ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সারাদিন বসে কাজ করেন? মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ানো কেন জরুরি

লাইফ স্টাইল ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৬ ১৭:২৬:৪০
সারাদিন বসে কাজ করেন? মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ানো কেন জরুরি

একটানা কয়েক ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা এখন অনেকের দৈনন্দিন বাস্তবতা। অফিসের ডেস্ক, বাসায় ল্যাপটপ কিংবা দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের কারণে দিনের বড় একটি অংশ কেটে যাচ্ছে প্রায় নড়াচড়া ছাড়াই। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম করলেও দিনের বাকি সময় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকাকে পুরোপুরি পুষিয়ে দেওয়া যায় না। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—কাজের ফাঁকে নিয়মিত বসার সময় ভাঙুন, কয়েক মিনিটের জন্য হলেও উঠে দাঁড়ান বা হাঁটুন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্দেশনায় দীর্ঘ সময়ের sedentary behaviour বা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বসে থাকা সময়ের কিছু অংশ হালকা শারীরিক কর্মকাণ্ড দিয়েও প্রতিস্থাপন করলে স্বাস্থ্যগত উপকার পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় বসে থাকার সঙ্গে হৃদ্‌রোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

শুধু ব্যায়াম করলেই কি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ক্ষতি কমে?

এখানেই বিষয়টির গুরুত্বপূর্ণ দিকটি রয়েছে। সকালে বা সন্ধ্যায় ৩০ মিনিট হাঁটা নিঃসন্দেহে উপকারী। কিন্তু তার পর যদি দিনের বাকি ৮-১০ ঘণ্টা প্রায় একটানা বসে থাকতে হয়, তাহলে পুরো সময়ের নিষ্ক্রিয়তা দূর হয়ে যায় না।

WHO-এর মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের শুধু নির্দিষ্ট সময় ব্যায়াম করাই যথেষ্ট নয়; দিনের মোট sedentary বা বসে থাকার সময়ও কমানো উচিত। একই সঙ্গে সপ্তাহজুড়ে নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়া দরকার।

অর্থাৎ, স্বাস্থ্যকর রুটিনের দুটি অংশ আলাদা করে ভাবা ভালো—নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং একটানা বসে থাকার সময় কমানো।

মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ালে শরীরে কী হয়?

দীর্ঘ সময় বসে থাকার সময় শরীরের বড় অংশের পেশি খুব কম সক্রিয় থাকে। মাঝখানে উঠে দাঁড়ানো, কয়েক মিনিট হাঁটা কিংবা হালকা নড়াচড়া সেই নিষ্ক্রিয় সময়টিকে ভেঙে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় বসে থাকার মধ্যে ছোট ছোট শারীরিক কর্মকাণ্ডের বিরতি রক্তে গ্লুকোজ ও ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সাম্প্রতিক একটি systematic review ও meta-analysis-এ ৫৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করা হয়েছে; এর মধ্যে ৩৯টি গবেষণার তথ্য মেটা-অ্যানালাইসিসে অন্তর্ভুক্ত ছিল। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার তুলনায় শারীরিক কর্মকাণ্ডের বিরতিতে খাবারের পর রক্তে গ্লুকোজ ও ইনসুলিনের মাত্রার প্রতিক্রিয়া কমেছে। হাঁটার বিরতিতে এই প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে কয়েক মিনিট হাঁটলেই ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি দূর হয়ে যাবে। গবেষণাগুলো মূলত নির্দিষ্ট শারীরবৃত্তীয় সূচকের ওপর স্বল্পমেয়াদি প্রভাব দেখেছে। তাই এটিকে নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।

রক্তচাপ ও রক্তনালির জন্যও হতে পারে উপকারী

দীর্ঘ সময় বসে থাকার বিরতি নিয়ে করা গবেষণাগুলোতে শুধু রক্তে শর্করার পরিবর্তন নয়, হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির বিভিন্ন সূচকেও প্রভাব দেখা গেছে।

একটি systematic review-তে ৪৫টি গবেষণা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় বসে থাকার মধ্যে বিরতি দিলে বিশেষ করে হাঁটার মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রক্তচাপ, রক্তনালির কার্যকারিতা এবং কিছু cardiovascular biomarker-এ তাৎক্ষণিক উন্নতি দেখা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি গবেষণাগুলোতেও রক্তচাপের কিছু উন্নতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে গবেষণার ফল থেকে নির্দিষ্ট করে বলা যায় না যে প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই মাত্রায় পরিবর্তন ঘটবে। বয়স, শারীরিক সক্ষমতা, খাদ্যাভ্যাস, ওজন ও বিদ্যমান রোগসহ বিভিন্ন বিষয় এতে প্রভাব ফেলে।

কতক্ষণ পরপর উঠে দাঁড়াবেন?

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি—সবার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ‘ঠিক ৩০ মিনিট পরপর উঠতেই হবে’—এমন একক আন্তর্জাতিক নিয়ম নেই।

তবে দীর্ঘ সময় বসে থাকার ধারাবাহিকতা ভাঙা যে উপকারী, সে বিষয়ে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ২০২৪ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ ১৩টি গবেষণা এবং ২১১ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে বেশি ঘন ঘন বসার বিরতি নিলে রক্তে গ্লুকোজ কমানোর ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধা পাওয়া যায়। গবেষণাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অন্তত প্রতি ৩০ মিনিটে sedentary time ভাঙা গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের জন্য সম্ভাব্য ভালো কৌশল হতে পারে। তবে গবেষণার প্রমাণের মান সব ফলাফলের জন্য কম ছিল।

তাই এটিকে কঠোর চিকিৎসা-নিয়ম না ধরে কাজের অভ্যাস তৈরির একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য হিসেবে দেখা যেতে পারে।

উঠে দাঁড়ানো মানেই কি হাঁটতে হবে?

না। বসা থেকে উঠে দাঁড়ানোই প্রথম ধাপ। তবে সম্ভব হলে শুধু দাঁড়িয়ে না থেকে কয়েক মিনিট হাঁটা বা হালকা নড়াচড়া করা আরও কার্যকর হতে পারে।

WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, sedentary সময়ের জায়গায় যেকোনো মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ড—এমনকি হালকা মাত্রার কর্মকাণ্ডও—স্বাস্থ্যগত উপকার দিতে পারে।

কাজের মধ্যে তাই কয়েকটি সহজ অভ্যাস করা যেতে পারে—

উঠে এক গ্লাস পানি নিয়ে আসা

অফিসের ভেতরে বা করিডরে কয়েক মিনিট হাঁটা

ফোনে কথা বলার সময় দাঁড়িয়ে থাকা

প্রিন্টার বা অন্য কাজ নিজে গিয়ে করা

সিঁড়ি ব্যবহার করা, যদি শারীরিকভাবে উপযুক্ত হয়

ডেস্কের পাশে দাঁড়িয়ে হালকা স্ট্রেচ করা

দীর্ঘ মিটিংয়ের মাঝে সুযোগ পেলে কিছুক্ষণ দাঁড়ানো

মূল লক্ষ্য হলো একই ভঙ্গিতে বসে থাকার ধারাবাহিকতা কমানো।

কাজের ফাঁকে ৩–৫ মিনিটের বিরতিও কাজে আসতে পারে

যারা ডেস্কে দীর্ঘ সময় কাজ করেন, তাদের জন্য একবারে বড় সময় বের করা সবসময় সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে ছোট বিরতিও বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে।

WHO-এর একটি নির্দেশিকায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা কমাতে ২০–৩০ মিনিট পরপর ৩–৫ মিনিটের বিরতি নিয়ে দাঁড়ানো, স্ট্রেচ করা বা হাঁটার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। তবে এটিকে প্রত্যেক মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক সময়সূচি হিসেবে না দেখে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস ভাঙার একটি ব্যবহারিক পদ্ধতি হিসেবে নেওয়া উচিত।

অফিসে কাজের ক্ষেত্রে কম্পিউটার বা ফোনে রিমাইন্ডার সেট করেও এই অভ্যাস তৈরি করা যায়।

দিনে কতটা ব্যায়াম করা দরকার?

বসে থাকার বিরতি নেওয়া নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নয়। দুটিই প্রয়োজন।

WHO এবং CDC-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৮–৬৪ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে অন্তত ১৫০–৩০০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ড অথবা ৭৫–১৫০ মিনিট জোরালো মাত্রার কর্মকাণ্ড করার লক্ষ্য রাখা উচিত। এর পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন বড় পেশিগুলো নিয়ে muscle-strengthening activity করার পরামর্শ রয়েছে।

অর্থাৎ, প্রতিদিন কিছুক্ষণ হাঁটা বা ব্যায়াম করার পাশাপাশি অফিসে বসে থাকার সময়ও ভেঙে দিতে হবে।

একটানা বসে থাকার অভ্যাস কমাবেন যেভাবে

অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য বড় কোনো পরিকল্পনা সবসময় প্রয়োজন হয় না। বরং দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে ছোট পরিবর্তন যোগ করাই সহজ।

ডেস্কে কাজ করলে:

প্রতি কিছুক্ষণ পরপর উঠে দাঁড়ানোর জন্য রিমাইন্ডার দিতে পারেন। পানি, প্রিন্টার বা প্রয়োজনীয় কিছু এমন জায়গায় রাখতে পারেন যাতে মাঝে মাঝে চেয়ার ছাড়তে হয়।

ফোনে কথা বললে:

সম্ভব হলে বসে না থেকে দাঁড়িয়ে বা ধীরে ধীরে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলা যায়।

মিটিংয়ের সময়:

সব মিটিংয়ে সম্ভব না হলেও যেসব আলোচনায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা জরুরি নয়, সেখানে দাঁড়ানোর সুযোগ রাখা যেতে পারে।

বাড়িতে:

টেলিভিশন দেখা বা দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহারের মাঝেও উঠে পানি নেওয়া, ঘরের ভেতর কয়েক মিনিট হাঁটা বা হালকা স্ট্রেচ করা যায়।

হাঁটা ও নড়াচড়া কেন ভালো অভ্যাস?

শারীরিক কর্মকাণ্ড শুধু বসে থাকার সময় কমানোর জন্য নয়, সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। WHO বলছে, নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এটি শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখে।

তাই ডেস্কে বসে কাজ করা মানুষদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হতে পারে—একদিকে নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটার সময় নির্ধারণ করা, অন্যদিকে কাজের মাঝে বসে থাকার দীর্ঘ সময় ভেঙে দেওয়া।

তবে নিজের শরীরের অবস্থাও বিবেচনায় রাখুন

সবার শারীরিক সক্ষমতা এক নয়। যাদের হৃদ্‌রোগ, গুরুতর শ্বাসকষ্ট, চলাফেরায় সমস্যা বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে নতুন ব্যায়ামের রুটিন শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকলে অল্প সময়ের হালকা নড়াচড়া দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সময় ও মাত্রা বাড়ানো নিরাপদ পদ্ধতি। WHO-ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের ছোট পরিসর থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পরামর্শ দেয়।

সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করলে স্বাস্থ্যকর থাকার জন্য শুধু দিনের শেষে একবার ব্যায়াম করাই যথেষ্ট নয়। দিনের মধ্যে কতক্ষণ একটানা বসে থাকছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। চেয়ার ছেড়ে কয়েক মিনিট দাঁড়ানো, হাঁটা বা হালকা নড়াচড়া করার মতো ছোট অভ্যাস দীর্ঘ সময়ের নিষ্ক্রিয়তা ভাঙতে সাহায্য করতে পারে।

তবে এর সঙ্গে সপ্তাহে প্রয়োজনীয় মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়াও জরুরি। সহজভাবে বললে—এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ বসে না থেকে নিয়মিত নড়াচড়া করুন, আর নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটাকেও দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানান।

FAQ

প্রশ্ন: দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা কেন ক্ষতিকর?

উত্তর: দীর্ঘ সময় sedentary থাকা হৃদ্‌রোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত। WHO তাই বসে থাকার সময় কমিয়ে তার কিছু অংশ শারীরিক কর্মকাণ্ড দিয়ে প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেয়।

প্রশ্ন: কতক্ষণ পরপর বসা থেকে উঠে দাঁড়ানো ভালো?

উত্তর: সবার জন্য নির্দিষ্ট একটি বাধ্যতামূলক সময় নেই। তবে গবেষণায় দীর্ঘ সময় বসে থাকার বিরতি ঘন ঘন নেওয়ার সম্ভাব্য উপকার পাওয়া গেছে। কিছু গবেষণা প্রতি ৩০ মিনিটের মধ্যে sedentary time ভাঙার সম্ভাব্য সুবিধার কথা বলেছে, যদিও প্রমাণের মান সীমিত।

প্রশ্ন: শুধু দাঁড়িয়ে থাকলেই কি যথেষ্ট?

উত্তর: দাঁড়ানো বসে থাকার ধারাবাহিকতা ভাঙে। তবে সম্ভব হলে কয়েক মিনিট হাঁটা বা অন্য হালকা শারীরিক কর্মকাণ্ড করা আরও ভালো পছন্দ হতে পারে। গবেষণায় হাঁটার বিরতিতে রক্তে গ্লুকোজ ও ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে।

প্রশ্ন: বসে থাকার বিরতি কি নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প?

উত্তর: না। বসে থাকার সময় কমানো এবং নিয়মিত ব্যায়াম—দুটি আলাদা বিষয়। প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে অন্তত ১৫০–৩০০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য রাখার পরামর্শ রয়েছে।

প্রশ্ন: অফিসে বসে কাজ করলে সহজে কীভাবে এই অভ্যাস তৈরি করা যায়?

উত্তর: নির্দিষ্ট বিরতিতে রিমাইন্ডার সেট করা, ফোনে কথা বলার সময় দাঁড়ানো, পানি আনতে নিজে যাওয়া এবং কয়েক মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা যেতে পারে। ছোট ছোট এসব পদক্ষেপ দীর্ঘ সময় একটানা বসে থাকা কমাতে সাহায্য করে।

আল-সাদ/

পাঠকের মতামত: