ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে, জানুন পুরো খরচ
বাংলাদেশে বৈধভাবে মোটরসাইকেল বা গাড়ি চালাতে হলে ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। তবে লাইসেন্স করতে গিয়ে অনেকেই শুধু স্মার্ট কার্ডের ফি হিসাব করেন, ফলে আবেদন থেকে লাইসেন্স হাতে পাওয়া পর্যন্ত আসল খরচ কত হতে পারে—তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স থেকে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত খরচ লাইসেন্সের ধরন ও কতটি ক্যাটাগরি নেওয়া হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে। এর সঙ্গে মেডিকেল সার্টিফিকেট, প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষণ এবং অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জের মতো কিছু অতিরিক্ত খরচও থাকতে পারে।
এক নজরে ড্রাইভিং লাইসেন্সের সরকারি ফি
| খরচের ধরন | সরকারি ফি |
|---|---|
| লার্নার লাইসেন্স—১ ক্যাটাগরি | ৫১৮ টাকা |
| লার্নার লাইসেন্স—২ ক্যাটাগরি | ৭৪৮ টাকা |
| অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স | ৪,৬২৮ টাকা |
| পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স | ২,৮৩৮ টাকা |
| লার্নার পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে পুনঃপরীক্ষা | ২৩০ টাকা |
| লার্নার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় ফি | ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৫১৮/৭৪৮ টাকা |
বর্তমান বিআরটিএর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লার্নার লাইসেন্সের জন্য এক ক্যাটাগরিতে ৫১৮ টাকা এবং দুটি ক্যাটাগরিতে ৭৪৮ টাকা ফি দিতে হয়। এরপর দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে চূড়ান্ত লাইসেন্সের জন্য আলাদা ফি দিতে হয়।
বিআরটিএ জানিয়েছে, অনলাইনে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে মোট কত টাকা লাগে?
ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সাধারণত যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া হয়, সেটি অপেশাদার লাইসেন্স। এ লাইসেন্সের চূড়ান্ত ইস্যু ফি বর্তমানে ৪ হাজার ৬২৮ টাকা। ঢাকার একটি বিআরটিএ সার্কেলের সাম্প্রতিক সেবা তথ্যে এর সঙ্গে ৬০ টাকা পোস্টাল ফি দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
তাই শুধু বিআরটিএর নির্ধারিত ধাপগুলো ধরলে এক ক্যাটাগরির লার্নার থেকে চূড়ান্ত অপেশাদার লাইসেন্স পর্যন্ত মূল সরকারি ফি দাঁড়ায়—
৫১৮ + ৪,৬২৮ = ৫,১৪৬ টাকা।
দুটি ক্যাটাগরির লার্নার লাইসেন্স নিলে হিসাব হবে—
৭৪৮ + ৪,৬২৮ = ৫,৩৭৬ টাকা।
এর সঙ্গে প্রযোজ্য পোস্টাল ও অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ যোগ হতে পারে। মেডিকেল সার্টিফিকেট বা ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের খরচ এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ
যারা পেশাগতভাবে গাড়ি চালাবেন, তাদের জন্য পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রয়োজন। বর্তমান বিআরটিএ সিটিজেন চার্টারে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর ফি ২ হাজার ৮৩৮ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকার মেট্রো-২ সার্কেলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী এর সঙ্গে ৬০ টাকা পোস্টাল ফিও দিতে হয়। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট সনদ জমা দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।
এক ক্যাটাগরির লার্নারসহ হিসাব করলে মূল ফি—
৫১৮ + ২,৮৩৮ = ৩,৩৫৬ টাকা।
আর দুটি ক্যাটাগরির লার্নার নিলে—
৭৪৮ + ২,৮৩৮ = ৩,৫৮৬ টাকা।
এর বাইরে প্রযোজ্য পোস্টাল, পেমেন্ট গেটওয়ে, মেডিকেল ও ডোপ টেস্টের খরচ থাকতে পারে।
লার্নার লাইসেন্স দিয়ে শুরু করতে হবে
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আগে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক। বিআরটিএর নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীকে অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। লার্নার নেওয়ার পর নির্ধারিত সময় প্রশিক্ষণ নিয়ে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশ নিতে হয়।
লার্নার লাইসেন্সের জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয়—
জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য
ছবি
রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট
প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ
বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস। অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২১ বছর।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে শুধু সরকারি ফিই শেষ কথা নয়
অনেকেই ৪ হাজার ৬২৮ টাকা বা ২ হাজার ৮৩৮ টাকা দেখেই ধরে নেন, এটিই পুরো খরচ। বাস্তবে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। কারণ লাইসেন্সের ধরন অনুযায়ী কয়েকটি আনুষঙ্গিক খরচ হতে পারে।
মেডিকেল সার্টিফিকেট
লার্নার লাইসেন্সের আবেদন করার সময় রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। এর জন্য চিকিৎসক বা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ফি আলাদাভাবে দিতে হতে পারে।
ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ
ড্রাইভিং শেখার জন্য কোনো প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভর্তি হলে তার খরচ সরকারি লাইসেন্স ফি থেকে আলাদা। প্রশিক্ষণ নেওয়া বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়ার অংশ হলেও প্রশিক্ষণকেন্দ্রভেদে খরচ এক নয়।
ডোপ টেস্ট
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট সনদ সংযুক্ত করতে হয়। তাই পেশাদার লাইসেন্সের মোট ব্যক্তিগত খরচ হিসাব করার সময় ডোপ টেস্টের ব্যয়ও আলাদা করে বিবেচনা করতে হবে।
অনলাইন পেমেন্ট চার্জ
বিআরটিএর অনলাইন ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। তাই অনলাইনে পরিশোধের সময় প্রদর্শিত চূড়ান্ত অঙ্কটি দেখে টাকা জমা দেওয়া উচিত।
পরীক্ষায় ফেল করলে কী হবে?
লার্নার লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিআরটিএর বর্তমান সিটিজেন চার্টারে পুনঃপরীক্ষার জন্য ২৩০ টাকা পরীক্ষার ফি উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে লার্নার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বিষয়টি আলাদা। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি দিয়ে লার্নার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৫১৮ টাকা বা ৭৪৮ টাকা ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
লাইসেন্স হাতে পেতে কত সময় লাগে?
বর্তমান বিআরটিএ সিটিজেন চার্টারে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স অনুমোদনের পর দ্রুত প্রস্তুত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্মার্ট কার্ড ডাকযোগে পেতে ফি পরিশোধের পর সাধারণভাবে ১৫ থেকে ২০ কর্মদিবসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে আবেদন যাচাই, পরীক্ষার তারিখ, বায়োমেট্রিক ও কার্ড প্রস্তুতের বাস্তব সময় সার্কেল ও আবেদন পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে পারে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি অনলাইনে কীভাবে দেবেন?
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ও ফি পরিশোধের জন্য বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল ব্যবহার করা যায়। বিআরটিএর প্রকাশিত তথ্যে Visa, MasterCard, NEXUS, AMEX এবং bKash, Rocket ও নগদের মাধ্যমে বিভিন্ন ফি পরিশোধের সুবিধার কথা বলা হয়েছে।
আবেদন করার আগে নিজের তথ্য, বিশেষ করে নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও ঠিকানা ঠিক আছে কি না যাচাই করে নেওয়া জরুরি। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে পরবর্তী ধাপে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
তাহলে সব মিলিয়ে কত টাকা হাতে রাখবেন?
শুধু বিআরটিএর মূল ফি ধরলে অপেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির লার্নারসহ প্রায় ৫,১৪৬ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লার্নারসহ প্রায় ৫,৩৭৬ টাকা লাগে। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে একইভাবে মূল ফি ৩,৩৫৬ টাকা বা ৩,৫৮৬ টাকা হতে পারে।
তবে এগুলোকে একেবারে চূড়ান্ত ‘সব খরচ’ বলা ঠিক হবে না। কারণ মেডিকেল সার্টিফিকেট, পেশাদার লাইসেন্সের ডোপ টেস্ট, ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, পোস্টাল ফি এবং অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জের মতো অতিরিক্ত ব্যয় পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগ হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে দেখানো সর্বশেষ ফি এবং সংশ্লিষ্ট সার্কেলের তথ্য অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
২০২৬ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ এক নজরে
| লাইসেন্সের ধরন | লার্নার ফি | মূল লাইসেন্স ফি | মূল ফি মিলিয়ে |
|---|---|---|---|
| অপেশাদার, ১ ক্যাটাগরি | ৫১৮ টাকা | ৪,৬২৮ টাকা | ৫,১৪৬ টাকা |
| অপেশাদার, ২ ক্যাটাগরি | ৭৪৮ টাকা | ৪,৬২৮ টাকা | ৫,৩৭৬ টাকা |
| পেশাদার, ১ ক্যাটাগরি | ৫১৮ টাকা | ২,৮৩৮ টাকা | ৩,৩৫৬ টাকা |
| পেশাদার, ২ ক্যাটাগরি | ৭৪৮ টাকা | ২,৮৩৮ টাকা | ৩,৫৮৬ টাকা |
নোট: ওপরের হিসাব শুধু উল্লিখিত সরকারি মূল ফি যোগ করে করা। পোস্টাল ফি, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে, মেডিকেল সার্টিফিকেট, ডোপ টেস্ট বা প্রশিক্ষণের খরচ আলাদা হতে পারে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগবে—এর উত্তর এক কথায় নির্দিষ্ট কোনো একটি অঙ্ক নয়। লাইসেন্সটি অপেশাদার নাকি পেশাদার, লার্নারে একটি নাকি দুটি ক্যাটাগরি নেওয়া হচ্ছে এবং আনুষঙ্গিক কী কী খরচ হচ্ছে, তার ওপর মোট ব্যয় নির্ভর করে। তাই দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে সরাসরি বিআরটিএর অনলাইন সার্ভিস পোর্টাল ব্যবহার করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
FAQ
১. বাংলাদেশে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
এক ক্যাটাগরির লার্নারসহ মূল সরকারি ফি ৫,১৪৬ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লার্নারসহ ৫,৩৭৬ টাকা। এর বাইরে প্রযোজ্য পোস্টাল, পেমেন্ট গেটওয়ে ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ থাকতে পারে।
২. পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত?
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর সরকারি ফি ২,৮৩৮ টাকা। লার্নার ফি যোগ করলে মূল খরচ ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৩,৩৫৬ বা ৩,৫৮৬ টাকা হয়। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট সনদ প্রয়োজন।
৩. লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত?
এক ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং দুটি ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা।
৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় ফেল করলে আবার কত টাকা দিতে হয়?
লার্নার লাইসেন্সের দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে পুনঃপরীক্ষার জন্য ২৩০ টাকা পরীক্ষার ফি দিতে হয়।
৫. ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি অনলাইনে দেওয়া যায় কি?
হ্যাঁ। বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে ফি দেওয়া যায়। বিভিন্ন কার্ড ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পেমেন্টের সুবিধাও রয়েছে। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA)-এর বর্তমান সিটিজেন চার্টার ও সংশ্লিষ্ট সার্কেলের প্রকাশিত সেবা তথ্য।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আর্জেন্টিনা-বুরকিনা ফাসো ম্যাচ ৪ তারিখ সকালে, দেখবেন যেভাবে লাইভ
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৫টি দেশের টাকার মান
- আর্জেন্টিনা বনাম বুরকিনা ফাসো ম্যাচ কখন, কোথায়, কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ব্রাজিল বনাম ভারত: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ
- ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ আজ: লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- ভারত বনাম ব্রাজিল ম্যাচ আজ: লাইভ দেখার সহজ উপায়
- ব্রাজিল বনাম ভারত: শেষ পর্যন্ত কী হলো ম্যাচে, জানুন ফলাফল
- চলছে ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- আজ ১০/০৩/২০২৬ তারিখ: ১৮ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট সোনার দাম
- আজকের টাকার রেট কত: বাড়লো ২০টি দেশের টাকার মান
- বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা: তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কে জিতল?