৪৭ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার, কী থাকছে নতুন আইনে?
গ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা থেকে অপরাধ প্রতিরোধ—বহুমুখী দায়িত্ব নিয়ে স্থানীয় সরকার কাঠামোয় ‘গ্রাম সরকার’ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রস্তাবিত কাঠামোয় প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য নিয়ে সংস্থাটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক, চুরি, সন্ত্রাস এবং জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধেও কাজ করার দায়িত্ব পেতে পারে গ্রাম সরকার।
খসড়াটিতে শুধু সংস্থার গঠন নয়, সদস্য নির্বাচন, দায়িত্ব পালনের মেয়াদ, যোগ্যতা, অপসারণ এবং পুরো গ্রাম সরকার বাতিলের প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে মতামত চেয়েছে।
গ্রাম সরকারের কাজ শুধু উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় গ্রামের সামাজিক সমস্যা মোকাবিলাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, মাদক এবং যেকোনো ধরনের জুয়ার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার দায়িত্ব থাকবে গ্রাম সরকারের। এসব অপরাধ সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দেওয়ার কথাও রয়েছে খসড়ায়।
গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নিতে পারবে সংস্থাটি। এ ক্ষেত্রে গ্রাম সরকারের লিখিত সিদ্ধান্ত আইনানুগ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করতে পারবে।
উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওয়ার্ডের রাস্তা ও কালভার্টের মতো অবকাঠামোর জন্য অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে পরিকল্পনা তৈরি করবে তারা। চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি এবং আর্থিক বিষয়ও পর্যালোচনা করার দায়িত্ব প্রস্তাব করা হয়েছে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতেও থাকবে সম্পৃক্ততা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রসারে সহযোগিতা করা এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিশ্চিত করার কাজে ভূমিকা রাখবে প্রস্তাবিত গ্রাম সরকার। পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করার বিধানও রয়েছে।
মাঠপর্যায়ে এসব কর্মসূচিতে নিয়োজিত কর্মচারীদের কাজের বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিবেদন দিতে হবে। বিশুদ্ধ পানীয়জলের সরবরাহ এবং স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন কর্মসূচি বাস্তবায়নেও সহযোগিতা করবে গ্রাম সরকার। প্রয়োজন হলে নিজস্ব তত্ত্বাবধানেও ব্যবস্থা নিতে পারবে।
কৃষি উপকরণের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করাও হবে তাদের কাজের অংশ। স্থানীয় পর্যায়ে সার, উন্নতমানের বীজ ও কীটনাশকের প্রাপ্যতা সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখবে সংস্থাটি। কোনো সংকট দেখা দিলে ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে হবে।
গ্রামের অর্থনীতি ও পরিবেশ উন্নয়নে পরিকল্পনা
গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে সমবায় সমিতি গঠন, ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন, হাঁস-মুরগির খামার, মৎস্য চাষ ও পশুপালনে মানুষকে উৎসাহিত করার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত গ্রাম সরকারকে।
এর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, পরিবেশ রক্ষা এবং প্রাণী সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। নারী, যুবক, তরুণ, প্রবীণ ও শিশুসহ গ্রামের মানুষের সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম গ্রহণের সুযোগ থাকবে।
প্রধান ও উপদেষ্টা হবেন কারা
খসড়া অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য গ্রাম সরকারের প্রধান হবেন। উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকবেন ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য। তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৫ সদস্যের কাঠামো গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সদস্যদের তালিকায় থাকবেন—
দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক;
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দুইজন প্রতিনিধি—একজন পুরুষ ও একজন নারী;
দুইজন কৃষক;
একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার;
একজন সমবায় সমিতির সদস্য;
একজন পল্লী চিকিৎসক;
একজন শিক্ষক;
একজন ব্যবসায়ী;
একজন পেশাজীবী;
একজন শ্রমিক;
একজন যুব প্রতিনিধি;
একজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য, যদি থাকেন।
কোনো একটি বা একাধিক শ্রেণির প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে গণ্যমান্য ব্যক্তি কিংবা সমাজসেবকের সংখ্যা বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পূরণের প্রস্তাব রয়েছে।
গ্রাম সরকার ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক সংগঠন হিসেবে কাজ করবে। তবে সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে সংজ্ঞায়িত প্রশাসনিক একাংশ হিসেবে গণ্য হবে না। খসড়ায় সংস্থাটিকে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনের শর্ত সাপেক্ষে এর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন, নিজের অধিকারে রাখা এবং হস্তান্তরের ক্ষমতাও থাকবে।
সদস্য নির্বাচন হবে হ্যাঁ-না ভোটে
প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে গ্রাম সরকারের সদস্য নির্বাচনের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণে হ্যাঁ-না ভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভোটারদের কমপক্ষে ১০ শতাংশের উপস্থিতি থাকতে হবে এবং পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালিত হবে।
গ্রাম সরকারের প্রধান, উপদেষ্টা ও সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের আগে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের সামনে শপথ নিতে হবে। সংস্থাটি গঠনের ৩০ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করার বিধান রাখা হয়েছে।
পাঁচ বছরের মেয়াদ, নতুন সরকার গঠনের সময়সীমাও নির্ধারিত
গ্রাম সরকারের মেয়াদ শুরু হবে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে। সেই হিসাবে প্রতিটি গ্রাম সরকার পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবে।
প্রথমবার সংস্থাটি গঠনের তারিখ সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। পরবর্তী সময়ে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন গ্রাম সরকার গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। আর আইনের ২৪ ধারার অধীনে কোনো গ্রাম সরকার বাতিল করা হলে বাতিলের আদেশ জারির পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন সংস্থা গঠন করতে হবে।
গ্রাম সরকারের কার্যালয় স্থাপনের জন্য ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী স্থান, হাট-বাজার অথবা গ্রোথ সেন্টার এলাকা বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। গ্রাম সরকারের প্রধানের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ের অবস্থান নির্ধারণ করবে।
সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বাধা থাকছে
খসড়ায় সদস্য হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট যোগ্যতার পাশাপাশি কয়েকটি অযোগ্যতার শর্তও রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে বা হারালে কেউ গ্রাম সরকারের সদস্য হতে পারবেন না। কোনো আদালত কাউকে অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলেও তিনি সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন না।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের আঞ্চলিক এলাকার বাইরে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য চলে গেলেও সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকবে না। নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আদালতের রায়ে কমপক্ষে এক বছরের কারাদণ্ড হলে এবং মুক্তির পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হলে সদস্য হওয়া যাবে না।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম না থাকা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়া বা থাকা এবং কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী থাকলেও সদস্য হওয়ার সুযোগ থাকবে না।
দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বাতিল হতে পারে গ্রাম সরকার
গ্রাম সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও তদন্তের ক্ষমতা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে জেলা প্রশাসকের জন্য। তিনি নিজ উদ্যোগে, পরিদর্শনকারী কর্মকর্তার পরিদর্শনের পর অথবা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে সংস্থাটির কার্যক্রমের সাধারণ বা নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে তদন্তের জন্য কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারবেন।
তদন্তে যদি দেখা যায়, কোনো গ্রাম সরকার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ, ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, প্রশাসনিক বা আর্থিক দায়িত্ব পালনে অক্ষম, জনস্বার্থবিরোধী কাজে যুক্ত কিংবা ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন বা অপব্যবহার করেছে, তাহলে জেলা প্রশাসক সেটি বাতিল ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারবেন।
তবে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাম সরকারকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে। এ ছাড়া যথাযথ তদন্তের পর কোনো সদস্যকে পদ থেকে অপসারণ করা যাবে। যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলেও সদস্যকে অপসারণের বিধান রাখা হয়েছে।
গ্রাম সরকার বাতিল হলে নতুন সংস্থা গঠন না হওয়া পর্যন্ত পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের গঠিত এডহক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে এমন ভোটারদের নিয়ে এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে।
১৯৮০ সালে চালু হয়েছিল গ্রাম সরকার
দেশে এর আগেও ‘গ্রাম সরকার’ নামে একটি স্থানীয় সরকারব্যবস্থা চালু হয়েছিল। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে ১৯৮০ সালে এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। পরে ২০০৩ সালে এ বিষয়ে আইন প্রণয়ন করা হলেও সেটি পরবর্তী সময়ে বাতিল হয়ে যায়।
রহিত হওয়া ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০০৩’-এ প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৩ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের বিধান ছিল। নতুন খসড়ায় সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, গত ৬ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে গ্রাম সরকার পুনর্বহালের বিষয়ে কয়েকজন প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বিষয়টি পরবর্তী বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে রাখার জন্য বলা হয়।
বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগের তৈরি ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াটি মতামতের পর্যায়ে রয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় স্থানীয় উন্নয়ন, সামাজিক সমস্যা মোকাবিলা ও গ্রামীণ জনকল্যাণে সংস্থাটিকে ইউনিয়ন পরিষদের সহায়ক হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
FAQ
১. গ্রাম সরকার চালুর বিষয়ে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?
স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করেছে এবং এ বিষয়ে মতামত চেয়েছে।
২. প্রস্তাবিত গ্রাম সরকারে কতজন সদস্য থাকবেন?
প্রতি ওয়ার্ডে একজন প্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৫ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম সরকার গঠনের প্রস্তাব রয়েছে।
৩. গ্রাম সরকারের মেয়াদ কত বছর?
প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর।
৪. গ্রাম সরকার কী কী বিষয়ে কাজ করবে?
গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবেশ, সামাজিক বিরোধ মীমাংসা এবং বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
৫. গ্রাম সরকার বাতিল হলে কী হবে?
খসড়া অনুযায়ী, নতুন গ্রাম সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের গঠিত এডহক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- বর্তমানে vivo-এর সেরা ৫ ফোন, কোনটার দাম কত?
- আজকের টাকার রেট কত: বেড়েছে ১৫টি দেশের টাকার মান
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ২টি দেশের টাকার মান
- আজকের টাকার রেট কত: কমেছে ৩টি দেশের টাকার মান
- আজকের সোনার দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি কত দর
- বর্তমানে vivo-এর সেরা ৫ ফোন: কোনটার দাম কত, কেন সেরা?
- আজ ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত? দেখুন তালিকা
- জমির নামজারি করতে কী কী লাগে, খরচ কত ও সময় কত দিন?
- vivo-এর কোন ৫টি ফোন আপনার জন্য সেরা? জানুন দাম
- আজ বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্ট: কখন, কোথায় ও কীভাবে লাইভ দেখবেন
- ৬ কোম্পানির ডিভিডেন্ড ঘোষণা
- আজ সোনার দাম বাড়ল, ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেটের ভরি কত?