বিদেশি বিনিয়োগে দীর্ঘদিনের মন্দার অবসান, বাড়ছে শেয়ারবাজারে আগ্রহ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব হ্রাসের ধারা জুন মাসে এসে প্রথমবারের মতো থেমেছে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ৫০টি নতুন বিও হিসাব যুক্ত হয়েছে, যা বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির একটি পরিমাপযোগ্য সূচক।
সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০ মে পর্যন্ত বিদেশি ও প্রবাসীদের বিও হিসাব ছিল ৪৬ হাজার ৩৩৬টি। জুনের প্রথম সপ্তাহ শেষে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার ৩৮৬টিতে। যদিও ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর এই সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ৫১২টি, যা থেকে এখনো ৯ হাজার ১২৬টি কম, তবে বর্তমান বৃদ্ধির প্রবণতা বাজার সংশ্লিষ্টদের নজরে এসেছে।
২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত সময়ে মোট ৯ হাজার ১৭৬টি বিদেশি ও প্রবাসী বিও হিসাব বন্ধ হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৫ সালেই বন্ধ হয়েছে ৩৫৫টি। দীর্ঘ সময় ধরে নিম্নমুখী এই ধারা থামায় বিনিয়োগকারী মনোভাবে একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি
অন্যদিকে, স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা আরও সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্তমানে স্থানীয় বিও হিসাবের সংখ্যা ১৬ লাখ ২৫ হাজার ৫১১টি, যা ২০২৪ সালের শেষদিকে ছিল ১৬ লাখ ১৮ হাজার ২৬২টি। অর্থাৎ ২০২৫ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই বেড়েছে ৭ হাজার ২৪৯টি বিও হিসাব।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সরকারের পরিবর্তনের সময় দেশীয় বিও হিসাব ছিল ১৬ লাখ ৩ হাজার ৮২২টি। সেই সময় থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ২১ হাজার ৬৮৯টি।
মোট বিও হিসাবেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি
বর্তমানে শেয়ারবাজারে মোট বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৮৯ হাজার ৬৮৩টি, যেখানে আগস্ট ২০২৪-এ এই সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮টি। অর্থাৎ এই সময়কালে বিও হিসাব বেড়েছে ২১ হাজার ৬২৫টি। এই বৃদ্ধির মাধ্যমে বোঝা যায়, বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে এবং সক্রিয়তার হার উন্নত হচ্ছে।
পর্যালোচনা ও প্রাসঙ্গিকতা
বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির এই প্রবণতা বাজারে আস্থার একটি বাস্তবচিত্র উপস্থাপন করে। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব হ্রাসের ধারার থেমে যাওয়া ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে। একইসাথে, দেশীয় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিও বাজারে তারল্য বাড়াতে ভূমিকা রাখছে, যা বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
এই সূচকগুলোর ভিত্তিতে বলা যায়, বিনিয়োগকারীর আগ্রহের ধারা পর্যালোচনা করে পরবর্তী নীতিনির্ধারণী ও রেগুলেটরি পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়োচিত হবে।
আল-আমিন ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজকের স্বর্ণের দাম: (বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
- ‘অদম্য বাংলাদেশ’ টি-টোয়েন্টি কাপ: ব্যাটিংয়ে দুরন্ত, সরাসরি দেখুন Live
- টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-আয়ারল্যান্ড বনাম পাকিস্তান: বন্ধ ম্যাচ
- আজ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম
- আজকের স্বর্ণের দাম: (শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)
- চলছে বাংলাদেশ বনাম নেপাল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন Live
- কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি কমাবে আপনার রান্নাঘরের এই সাধারণ খাবারগুলো
- আইপিএল ও বিশ্বকাপ বয়কট: মুস্তাফিজের ৩ শব্দের জবাবে অবাক সালাউদ্দিন
- আইপিএলের ক্ষতি পোষালো, বড় চুক্তিতে পিএসএলে দল পেলেন মুস্তাফিজ
- নেপালকে উড়িয়ে অপরাজিত ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ যে দল
- মুস্তাফিজ ইস্যুতে বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ; মুখ খুললেন নাসের হুসেইন
- ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত: কারখানা মালিকদের জন্য সুখবর
- চলছে বাংলাদেশ বনাম নেপাল ম্যাচ: প্রথম গোল, সরাসরি দেখুন Live
- রুদ্ধশ্বাস জয়ে সেমিতে বার্সেলোনা, টানা ৪ ম্যাচে গোল ইয়ামালের
- ভারতীয় ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তন: আজ থেকেই কার্যকর নতুন সিস্টেম