শাখা-এটিএম ছাড়া আসছে ৪ ডিজিটাল ব্যাংক
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় শাখা ও নিজস্ব এটিএম নেটওয়ার্কের বাইরে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মনির্ভর ব্যাংকিংয়ের পথ আরও এক ধাপ এগোল। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার—এই চারটি প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিকভাবে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় চার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
১২ আবেদন থেকে যে চারটি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে গেল
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন পেতে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। আবেদনকারীদের তালিকায় ছিল ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
এই আবেদনগুলোর মধ্য থেকে বৃহস্পতিবার চারটি প্রস্তাবের বিষয়ে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে।
অনুমোদন পেলেও এখনই পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক নয়
পর্ষদের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এলওআই পাওয়া মানেই পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হয়ে যাওয়া নয়।
কার্যক্রম চালু করতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত আরও কিছু প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তাই বৃহস্পতিবারের সিদ্ধান্তকে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার একটি ধাপ হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।
গ্রাহকের ব্যাংকিং হবে মূলত ডিজিটাল মাধ্যমে
প্রচলিত ব্যাংকের সঙ্গে প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের কাঠামোগত পার্থক্য থাকবে। এসব ব্যাংকের জন্য সাধারণ ব্যাংকের মতো শাখা বা উপশাখা থাকবে না। নিজস্ব এটিএম নেটওয়ার্কও থাকবে না।
গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে হিসাব খোলা থেকে শুরু করে অর্থ জমা, টাকা স্থানান্তর ও নির্দিষ্ট ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভার্চুয়াল কার্ড এবং কিউআরভিত্তিক লেনদেনের মতো সুবিধাও দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
আগের উদ্যোগের পর নতুন করে গতি
বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং চালুর আলোচনা নতুন নয়। কয়েক বছর ধরে এ নিয়ে উদ্যোগ ও আলোচনা চলে আসছে। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি এবং কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছিল।
পরে ওই দুই প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। সেই ঘটনার পর এবার নতুন চারটি প্রস্তাব অনুমোদনের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আবারও অগ্রগতি দেখা গেল।
চার প্রস্তাবিত ব্যাংকের সামনে এখন পরবর্তী ধাপ
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে চারটি প্রতিষ্ঠান এলওআই পাওয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করতে তাদের সামনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত আরও কিছু আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে।
অর্থাৎ বৃহস্পতিবারের অনুমোদনের পর ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম বাস্তবে শুরু করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করতে হবে।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, খরচ কত ও সময় কত দিন?
- আপনার নামে কত জমি আছে, কোথায় কোথায় আছে—অনলাইনে জানবেন যেভাবে
- Honor Magic9 Pro Max: ৮৮০০mAh ব্যাটারি ও ডুয়াল ২০০MP ক্যামেরা
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৩টি দেশের টাকার মান
- আজ ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত? দেখুন তালিকা
- বর্তমানে vivo-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটার দাম কত, কেন সেরা?
- আজকের সোনার দাম: ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- আজকের সোনার দাম কত? ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন দর
- vivo-এর কোন ৫টি ফোন আপনার জন্য সেরা? জানুন দাম
- আজকের সোনার দাম: প্রতি ভরি ১৮, ২১, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কত
- জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে? জানুন পুরো নিয়ম
- OPPO Reno 17 Series: ২০০MP ক্যামেরায় আসছে বড় চমক?
- iQOO Neo 12: ১৮৫Hz ডিসপ্লে ও ৯০০০mAh ব্যাটারির চমক