ঢাকা, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে? জানুন পুরো নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৯ ২২:০১:৩৪
জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে? জানুন পুরো নিয়ম

জমির নামজারি করতে কোথায় আবেদন করবেন, কী কী কাগজপত্র লাগবে এবং সরকারি ফি কত—এসব বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। অথচ জমি কেনার পর কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়ার পর ভূমি রেকর্ডে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে এখন সরকারি ই-নামজারি পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই আবেদন করা যায়। সরকারি ফি তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ নামজারির জন্য মোট ১ হাজার ১৭০ টাকা দিতে হয়। এর মধ্যে আবেদন করার সময় ৭০ টাকা এবং নামজারি অনুমোদনের পর বাকি ১ হাজার ১০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়।

তবে শুধু আবেদন ও ফি জমা দিলেই নামজারি সম্পন্ন হয় না। জমির দলিল, খতিয়ান, মালিকানার তথ্য এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদন নিষ্পত্তি করে। জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ বা নথিতে অসংগতি থাকলে প্রক্রিয়ায় বেশি সময় লাগতে পারে।

জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, কত টাকা খরচ হয়, কত দিনে নামজারি সম্পন্ন হতে পারে এবং অনলাইনে কীভাবে আবেদন করবেন—এসব বিষয় বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

জমির নামজারি কী এবং কেন করতে হয়?

জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি ভূমি রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত বা রেকর্ড হালনাগাদ করার প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয়। ইংরেজিতে এটি Mutation নামে পরিচিত।

সাধারণত জমি কেনা, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া, দান বা হেবার মাধ্যমে জমির মালিকানা অর্জন এবং আইনসম্মতভাবে মালিকানা পরিবর্তনের পর নামজারির প্রয়োজন হয়।

নামজারি সম্পন্ন হলে নতুন মালিকের নামে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পৃথক খতিয়ান তৈরি হয়। পাশাপাশি জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রেকর্ড হালনাগাদ করাও সহজ হয়।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—নামজারি নিজে থেকে জমির মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। জমির দলিল, উত্তরাধিকারের অধিকার এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথির সঙ্গে নামজারির তথ্য মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

জমির নামজারি করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?

নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ভর করে জমির মালিকানা কীভাবে অর্জন করা হয়েছে তার ওপর। ক্রয়সূত্রে পাওয়া জমি এবং উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথি এক রকম নাও হতে পারে।

১. জমির দলিল

জমি কেনার মাধ্যমে মালিকানা অর্জন করলে রেজিস্ট্রি করা ক্রয় দলিলের কপি প্রয়োজন হয়। দান বা হেবার মাধ্যমে জমি পেলে সংশ্লিষ্ট হস্তান্তর দলিল দিতে হয়। দলিলের তথ্য যেন আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মেলে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২. খতিয়ান ও জমির পরিচিতিমূলক তথ্য

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সর্বশেষ খতিয়ান এবং সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী খতিয়ানের কপি প্রস্তুত রাখুন। জমির মৌজা, জে.এল. নম্বর, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ সম্পর্কেও সঠিক তথ্য প্রয়োজন হবে।

৩. ওয়ারিশ সনদ

উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ দিতে হয়। উত্তরাধিকারীদের পরিচয়, অংশ এবং জমির বণ্টনসংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথিও চাওয়া হতে পারে।

৪. আবেদনকারীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য

আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, সচল মোবাইল নম্বর এবং অনলাইন ফরমে চাওয়া অন্যান্য পরিচিতিমূলক তথ্য প্রস্তুত রাখুন। ফরমে নাম ও অন্যান্য তথ্য দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

৫. প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্র

জমির ধরন ও মালিকানা অর্জনের পদ্ধতি অনুযায়ী আগের নামজারি খতিয়ান, বণ্টননামা, আদালতের রায় বা আদেশ এবং মালিকানাসংক্রান্ত অন্যান্য নথি প্রয়োজন হতে পারে।

সব আবেদনের জন্য একই ধরনের কাগজপত্র বাধ্যতামূলক নয়। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে সরকারি ই-নামজারি পোর্টাল ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা দেখে নেওয়া ভালো। কাগজপত্রে ঘাটতি বা অসংগতি থাকলে আবেদন নিষ্পত্তিতে দেরি হতে পারে।

জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে?

বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ নামজারির সরকারি খরচ মোট ১ হাজার ১৭০ টাকা। এর মধ্যে আবেদন করার সময় ৭০ টাকা এবং নামজারি অনুমোদনের পর বাকি ১ হাজার ১০০ টাকা দিতে হয়।

আবেদন জমা দেওয়ার সময় কোর্ট ফি বাবদ ২০ টাকা এবং নোটিশ জারি ফি বাবদ ৫০ টাকা পরিশোধ করতে হয়। নামজারি অনুমোদিত হলে রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদের জন্য ১ হাজার টাকা এবং প্রতি কপি নামজারি খতিয়ান সরবরাহের জন্য ১০০ টাকা দিতে হয়।

অর্থাৎ, প্রথম ধাপে ৭০ টাকা এবং অনুমোদনের পর ১ হাজার ১০০ টাকা—এই দুই ধাপে মোট সরকারি ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, নামজারির ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে সতর্ক থাকুন। এ ধরনের অভিযোগ জানাতে ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২-এ যোগাযোগ করা যায়।

জমির নামজারি হতে কত দিন সময় লাগে?

সরকারি ই-নামজারি নির্দেশিকায় সাধারণত ২৮ দিনের মধ্যে নামজারি নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে এটি প্রতিটি আবেদনের ক্ষেত্রে নিশ্চিত সময়সীমা নয়। আবেদন যাচাই, জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতা, কাগজপত্রের ঘাটতি এবং শুনানির প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে সময় কমবেশি হতে পারে।

নামজারি প্রক্রিয়ায় সাধারণত কয়েকটি ধাপ থাকে। প্রথমে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র ও সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাই করে। প্রয়োজনে তদন্ত, নোটিশ জারি বা শুনানির ব্যবস্থা করা হয়। সবকিছু সন্তোষজনক হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবেদন অনুমোদন করেন।

অনুমোদনের পর নামজারি খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় এবং বাকি ফি পরিশোধের জন্য আবেদনকারীর মোবাইলে বার্তা পাঠানো হতে পারে। ফি পরিশোধের পর অনলাইন থেকে খতিয়ান ও ডিসিআর সংগ্রহ করা যায়।

তাই আবেদন করার সময় শুধু দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর নির্ভর না করে সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবেদনের অগ্রগতি জানতে সরকারি পোর্টালের ‘আবেদন ট্র্যাকিং’ সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

অনলাইনে জমির নামজারি আবেদন করার নিয়ম

জমির নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে সরকারি ই-নামজারি পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। আবেদন করার আগে জমির দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর, মৌজার তথ্য এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র হাতের কাছে রাখুন।

ধাপ ১: সরকারি ই-নামজারি পোর্টালে প্রবেশ করুন

প্রথমে

mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। সেখানে ‘অনলাইনে আবেদন করুন’ অপশন থেকে মিউটেশন আবেদনের ফরম খুলুন। আবেদন শুরু করার আগে পোর্টালে দেওয়া নির্দেশিকা পড়ে নিন।

ধাপ ২: জমির মালিকানা অর্জনের ধরন নির্বাচন করুন

জমিটি কীভাবে পেয়েছেন, তা নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট অপশন নির্বাচন করতে হবে। যেমন—ক্রয়, উত্তরাধিকার, হেবা, আদালতের ডিক্রি, নিলাম বা বন্দোবস্ত। নির্বাচিত ধরন অনুযায়ী ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

ধাপ ৩: জমির সঠিক তথ্য পূরণ করুন

আবেদন করা জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা এবং প্রযোজ্য জরিপের তথ্য নির্বাচন করুন। এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।

বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, একটি আবেদন সাধারণত একটি মৌজার জমির জন্য করা হয়। জমি একাধিক মৌজায় থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী আলাদা আবেদন করতে হতে পারে। ভূমি মন্ত্রণালয়

ধাপ ৪: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন

জমির দলিল, খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদ এবং মালিকানা অর্জনের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথির স্পষ্ট কপি সংযুক্ত করুন। আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে আপলোড করা নথির তথ্য মিলিয়ে নিন।

ধাপ ৫: আবেদন ফি পরিশোধ করে জমা দিন

অনলাইনে কোর্ট ফি ২০ টাকা এবং নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা—মোট ৭০ টাকা পরিশোধ করুন। সরকারি পোর্টালে দেখানো পেমেন্ট পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

আবেদন জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য আবার যাচাই করুন। কারণ আবেদন দাখিলের পর ফরমের তথ্য সরাসরি সংশোধন করার সুযোগ সীমিত হতে পারে। আবেদন নম্বর ও পেমেন্টের রসিদ সংরক্ষণ করুন।

ধাপ ৬: আবেদনের অগ্রগতি অনুসরণ করুন

আবেদন জমা দেওয়ার পর পোর্টালের ‘আবেদন ট্র্যাকিং’ অপশনে গিয়ে আবেদনের অবস্থা দেখুন। কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কাগজপত্র বা শুনানির নির্দেশ দিলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

ধাপ ৭: অনুমোদনের পর বাকি ফি দিয়ে খতিয়ান সংগ্রহ করুন

নামজারি অনুমোদিত হলে রেকর্ড সংশোধন ফি ১ হাজার টাকা এবং খতিয়ান সরবরাহ ফি ১০০ টাকা পরিশোধ করুন। এরপর সরকারি পোর্টাল থেকে নামজারি খতিয়ান ও অনলাইন ডিসিআর সংগ্রহ করতে পারবেন।

সরকারি নির্দেশিকা ও টিউটোরিয়াল দেখতে ই-নামজারি নির্দেশিকা এবং অনলাইন আবেদনসংক্রান্ত টিউটোরিয়াল অনুসরণ করতে পারেন।

নামজারির আবেদন করার সময় যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন

অনেক সময় জমির মালিকানা নিয়ে জটিলতার পাশাপাশি আবেদনপত্রে ভুল তথ্য দেওয়ার কারণেও নামজারি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

দলিল ও খতিয়ানের তথ্য মিলিয়ে নিন: জমির দাগ নম্বর, মৌজা, পরিমাণ ও মালিকের নামের মধ্যে অসংগতি থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা বা অতিরিক্ত নথি লাগতে পারে।

উত্তরাধিকারীদের তথ্য সঠিক দিন: উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে ওয়ারিশ ও জমিতে তাঁদের প্রাপ্য অংশের তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ করুন।

স্পষ্ট কাগজপত্র আপলোড করুন: দলিল ও খতিয়ানের লেখা অস্পষ্ট হলে যাচাই করতে সমস্যা হতে পারে।

আবেদন নম্বর সংরক্ষণ করুন: পরবর্তী সময়ে আবেদনের অবস্থা দেখা ও প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য এটি প্রয়োজন হবে।

শুনানির নির্দেশনা অনুসরণ করুন: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত তথ্য বা শুনানির প্রয়োজন জানালে তা উপেক্ষা করবেন না।

মনে রাখবেন, শুধু ফি জমা দিলেই নামজারি অনুমোদিত হয় না। জমির মালিকানা ও আবেদনপত্রের তথ্য যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়।

নামজারি নিয়ে সমস্যা হলে কোথায় যোগাযোগ করবেন?

অনলাইনে আবেদন করতে সমস্যা হলে অথবা নামজারি ফি, আবেদন ট্র্যাকিং ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে সরকারি ভূমিসেবা পোর্টাল ব্যবহার করতে পারেন। প্রয়োজন হলে জমিটি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকার উপজেলা ভূমি অফিস বা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

সরকারি ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২ নম্বরেও যোগাযোগ করা যায়।

প্রয়োজনীয় লিংক:

ই-নামজারি আবেদন:

mutation.land.gov.bd

সরকারি ভূমিসেবার ফি:

land.gov.bd/vumisheba-fee

ই-নামজারি নির্দেশিকা:

mutation.land.gov.bd/nirdeshika

জমির নামজারি নিয়ে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. জমির নামজারি করতে মোট কত টাকা লাগে?

সরকারি ফি অনুযায়ী মোট ১ হাজার ১৭০ টাকা। আবেদন করার সময় ৭০ টাকা এবং অনুমোদনের পর বাকি ১ হাজার ১০০ টাকা দিতে হয়।

২. অনলাইনে কি নিজেই নামজারির আবেদন করা যায়?

হ্যাঁ। সরকারি ই-নামজারি পোর্টালে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ, কাগজপত্র সংযুক্তি ও ফি পরিশোধের মাধ্যমে আবেদন করা যায়।

৩. নামজারি হতে সাধারণত কত দিন লাগে?

সরকারি নির্দেশিকায় সাধারণত ২৮ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে আবেদন যাচাই, শুনানি বা মালিকানা নিয়ে জটিলতা থাকলে বেশি সময় লাগতে পারে।

৪. উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির নামজারি করতে কী লাগে?

সাধারণত প্রযোজ্য ওয়ারিশ সনদ, সংশ্লিষ্ট খতিয়ান, জমির পরিচিতিমূলক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় মালিকানাসংক্রান্ত নথি লাগে। পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্রও চাওয়া হতে পারে।

৫. নামজারি আবেদন বাতিল হলে কী করবেন?

প্রথমে বাতিলের আদেশে উল্লেখ করা কারণ দেখুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি বা তথ্যের ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিন। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইলে প্রযোজ্য আপিল বা রিভিউয়ের নিয়ম অনুসরণ করুন।

আল-সাদ/

পাঠকের মতামত: