১৪ ব্যাংক দিচ্ছে ১,৯৪০ কোটি টাকার নগদ লভ্যাংশ
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৪টি ব্যাংক ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য মোট ১ হাজার ৯৪০ কোটি ১৪ লাখ ৬১ হাজার ৫২৬ টাকার নগদ লভ্যাংশ (ক্যাশ ডিভিডেন্ড) ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর ডিভিডেন্ড অনুমোদন করে। তথ্যটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং ব্যাংক সূত্রে পাওয়া গেছে।
ঘোষিত ১৪টি ব্যাংক ও তাদের ক্যাশ ডিভিডেন্ড সংক্রান্ত বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ব্র্যাক ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১২.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১৯৯.০৯ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ২৪৮.৮৭ কোটি টাকা
২. ব্যাংক এশিয়া
ডিভিডেন্ড: ১০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১২৮.২৫ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১২৮.২৫ কোটি টাকা
৩. সিটি ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১২.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১৫২.১২ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১৯০.১৫ কোটি টাকা
৪. ঢাকা ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ৫% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১০০.৬৬ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ৫০.৩৩ কোটি টাকা
৫. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ৯৬.৬৭ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ৯৬.৬৭ কোটি টাকা
৬. ইস্টার্ন ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১৭.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১৫৯.৫৮ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ২৭৯.২৭ কোটি টাকা
৭. যমুনা ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১৭.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ৯৩.৯৩ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ৬১.০৬ কোটি টাকা
৮. এনসিসি ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১৩% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১১.০৪ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১৪৪.৩৬ কোটি টাকা
৯. মিডল্যান্ড ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ৩% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ৬৫.৮৯ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১৯.৭৭ কোটি টাকা
১০. প্রাইম ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১৭.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১১৬.০৬ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ২০৩.১০ কোটি টাকা
১১. পূবালী ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১২.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১৩০.১৪ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১৬২.৬৮ কোটি টাকা
১২. ট্রাস্ট ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ৭.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ৯৯.৪১ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ৭৪.৫৬ কোটি টাকা
১৩. শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ১১১.৩০ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১১১.৩০ কোটি টাকা
১৪. উত্তরা ব্যাংক
ডিভিডেন্ড: ১৭.৫০% ক্যাশ
শেয়ার সংখ্যা: ৯৭.০২ কোটি
মোট ক্যাশ ডিভিডেন্ড: ১৬৯.৮০ কোটি টাকা
এই ১৪টি ব্যাংক সম্মিলিতভাবে ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকারও বেশি ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা এবং মুনাফা সক্ষমতার প্রতিফলন। পাশাপাশি, এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
মো: রাজিব আলী/