সাকিব,তামিম,মুশফিকদের শীর্ষে লিটন, লিটনের সাফল্যের ভাগ পেতেই পারেন ম্যানেজমেন্ট
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লিটনের বাজে ফর্মের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ম্যাচে করা তার রানের উপর ডিসকাউন্ট দেওয়া শুরু করে। বিশ্বের অন্য কোনো ক্রিকেটারকে হয়তো এভাবে লাঞ্ছিত করা হয়নি। বিশ্বকাপের পরেই বাদ পড়েন টি-টোয়েন্টি দল থেকে। এতসব লাঞ্জনা,অপমান এসবই হয়তো জাগিয়ে তুলেছে লিটনকে। টেস্টে একের পর এক ফিফটি এবং সেঞ্চুরি করা শুরু করেন লিটন। পরবর্তীতে ওয়ানডেতেও ধারাবাহিক পারফর্ম করতে থাকেন এই ক্রিকেটার।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিজের টি-টোয়েন্টি প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ৬১ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলেন। পরবর্তী সিরিজে উইন্ডিজের বিপক্ষেও ৪৯ রানের একটি ইনিংস খেলেন। গতকাল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে, বছরের দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন লিটন। প্রতিভাবান সেই ক্রিকেটার এখন আর প্রতিভাবান নয় পারফর্মার হিসেবে খেলছে। একসময়ের অধারাবাহিক লিটন এখন ধারাবাহিকতার নতুন নাম। বিগত বছর টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল লিটনের। লিটনের উপর অবস্থান করছিল শুধু ভারতের উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান রিশভ পান্ট।
যদিও লিটনের তুলনায় অনেক বেশি ম্যাচ খেলেছেন প্যান্ট। এছাড়াও বিগত দেড় বছরে বাংলাদেশ দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান লিটন দাসের। দলের সিনিয়র ক্রিকেটার তামিম,মাহমুদুল্লাহ, মুশফিক এবং সাকিবদেরও ছাড়িয়ে গিয়েছেন লিটন। সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে বলতেই হবে, বর্তমানে টাইগারদের সেরা ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস।
অথচ বছরখানেক আগেও লিটনকে নিয়ে করা সকল আশাই ছিল দূর আশা। লিটনের সাফল্যের কিছুটা ভাগ টিম ম্যানেজমেন্ট দাবি করতেই পারেন। সকল প্রতিকূলতার বিপক্ষে গিয়েও লিটনকে দিনের পর দিন সুযোগ তো তারাই দিয়েছেন। ম্যানেজমেন্ট হয়তো অনেক ভুল সিদ্ধান্তই করেছেন, তবে লিটনকে কঠিন সময় সাপোর্ট করার জন্য তারা বাহবা পেতেই পারেন।