৩৫–৪০ হাজারে ২০২৬ সালের সেরা ৫ গেমিং ফোন
মোবাইলে নিয়মিত PUBG Mobile, Call of Duty Mobile, Genshin Impact কিংবা অন্য ভারী গেম খেলতে চাইলে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার বাজেট এখন আর খুব সীমিত নয়। এই দামের মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে Snapdragon 8 Gen 3 ও Snapdragon 8s Gen 4-এর মতো শক্তিশালী চিপসেট, ১২০–১৪৪ হার্টজ AMOLED ডিসপ্লে, বড় ব্যাটারি এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধার ফোন। তবে সব ফোনের গেমিং অভিজ্ঞতা এক নয়—কেউ কাঁচা পারফরম্যান্সে এগিয়ে, কেউ দীর্ঘক্ষণ খেলার জন্য কুলিং ও ব্যাটারিতে, আবার কোনো মডেলে পাওয়া যাচ্ছে আলাদা গেমিং ট্রিগার।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশি বাজারের দাম ও স্পেসিফিকেশন বিবেচনায় ৩৫–৪০ হাজার টাকার আশপাশে আলোচনায় রাখার মতো পাঁচটি ফোন হলো iQOO Neo 10, Redmi K80, POCO X7 Pro, Infinix GT 30 Pro এবং POCO X6 Pro। এর মধ্যে iQOO Neo 10 ও Redmi K80 কাঁচা পারফরম্যান্সের দিকে বেশি জোর দেয়, POCO X7 Pro পারফরম্যান্স ও ব্যাটারির ভারসাম্য রাখে, আর Infinix GT 30 Pro সরাসরি গেমারদের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
দাম সংক্রান্ত নোট: নিচের দামগুলো ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর অনলাইন বাংলাদেশি বাজারের পাওয়া দামের ভিত্তিতে। কিছু ফোন আনঅফিশিয়াল/ইমপোর্টেড হওয়ায় দোকানভেদে দাম ও ওয়ারেন্টি ভিন্ন হতে পারে।
এক নজরে ৫ গেমিং ফোন
| ফোন | বাজারদর | প্রসেসর | ডিসপ্লে | ব্যাটারি/চার্জিং |
|---|---|---|---|---|
| iQOO Neo 10 | প্রায় ৩৭,৯৯৯ টাকা | Snapdragon 8s Gen 4 | 6.78" 1.5K AMOLED, 144Hz | 7000mAh, 120W |
| Redmi K80 | প্রায় ৩৯,৪৯৯ টাকা | Snapdragon 8 Gen 3 | 6.67" 2K AMOLED, 120Hz | 6550mAh |
| POCO X7 Pro | প্রায় ৩৯,২০০ টাকা | Dimensity 8400-Ultra | 6.67" 1.5K AMOLED, 120Hz | 6000mAh, 90W |
| Infinix GT 30 Pro | ৩৯,৯৯৯ টাকা | Dimensity 8350 Ultimate | 6.78" 1.5K AMOLED, 144Hz | 5200mAh, 45W |
| POCO X6 Pro | প্রায় ৩৭,৮০০ টাকা | Dimensity 8300-Ultra | 6.67" AMOLED, 120Hz | 5000mAh, 67W |
দাম ভ্যারিয়েন্ট, দোকান, স্টক ও ওয়ারেন্টি অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
১. iQOO Neo 10—পারফরম্যান্স ও গেমিংয়ের দিকে নজর
৩৫–৪০ হাজার টাকার বাজেটে যারা মূলত গেমিং পারফরম্যান্সকে অগ্রাধিকার দেন, তাদের তালিকায় iQOO Neo 10 রাখার যথেষ্ট কারণ আছে। বাংলাদেশি অনলাইন বাজারে ১২ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের একটি ভ্যারিয়েন্ট প্রায় ৩৭,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে এটি মূলত ইমপোর্টেড/আনঅফিশিয়াল বাজারের দাম, তাই কেনার সময় বিক্রেতার ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ফোনটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ Snapdragon 8s Gen 4 চিপসেট। এর সঙ্গে রয়েছে LPDDR5X RAM ও UFS 4.1 স্টোরেজ। iQOO গেমিংয়ের জন্য আলাদা Q1 Supercomputing Chip এবং ৭,০০০ বর্গমিলিমিটারের Vapor Chamber কুলিং দিয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় গেম খেলার সময় পারফরম্যান্স ধরে রাখার দিকে ফোনটি বিশেষভাবে তৈরি।
আরও পড়ুন:
vivo V80: ৭২০০mAh ব্যাটারি, ১৪৪Hz ডিসপ্লে ও ZEISS ক্যামেরা
HONOR X9e Pro 5G: ১১,০০০mAh ব্যাটারি, ১০৮MP ক্যামেরা
ডিসপ্লেতেও গেমারদের জন্য যথেষ্ট সুবিধা রয়েছে। ৬.৭৮ ইঞ্চির 1.5K AMOLED প্যানেলে সর্বোচ্চ ১৪৪Hz রিফ্রেশ রেট পাওয়া যায়। ব্যাটারি ৭,০০০mAh এবং চার্জিং ১২০W। অর্থাৎ বড় গেমিং সেশনের জন্য ব্যাটারি সক্ষমতার পাশাপাশি দ্রুত চার্জ করার সুবিধাও মিলছে।
যাদের জন্য ভালো: সর্বোচ্চ গেমিং পারফরম্যান্স, বড় ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিং চান এমন ব্যবহারকারী।
২. Redmi K80—ফ্ল্যাগশিপ চিপসেটের শক্তি
প্রায় ৩৯,৪৯৯ টাকার বাজারদরে ১২ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের Redmi K80 বর্তমানে এই বাজেটের অন্যতম শক্তিশালী পারফরম্যান্স-কেন্দ্রিক ফোন। বাংলাদেশি বাজারে পাওয়া এই দামটি আনঅফিশিয়াল ইমপোর্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং দোকানভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
এর বড় কারণ Snapdragon 8 Gen 3 চিপসেট। Xiaomi-এর তথ্য অনুযায়ী, Redmi K80-তে ২K রেজোলিউশনের ডিসপ্লে, ৬,৫৫০mAh ব্যাটারি এবং ডুয়াল-লুপ 3D Ice-Sealed কুলিং সিস্টেম রয়েছে।
অর্থাৎ যারা শুধু FPS গেম নয়, একই সঙ্গে ভারী গ্রাফিক্সের গেম, ভিডিও এডিটিং কিংবা দীর্ঘ সময়ের হেভি টাস্ক চালাতে চান, তাদের জন্য K80-এর হার্ডওয়্যার যথেষ্ট শক্তিশালী। এর ২K স্ক্রিনও এই তালিকার অন্য অনেক ফোনের তুলনায় বেশি শার্প ভিজ্যুয়াল দিতে পারে।
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার—বাংলাদেশে এই মডেলটি মূলত চীনা বাজারের ইমপোর্টেড সেট হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে। তাই Google services, সফটওয়্যার রিজিয়ন, নেটওয়ার্ক ব্যান্ড ও ওয়ারেন্টি কেনার আগে যাচাই করা উচিত।
যাদের জন্য ভালো: শক্তিশালী চিপসেট ও উচ্চ রেজোলিউশনের ডিসপ্লে চান এমন ব্যবহারকারী।
৩. POCO X7 Pro—পারফরম্যান্স ও ব্যাটারির ভারসাম্য
POCO X7 Pro-এর ৮ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশি বাজারে প্রায় ৩৯,২০০ টাকায় তালিকাভুক্ত রয়েছে।
ফোনটির মূল শক্তি MediaTek Dimensity 8400-Ultra চিপসেট। এর সঙ্গে LPDDR5X RAM ও UFS 4.0 স্টোরেজ রয়েছে। POCO 3D IceLoop কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করেছে, যা দীর্ঘ সময় গেম খেলার সময় তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
৬.৬৭ ইঞ্চির 1.5K AMOLED ডিসপ্লেতে ১২০Hz রিফ্রেশ রেট রয়েছে। টাচ স্যাম্পলিংয়ের পাশাপাশি গেমিংয়ের জন্য WildBoost Optimization 3.0 সফটওয়্যার ফিচারও দেওয়া হয়েছে। ব্যাটারি ৬,০০০mAh এবং ৯০W HyperCharge সাপোর্ট করে।
এ কারণে POCO X7 Pro শুধু গেমিং নয়, দৈনন্দিন ব্যবহার, ভিডিও দেখা এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ—সব মিলিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্যাকেজ হিসেবে দেখা যায়।
যাদের জন্য ভালো: গেমিংয়ের পাশাপাশি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্যও শক্তিশালী ফোন চান এমন ব্যবহারকারী।
৪. Infinix GT 30 Pro—গেমারদের জন্য আলাদা কিছু ফিচার
৩৫–৪০ হাজার টাকার বাজেটের মধ্যে সরাসরি গেমিং-কেন্দ্রিক ফোন হিসেবে Infinix GT 30 Pro আলাদা করে নজরে আসে। বাংলাদেশে ১২ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের অফিসিয়াল ভ্যারিয়েন্টের দাম ৩৯,৯৯৯ টাকা।
ফোনটিতে রয়েছে MediaTek Dimensity 8350 Ultimate চিপসেট, ৬.৭৮ ইঞ্চির 1.5K AMOLED ডিসপ্লে এবং ১৪৪Hz রিফ্রেশ রেট। সঙ্গে রয়েছে ৫,২০০mAh ব্যাটারি, ৪৫W ওয়্যার্ড এবং ৩০W ওয়্যারলেস চার্জিং।
তবে GT 30 Pro-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক শুধু প্রসেসর নয়। ফোনটিতে গেমের জন্য ব্যবহারযোগ্য GT Shoulder Triggers রয়েছে। FPS গেমে শুটিং, স্কোপ বা অন্য নিয়ন্ত্রণে এগুলো ম্যাপ করা যায়। ৬.৭৮ ইঞ্চির ১৪৪Hz AMOLED ডিসপ্লে দ্রুতগতির গেমে স্মুথ ভিজ্যুয়াল দিতে সাহায্য করে।
অর্থাৎ যারা গেমিং ফোনের মতো আলাদা ডিজাইন, ট্রিগার এবং গেম-কেন্দ্রিক ফিচার চান, তাদের জন্য GT 30 Pro অন্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন অভিজ্ঞতা দিতে পারে।
যাদের জন্য ভালো: PUBG Mobile বা Call of Duty Mobile-এর মতো FPS গেমে কাস্টম ট্রিগার ব্যবহার করতে চান এমন গেমার।
৫. POCO X6 Pro—কম দামে এখনো শক্তিশালী বিকল্প
নতুন প্রজন্মের ফোনের ভিড়ে POCO X6 Pro পুরোনো মডেল হলেও পারফরম্যান্সের দিক থেকে এখনো পুরোপুরি পিছিয়ে পড়েনি। বাংলাদেশি বাজারে ৮ জিবি RAM ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ৩৭,৮০০ টাকা হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে।
এর MediaTek Dimensity 8300-Ultra চিপসেট, ৬.৬৭ ইঞ্চির ১২০Hz AMOLED ডিসপ্লে এবং ৫,০০০mAh ব্যাটারি রয়েছে। ৬৭W ফাস্ট চার্জিংও পাওয়া যায়।
X6 Pro-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—নতুন মডেলের তুলনায় কম দামে এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী চিপসেট পাওয়া যায়। ফলে বাজেটের কিছু টাকা বাঁচিয়ে ফোন কিনতে চাইলে এটি বিবেচনায় রাখা যায়।
যাদের জন্য ভালো: নতুন মডেল না হলেও শক্তিশালী পারফরম্যান্সের ফোন কম দামে নিতে চান এমন ব্যবহারকারী।
কোন ফোনে কোন সুবিধা বেশি?
শুধু একটি ফোনকে সবার জন্য সেরা বলা ঠিক হবে না। কারণ ৩৫–৪০ হাজার টাকার মধ্যে গেমিং ফোন বাছাইয়ের সময় ব্যবহারকারীর প্রয়োজনও গুরুত্বপূর্ণ।
কাঁচা গেমিং পারফরম্যান্সকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিলে iQOO Neo 10-এর Snapdragon 8s Gen 4, Q1 চিপ এবং ৭,০০০mAh ব্যাটারি বড় সুবিধা। অন্যদিকে Snapdragon 8 Gen 3-এর কারণে Redmi K80-ও অত্যন্ত শক্তিশালী বিকল্প।
ব্যাটারি ও দীর্ঘ গেমিং সেশন চাইলে iQOO Neo 10 এবং POCO X7 Pro নজরে রাখা যায়। আর গেমিং-কেন্দ্রিক ফিচার, বিশেষ করে শোল্ডার ট্রিগার চাইলে Infinix GT 30 Pro আলাদা সুবিধা দেয়।
অন্যদিকে পারফরম্যান্সের সঙ্গে দৈনন্দিন ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ হলে POCO X7 Pro-এর ৬,০০০mAh ব্যাটারি, ১২০Hz AMOLED ডিসপ্লে ও Dimensity 8400-Ultra একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্যাকেজ তৈরি করে।
ফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই দেখবেন
৩৫–৪০ হাজার টাকার গেমিং ফোন কিনতে শুধু RAM দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। একই RAM থাকলেও দুটি ফোনের প্রসেসর, স্টোরেজ প্রযুক্তি, কুলিং ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনে বড় পার্থক্য থাকতে পারে।
বিশেষ করে আনঅফিশিয়াল ফোন কেনার ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি, ভারতীয় না চীনা ভ্যারিয়েন্ট, নেটওয়ার্ক ব্যান্ড, সফটওয়্যার রিজিয়ন এবং Google Play Services আগে নিশ্চিত করা উচিত। দামও প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে পারে।
আর দীর্ঘ সময় গেম খেললে শুধু বেশি FPS নয়, ফোন কতক্ষণ সেই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে বড় Vapor Chamber বা উন্নত কুলিং সিস্টেম থাকা ফোন দীর্ঘ গেমিং সেশনে বেশি কার্যকর হতে পারে।
২০২৬ সালে ৩৫–৪০ হাজার টাকার মধ্যে ৫ ফোনের সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
iQOO Neo 10: সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স ও গেমিং-কেন্দ্রিক হার্ডওয়্যারের জন্য।
Redmi K80: Snapdragon 8 Gen 3 ও 2K ডিসপ্লের জন্য।
POCO X7 Pro: পারফরম্যান্স, ব্যাটারি ও চার্জিংয়ের ভারসাম্যের জন্য।
Infinix GT 30 Pro: গেমিং ট্রিগার ও ১৪৪Hz ডিসপ্লের জন্য।
POCO X6 Pro: তুলনামূলক কম দামে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের জন্য।
সুতরাং ২০২৬ সালের বর্তমান বাজারে ৩৫–৪০ হাজার টাকার গেমিং ফোন কিনতে গেলে শুধু ‘কোন ফোনের RAM বেশি’—এই প্রশ্নের বদলে কোন চিপসেট, কেমন কুলিং, কত বড় ব্যাটারি এবং গেমিংয়ের জন্য কী বিশেষ সুবিধা আছে—এসব বিষয় একসঙ্গে দেখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
৩৫–৪০ হাজার টাকার গেমিং ফোন নিয়ে FAQ
১. ৪০ হাজার টাকার মধ্যে গেমিংয়ের জন্য কোন প্রসেসরগুলো ভালো?
এই বাজেটের তালিকায় Snapdragon 8 Gen 3, Snapdragon 8s Gen 4 এবং Dimensity 8400-Ultra-এর মতো শক্তিশালী চিপসেট রয়েছে। iQOO Neo 10-এ Snapdragon 8s Gen 4, Redmi K80-তে Snapdragon 8 Gen 3 এবং POCO X7 Pro-তে Dimensity 8400-Ultra ব্যবহার করা হয়েছে।
২. iQOO Neo 10-এর ব্যাটারি কত?
iQOO Neo 10-এ ৭,০০০mAh ব্যাটারি এবং ১২০W FlashCharge রয়েছে।
৩. Infinix GT 30 Pro কি সত্যিই গেমিং ফোন?
হ্যাঁ। GT 30 Pro-তে ১৪৪Hz AMOLED ডিসপ্লে, Dimensity 8350 Ultimate চিপসেট এবং গেমের জন্য আলাদা GT Shoulder Triggers রয়েছে।
৪. POCO X7 Pro-এর ব্যাটারি ও চার্জিং কত?
POCO X7 Pro-তে ৬,০০০mAh ব্যাটারি এবং ৯০W HyperCharge রয়েছে।
৫. আনঅফিশিয়াল গেমিং ফোন কেনার আগে কী দেখব?
ওয়ারেন্টি, ভ্যারিয়েন্ট, সফটওয়্যার রিজিয়ন, Google services, নেটওয়ার্ক ব্যান্ড এবং বিক্রেতার রিটার্ন সুবিধা যাচাই করা উচিত। একই মডেলের দামও দোকান ও ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।
তানভির ইসলাম/