স্বপ্নের চাকরি অ্যাপলে, বেতন শুনলে মাথা ঘুরে যাবে!
নিজস্বা প্রতিবেদক: আপনার হাতে থাকা আইফোন বা ম্যাকবুকটির দিকে তাকিয়ে কখনো ভেবেছেন, এর পেছনের কারিগররা আসলে কারা? স্টিভ জবসের হাতে গড়া স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান অ্যাপল শুধু নতুন নতুন প্রযুক্তি পণ্যই তৈরি করে না, প্রযুক্তির দুনিয়ায় রীতিমতো বিপ্লব এনেছে।
আর এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কারা কাজ করেন? নিঃসন্দেহে বিশ্বের সেরা সব মেধাবী আর দক্ষ কর্মীরাই! কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই মেধাবীদের পকেটে প্রতি বছর ঠিক কত টাকা ঢোকে? চলুন, আজ সেই গোপন খবরটাই জেনে নেওয়া যাক!
খবর এলো যেভাবে
অ্যাপলের মতো কোম্পানিগুলো নিজেদের কর্মীদের বেতনের তথ্য সাধারণত সিন্দুকে তালাবদ্ধ করে রাখে। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘বিজনেস ইনসাইডার’ সম্প্রতি সেই সিন্দুকের তালা ভাঙার একটা উপায় বের করেছে।
আমেরিকায় নিয়ম আছে, কোনো কোম্পানি যদি বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেয়, তবে তাদের পদের নাম ও বেতনের তথ্য সরকারের কাছে জমা দিতে হয়। বিজনেস ইনসাইডার ঠিক সেখান থেকেই তথ্যগুলো জোগাড় করেছে।
তবে মনে রাখবেন, এটা কিন্তু শুধু বেসিক স্যালারি! এর সাথে স্টক আর বোনাস যোগ হলে অঙ্কটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা কেবল কল্পনা করা যায়। তাতেই যা জানা গেছে, তাতেই চোখ কপালে ওঠার জোগাড়!
কার বেতন কত? শুনলে চমকে যাবেন!
সরকারের কাছে জমা দেওয়া তথ্য বলছে, অ্যাপলে একেকজন কর্মী যেন টাকার খনিতে কাজ করেন!
শুনলে অবাক হবেন, একজন হিউম্যান ইন্টারফেস ডিজাইনার বছরে ৪,৬৮,৫০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত কামাতে পারেন! বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৫ কোটি টাকারও বেশি!
একজন সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আয় করতে পারেন বছরে ৩,৭৮,৭০০ ডলার পর্যন্ত।
যারা ডেটা আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) নিয়ে খেলেন, তাদের কদরই আলাদা। একজন ডেটা সায়েন্টিস্ট বছরে ৩,২২,৪৪০ ডলার এবং একজন মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার ৩,২৯,৬০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
বিভিন্ন পদে বেতনের ঝলক
চলুন এক নজরে দেখে নিই কোন পদে বেতনের দৌড় কতদূর পর্যন্ত যায়:
ইঞ্জিনিয়ারদের রাজত্ব: অ্যাপলে ইঞ্জিনিয়ারদের বেতন সাধারণত বছরে ১ লাখ ডলার থেকে শুরু হয়ে ৩ লাখ ডলার ছাড়িয়ে যায়। কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন হার্ডওয়্যার সিস্টেমস বা ফিজিক্যাল ডিজাইনে, এই অঙ্কটা প্রায় ৩,৪১,২০০ থেকে ৩,৭৮,৭০০ ডলারেও পৌঁছাতে পারে!
সফটওয়্যার জাদুকর: সফটওয়্যার ডেভেলপারদের বেতনই যেখানে বছরে ১ লাখ ৩২ হাজার ডলারের বেশি, সেখানে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার বছরে ৩,৭৮,৭০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।
ডেটা ও মেশিন লার্নিং এক্সপার্ট: এই খাতে কর্মীদের বেতন শুরুই হয় ১ লাখ ডলারের বেশি দিয়ে এবং তা অনায়াসে ৩ লাখ ২৯ হাজার ডলারে গিয়ে ঠেকে।
সুতরাং, পরেরবার যখন কোনো অ্যাপল পণ্য ব্যবহার করবেন, তখন শুধু এর ডিজাইন বা পারফরম্যান্সই নয়, এর পেছনের কারিগরদের বেতনের অঙ্কটাও একবার ভেবে দেখতে পারেন! স্বপ্নের চাকরি বলে কথা
আল-আমিন ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- বাংলাদেশকে এক কথায় না বলে দিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড
- সোনার বাজারে বড় রেকর্ড: ভরিতে বাড়লো ৫১৩২ টাকা
- মুস্তাফিজকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে যা জানালো আইপিএল কর্তৃপক্ষ
- সরকারি চাকরিজীবীদের বড় সুখবর! ৮ জানুয়ারি চূড়ান্ত হচ্ছে নবম পে-স্কেল
- চলছে চট্টগ্রাম বনাম সিলেট ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন Live
- মুস্তাফিজের নতুন বার্তা
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল: পুনঃপরীক্ষার ঘোষণা শীঘ্রই
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের নতুন সময়সূচি ঘোষণা
- বিপিএল পয়েন্ট টেবিল: শীর্ষে রংপুর জানুন বাকিদের অবস্থান
- আজকের খেলার সময়সূচী:ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া
- লিভার অকেজো হওয়ার আগেই ত্বকে ফুটে ওঠে এই ৪টি বিশেষ লক্ষণ
- আইপিএল থেকে বাদ পড়ে পিএসএলে মুস্তাফিজ
- শীতে খালি পেটে খেজুর খেলেই ম্যাজিক! জানুন ৫টি জাদুকরী উপকারিতা
- এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক শিক্ষার্থীরা প্রত্যেক মাসে পাবেন ১২০০ টাকা
- নিলামে কেউ নেয়নি, সেই রিয়াদই এখন বিপিএলের সেরা