ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘরে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন, জানুন ধাপে ধাপে নিয়ম

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৬ ২০:২২:১৯
ঘরে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন, জানুন ধাপে ধাপে নিয়ম

গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন আর শুধু অফিসে গিয়ে কাগজপত্র জমা দেওয়ার বিষয় নয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) BRTA Service Portal (BSP) ব্যবহার করে ঘরে বসেই লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করা যায়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড ও ফি পরিশোধ করা যায়। তবে আবেদন করলেই লাইসেন্স হাতে চলে আসে না—লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর প্রশিক্ষণ নিয়ে নির্ধারিত সময়ে লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হয়। এরপর চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়।

নতুন করে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাইলে কোথা থেকে আবেদন করবেন, বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতা কত লাগবে, কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন, লার্নার লাইসেন্সের পর কী করতে হবে এবং বর্তমানে কত টাকা ফি দিতে হয়—জেনে নিন পুরো প্রক্রিয়া।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে প্রথমে কী করতে হবে?

বাংলাদেশে নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া। সরাসরি স্মার্ট বা ই-ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায় না। প্রথমে লার্নার লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হয় এবং পরে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

এ কাজের জন্য বিআরটিএর BRTA Service Portal ব্যবহার করতে হবে। সরকারি পোর্টালে ড্রাইভার হিসেবে নিবন্ধন করে লার্নার লাইসেন্স, স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স, নবায়নসহ বিভিন্ন সেবা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

BRTA Service Portal-এ আবেদন করুন

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে বয়স কত লাগবে?

অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পেশাদার হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ন্যূনতম বয়স ২০ বছর। পেশাদার মধ্যম ও ভারী লাইসেন্সের ক্ষেত্রে বয়স এবং আগের শ্রেণির লাইসেন্স ব্যবহারের অতিরিক্ত শর্ত রয়েছে। বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যম লাইসেন্সের জন্য বয়স কমপক্ষে ২৩ বছর এবং হালকা পেশাদার লাইসেন্স অন্তত তিন বছর ব্যবহার করতে হয়; ভারী লাইসেন্সের জন্য বয়স কমপক্ষে ২৬ বছর এবং মধ্যম লাইসেন্স অন্তত তিন বছর ব্যবহার করতে হয়।

এ ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাস এবং মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা প্রয়োজন।

ঘরে বসে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করবেন যেভাবে

অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়।

১. BRTA Service Portal-এ অ্যাকাউন্ট খুলুন

প্রথমে বিআরটিএর Service Portal-এ গিয়ে নাগরিক হিসেবে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর নিজের অ্যাকাউন্টে লগইন করে ড্রাইভিং লাইসেন্সের সেবা নির্বাচন করতে হবে।

২. Learner License Application নির্বাচন করুন

অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করার পর Driving License বিভাগ থেকে Learner License Application নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য ও লাইসেন্সের ক্যাটাগরি দিতে হবে।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন

লার্নার লাইসেন্সের আবেদনের সময় আবেদনকারীর ছবি, নিবন্ধিত চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্টের প্রমাণক প্রয়োজন হয়। বর্তমান ঠিকানা NID বা অন্য পরিচয়পত্রের ঠিকানা থেকে আলাদা হলে বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিলও প্রয়োজন হতে পারে।

বিআরটিএর নির্দেশনায় আবেদনকারীর ছবি সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোবাইট এবং মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ নির্দিষ্ট নথির ফাইল সাইজের সীমাও উল্লেখ রয়েছে। তাই আপলোডের আগে পোর্টালে দেখানো ফরম্যাট ও ফাইল সাইজ অনুসরণ করা উচিত।

৪. লার্নার লাইসেন্সের ফি পরিশোধ করুন

বর্তমান বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, লার্নার লাইসেন্সের জন্য—

১ ক্যাটাগরি: ৫১৮ টাকা

২ ক্যাটাগরি: ৭৪৮ টাকা

ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হয়। অনলাইন পেমেন্টে নির্দিষ্ট পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।

৫. আবেদন সম্পন্ন করে লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করুন

আবেদন ও পেমেন্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সিস্টেম থেকেই শিক্ষানবিশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া ও প্রিন্ট করা যায়। এরপর সেটি ব্যবহার করে নির্ধারিত সময় ধরে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর কী করতে হবে?

লার্নার লাইসেন্স পাওয়া মানেই ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়া শেষ নয়। বিআরটিএর নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর নির্ধারিত তারিখ ও কেন্দ্রে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষায় লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট থাকে।

পরীক্ষার দিন লার্নার লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। লিখিত পরীক্ষার জন্য কলমও সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় কী হয়?

দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় সাধারণত তিনটি অংশ থাকে—লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট। অর্থাৎ শুধু গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাতে পারলেই হবে না; সড়ক আইন ও ট্রাফিক সংক্রান্ত জ্ঞানও পরীক্ষায় যাচাই করা হয়।

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে আবেদন করতে হয়।

পরীক্ষায় পাস করার পর কী করবেন?

দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে BSP অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি ঠিকভাবে সংযুক্ত করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট সংযুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে। বিআরটিএর বর্তমান নির্দেশনায় ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন বর্তমানে প্রযোজ্য নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমানে ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত?

বিআরটিএর বর্তমান নাগরিক সনদে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যুর জন্য—

অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স: ৪,৬২৮ টাকা

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স: ২,৮৩৮ টাকা

ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যায়। এর সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।

বিআরটিএর পুরোনো ওয়েবপেজে কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন অঙ্কের ফি দেখা যায়। তাই আবেদন করার সময় BSP-তে প্রদর্শিত সর্বশেষ ফি অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পেতে কতদিন লাগে?

বর্তমান বিআরটিএ নাগরিক সনদে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ফি পরিশোধ ও অনুমোদনের পর ১ কার্যদিবসের সেবা উল্লেখ করা হয়েছে। আর ডাকযোগে লাইসেন্স পৌঁছাতে ১৫ থেকে ২০ কর্মদিবস সময়ের কথা বলা হয়েছে।

তবে আবেদন যাচাই, তথ্যের সমস্যা বা অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে বাস্তব সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে?

আবেদনের পর্যায় অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। লার্নার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রস্তুত রাখতে হবে—

জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন বা প্রযোজ্য পরিচয়পত্র

নিবন্ধিত চিকিৎসকের মেডিকেল সার্টিফিকেট

নির্ধারিত মাপের ছবি

শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র

বর্তমান ঠিকানা আলাদা হলে প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি বিল

নির্ধারিত ফি পরিশোধের তথ্য

দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় পাস করার পর চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন করতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত নথি BSP-তে সংযুক্ত করতে হতে পারে। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট বিশেষভাবে প্রয়োজন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: ঠিকানা ঠিকভাবে দিন

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করার সময় স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানার তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং NID বা অন্য পরিচয়পত্রের ঠিকানা ভিন্ন হলে বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল সংযুক্ত করতে হতে পারে।

তাই অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে NID, জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ এবং ঠিকানার প্রমাণপত্রের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

ভুল তথ্য দিলে কী হতে পারে?

ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করার সময় ভুল বা ভুয়া তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বিআরটিএ জানিয়েছে, অনলাইন আবেদনে ভুয়া তথ্য দেওয়া হলে লার্নার লাইসেন্স ও স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

তাই অন্য কারও তথ্য ব্যবহার করা, ভুল জন্মতারিখ দেওয়া বা নথির সঙ্গে মিল না থাকা তথ্য দিয়ে আবেদন করা উচিত নয়।

দালাল ছাড়াই কি ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায়?

হ্যাঁ। বিআরটিএর অনলাইন Service Portal-এর মাধ্যমে লার্নার লাইসেন্সের আবেদন, ফি পরিশোধ এবং পরবর্তী ড্রাইভিং লাইসেন্স সংক্রান্ত বিভিন্ন আবেদন করা যায়। ফলে আবেদন করার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে দালালের প্রয়োজন নেই।

তবে পরীক্ষার ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিজেই নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। তাই অনলাইনে আবেদন করলেও পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ ঘরে বসে শেষ হয় না।

এক নজরে পুরো প্রক্রিয়া

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখতে হলে ধাপগুলো হলো—

BSP-তে নিবন্ধন → লার্নার লাইসেন্সের আবেদন → প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড → ফি পরিশোধ → লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ → ২/৩ মাস প্রশিক্ষণ → লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্ট → পরীক্ষায় উত্তীর্ণ → চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন → ফি পরিশোধ → ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স/ডেলিভারি।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম এখন অনেকটাই অনলাইননির্ভর হওয়ায় ঘরে বসেই প্রাথমিক আবেদন করা সম্ভব। তবে আবেদনকারীর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক তথ্য দিয়ে লার্নার লাইসেন্সের আবেদন করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকভাবে আপলোড করা এবং নির্ধারিত প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার ধাপ সম্পন্ন করা।

ফি, প্রয়োজনীয় নথি বা অনলাইন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই আবেদন করার আগে বিআরটিএর BRTA Service Portal-এ প্রদর্শিত সর্বশেষ নির্দেশনা ও ফি যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

FAQ

১. ঘরে বসে কি ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করা যায়?

হ্যাঁ। বিআরটিএর Service Portal-এর মাধ্যমে লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন ও ফি পরিশোধ করা যায়। তবে পরে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে ড্রাইভিং দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়।

২. ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ন্যূনতম বয়স কত?

অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। পেশাদার হালকা লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ২০ বছর। মধ্যম ও ভারী পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে আরও বেশি বয়স ও আগের লাইসেন্স ব্যবহারের শর্ত রয়েছে।

৩. লার্নার লাইসেন্সের পর কতদিন প্রশিক্ষণ নিতে হয়?

বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে নির্ধারিত লিখিত, মৌখিক ও ফিল্ড টেস্টে অংশ নিতে হয়।

৪. লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত?

বর্তমান বিআরটিএ তথ্য অনুযায়ী ১ ক্যাটাগরির জন্য ৫১৮ টাকা এবং ২ ক্যাটাগরির জন্য ৭৪৮ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চার্জ আলাদা হতে পারে।

৫. ড্রাইভিং লাইসেন্সের চূড়ান্ত আবেদন কখন করা যায়?

লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্ধারিত প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য BSP অ্যাকাউন্ট থেকে আবেদন করা যায়।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: