ঢাকা, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

iQOO 16-এর দাম ও স্পেসিফিকেশন, যা থাকছে নতুন ফোনে

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৭ ২১:৩৬:৫৪
iQOO 16-এর দাম ও স্পেসিফিকেশন, যা থাকছে নতুন ফোনে

গেমিং স্মার্টফোনের বাজারে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে iQOO 16। পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে রয়েছে ২nm-এর Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 চিপসেট, ৮,৪০০mAh ব্যাটারি এবং 2K রেজল্যুশনের 165Hz AMOLED ডিসপ্লে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে iQOO-এর নিজস্ব Q4 গেমিং চিপ, ৮,৫০০ বর্গমিলিমিটারের ভেপার-চেম্বার কুলিং এবং ৫০MP-এর তিনটি রিয়ার ক্যামেরা। চীনের বাজারে ফোনটির দাম শুরু হয়েছে ৫,৯৯৯ ইউয়ান থেকে।

iQOO 16 কেন এত আলোচনায়?

iQOO-এর নতুন ফোনটির মূল লক্ষ্য শুধু দ্রুত প্রসেসর দেওয়া নয়; দীর্ঘ সময় গেমিংয়ের সময় পারফরম্যান্স ধরে রাখা, দ্রুত রেসপন্স এবং বড় ব্যাটারি—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলোর একটি হলো ৬.৮৫ ইঞ্চির 2K AMOLED ডিসপ্লে, যেখানে সর্বোচ্চ ১৬৫Hz রিফ্রেশ রেট পাওয়া যায়। এর সঙ্গে রয়েছে Snapdragon-এর নতুন ২nm ফ্ল্যাগশিপ প্ল্যাটফর্ম এবং আলাদা Q4 গেমিং চিপ। ফলে কাগজে-কলমে iQOO 16-কে ২০২৬ সালের অন্যতম শক্তিশালী পারফরম্যান্স-কেন্দ্রিক ফোন হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

২nm Snapdragon চিপে শক্তিশালী পারফরম্যান্স

iQOO 16-এ ব্যবহার করা হয়েছে Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 মোবাইল প্ল্যাটফর্ম। এটি ২nm প্রসেস প্রযুক্তিতে তৈরি এবং আট কোরের CPU-তে সর্বোচ্চ ৫.০১GHz ক্লক স্পিড রয়েছে।

অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী, CPU কনফিগারেশনে দুটি কোর ৫.০১GHz, তিনটি কোর ৪.০৩GHz এবং আরও তিনটি কোর ৩.৭৪GHz পর্যন্ত কাজ করতে পারে। গ্রাফিক্সের জন্য রয়েছে Adreno GPU।

শুধু মূল প্রসেসরের ওপর নির্ভর করেনি iQOO। ফোনটিতে রয়েছে নিজস্ব Q4 গেমিং চিপ, যা গেমের গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, ফ্রেম রেট এবং AI-ভিত্তিক প্রসেসিংয়ের কাজে সহায়তা করে। iQOO-এর দাবি, Q4 চিপে পারফরম্যান্স ১৫ শতাংশ, ক্যাশ স্পিড ১৯ শতাংশ এবং AI কম্পিউটিং সক্ষমতা ১৯ শতাংশ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। এগুলো কোম্পানির নিজস্ব পরীক্ষার দাবি, স্বাধীন বেঞ্চমার্ক ফল নয়।

165Hz 2K AMOLED ডিসপ্লে

iQOO 16-এর ডিসপ্লে গেমারদের জন্য ফোনটির অন্যতম বড় আকর্ষণ। এতে রয়েছে ৬.৮৫ ইঞ্চির AMOLED প্যানেল, যার রেজল্যুশন ৩১৬৮ × ১৪৪০ পিক্সেল এবং সর্বোচ্চ রিফ্রেশ রেট ১৬৫Hz। স্ক্রিনে ১০.৭ বিলিয়ন রঙ এবং P3 কালার গ্যামাট সাপোর্ট রয়েছে।

iQOO ও Samsung Display যৌথভাবে এই ডিসপ্লে তৈরি করেছে। এতে Samsung-এর M16 emissive material এবং 2K LEAD 2.0 প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ডিসপ্লেটি ২,৮০০ নিট পর্যন্ত গ্লোবাল পিক ব্রাইটনেস দিতে পারে এবং একই আকারের 1.5K ডিসপ্লের তুলনায় ৩১ শতাংশ কম শক্তি ব্যবহার করার দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

OPPO F35 Pro 5G: কেনার আগে জেনে নিন ভালো-মন্দ ও কার জন্য সেরা

Vivo V80 কেনার আগে জেনে নিন এর ভালো-মন্দ, কার জন্য সেরা

OPPO Find X10 Pro Max-এ তিন ২০০MP ক্যামেরা, ব্যাটারি ৮,০০০mAh

গেমিংয়ের ক্ষেত্রে উচ্চ রিফ্রেশ রেটের পাশাপাশি দ্রুত টাচ রেসপন্সও গুরুত্বপূর্ণ। iQOO 16-এ সর্বোচ্চ ৫,০০০Hz ইনস্ট্যান্ট টাচ স্যাম্পলিং রেট এবং ৫০০Hz মাল্টি-ফিঙ্গার টাচ স্যাম্পলিংয়ের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে সর্বোচ্চ মানগুলো নির্দিষ্ট গেম বা পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য।

গেমিংয়ের জন্য আলাদা কুলিং ব্যবস্থা

দীর্ঘ সময় গেম খেলার সময় ফোন গরম হয়ে গেলে পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে iQOO 16-এ বড় আকারের কুলিং সিস্টেম দেওয়া হয়েছে।

ফোনটিতে ৮,৫০০ বর্গমিলিমিটারের VC বা ভেপার চেম্বার রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে ১,১৯০ বর্গমিলিমিটারের তাপ পরিবাহী জেল এবং মোট ২৯,৪৫৩ বর্গমিলিমিটারের তিন স্তরের গ্রাফাইট। iQOO-এর তথ্য অনুযায়ী, VC-এর আয়তন আগের iQOO 15-এর তুলনায় ৬ শতাংশ এবং গ্রাফাইটের মোট আয়তন ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

অর্থাৎ, শুধু শক্তিশালী চিপ ব্যবহার করেই থামেনি প্রতিষ্ঠানটি; ভারী গেমিংয়ের সময় সেই পারফরম্যান্স যতটা সম্ভব স্থিতিশীল রাখার জন্য হার্ডওয়্যার পর্যায়েও কাজ করা হয়েছে।

৮,৪০০mAh ব্যাটারি—বড় চমক এখানেও

iQOO 16-এর আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ৮,৪০০mAh টিপিক্যাল ক্যাপাসিটির ব্যাটারি। অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশনে রেটেড ক্যাপাসিটি ৮,১৭০mAh উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাটারিটি একক সেলের এবং এতে ১০০W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং ও ৪০W ওয়্যারলেস চার্জিং রয়েছে।

ফোনটিতে পঞ্চম প্রজন্মের সিলিকন-অ্যানোড ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বড় ব্যাটারি দেওয়ার পরও ফোনের পুরুত্ব সংস্করণভেদে ৮.৩০ থেকে ৮.৫৫ মিলিমিটারের মধ্যে রাখা হয়েছে।

iQOO-এর ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় 4G সিঙ্গেল-সিম স্ট্যান্ডবাই সময় সর্বোচ্চ ২৭.৬ দিন এবং VoLTE কলিং সর্বোচ্চ ৩৪.৩ ঘণ্টা পর্যন্ত দেখানো হয়েছে। তবে এগুলো পরীক্ষাগারের ফল; বাস্তব ব্যবহারে নেটওয়ার্ক ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ পরিবর্তিত হবে।

ক্যামেরায় তিনটি ৫০MP সেন্সর

গেমিং-কেন্দ্রিক ফোন হলেও ক্যামেরায় পিছিয়ে থাকতে চাইছে না iQOO। ফোনটির পেছনে রয়েছে তিনটি ৫০MP ক্যামেরা।

প্রধান ক্যামেরায় রয়েছে ১/১.৩ ইঞ্চির বড় সেন্সর। এর সঙ্গে ৫০MP Sony পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা এবং ৫০MP আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা রয়েছে। প্রধান ও পেরিস্কোপ ক্যামেরায় OIS এবং তিনটি রিয়ার ক্যামেরাতেই ভিডিও স্ট্যাবিলাইজেশনের সুবিধা রয়েছে।

পেরিস্কোপ ক্যামেরাটি দূরের বিষয়কে তুলনামূলক কাছ থেকে ধারণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটি সর্বোচ্চ ১০০x ডিজিটাল জুম সমর্থন করে। তবে ডিজিটাল জুমের সর্বোচ্চ সীমা এবং বাস্তবে ছবির মান এক বিষয় নয়—তাই ১০০x-কে অপটিক্যাল জুম হিসেবে দেখা যাবে না।

সামনে রয়েছে ৩২MP সেলফি ক্যামেরা। সামনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 4K ভিডিও এবং পেছনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 8K ভিডিও রেকর্ড করা যায়।

RAM ও স্টোরেজে 1TB পর্যন্ত

iQOO 16-এর মেমোরি কনফিগারেশনও যথেষ্ট শক্তিশালী। ফোনটি ১২GB ও ১৬GB RAM এবং ২৫৬GB, ৫১২GB ও ১TB স্টোরেজে পাওয়া যায়।

স্টোরেজ হিসেবে UFS 4.1 এবং RAM হিসেবে LPDDR5X ব্যবহার করা হয়েছে। ১৬GB RAM ও ১TB স্টোরেজের সংস্করণে আরও দ্রুত LPDDR5X Ultra Pro চার-চ্যানেল মেমোরি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ফোনে microSD কার্ড ব্যবহারের সুবিধা নেই।

Android 17-ভিত্তিক OriginOS 7

সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে iQOO 16-এ রয়েছে Android 17-ভিত্তিক OriginOS 7। অর্থাৎ ফোনটি শুরু থেকেই নতুন প্রজন্মের Android প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বাজারে এসেছে।

গেমিংয়ের জন্য iQOO-এর Monster Engine এবং Q-flex প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। কোম্পানির দাবি, Q-flex প্রযুক্তি টাচ ও গেমিং ইনপুটের বিলম্ব কমাতে কাজ করে। কিছু ফিচার OTA আপডেটের মাধ্যমে চালু করা হবে।

ডিজাইন ও পানিরোধী সুরক্ষা

iQOO 16-এর উচ্চতা ১৬৩.৭৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৭৬.৯০ মিলিমিটার। সংস্করণভেদে পুরুত্ব ৮.৩০, ৮.৪০ ও ৮.৫৫ মিলিমিটার এবং ওজন ২২২.৫ থেকে ২২৯.৮ গ্রাম। ফোনটি তিনটি রঙে পাওয়া যায়—Chasing Light, Track এবং Legend।

ফোনটিতে 3D আলট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে। সংযোগের ক্ষেত্রে Wi-Fi 7, Bluetooth 6.0, NFC এবং USB 3.2 Gen 1 Type-C পোর্ট পাওয়া যায়।

iQOO 16-এর দাম কত?

চীনে iQOO 16-এর দাম শুরু হয়েছে ৫,৯৯৯ ইউয়ান থেকে। ১২GB RAM ও ২৫৬GB স্টোরেজের বেস ভ্যারিয়েন্টের এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ১২GB/৫১২GB সংস্করণের দাম ৬,৭৯৯ ইউয়ান, ১৬GB/৫১২GB সংস্করণের দাম ৭,৪৯৯ ইউয়ান এবং ১৬GB/১TB সংস্করণের দাম ৮,৪৯৯ ইউয়ান।

চীনে ফোনটির লঞ্চ হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্রি শুরু হয় বলে একাধিক লঞ্চ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বাংলাদেশি বাজারে এই চীনা দামকে সরাসরি টাকা হিসেবে রূপান্তর করে অফিসিয়াল দাম বলা ঠিক হবে না। আমদানি শুল্ক, কর, পরিবহন খরচ, বিক্রেতার মার্জিন এবং স্থানীয় মূল্য নির্ধারণের কারণে বাংলাদেশে দাম আলাদা হতে পারে।

বাংলাদেশে iQOO 16 কবে আসবে?

এই মুহূর্তে সবচেয়ে সতর্ক থাকার বিষয় এখানেই। চীনে iQOO 16 আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি হলেও বাংলাদেশে এর অফিসিয়াল লঞ্চ বা মূল্য সম্পর্কে iQOO-এর নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

ভারতসহ আন্তর্জাতিক বাজারে ফোনটি আসতে পারে—এমন তথ্য ও ডিভাইসের আন্তর্জাতিক ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে নির্দিষ্ট লঞ্চ তারিখ বা অফিসিয়াল দাম নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

iQOO 16 কাদের জন্য?

iQOO 16-এর স্পেসিফিকেশন দেখলে বোঝা যায়, ফোনটির প্রধান লক্ষ্য উচ্চ পারফরম্যান্সের ব্যবহারকারী ও মোবাইল গেমাররা। Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6-এর সঙ্গে আলাদা Q4 গেমিং চিপ, ১৬৫Hz 2K ডিসপ্লে, বড় VC কুলিং এবং ৮,৪০০mAh ব্যাটারি—সবকিছুই দীর্ঘ সময় ভারী ব্যবহারের দিকে ইঙ্গিত করে।

অন্যদিকে তিনটি ৫০MP ক্যামেরা, 1TB পর্যন্ত স্টোরেজ, 100W চার্জিং, 40W ওয়্যারলেস চার্জিং এবং Android 17-ভিত্তিক OriginOS 7 ফোনটিকে শুধু গেমিং ডিভাইসের মধ্যে আটকে রাখেনি।

iQOO 16-এর সবচেয়ে বড় চমক শুধু এর নতুন Snapdragon চিপ নয়। 2K 165Hz AMOLED ডিসপ্লে, ৮,৪০০mAh ব্যাটারি, ১০০W চার্জিং এবং ৮,৫০০ বর্গমিলিমিটারের কুলিং সিস্টেম—এই চারটি বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে ফোনটিকে ২০২৬ সালের পারফরম্যান্স-কেন্দ্রিক ফ্ল্যাগশিপগুলোর তালিকায় আলাদা করে তুলেছে।

চীনে ৫,৯৯৯ ইউয়ান থেকে শুরু হওয়া দামও ফোনটির অবস্থান স্পষ্ট করে। তবে বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্য আসল প্রশ্ন এখন একটাই—iQOO 16 কবে বাংলাদেশে আসবে এবং কত দামে পাওয়া যাবে? সেই তথ্য অফিসিয়ালি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চীনের দামকে বাংলাদেশের বাজারদর হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

FAQ

১. iQOO 16-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য কী?

ফোনটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো ৮,৪০০mAh ব্যাটারি, 2K 165Hz AMOLED ডিসপ্লে এবং ২nm Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 চিপসেট।

২. iQOO 16-এর ব্যাটারি কত?

ফোনটিতে ৮,৪০০mAh টিপিক্যাল ক্যাপাসিটির ব্যাটারি রয়েছে। এটি ১০০W ওয়্যার্ড এবং ৪০W ওয়্যারলেস চার্জিং সমর্থন করে।

৩. iQOO 16-এর ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেলের?

পেছনে তিনটি ৫০MP ক্যামেরা রয়েছে—প্রধান, পেরিস্কোপ টেলিফটো ও আলট্রাওয়াইড। সামনে রয়েছে ৩২MP সেলফি ক্যামেরা।

৪. iQOO 16-এর ডিসপ্লে কত Hz?

ফোনটিতে ৬.৮৫ ইঞ্চির 2K AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে, যার সর্বোচ্চ রিফ্রেশ রেট ১৬৫Hz।

৫. বাংলাদেশে iQOO 16-এর দাম কত?

বাংলাদেশে iQOO 16-এর অফিসিয়াল মূল্য এখনো নিশ্চিত নয়। চীনে দাম শুরু হয়েছে ৫,৯৯৯ ইউয়ান থেকে; বাংলাদেশে আমদানি ও স্থানীয় মূল্য নির্ধারণের কারণে দাম ভিন্ন হতে পারে।

পাঠকের মতামত: