরিচিত মুখ ছিলেন।

বর্তমানে নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও মেহেদী হাসান মিরাজের মতো ক্রিকেটারদের বিভিন্ন ভূমিকায় ব্যবহার করা হলেও মিডল অর্ডারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে জাতীয় দলের এই প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে রিয়াদের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অনুপস্থিতি এবং বর্তমান ক্রিকেটীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় তাঁকে আবারও ওয়ানডে দলে দেখা যাবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ সামনে থাকলেও তাঁর ফেরার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই।

মুশফিকুর রহিমকে ফেরানোর আলোচনা কেন সামনে আসছে?

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের তুলনায় মুশফিকুর রহিমের ক্ষেত্রে ওয়ানডে দলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার পেছনে বর্তমান ব্যাটিং অর্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার এখনো টেস্ট ক্রিকেট খেলছেন এবং চার দিনের ক্রিকেটেও অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাটিং বিন্যাসে ওপরের দিকের একাধিক ব্যাটারকে তাঁদের স্বাভাবিক পজিশনের বাইরে খেলানো হচ্ছে। লিটন দাসকে চার নম্বরে এবং সৌম্য সরকারকে তিন নম্বরে ব্যাট করতে দেখা গেছে। তানজিদ হাসান তামিম ও ইমনের মতো ক্রিকেটাররাও মূলত ওপেনিংয়ের সঙ্গে যুক্ত।

অর্থাৎ, ওপেনিংয়ে অভ্যস্ত একাধিক ব্যাটারকে মিডল অর্ডারের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অথচ ওপেনারদের প্রধান কাজ দ্রুত রান তুলে দলকে ভালো সূচনা এনে দেওয়া। মিডল ওভারে ইনিংসের গতি নিয়ন্ত্রণ করা কিংবা শেষ দিকে কার্যকর ব্যাটিং করার জন্য আলাদা ধরনের পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

এই জায়গায় মুশফিকুর রহিমকে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করার যুক্তি রয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং করার সামর্থ্য বাংলাদেশের মিডল অর্ডারের জন্য কার্যকর হতে পারে।

তবে মুশফিক নিজে ওয়ানডে দলে ফিরতে আগ্রহী কি না, কিংবা বিসিবি তাঁকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কি না, সে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য নেই। তাই তাঁর প্রত্যাবর্তনকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আপাতত বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের প্রয়োজনীয়তা থেকেই তাঁকে নিয়ে আলোচনার বিষয়টি সামনে এসেছে।

বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স?

মুশফিক ও রিয়াদকে নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি এবি ডি ভিলিয়ার্সকে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ করার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে এই গুঞ্জনের সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত বা উল্লেখযোগ্য সংকেত পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগ সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সমস্যায় পড়েছে। বিশেষ করে বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না পাওয়া এবং পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে না পারার বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে, গত দুই বছরে বাংলাদেশ কোনো বিশেষজ্ঞ বিদেশি ব্যাটিং কোচের অধীনে কাজ করেনি। এ সময়ে মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও মোহাম্মদ আশরাফুল বিভিন্নভাবে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

একই আলোচনায় বলা হয়েছে, বিদেশের মাটিতে খেলা ১৬টি ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশ ১৪টিতে হেরেছে। ওই ১৪ ম্যাচে দল পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি এবং ২৫০ রানও করতে পারেনি।

এই পরিসংখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে বিশেষজ্ঞ কোচের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বড় সংগ্রহ গড়া, প্রতিপক্ষের রান তাড়া করা, মিডল ওভারে ইনিংস ধরে রাখা এবং শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সক্ষমতা বাড়ানো দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

এবি ডি ভিলিয়ার্সকে নিয়ে আগ্রহের পেছনেও রয়েছে ব্যাটিংয়ে উন্নতি আনার প্রত্যাশা। তবে তাঁকে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে—এমন নিশ্চিত তথ্য নেই। তাই এই মুহূর্তে বিষয়টিকে সম্ভাবনা ও আলোচনার পর্যায়েই দেখা উচিত।

২০২৭ বিশ্বকাপের আগে বিদেশের মাটিতে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জ

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে ওই অঞ্চলের কন্ডিশনে ভালো করার প্রস্তুতি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশের মাটিতে ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য বাড়ানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

দক্ষিণ আফ্রিকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের কন্ডিশন এক নয়। ফলে একেক জায়গায় ব্যাটিংয়ের কৌশল ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ধরনও আলাদা হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিদেশের মাটিতে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স ধরে রাখতে না পারার সমস্যা বারবার আলোচনায় এসেছে।

এ কারণে বিশ্বকাপের আগে শুধু ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং ইনিংস গড়ে তোলা, চাপের মধ্যে উইকেট ধরে রাখা এবং ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী রান তোলার দক্ষতা বাড়ানোও জরুরি।

বিশেষজ্ঞ ব্যাটিং কোচ নিয়োগের আলোচনা এই প্রয়োজনের সঙ্গেই সম্পর্কিত। এবি ডি ভিলিয়ার্সকে নিয়ে আগ্রহ থাকলেও বিসিবি শেষ পর্যন্ত তাঁকে দায়িত্ব দেবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মুশফিক, রিয়াদ ও ডি ভিলিয়ার্স—শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে?

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা থাকলেও মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ঘিরে পরিস্থিতি এক নয়।

মুশফিকের ক্ষেত্রে মিডল অর্ডারের দুর্বলতা এবং তাঁর অভিজ্ঞতা ওয়ানডে দলে ফেরার আলোচনা সামনে এনেছে। রিয়াদের ক্ষেত্রে ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটে অনুপস্থিতি তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে। অন্যদিকে, ডি ভিলিয়ার্সকে ব্যাটিং কোচ করার বিষয়ে আলোচনা থাকলেও বিসিবির নিশ্চিত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

সব মিলিয়ে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগকে আরও শক্তিশালী করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রত্যাবর্তন কিংবা বিশেষজ্ঞ কোচ নিয়োগের আলোচনা বাস্তবে রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের ওপর। আপাতত মুশফিকের ফেরা, রিয়াদের প্রত্যাবর্তন এবং ডি ভিলিয়ার্সের নিয়োগ—তিনটি বিষয়ই নিশ্চিত খবর নয়।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

১. মুশফিকুর রহিম কি ওয়ানডে দলে ফিরছেন?

মুশফিককে ফেরানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বাংলাদেশের মিডল অর্ডারের দুর্বলতা ও তাঁর অভিজ্ঞতা এ আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ কারণ। তবে তাঁর প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত নয়।

২. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ কি আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন?

রিয়াদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। ঘরোয়া ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অনুপস্থিতিও বিষয়টিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

৩. এবি ডি ভিলিয়ার্স কি বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ হচ্ছেন?

তাঁকে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ করার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে বিসিবি তাঁকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

৪. বাংলাদেশের ওয়ানডে ব্যাটিংয়ের প্রধান সমস্যা কী?

মিডল ওভারে রান তোলা, ইনিংসের শেষ দিকে কার্যকর ব্যাটিং এবং বিদেশের মাটিতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের আলোচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে।

৫. ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের জন্য ব্যাটিং কোচ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিশ্বকাপের আগে বড় সংগ্রহ গড়া, চাপের মধ্যে রান তোলা এবং বিদেশের কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বিশেষজ্ঞ ব্যাটিং কোচের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: