শেয়ারবাজারে ৮ কোম্পানির ডিভিডেন্ডের ঘোষণা, কোন কত দিচ্ছে?
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানি ২০২৬ সালের আর্থিক ফলাফলের ভিত্তিতে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে কহিনুর কেমিক্যালস ২০ শতাংশ ক্যাশ ও ১২.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড মিলিয়ে মোট ৩২.৫০ শতাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ম্যারিকো বাংলাদেশ ঘোষণা করেছে ৩৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড। এ ছাড়া সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, ওয়াটা কেমিক্যালস, খুলনা পাওয়ার, অগ্নি সিস্টেমস ও আমরা নেটওয়ার্কস ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, রহিমা ফুড শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ডিভিডেন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
একই সময়ে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জন্য ঘোষিত ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। কোম্পানিগুলোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডিভিডেন্ডের হার, শেয়ারপ্রতি আয় এবং বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখে রয়েছে ভিন্নতা।
কহিনুর কেমিক্যালস দিচ্ছে ৩২.৫০ শতাংশ ডিভিডেন্ড
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কহিনুর কেমিক্যালস লিমিটেড ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৩২.৫০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ ক্যাশ এবং ১২.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড রয়েছে।
কোম্পানিটির প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭ টাকা ৬৮ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ১৫ টাকা ৫০ পয়সা।
তবে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ অর্থপ্রবাহের হিসাবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। আলোচ্য অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের অর্থবছরে তা ছিল ১৫ টাকা ৮৮ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭১ টাকা ১ পয়সা।
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির এজিএম আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিকেল সোয়া ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ নভেম্বর।
ম্যারিকো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ডিভিডেন্ড ৩৫০ শতাংশ
বহুজাতিক কোম্পানি ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করে বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪৮ টাকা ৭০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৪৮ টাকা ৭৫ পয়সা।
এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে ছয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৮২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১১০ টাকা ৫২ পয়সা।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৯৪ টাকা ৮৫ পয়সা। কোম্পানিটির ডিভিডেন্ড ঘোষণার তথ্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ক্যাশ ডিভিডেন্ড ২৫ শতাংশ
সেবা ও পরিবহন খাতের কোম্পানি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।
সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৬২ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ২ টাকা ৮৫ পয়সা।
আলোচ্য বছরের ৩০ জুন তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ৫৭ পয়সা।
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ নভেম্বর।
ওয়াটা কেমিক্যালসের ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড
ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক ফলাফলের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ৭৪ পয়সা। একই তারিখে, অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৬-এ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৬২ টাকা ১১ পয়সা।
ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য ওয়াটা কেমিক্যালসের এজিএম আগামী ২৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে। সভার রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ নভেম্বর।
খুলনা পাওয়ার দিচ্ছে ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড
খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ২৯ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খুলনা পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৩৯ পয়সা।
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির এজিএম আগামী ২৯ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ নভেম্বর।
অগ্নি সিস্টেমসের ক্যাশ ডিভিডেন্ড ২.৫০ শতাংশ
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেড শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৯৬ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ৮১ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৬৬ পয়সা।
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য অগ্নি সিস্টেমসের এজিএম আগামী ২৮ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ নভেম্বর।
আমরা নেটওয়ার্কসের ০.১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানি আমরা নেটওয়ার্কস লিমিটেড ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ০.১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।
কোম্পানিটির সর্বশেষ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮০ পয়সা। আগের অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৩ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৩৪ পয়সা।
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় হাইব্রিড পদ্ধতিতে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ নভেম্বর।
রহিমা ফুডের ডিভিডেন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্ত
শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২০২৬ সালের সমাপ্ত অর্থবছরে কোনো ডিভিডেন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রহিমা ফুড লিমিটেড। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোম্পানিটির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৫ পয়সা। আগের অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫৬ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৯ টাকা ১৩ পয়সা।
রহিমা ফুডের এজিএম আগামী ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ নভেম্বর।
প্রাইম ইসলামী লাইফের ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে
প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত ক্যাশ ডিভিডেন্ড শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটি ব্যাংক ট্রান্সফারের ইলেকট্রনিক পদ্ধতি বিইএফটিএন (BEFTN)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড বিতরণ করেছে।
এর আগে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ০.২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ডিভিডেন্ড ও আর্থিক ফলাফলে কোম্পানিভেদে ভিন্ন চিত্র
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কহিনুর কেমিক্যালসের মোট ডিভিডেন্ড ৩২.৫০ শতাংশ, ম্যারিকো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড ৩৫০ শতাংশ এবং সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ক্যাশ ডিভিডেন্ড ২৫ শতাংশ। ওয়াটা কেমিক্যালস ও খুলনা পাওয়ার যথাক্রমে ১৫ শতাংশ ও ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। অগ্নি সিস্টেমস ও আমরা নেটওয়ার্কসের ক্যাশ ডিভিডেন্ডের হার যথাক্রমে ২.৫০ শতাংশ ও ০.১০ শতাংশ।
অন্যদিকে, রহিমা ফুড চলতি প্রতিবেদনে উল্লেখিত অর্থবছরের জন্য কোনো ডিভিডেন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর প্রাইম ইসলামী লাইফের ক্ষেত্রে আগের অর্থবছরের ঘোষিত ডিভিডেন্ড ইতিমধ্যে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
কোম্পানিগুলোর এজিএম ও রেকর্ড ডেটও আলাদা। তাই ডিভিডেন্ড-সংক্রান্ত ঘোষণা অনুসরণকারী বিনিয়োগকারীদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নির্ধারিত তারিখগুলো খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
প্রাসঙ্গিক FAQ
১. কহিনুর কেমিক্যালস কত শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে?
কহিনুর কেমিক্যালস ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ও ১২.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ডসহ মোট ৩২.৫০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।
২. কোন কোম্পানি ৩৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে?
ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফলের ভিত্তিতে ৩৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে।
৩. কোন কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ডিভিডেন্ড দেবে না?
রহিমা ফুড লিমিটেড ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ডিভিডেন্ড না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
৪. প্রাইম ইসলামী লাইফের ডিভিডেন্ড কি বিনিয়োগকারীরা পেয়েছেন?
হ্যাঁ। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ঘোষিত ০.২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড বিইএফটিএন পদ্ধতিতে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠিয়েছে।
৫. কোম্পানিগুলোর রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ কোথায় জানা যাবে?
প্রতিবেদনে প্রতিটি কোম্পানির ঘোষিত রেকর্ড ডেট ও এজিএমের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীরা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রকাশিত ঘোষণা ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্যের সঙ্গে তারিখগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন।
আল-মামুন/