ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মুখোশের আড়ালে প্রেম, ‘ব্রিজারটন’ নিয়ে কেন এত আলোচনা

বিনোদন ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৮ ১৭:২৮:৩৯
মুখোশের আড়ালে প্রেম, ‘ব্রিজারটন’ নিয়ে কেন এত আলোচনা

জানুয়ারি থেকে জুন—মাত্র ছয় মাসে ১০ কোটি ভিউ। নেটফ্লিক্সের ‘ব্রিজারটন’–এর চতুর্থ মৌসুমের দর্শকসংখ্যার এই হিসাবই বলে দিচ্ছে, সিরিজটির জনপ্রিয়তা এখনো কতটা শক্তিশালী। শুধু নতুন মৌসুম নয়, এর প্রভাব পড়েছে পুরোনো গল্পগুলোর ওপরও। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে চার মৌসুম ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কনটেন্ট মিলিয়ে ‘ব্রিজারটন’ ফ্র্যাঞ্চাইজি পেয়েছে মোট ১৮ কোটি ভিউ। নেটফ্লিক্সের হিসাবে, চতুর্থ মৌসুম ফেরার পর আগের মৌসুমগুলোর সম্মিলিত দর্শকসংখ্যা ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধের তুলনায় প্রায় তিন গুণ হয়েছে।

এই সাফল্যের পেছনে শুধু একটি প্রেমের গল্প কাজ করছে না। রাজকীয় বলরুম, জমকালো পোশাক, মুখোশের আড়ালে পরিচয়, সামাজিক শ্রেণির ব্যবধান, আধুনিক সংগীতের নতুন উপস্থাপন এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে ‘ব্রিজারটন’ তৈরি করেছে ইতিহাস ও কল্পনার মিশেলে আলাদা এক রোমান্টিক জগৎ। ২০২০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই দর্শকদের আলোচনায় থাকা সিরিজটি চতুর্থ মৌসুমে এসে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি নতুন বিতর্কও তৈরি করেছে।

এবার গল্পের কেন্দ্রে বেনেডিক্ট

চতুর্থ মৌসুমের গল্পে ব্রিজারটন পরিবারের দ্বিতীয় ছেলে বেনেডিক্ট ব্রিজারটনকে সামনে আনা হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের তুলনায় তার জীবনযাপনের ধরন আলাদা। বিয়ে কিংবা সংসার বা সামাজিক নিয়ম মেনে চলার চেয়ে নিজের স্বাধীনতা, খামখেয়ালিপনা ও শিল্পমনস্কতাই তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই চরিত্রটির জীবনেই পরিবর্তন আসে এক মুখোশধারী নারীর উপস্থিতিতে। রুপালি পোশাক পরা সেই নারীকে বেনেডিক্ট চেনে ‘লেডি ইন সিলভার’ নামে। তার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর নারীটি হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। এরপর তাকে খুঁজে বেড়াতে থাকে বেনেডিক্ট।

কিন্তু এই রহস্যের উত্তর দর্শকের কাছে গোপন নয়। ‘লেডি ইন সিলভার’ আসলে সোফি বেক—এ তথ্য দর্শক শুরু থেকেই জানে। ফলে বেনেডিক্ট যেখানে একজন অচেনা নারীর পরিচয় খুঁজছে, দর্শক সেখানে আগে থেকেই সত্যটি জানে। গল্পের টান তৈরি হয় এই অসম তথ্যের জায়গা থেকেই।

সোফির পরিচয়ের পেছনে অন্য এক জীবন

বেনেডিক্টের সামাজিক অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীত জায়গায় দাঁড়িয়ে সোফি। একসময় সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হলেও সৎমায়ের নিষ্ঠুর আচরণের কারণে তার জীবন বদলে যায়। গৃহকর্মী হিসেবে জীবন কাটাতে গিয়ে অবহেলা, অপমান এবং টিকে থাকার সংগ্রামই হয়ে ওঠে তার বাস্তবতা।

এই দুই চরিত্রের পার্থক্যই চতুর্থ মৌসুমের প্রেমের গল্পকে কেবল রোমান্টিক সম্পর্কের মধ্যে আটকে রাখে না। একজনের হাতে রয়েছে সামাজিক অবস্থানের সুবিধা, অন্যজনকে নিজের পরিচয় ও মর্যাদা ধরে রাখার জন্য লড়তে হচ্ছে।

সোফির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী ইয়েরিন হা। বেনেডিক্ট চরিত্রে আছেন লুক থম্পসন।

চতুর্থ মৌসুমের ভিত্তি নেওয়া হয়েছে জুলিয়া কুইনের ‘ব্রিজারটন’ সিরিজের তৃতীয় বই ‘অ্যান অফার ফ্রম আ জেন্টলম্যান’ থেকে।

একই গল্প, কিন্তু সোফিকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে

গল্পের মূল কাঠামো শুনলে এটিকে ‘সিন্ডারেলা’র আধুনিক রূপ মনে হতে পারে। সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে, নিপীড়িত তরুণী, গোপন পরিচয়, নিষিদ্ধ সম্পর্ক—সবই সেখানে রয়েছে।

তবে সিরিজের সোফি কেবল অপেক্ষা করে থাকা কোনো অসহায় চরিত্র নয়। নিজের জীবন কোন দিকে যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও তার চরিত্রে রাখা হয়েছে। শোরানার জেস ব্রাউনেল জানিয়েছেন, বইয়ের তুলনায় সিরিজে সোফির নিজের অবস্থান তৈরি করার সক্ষমতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে বই ও পর্দার গল্পের মধ্যে পার্থক্যও তৈরি হয়েছে। প্রেমের মূল কাহিনি জুলিয়া কুইনের উপন্যাস থেকে এলেও চরিত্রের পটভূমি, পার্শ্বকাহিনি এবং সম্পর্কের ধরনে নেটফ্লিক্সের সংস্করণে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

প্রেম যেখানে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের চেয়েও বড়

বেনেডিক্ট ও সোফির সম্পর্ক যত এগোয়, ততই স্পষ্ট হয় তাদের সামাজিক দূরত্ব। ‘টন’–এর নিয়ম ও সামাজিক অবস্থান তাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।

বেনেডিক্ট এমন এক পরিবারে বড় হয়েছে, যেখানে অর্থ, ক্ষমতা ও পরিচয় তার সামাজিক অবস্থানের অংশ। অন্যদিকে সোফির লড়াই নিজের মর্যাদা ও পরিচয় রক্ষা করা নিয়ে। ফলে তাদের সম্পর্কের মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতির পাশাপাশি শ্রেণিগত ব্যবধানও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই জায়গাতেই আসে মৌসুমটির অন্যতম আলোচিত ঘটনা। সোফির প্রতি আকর্ষণ থাকার পরও বেনেডিক্ট তাকে বিয়ের প্রস্তাব না দিয়ে নিজের ‘মিস্ট্রেস’ হওয়ার প্রস্তাব দেয়।

বইয়ের পাঠকদের কাছে ঘটনাটি পরিচিত হলেও সিরিজের দর্শকদের একাংশ এতে ক্ষুব্ধ হন। তাদের প্রশ্ন ছিল, এত গভীর প্রেমের সম্পর্ক দেখানোর পর বেনেডিক্ট কীভাবে সোফির সামনে এমন প্রস্তাব রাখতে পারে?

তবে গল্পে এই প্রস্তাব শেষ সিদ্ধান্ত নয়। বরং এর মাধ্যমে বেনেডিক্টের মানসিকতা, তার সামাজিক অবস্থান এবং সোফির অতীতের মধ্যে সংঘাত আরও প্রকাশ্য হয়ে ওঠে।

৯২ দেশের টপ ১০-এ জায়গা

চতুর্থ মৌসুমের সাফল্য শুধু দর্শকসংখ্যায় সীমাবদ্ধ নেই। নেটফ্লিক্সের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির পর মৌসুমটি বিশ্বের ৯২টি দেশের টপ ১০ তালিকায় জায়গা করে নেয়। একই সময়ে বৈশ্বিক ইংরেজি টিভি তালিকায় শীর্ষে অভিষেক হয় এর।

এর পেছনে সিরিজটির পরিচিত কিছু বৈশিষ্ট্যও কাজ করেছে। প্রেমের গল্পটি ঐতিহাসিক পরিবেশে হলেও এর কেন্দ্রে রয়েছে ভালোবাসা, আকর্ষণ, প্রত্যাখ্যান, ঈর্ষা, সামাজিক বাধা ও সম্পর্কের পরিণতির মতো পরিচিত আবেগ।

তার সঙ্গে যোগ হয়েছে দৃশ্যের জাঁকজমক। প্রাসাদ, বাগান, বলরুম, পোশাক, গয়না ও সাজসজ্জা সিরিজটির প্রতিটি দৃশ্যকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। চতুর্থ মৌসুমের মুখোশ বলও দর্শকদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।

গানও হয়ে উঠেছে ‘ব্রিজারটন’ অভিজ্ঞতার অংশ

সিরিজটির জনপ্রিয়তার আরেকটি দিক সংগীত। সমসাময়িক পপ গানকে স্ট্রিং বা ক্লাসিক্যাল আবহে উপস্থাপন করা ‘ব্রিজারটন’–এর পরিচিত কৌশল।

চতুর্থ মৌসুম মুক্তির পর সিরিজটির অফিশিয়াল প্লেলিস্টের দৈনিক গড় স্ট্রিম বিশ্বজুড়ে ২৭১ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থাৎ পর্দার গল্পের সঙ্গে সংগীতও দর্শকদের আগ্রহের বড় অংশ হয়ে উঠেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের বড় প্রভাব

সিরিজটির পোশাক, গান, সংলাপ, প্রেমের দৃশ্য ও চরিত্র—সবকিছুই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলাদা করে আলোচনার জন্ম দেয়। নেটফ্লিক্স জানিয়েছে, চতুর্থ মৌসুম প্রকাশের প্রথম ৩১ দিনে এর প্রচারণাকে ঘিরে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৬৮০ কোটি ইমপ্রেশন তৈরি হয়েছিল।

এই জনপ্রিয়তার প্রভাব আবার পর্দার বাইরেও দেখা গেছে।

নেটফ্লিক্সের উদ্যোগে বিভিন্ন দেশে ‘ব্রিজারটন’–কে কেন্দ্র করে বল, মুখোশ উৎসব ও ভক্তদের জন্য নানা আয়োজন হয়েছে। আর্জেন্টিনা, চিলি, ইতালি ও রোমানিয়াসহ বিভিন্ন দেশে হওয়া এসব আয়োজনে অন্তত আটটি বাগ্‌দানের ঘটনা ঘটেছে।

ভেনিসের একটি বড় আয়োজনে অংশ নিয়েছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বের ২০টির বেশি শহরে আয়োজিত ফ্যান ইভেন্টগুলোতে সব মিলিয়ে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারের বেশি।

এ কারণে ‘ব্রিজারটন’কে এখন শুধু একটি সিরিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা কঠিন। পোশাক, সংগীত, পার্টি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং প্রেমের কল্পনাকে ঘিরে এর নিজস্ব একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে।

অন্তরঙ্গ দৃশ্যও আলোচনার বাইরে নয়

যৌনতার উপস্থিতি ‘ব্রিজারটন’–এর নতুন কোনো বিষয় নয়। প্রথম মৌসুম থেকেই এটি সিরিজটির আলোচিত উপাদানগুলোর একটি।

চতুর্থ মৌসুমে বেনেডিক্ট ও সোফির সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে একাধিক অন্তরঙ্গ দৃশ্য রয়েছে। এর মধ্যে বাথটাবের দৃশ্য বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।

তবে নেটফ্লিক্সের ব্যাখ্যায়, দৃশ্যটির উদ্দেশ্য শুধু যৌনতা তুলে ধরা নয়। সোফির দীর্ঘদিনের কষ্টের বিপরীতে সেখানে যত্ন ও নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করা হয়েছে। বেনেডিক্ট সেখানে প্রথমবার সোফিকে নিজের মতো করে যত্ন করার সুযোগ পায়।

জনপ্রিয়তার মাঝেই বইপ্রেমীদের আপত্তি

চতুর্থ মৌসুম নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্কগুলোর একটি এসেছে বইয়ের গল্প থেকে পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে।

‘ব্রিজারটন’ শুরু থেকেই জুলিয়া কুইনের উপন্যাসকে ভিত্তি করে তৈরি হলেও টেলিভিশন সংস্করণে চরিত্র ও কাহিনিতে বিভিন্ন পরিবর্তন করা হয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বেনেডিক্ট ও সোফির সম্পর্কের উপস্থাপন, আরমিন্টার সঙ্গে সংঘাত এবং সোফির নিজের ভাগ্য নির্ধারণের বিষয়গুলো বইয়ের তুলনায় ভিন্নভাবে দেখানো হয়েছে।

বইয়ের ভক্তদের একাংশ এতে অসন্তুষ্ট হলেও নির্মাতাদের বক্তব্য, টেলিভিশনের উপযোগী করে চরিত্রগুলোকে আরও সক্রিয় ও সমসাময়িক করাই ছিল এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য।

পরিচয় উপস্থাপন নিয়েও প্রশ্ন

জাতিগত ও যৌন পরিচয়ের বিষয়টিও চতুর্থ মৌসুমে আলোচনায় এসেছে। সোফিকে কোরিয়ান বংশোদ্ভূত চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে বেনেডিক্টের যৌন পরিচয় ও আগের সম্পর্কগুলোকেও আগের চেয়ে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু সমালোচকের মতে, এসব বিষয় গল্পের মধ্যে আরও গভীরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ ছিল।

রেটিংয়ের বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলেছে

মৌসুমের শুরুতে অনলাইন রেটিং নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কিছু পর্যবেক্ষক ‘রিভিউ বোম্বিং’–এর প্রসঙ্গ সামনে আনেন। অর্থাৎ কোনো সিরিজের প্রকৃত মানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই—এমন কারণেও পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচক রিভিউ দেওয়ার প্রবণতার কথা বলা হয়।

সে সময় সমালোচকদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার তুলনায় দর্শক রেটিং কম ছিল।

তবে পরে দুই পক্ষের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে কিছুটা ভারসাম্য দেখা যায়। রটেন টমেটোজে চতুর্থ মৌসুমের সমালোচক স্কোর ৮৩ শতাংশ এবং দর্শক স্কোর ৭২ শতাংশ।

সমালোচকদের সারসংক্ষেপে মৌসুমটিকে রূপকথার মতো এবং কিছুটা অনুমানযোগ্য হলেও আকর্ষণীয় ও রোমান্টিক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে ‘ব্রিজারটন’–এর চতুর্থ মৌসুমের গল্পে প্রেম যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সামাজিক অবস্থান, পরিচয় এবং সম্পর্কের ক্ষমতার ভারসাম্য। আর দর্শকসংখ্যার পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, এসব বিতর্কের মধ্যেও সিরিজটির প্রতি আগ্রহ যথেষ্ট শক্তিশালী।

FAQ

১. ‘ব্রিজারটন’ চতুর্থ মৌসুম কতবার দেখা হয়েছে?

নেটফ্লিক্সের ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের হিসাবে, জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে চতুর্থ মৌসুম ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে।

২. চতুর্থ মৌসুমের মূল চরিত্র কারা?

গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে বেনেডিক্ট ব্রিজারটন ও সোফি বেক। বেনেডিক্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন লুক থম্পসন এবং সোফির চরিত্রে ইয়েরিন হা।

৩. চতুর্থ মৌসুমের গল্প কোন বই থেকে নেওয়া?

জুলিয়া কুইনের ‘ব্রিজারটন’ উপন্যাসমালার তৃতীয় বই ‘অ্যান অফার ফ্রম আ জেন্টলম্যান’ থেকে মূল গল্প নেওয়া হয়েছে।

৪. চতুর্থ মৌসুম নিয়ে প্রধান বিতর্ক কী?

বই থেকে গল্প ও চরিত্রে পরিবর্তন, বেনেডিক্ট-সোফির সম্পর্কের উপস্থাপন, জাতিগত ও যৌন পরিচয়ের বিষয় এবং অনলাইন রেটিং নিয়ে বিতর্ক হয়েছে।

৫. পুরো ‘ব্রিজারটন’ ফ্র্যাঞ্চাইজি কত ভিউ পেয়েছে?

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে চার মৌসুম ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কনটেন্ট মিলিয়ে পুরো ‘ব্রিজারটন’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ১৮ কোটি ভিউ পেয়েছে।

আল-নাদ/

পাঠকের মতামত: