ডোরিন পাওয়ারের মুনাফায় বড় পরিবর্তন, ৮ অক্টোবর আসছে সিদ্ধান্ত
ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডারদের নজর এখন ৮ অক্টোবরের দিকে। ওই দিন কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব পর্যালোচনার পাশাপাশি ডিভিডেন্ড ঘোষণার সিদ্ধান্ত আসবে। বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সভার আগে প্রকাশিত নয় মাসের আর্থিক হিসাবে মুনাফা ও নিট সম্পদমূল্য বৃদ্ধির তথ্য পাওয়া গেলেও পরিচালন নগদ প্রবাহে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।
এই দুই ধরনের আর্থিক সূচকের ভিন্ন গতিপথের মধ্যেই এবার কত ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়, সেটিই সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে। কারণ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নয় মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস ৪ টাকা ১৬ পয়সায় পৌঁছেছে, যা এক বছর আগে ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও বেড়েছে ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা থেকে ৫৬ টাকা ২৬ পয়সায়।
তবে এই সময়ের পরিচালন নগদ প্রবাহ আগের অবস্থানে থাকেনি। সমন্বিত এনওসিএফপিএস ১১ টাকা ২৮ পয়সা থেকে নেমে হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা।
ডিভিডেন্ড নিয়ে এখনই চূড়ান্ত হিসাব নয়
ডোরিন পাওয়ারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিভিডেন্ড কত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলার সুযোগ নেই। পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং পরিচালনা পর্ষদের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।
গত ৩০ জুন ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ স্পনসর ও পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড সুপারিশ করেছিল। সে হিসাবে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ডিভিডেন্ড ছিল ১ টাকা।
এবারও যদি একই হারে ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়া হয়, তাহলে হিসাব অনুযায়ী প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ১ টাকা পাওয়া যাবে। তবে এটি কোনো ঘোষিত ডিভিডেন্ড নয়। ৮ অক্টোবরের সিদ্ধান্তের আগে এর চেয়ে বেশি বা কম কোনো হার নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
প্রকৃত ডিভিডেন্ড নির্ধারণে পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, নগদ প্রবাহ, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, কোম্পানির ডিভিডেন্ড নীতি এবং পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মুনাফার ধারাবাহিকতায় কী বলছে হিসাব
ডোরিন পাওয়ারের আর্থিক ফলাফল শুধু শেষ প্রান্তিকের হিসাব দিয়ে দেখলে পুরো চিত্রটি পাওয়া যায় না। বছরের বিভিন্ন পর্যায়ের হিসাবে ইপিএস বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা গেছে।
জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫—অর্থাৎ প্রথম প্রান্তিকে—সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১ টাকা ৪৮ পয়সা।
এরপর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে ইপিএস আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১ টাকা ২৪ পয়সায়, যেখানে আগের বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ৫৩ পয়সা। ফলে জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫-এর ছয় মাসে সমন্বিত ইপিএস দাঁড়ায় ৩ টাকা ৫ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ১ পয়সা।
সবশেষে জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ প্রান্তিকে সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা। এক বছর আগে একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪ পয়সা।
এই হিসাবে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ১৬ পয়সা। আগের বছরের একই নয় মাসে তা ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা। অর্থাৎ ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ১১ পয়সা।
নগদ প্রবাহের হিসাবটি আলাদা বার্তা দিচ্ছে
মুনাফার হিসাবে উন্নতি থাকলেও পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থ আসার ক্ষেত্রে নয় মাসের চিত্র তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়েছে।
প্রথম ছয় মাসে ডোরিন পাওয়ারের সমন্বিত এনওসিএফপিএস ছিল ২ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল মাত্র ৪২ পয়সা। অর্থাৎ বছরের প্রথমার্ধে নগদ প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গিয়েছিল।
কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই অবস্থান ধরে রাখা যায়নি। প্রথম নয় মাস শেষে এনওসিএফপিএস কমে ৪ টাকা ৮৪ পয়সায় দাঁড়ায়, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ২৮ পয়সা।
এমনকি ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে এনওসিএফপিএস ছিল ঋণাত্মক ৫ টাকা ৯৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ঋণাত্মক ১৫ টাকা ৮৮ পয়সা।
কোম্পানির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, নয় মাসের হিসাবে বিপিডিবির কাছ থেকে রাজস্ব বিল বাবদ অর্থপ্রাপ্তি আগের বছরের তুলনায় কমে যাওয়াই এনওসিএফপিএস হ্রাসের কারণ।
মুদ্রা বিনিময় হারেও এসেছে প্রভাব
কোম্পানির প্রকাশিত ব্যাখ্যায় আর্থিক ফলাফলের উন্নতির সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় হার ও অর্থায়ন ব্যয়ের সম্পর্কও তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশি টাকা মার্কিন ডলার ও ইউরোর বিপরীতে তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় মুদ্রা বিনিময়জনিত লোকসান কমেছে। এর প্রভাবে অর্থায়ন ব্যয় কমে ইপিএস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে কোম্পানি।
প্রথম ছয় মাসের হিসাবে একই কারণের পাশাপাশি বিপিডিবি থেকে রাজস্ব বিলের অর্থপ্রাপ্তি বৃদ্ধির বিষয়টিও নগদ প্রবাহের উন্নতির পেছনে কাজ করেছে বলে কোম্পানির ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে।
এনএভিতেও ঊর্ধ্বগতি
মুনাফার পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও বিভিন্ন সময়ে বেড়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সমন্বিত এনএভি ছিল ৫৪ টাকা ২৪ পয়সা। এর আগে ৩০ জুন ২০২৫ তারিখে এটি ছিল ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।
এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে পুনর্মূল্যায়নসহ সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৫৫ টাকা ১৫ পয়সা।
সবশেষে ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়ে হয়েছে ৫৬ টাকা ২৬ পয়সা।
অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত হিসাবের মধ্যে এনএভিতে ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেখা গেছে।
ব্যবসার কাঠামোতেও পরিবর্তনের উদ্যোগ
শুধু আর্থিক ফলাফল নয়, ডোরিন পাওয়ার ব্যবসার কাঠামো নিয়েও একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড বা বিআরইবির সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। কোম্পানি সেই চুক্তি নবায়ন করতে আগ্রহী নয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রটির স্থায়ী সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় কেপিআই ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ভেন্ডরস এগ্রিমেন্ট সম্পাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়। এই চুক্তির আওতায় জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, রেডিয়েটর ও বায়ু চলাচল ব্যবস্থা, ইঞ্জিন হল ও অন্যান্য ভবন, বৈদ্যুতিক তার, সুইচগিয়ার, প্যানেল, ব্যাটারি, সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক উপকরণ বিক্রি করা হবে।
এসব সম্পদের মোট বিক্রয়মূল্য ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিন সহযোগী প্রতিষ্ঠান নিয়ে বড় পুনর্গঠন
ডোরিন পাওয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো তিন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার প্রস্তাব।
৭ জুন ২০২৬ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ডোরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড বা ডিপিজিএসএলের সঙ্গে চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা সিপিজিএল, ঢাকা নর্দার্ন পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা ডিএনপিজিএল এবং ঢাকা সাদার্ন পাওয়ার জেনারেশনস লিমিটেড বা ডিএসপিজিএলকে একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় প্রস্তাবটি করা হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
এ জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারহোল্ডার ও ঋণদাতাদের অনুমোদন, বিএসইসির অনুমোদন এবং কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদনসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী সহযোগী কোম্পানিগুলোর সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারদের নগদ অর্থ দেওয়া হবে; তাদের সঙ্গে কোনো শেয়ার বিনিময় হবে না। ফলে ডোরিন পাওয়ারের বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো পরিবর্তিত হবে না।
কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, সব পরিচালন সম্পদ ও কার্যক্রম একটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে আনার মাধ্যমে কার্যকর ও টেকসই ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবস্থাপনা তদারকি জোরদার, প্রশাসনিক ও নিয়ন্ত্রক ব্যয় কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছে কোম্পানি।
ক্রেডিট রেটিংয়ে ‘এ’, দৃষ্টিভঙ্গি স্থিতিশীল
ডোরিন পাওয়ারকে দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’ ক্রেডিট রেটিং দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি বা ক্রিসল। রেটিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গি রাখা হয়েছে স্থিতিশীল।
এই মূল্যায়নের সময় ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক তথ্য এবং রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
শেষ পর্যন্ত নজর ৮ অক্টোবরের সিদ্ধান্তে
ডোরিন পাওয়ারের প্রকাশিত তথ্যগুলো একসঙ্গে দেখলে সামনে আসে কয়েকটি ভিন্ন মাত্রা। ইপিএস বেড়েছে, এনএভি বেড়েছে এবং বছরের বিভিন্ন পর্যায়ে মুনাফার উন্নতি দেখা গেছে। আবার নয় মাস শেষে পরিচালন নগদ প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় কমেছে।
একই সময়ে নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত এবং তিন সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার প্রস্তাব কোম্পানিটির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কাঠামোতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে।
এখন এসব তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা আসবে ৮ অক্টোবর। ওই দিন ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা এবং ডিভিডেন্ড ঘোষণার পরই ডোরিন পাওয়ারের পুরো বছরের আর্থিক চিত্র ও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হবে।
FAQ
১. ডোরিন পাওয়ারের বোর্ড সভা কবে?
আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৩টায় ডোরিন পাওয়ারের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।
২. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নয় মাসে ডোরিন পাওয়ারের ইপিএস কত?
নয় মাসে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ১৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এটি ছিল ৩ টাকা ৫ পয়সা।
৩. ডোরিন পাওয়ারের নয় মাসের এনওসিএফপিএস কত?
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে সমন্বিত এনওসিএফপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৮৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১১ টাকা ২৮ পয়সা।
৪. ডোরিন পাওয়ার এবার কত শতাংশ ডিভিডেন্ড দেবে?
এখনো ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিভিডেন্ডের হার ঘোষণা হয়নি। ৮ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
৫. ডোরিন পাওয়ারের নরসিংদী বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্পদের বিক্রয়মূল্য কত?
নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থায়ী সম্পদের মোট বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ টাকা।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- খতিয়ানে নিজের নাম আছে কি না দেখবেন যেভাবে, জানুন সহজ পদ্ধতি
- চলছে আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া ম্যাচ, কখন, কোথায় কীভাবে দেখবেন লাইভ
- আর্জেন্টিনা বনাম বলিভিয়া ম্যাচ, লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- vivo X500 Pro Max: ২০০MP ক্যামেরা ও ৮০০০mAh ব্যাটারি
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ৮টি দেশের টাকার মান
- HONOR Magic9 Pro Max: দাম, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও স্পেসিফিকেশন
- বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ আজ, কখন ও কোথায় দেখবেন লাইভ
- আবহাওয়ার খবর: ৬০ কিমি বেগে হাওয়ার শঙ্কা, ৩ বন্দরে সংকেত
- বাংলাদেশ-পাকিস্তান সেমিফাইনাল, কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- আজকের সৌদি রিয়াল রেট (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬)