২০০ বছর আগের কাবিননামায় কনের ৩ শর্ত, কী ছিল সেগুলো
একজন নারী বিয়ের আগেই নিজের দাম্পত্য জীবনের কিছু বিষয় লিখিতভাবে নিশ্চিত করে নিয়েছিলেন—আজ থেকে প্রায় দুই শতাব্দী আগে। শুধু দেনমোহরের অঙ্ক নয়, স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে, দীর্ঘ সময় আলাদা থাকা এবং স্ত্রীর সঙ্গে আচরণের বিষয়েও শর্ত রেখেছিলেন তিনি। সেই শর্ত মেনে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেছিলেন তৎকালীন তালিবাবাদের জমিদার হোসেন উদ্দীন চৌধুরী।
আফসারুন নেসা খাতুনের সেই কাবিননামা এখন ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত। ফারসি ভাষায় লেখা বিবর্ণ দলিলটি ঘিরে অবশ্য একটি প্রশ্নও রয়েছে—এটি ১৮২৩ সালের, নাকি ১৯২৩ সালের? জাদুঘরের নথিতে ১৯২৩ সাল লেখা থাকলেও দলিলের হিজরি সাল বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞের ধারণা, এটি ১৮২৩ সালেরই।
দলিলটি সত্যিই ১৮২৩ সালের হলে এর বয়স দাঁড়ায় প্রায় ২০৩ বছর। আর সেই হিসাবে, কাবিননামাটি শুধু একটি পুরোনো বিয়ের নথি নয়; প্রায় দুই শতাব্দী আগে একজন নারীর বিয়ের চুক্তিতে নিজের শর্ত রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিলও।
দ্বিতীয় বিয়ে থেকে ছয় মাস আলাদা থাকা—সবই ছিল শর্তে
আফসারুন নেসা খাতুন ছিলেন মুকিমপুরের সৈয়দ নেজাবত আলী চৌধুরীর মেয়ে। তাঁর বিয়ে হয়েছিল তালিবাবাদের জমিদার হোসেন উদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে।
বিয়ের সময় কাবিননামায় তিনটি নির্দিষ্ট শর্ত যুক্ত করা হয়। শর্ত অনুযায়ী, বর্তমান স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া হোসেন উদ্দীন চৌধুরী দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। একইভাবে একটানা ছয় মাস স্ত্রীকে ছেড়ে থাকাও যাবে না।
তৃতীয় শর্তটি ছিল স্বামীর আচরণ নিয়ে। স্ত্রীর কোনো ত্রুটি হলে তাঁকে মারধর করার সুযোগ রাখা হয়েছিল, কিন্তু সেই মারধরের ফলে শরীরে কোনো দাগ তৈরি করা যাবে না।
তিনটি শর্তই মেনে নিয়েছিলেন বর। এরপর কাবিননামায় তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
এই বিয়েতে দেনমোহরের অঙ্কও ছিল বড়—পাঁচ হাজার স্বর্ণমুদ্রা এবং ৫০ হাজার রৌপ্যমুদ্রা।
একই সময়ে বিয়ের চুক্তিতে শুধু দেনমোহরই ছিল না
কাবিননামাটি নিয়ে ইতিহাসের আরেকটি দিক সামনে আসে। বিয়ের চুক্তি বলতে শুধু দেনমোহর নির্ধারণকেই বোঝানো হতো না; দাম্পত্য জীবনের নানা বিষয়ও লিখিতভাবে নির্ধারণের নজির ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম বিবাহ আইনের বিবর্তন এবং আধুনিকতা নিয়ে পিএইচডি থিসিস করেছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আনিসুর রহমান।
২০ সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সে সময় অনেক মুসলিম পরিবারের বিয়ের চুক্তিতে দেনমোহর ও দাম্পত্য জীবনের বিভিন্ন শর্ত যুক্ত করার প্রচলন ছিল। অভিজাত ও বিত্তশালী পরিবারে এ ধরনের শর্ত রাখার নজির বিশেষভাবে পাওয়া যায়।
তাঁর ব্যাখ্যায়, একাধিক বিয়ের প্রচলনের কারণে প্রথম স্ত্রীর অধিকার, দেনমোহর এবং ভরণপোষণের নিশ্চয়তার বিষয়টিও কাবিননামায় শর্ত হিসেবে রাখা হতো।
আনিসুর রহমানের ভাষায়, কাবিননামা ছিল একটি চুক্তি। ১৯৭৪ সালে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন হওয়ার পর দেশে প্রচলিত কাবিননামায় বর-কনের পরিচয়, আগের বিয়ের তথ্য, দেনমোহর থেকে তালাকের ক্ষমতাসহ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তবে জাতীয় জাদুঘরে থাকা দলিলটি যে সময়ের বলে ধারণা করা হচ্ছে, তখন বা তার আগে এ ধরনের লিখিত কাবিননামা তৈরির কোনো আইন ছিল না। সে সময় মৌখিক সম্মতিতে বিয়ে পড়ানো হতো। উচ্চবিত্ত মুসলিম পরিবারগুলো অবশ্য লিখিত প্রমাণ সংরক্ষণ করত।
আনিসুর রহমান জানান, সে সময় জমিদারদের মধ্যে একাধিক বিয়ে ও উপপত্নী রাখার প্রচলন ছিল। এ কারণে স্ত্রীদের দেনমোহর ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য লিখিত কাবিননামা করা হতো। মূলত দেনমোহরের প্রমাণ সংরক্ষণও এর একটি উদ্দেশ্য ছিল।
১৮২৩ সালের দলিল, নাকি জাদুঘরের নথির ১৯২৩?
কাবিননামাটির সময়কাল নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
জাতীয় জাদুঘরের তৃতীয় তলার ইতিহাস ও ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগের ৩৩ নম্বর গ্যালারিতে দলিলটির সামনে যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ রয়েছে, সেখানে ১৯২৩ সাল লেখা। সংশ্লিষ্ট নথিতেও একই সাল উল্লেখ করা হয়েছে।
কিন্তু কাবিননামার নিচের অংশে থাকা হিজরি সাল সেই তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান মুমিত আল রশিদ দলিলটির অনুবাদ করেছেন। তাঁর কাছে কাবিননামাটির ছবি দেখানো হয় জাতীয় জাদুঘরের অনুমতি নিয়ে। ফারসি লেখাগুলো অস্পষ্ট হওয়ায় পুরো দলিল অনুবাদ করা সম্ভব হয়নি। তবে পাঠোদ্ধার করা অংশ থেকে বিয়ের সময়কাল ও কনের শর্তসহ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
মুমিত আল রশিদ কাবিননামার বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে হিজরি সালের উল্লেখ মিলিয়ে দেখেছেন। সময়কাল নিয়ে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য দলিলটির ছবি ইরানের দুজন এবং সিরিয়ার একজন নাগরিককেও দেখিয়েছেন।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ফারসি ভাষায় পাওয়া দলিলগুলোতে হিজরি সাল দেওয়ার নজির রয়েছে। এই কাবিননামার নিচের অংশে ১২০০ হিজরি লেখা আছে। সেই হিসাবে দলিলটি ১৯২৩ সালের হওয়ার সুযোগ নেই; বরং ১৮২৩ সালের হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
ফলে জাদুঘরের নথিতে থাকা ১৯২৩ সাল এবং দলিলের হিজরি সালের মধ্যে যে অসংগতি রয়েছে, সেটিই কাবিননামাটির বয়স নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
চট্টগ্রামের আরেক কাবিননামাতেও ছিল একাধিক শর্ত
আফসারুন নেসা খাতুনের কাবিননামাকে একক কোনো ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কাছাকাছি সময়ের আরেকটি দলিলেও বিয়ের চুক্তির মধ্যে একাধিক শর্ত যুক্ত থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরে সংরক্ষিত সেই কাবিননামাটি ১৯৭৬ সালে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এর বাংলা অনুবাদ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরের অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ গবেষক হাফিজ মাহবুবুর রহমান।
অনুবাদে দেখা যায়, ১৮২৬ সালের ৯ মার্চ চট্টগ্রামের ফতেহাবাদের মীর আমানি ওরফে মীর খানের সঙ্গে ফতেপুরের মুছাম্মৎ লুতফুন নিসা বিনতে খোন্দকার মুনিরুদ্দিনের বিয়ের সময় দলিলটি তৈরি করা হয়।
মীর খান ছিলেন তৎকালীন ইসলামাবাদের ফতেহাবাদের মীর মদনের ছেলে। সেই ফতেহাবাদ বর্তমানে হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ।
এই কাবিননামায় মোট চারটি শর্ত ছিল। স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে না করা এবং অনুমতি ছাড়া দূর প্রবাসে না যাওয়ার বিষয় সেখানে স্পষ্টভাবে রাখা হয়েছিল। পাশাপাশি স্ত্রীর দেনমোহর ও সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা এবং মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনের দেখাশোনার জন্য স্ত্রীকে যেতে বাধা না দেওয়ার শর্তও ছিল।
বর্তমানে দলিলটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয় এটি ৩০ টাকায় কিনেছিল। তবে বিক্রেতার পরিচয় জানা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে কাবিননামাটির লিপিকর হিসেবে ছৈয়দ মোহাম্মদ বাছেরের নাম রয়েছে।
দুটি দলিলের মধ্যে সময়ের ব্যবধান মাত্র কয়েক বছর। তবু দুটির মধ্যেই একটি মিল স্পষ্ট—বিয়ের চুক্তিতে দেনমোহরের পাশাপাশি সংসার ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় লিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে কাচের বাক্সে কাবিননামা
আফসারুন নেসা খাতুনের কাবিননামাটি জাতীয় জাদুঘরে উপহার দিয়েছিলেন লেখক ও ইতিহাসবিদ সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর। তিনি ঢাকা জাদুঘরের, বর্তমান জাতীয় জাদুঘর, ট্রাস্টি ছিলেন।
শুধু এই দলিল নয়, দুই শতাধিক দুর্লভ সামগ্রীও তিনি জাদুঘরকে উপহার দিয়েছিলেন। এসবের মধ্যে ছিল প্রাচীন ও মোগল মুদ্রা, প্রত্নসামগ্রী এবং পূর্ব ভারত থেকে পাওয়া অস্ত্রশস্ত্র।
কাবিননামাটি ঠিক কোন সময়ে তাঁর কাছ থেকে জাদুঘরে এসেছিল, সেই তথ্য অবশ্য পাওয়া যায়নি।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯৬৫ সালের আগের অধিকাংশ সংগ্রহের দিন-তারিখ ও সালের তথ্য তাদের কাছে নেই। পুরোনো রেজিস্ট্রার ঘেঁটে এই কাবিননামার দাতার নামটুকু পাওয়া গেছে।
দর্শনার্থীর কৌতূহলের কেন্দ্রে ফারসি দলিল
জাতীয় জাদুঘরের তৃতীয় তলায় ইতিহাস ও ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগের ৩৩ নম্বর গ্যালারিতে নানা ধরনের পুরোনো নিদর্শনের সঙ্গে রাখা হয়েছে কাবিননামাটি।
কাচের বাক্সের ভেতরের বিবর্ণ কাগজে লেখা ফারসি অক্ষর এখন অনেকটাই অস্পষ্ট। ফলে সেখানে দাঁড়ানো দর্শনার্থীদের কেউ কাছে গিয়ে অক্ষরগুলো বোঝার চেষ্টা করেন, কেউ আবার অন্যকে দেখিয়ে জানতে চান দলিলটিতে কী লেখা আছে।
তাঁদের সামনে থাকা কাগজটি আসলে একটি বিয়ের দলিল—কিন্তু তার গুরুত্ব কেবল পুরোনো হওয়ার কারণে নয়। এর ভেতরে রয়েছে একটি বিয়েতে কনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত আরোপের লিখিত প্রমাণ।
প্রায় দুই শতাব্দী আগের বলে ধারণা করা এই কাবিননামা তাই একই সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক, দেনমোহর এবং বিয়ের শর্ত নির্ধারণের পুরোনো এক দৃষ্টান্ত সামনে আনে। সময়ের সঙ্গে আইন বদলেছে, বদলেছে কাবিননামার কাঠামোও। কিন্তু কাচের বাক্সে থাকা সেই বিবর্ণ দলিলটি এখনো দেখিয়ে যাচ্ছে—বিয়ের চুক্তিতে নিজের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয় লিখিতভাবে রাখার চিন্তা নতুন কোনো বিষয় নয়।
FAQ
১. জাতীয় জাদুঘরে থাকা কাবিননামাটি কার বিয়ের?
এটি আফসারুন নেসা খাতুন ও তালিবাবাদের জমিদার হোসেন উদ্দীন চৌধুরীর বিয়ের কাবিননামা।
২. আফসারুন নেসা খাতুনের কাবিননামায় কী কী শর্ত ছিল?
বর্তমান স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে না করা, একটানা ছয় মাস স্ত্রীকে ছেড়ে না থাকা এবং স্ত্রীর কোনো ত্রুটি হলে মারধর করা গেলেও শরীরে দাগ না ফেলার শর্ত ছিল।
৩. কাবিননামাটির দেনমোহর কত ছিল?
দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল পাঁচ হাজার স্বর্ণমুদ্রা ও ৫০ হাজার রৌপ্যমুদ্রা।
৪. কাবিননামাটি ১৮২৩ সালের হওয়ার কারণ কী?
জাতীয় জাদুঘরের বিবরণে ১৯২৩ সাল থাকলেও দলিলের নিচে ১২০০ হিজরি লেখা রয়েছে। মুমিত আল রশিদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ কারণে এটি ১৮২৩ সালের হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
৫. এমন শর্তযুক্ত আর কোনো পুরোনো কাবিননামা আছে?
হ্যাঁ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘরে থাকা ১৮২৬ সালের একটি কাবিননামাতেও দ্বিতীয় বিয়ে, দূর প্রবাসে যাওয়া, দেনমোহর-সম্পত্তি এবং আত্মীয়স্বজনের দেখাশোনা নিয়ে চারটি শর্ত ছিল।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ আজ, সময় ও লাইভ দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- আজ ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ, লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- bangladesh vs malaysia live: গোল, গোল, সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ, মোবাইলে লাইভ দেখবেন যেভাবে
- কিছুক্ষণ পর ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ, সরাসরি দেখুন Live
- আজ বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- চলছে বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: গোল, গোল, সরাসরি দেখুন Live
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচসহ আশিয়ান কাপ লাইভ দেখবেন যেভাবে
- চলছে ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- অস্ট্রেলিয়া বনাম ব্রাজিল: হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে কে জিতল?
- কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ: ফ্রিতে মোবাইলে লাইভ দেখবেন যেভাবে
- ঢাকা থেকে সারাদেশে নতুন বাসভাড়া, কোন রুটে কত টাকা
- ব্রাজিল বনাম অস্ট্রেলিয়া আজকের খেলা লাইভ