অধিনায়কত্ব করলে বন্ধুত্ব দূরে সরিয়ে রাখতে হয়: হরভজন
২০২১ সালে ২৪ ডিসেম্বর মাসে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন হরভজন। যদিও এর দিন দুয়েক পরই আক্ষেপ করে বলেছিলেন, তার ক্যারিয়ার আরও বড় হতে পারতো। যেখানে তার অভিযোগ ছিল দলের অধিনায়কের দিকে। এরপর ৩১ ডিসেম্বর জি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আঙুল তুলেছিলেন বোর্ড কর্মকর্তাদের ওপর।
তবে এবার নিজেই সুর পাল্টালেন ভারতের সাবেক এই স্পিনার। কোনো একজন ক্রিকেটার দলে পারফর্ম করেই জায়গা ধরে রাখেন, সেখানে অধিনায়কের সঙ্গে সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়ে না। তার সময়ে ধোনি অধিনায়ক না থেকে, যদি যুবরাজ সিং অধিনায়ক থাকতেন তারপরও তার ক্যারিয়ারে খুব বেশি পার্থক্য হতো না।
হরভজন বলেন, 'আমি মনে করি না যে, যুবরাজ অধিনায়ক থাকলে আমাদের কারও ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত হতো। কারণ আমরা যতটুকু খেলেছি, তা আমাদের সামর্থ্যের উপর করেছি এবং কোনও অধিনায়কই বাদ পড়া থেকে আমাদের রক্ষা করতে পারতো না। যখনই আপনি দেশের অধিনায়কত্ব করবেন, আপনাকে বন্ধুত্ব দূরে সরিয়ে রাখতে হবে এবং প্রথমে দেশের কথা ভাবতে হবে।
ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপ জেতার পেছনে বড় অবদান ছিল যুবরাজ সিংয়ের। ধোনির অধীনে সাফল্য আসলেও মাঠের ক্রিকেটে দলের সেরা পারফর্মার ছিলেন এই অলরাউন্ডার। আসরে তিনি ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরষ্কারও জিতেছিলেন। হরজভন মনে করেন, দলকে নেতৃত্ব দেয়ার মতো গুণ যুবরাজের ছিল।
হরভজন বলেন, 'যুবরাজ সিং যদি ভারতের অধিনায়ক হতো, তাহলে আমাদের তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হতো এবং তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে হতো (হাসি)। আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সে দারুণ অধিনায়ক হতে পারতো। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার জেতার পাশাপাশি তার রেকর্ডগুলোও তার পক্ষে কথা বলে।'