ঢাকা, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

পেটে গ্যাস হয় কেন? কমানোর ৮টি সহজ উপায় জেনে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৯ ১৭:৫৬:১৮
পেটে গ্যাস হয় কেন? কমানোর ৮টি সহজ উপায় জেনে নিন

পেট ফাঁপা, ঢেকুর, পেটে চাপ অনুভব করা কিংবা বারবার বায়ু নির্গমনের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। কখনো খাবার খাওয়ার পর, আবার কখনো দিনের অন্য সময়েও দেখা দিতে পারে এই অস্বস্তি। দ্রুত খাবার খাওয়া, কিছু খাবার হজমে অসুবিধা, কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা পরিপাকতন্ত্রের নির্দিষ্ট সমস্যার কারণে পেটে গ্যাস জমতে পারে। তবে পেটে গ্যাস হওয়া মানেই কোনো রোগ হয়েছে, এমন নয়।

দৈনন্দিন খাবারের অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন, ধীরে খাওয়া, নিয়মিত হাঁটাচলা এবং যে খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে তা শনাক্ত করার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে গ্যাসের অস্বস্তি কমানো সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে পেট ফাঁপা, তীব্র পেটব্যথা কিংবা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, কখনো কখনো এসব উপসর্গের পেছনে অন্য শারীরিক সমস্যাও থাকতে পারে।

পেটে গ্যাস হয় কেন?

পেটে বা অন্ত্রে গ্যাস তৈরির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে খাবার খাওয়ার সময় বাতাস গিলে ফেলা এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া অপাচ্য কার্বোহাইড্রেট ভাঙার সময় গ্যাস তৈরি করা। এ ছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য, নির্দিষ্ট খাবার হজমে অসুবিধা এবং কিছু পরিপাকতন্ত্রের রোগের কারণেও পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

১. দ্রুত খাবার খাওয়া

তাড়াহুড়া করে খাবার খেলে কিংবা খাওয়ার সময় বেশি কথা বললে পেটে অতিরিক্ত বাতাস প্রবেশ করতে পারে। একইভাবে চুইংগাম চিবানো, শক্ত ক্যান্ডি চোষা এবং কার্বনেটেড বা ফিজি পানীয় পান করার কারণেও ঢেকুর ও পেট ফাঁপার সমস্যা বাড়তে পারে।

তাই খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খাওয়া, খাওয়ার সময় অপ্রয়োজনীয় তাড়াহুড়া এড়িয়ে চলা এবং ফিজি পানীয় কমিয়ে দেওয়া উপকারী হতে পারে।

২. কিছু খাবার হজমে অসুবিধা

ডাল, ছোলা, মটরশুঁটি, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও পেঁয়াজের মতো কিছু খাবারে এমন কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা ক্ষুদ্রান্ত্রে পুরোপুরি হজম হয় না। এসব উপাদান বৃহদান্ত্রে পৌঁছালে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া সেগুলো ভাঙার সময় গ্যাস তৈরি করতে পারে।

তবে সব খাবার সবার ক্ষেত্রে একই রকম সমস্যা তৈরি করে না। তাই গ্যাস হয় বলে সব ধরনের ডাল বা শাকসবজি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। বরং কোন খাবার খেলে নিজের সমস্যা বাড়ে, তা পর্যবেক্ষণ করা ভালো।

৩. দুধ হজমে সমস্যা

দুধ খাওয়ার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস, পেটব্যথা বা পাতলা পায়খানা হলে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের মতো সমস্যা থাকতে পারে। এ অবস্থায় শরীর দুধে থাকা ল্যাকটোজ নামের শর্করা ঠিকমতো হজম করতে পারে না।

এ ধরনের উপসর্গ নিয়মিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী ল্যাকটোজমুক্ত দুধ বা অন্য উপযুক্ত বিকল্প বেছে নেওয়া যেতে পারে।

৪. কোষ্ঠকাঠিন্য

নিয়মিত পায়খানা না হওয়া, মলত্যাগে কষ্ট কিংবা মল শক্ত হয়ে যাওয়ার সঙ্গে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সম্পর্ক রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট ভারী লাগতে পারে এবং গ্যাস বের হতেও অসুবিধা হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পানি পান, উপযোগী আঁশযুক্ত খাবার এবং নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা সহায়ক হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে এর কারণ নির্ণয় করা জরুরি।

৫. বদহজম ও পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা

কিছু ক্ষেত্রে ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (IBS), অ্যাসিড রিফ্লাক্স, সিলিয়াক রোগ কিংবা ক্ষুদ্রান্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার অতিরিক্ত বৃদ্ধির সঙ্গে গ্যাস ও পেট ফাঁপার সম্পর্ক থাকতে পারে।

তবে শুধু গ্যাস হলেই এসব রোগ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না। উপসর্গ কত দিন ধরে হচ্ছে, পেটব্যথা বা পায়খানার সমস্যা রয়েছে কি না এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ফল বিবেচনা করে চিকিৎসক প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করেন।

গ্যাসের সমস্যা কমানোর ৮টি সহজ উপায়

পেটে গ্যাস হলে সব সময় ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের অভ্যাস ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনলে উপসর্গ কমে যায়। তবে কোন পদ্ধতি কার্যকর হবে, তা সমস্যার কারণের ওপর নির্ভর করে।

১. ধীরে ধীরে খাবার খান

খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান এবং খাওয়ার সময় তাড়াহুড়া করবেন না। এতে অতিরিক্ত বাতাস গিলে ফেলার প্রবণতা কমতে পারে। একবারে অনেক খাবার না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার অভ্যাসও পেটের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

২. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন। বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে পর্যাপ্ত পানি ও আঁশযুক্ত খাবার মলত্যাগ সহজ করতে সহায়তা করে। তবে কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে পানি পানের পরিমাণ সীমিত রাখার নির্দেশ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করতে হবে।

৩. খাওয়ার পর হালকা হাঁটাচলা করুন

খাবার খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হালকা হাঁটুন। নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। পেটে অস্বস্তি থাকলে ভারী ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।

৪. ফিজি পানীয় কমিয়ে দিন

কোমল পানীয়, সোডা ও অন্যান্য কার্বনেটেড পানীয়ের কারণে পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, ঢেকুর বা ফাঁপা ভাব হতে পারে। এসব পানীয় খেলে সমস্যা বাড়লে সাধারণ পানিকে বিকল্প হিসেবে বেছে নিন।

৫. যে খাবারে গ্যাস বাড়ে, তা শনাক্ত করুন

ডাল, ছোলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ কিংবা দুধ খাওয়ার পর আপনার উপসর্গ বাড়ে কি না, খেয়াল করুন। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট খাবারের পরিমাণ কমিয়ে পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

একসঙ্গে অনেক খাবার বন্ধ না করে খাবার ও উপসর্গের হিসাব রাখুন। এতে কোন খাবার আপনার জন্য সমস্যা তৈরি করছে, তা বোঝা সহজ হবে।

৬. একবারে অতিরিক্ত খাবেন না

একসঙ্গে অনেক খাবার খেলে পেট ভারী লাগতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে। তাই পরিমিত খাবার খান এবং নিজের সহনশীলতা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ ঠিক করুন। রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা থাকলে।

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে রাখুন

কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে শাকসবজি, ফল, ওটস ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় বাড়াতে পারেন। হঠাৎ অতিরিক্ত আঁশ খেলে কারও কারও গ্যাস বেড়ে যেতে পারে। তাই ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

৮. নিয়মিত সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

খাবারের অভ্যাস পরিবর্তন করার পরও যদি গ্যাসের সমস্যা না কমে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি কোষ্ঠকাঠিন্য, খাদ্য অসহিষ্ণুতা কিংবা পরিপাকতন্ত্রের অন্য কোনো সমস্যার পরীক্ষা করতে পারেন।

পেটে গ্যাস হলে কী খাবেন?

গ্যাসের সমস্যা কমাতে সবার জন্য একই খাদ্যতালিকা কার্যকর নয়। কোন খাবার আপনার শরীরে কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভাত ও রুটি: নিজের সহনশীলতা অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন।

ওটস ও আঁশযুক্ত খাবার: কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে ধীরে ধীরে আঁশের পরিমাণ বাড়ানো উপকারী হতে পারে।

ডাল ও ছোলা: খাওয়ার পর গ্যাস বাড়লে পরিমাণ কমিয়ে দেখুন। পুরোপুরি বাদ দেওয়ার আগে পুষ্টির বিকল্প বিবেচনা করুন।

শাকসবজি ও ফল: সহনশীলতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল খান।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার: দুধ খেলে সমস্যা হলে ল্যাকটোজমুক্ত দুধের মতো বিকল্প বিবেচনা করতে পারেন।

কোমল পানীয়: ঢেকুর বা পেট ফাঁপা বাড়লে কার্বনেটেড পানীয় এড়িয়ে চলুন।

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার: এসব খাবারে অস্বস্তি বাড়লে পরিমাণ কমিয়ে দিন।

মনে রাখতে হবে, গ্যাস হয় বলে সব ধরনের ডাল, দুধ বা শাকসবজি বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। অপ্রয়োজনে অনেক খাবার বাদ দিলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

গ্যাস হলে ওষুধ খাওয়া কি জরুরি?

না, সব ক্ষেত্রে গ্যাসের ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় খাবারের অভ্যাস পরিবর্তন, হাঁটাচলা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অস্বস্তি কমানো সম্ভব।

কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট সিমেথিকোন (Simethicone) জাতীয় ওষুধের পরামর্শ দিতে পারেন। তবে এর কার্যকারিতা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা দুধ হজমে অসুবিধার কারণে গ্যাস হলে চিকিৎসার পদ্ধতিও আলাদা হতে পারে।

নিজে থেকে নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক কিংবা অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। বারবার সমস্যা হলে শুধু ওষুধ খেয়ে উপসর্গ চাপা না দিয়ে এর কারণ নির্ণয় করা জরুরি।

কখন পেটের গ্যাস নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

মাঝেমধ্যে গ্যাস হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা দীর্ঘদিন চললে বা অন্য উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

নিচের লক্ষণগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিন:

বারবার পেট ফাঁপা বা গ্যাস হওয়া এবং অভ্যাস পরিবর্তনেও না কমা।

দীর্ঘস্থায়ী বা তীব্র পেটব্যথা।

গ্যাসের সঙ্গে নিয়মিত ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য।

চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া বা ক্ষুধামন্দা।

পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

পেট ফুলে যাওয়ার সঙ্গে বমি হওয়া বা মল ও গ্যাস একেবারেই বের না হওয়া।

হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, পেট ফুলে যাওয়ার সঙ্গে মল ও গ্যাস বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা রক্তবমি হলে জরুরি চিকিৎসা নিন। বুকব্যথা বা শ্বাসকষ্টকেও শুধু গ্যাসের সমস্যা ভেবে অবহেলা করবেন না।

পেটে গ্যাস হওয়া পরিপাকপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হলেও বারবার অস্বস্তি হলে এর কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। ধীরে খাওয়া, ফিজি পানীয় কমানো, নিয়মিত হাঁটাচলা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং যে খাবারে সমস্যা বাড়ে তা শনাক্ত করার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়।

তবে দীর্ঘদিন গ্যাসের সমস্যা চললে বা পেটব্যথা, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন কিংবা অকারণে ওজন কমার মতো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সঠিক কারণ জানা গেলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

প্রাসঙ্গিক FAQ

১. পেটে গ্যাস হওয়ার প্রধান কারণ কী?

দ্রুত খাবার খাওয়া, বাতাস গিলে ফেলা, কিছু খাবার হজমের সময় অন্ত্রে গ্যাস তৈরি হওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং নির্দিষ্ট খাবার হজমে অসুবিধা এর সাধারণ কারণ।

২. গ্যাস হলে দ্রুত আরাম পেতে কী করবেন?

হালকা হাঁটাচলা করুন, ধীরে খাবার খান এবং ফিজি পানীয় এড়িয়ে চলুন। তবে তীব্র বা অস্বাভাবিক পেটব্যথা হলে ঘরোয়া উপায়ে সময় নষ্ট না করে চিকিৎসা নিন।

৩. খালি পেটে কি গ্যাস বেশি হয়?

খালি পেটে গ্যাস বেশি হবেই, এমন নয়। পেটের অস্বস্তি, ঢেকুর বা জ্বালাপোড়া বিভিন্ন কারণে হতে পারে। অ্যাসিড রিফ্লাক্স ও বদহজমের মতো সমস্যাও একই ধরনের উপসর্গ তৈরি করতে পারে।

৪. দুধ খেলে গ্যাস হলে কী করবেন?

দুধ খাওয়ার পর নিয়মিত পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পাতলা পায়খানা হলে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাকটোজমুক্ত দুধ বা অন্য উপযুক্ত বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

৫. পেটে গ্যাস হলে কি প্রতিদিন ওষুধ খাওয়া যায়?

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। সমস্যা বারবার হলে এর কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া ভালো।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: