ঢাকা, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জমির নামজারি আটকে গেলে কোথায় যোগাযোগ করবেন, জানুন করণীয়

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ০৪ ১৩:১১:৩৭
জমির নামজারি আটকে গেলে কোথায় যোগাযোগ করবেন, জানুন করণীয়

জমি কেনার পর নামজারি আবেদন করে দীর্ঘদিনেও অগ্রগতি না হলে অনেকেই বুঝতে পারেন না আসলে কোথায় যোগাযোগ করবেন। আবার কখনো আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পরও কারণ বা পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় ভোগান্তি বাড়ে। তবে নামজারি নিয়ে সমস্যা হলে সরাসরি দালালের দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রথমে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই, এরপর সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ এবং প্রয়োজন হলে সরকারি ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২-এ অভিযোগ বা সহায়তা চাওয়া যায়।

নামজারি বা মিউটেশন হলো মালিকানা পরিবর্তনের পর ভূমির রেকর্ড হালনাগাদ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি ব্যবস্থায় আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা, শুনানি ও সিদ্ধান্তের ধাপগুলো অনলাইনে পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। তাই আবেদন আটকে গেলে কোথায় সমস্যা হয়েছে, সেটি আগে শনাক্ত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নামজারি আটকে গেলে প্রথমেই কী করবেন?

কোনো আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রক্রিয়াধীন থাকলে প্রথম কাজ হলো আবেদনের বর্তমান অবস্থা যাচাই করা। ই-নামজারি ব্যবস্থায় আবেদন নিষ্পত্তির বিভিন্ন ধাপ রয়েছে এবং সিদ্ধান্ত হলে আবেদনকারীকে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হয়। আবেদন নামঞ্জুর হলে SMS-এর পাশাপাশি মিউটেশন পোর্টালে নামঞ্জুরের কারণও দেখা যায়।

তাই শুধু ‘নামজারি হচ্ছে না’ ধরে নিয়ে অফিসে বারবার যাওয়ার আগে আবেদনের স্ট্যাটাস ও সংশ্লিষ্ট আদেশটি দেখে নেওয়া ভালো।

কোথায় যোগাযোগ করবেন?

নামজারি-সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে যোগাযোগের জায়গা সমস্যার ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।

১. সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়

নামজারি মামলার সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর। সরকারি ই-নামজারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কাগজপত্র পর্যালোচনা, প্রয়োজন হলে শুনানি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন বিবেচনা করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিদ্ধান্ত দেন।

তাই আপনার নামজারি আবেদন যদি অস্বাভাবিকভাবে আটকে থাকে, কোনো কাগজের ঘাটতি দেখানো হয় বা আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় হলো গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের জায়গা।

২. ভূমিসেবা হটলাইন ১৬১২২

নামজারি বা অন্য কোনো ভূমিসেবা নিয়ে তথ্য, সহায়তা, অভিযোগ কিংবা হয়রানির বিষয়ে ১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করা যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান ভূমি তথ্য বাতায়নেও ১৬১২২-কে ভূমিসেবা সহায়তার নম্বর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিউটেশন সিস্টেমের নির্দেশনাতেও ভূমিসেবা নিয়ে অভিযোগ, মানোন্নয়ন বা কোনো প্রশ্ন থাকলে ১৬১২২-এ কল করার কথা বলা হয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি, সেবা পেতে অযথা হয়রানি বা ভূমিসেবা-সংক্রান্ত সমস্যায় এই নম্বরটি গুরুত্বপূর্ণ।

নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হলে কী করবেন?

নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হলেই বিষয়টি শেষ হয়ে যায়—এমন ধারণা ঠিক নয়। সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আবেদন নামঞ্জুর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে হবে। কোনো তথ্য বা কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে প্রথম আদেশে তা উল্লেখ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

অর্থাৎ নামজারি বাতিল হয়েছে দেখেই নতুন করে একই আবেদন করার আগে কেন নামঞ্জুর করা হয়েছে, সেই কারণটি ভালোভাবে দেখুন।

যদি প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিলের ঘাটতির কারণে আবেদন নামঞ্জুর হয়ে থাকে, সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল পাওয়ার পর পুনরায় নামজারি কার্যক্রম চালু বা Review করার ব্যবস্থার কথা সরকারি নির্দেশনায় রয়েছে।

কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে কী হবে?

নামজারি আবেদনে তথ্যের গরমিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তা আবেদনের নিষ্পত্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম আদেশেই ঘাটতি স্পষ্ট করে জানানো এবং তা দাখিলের জন্য যুক্তিসঙ্গত সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। সাধারণভাবে সাত কার্যদিবস বা আবেদন বিবেচনায় যুক্তিসঙ্গত সময় দেওয়া যেতে পারে।

তাই কোনো কর্মচারী মৌখিকভাবে ‘কাগজ নেই’ বললে শুধু কথার ওপর নির্ভর না করে আবেদনের আদেশে কী ঘাটতি উল্লেখ করা হয়েছে তা যাচাই করা বেশি নিরাপদ।

হার্ড কপি না দেওয়ার কারণে কি আবেদন বাতিল করা যায়?

ই-নামজারি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—শুধু নামজারি আবেদনের হার্ড কপি জমা না দেওয়ার কারণে আবেদন নামঞ্জুর করার কথা নয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, হার্ড কপি না দেওয়ার কারণে ই-নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করা যাবে না।

তবে নির্দিষ্ট কোনো দলিল বা তথ্যের প্রয়োজন হলে সেটি সংশ্লিষ্ট আদেশে উল্লেখ করে চাওয়া হতে পারে। তাই হার্ড কপি, অতিরিক্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথির বিষয়টি এক করে দেখা উচিত নয়।

ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কি বারবার যেতে হবে?

সব নামজারি আবেদনে আবেদনকারীকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতেই হবে—এমন নিয়ম নেই। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ই-নামজারি আবেদনের সংযুক্ত দলিলপত্র যাচাইয়ের পর সঠিক প্রতীয়মান হলে পক্ষগণের শুনানির প্রয়োজন নাও হতে পারে। জটিল কোনো বিষয় না থাকলে অনলাইনেই নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে আবেদনকারীর উপস্থিতির প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেই প্রয়োজনীয়তা জানাতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া শুধু নামজারি এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন অফিসে ঘোরাঘুরি না করে আবেদনের স্ট্যাটাস ও আদেশ অনুসরণ করা ভালো।

শুনানি প্রয়োজন হলে কী করবেন?

কিছু নামজারি আবেদনে পক্ষগুলোর বক্তব্য শোনা বা অতিরিক্ত তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। সরকারি মিউটেশন প্রক্রিয়া অনুযায়ী, শুনানি হলে আবেদনকারী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উপস্থিতিতে বিষয়টি বিবেচনা করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিদ্ধান্ত দিতে পারেন। শুনানির তারিখ SMS-এর মাধ্যমে জানানো হতে পারে।

তাই মোবাইল নম্বর সচল রাখা এবং নামজারি আবেদনের সঙ্গে দেওয়া যোগাযোগের তথ্য সঠিক আছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হলে?

নামজারি আবেদন নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সিদ্ধান্তে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে নির্ধারিত আইনগত পদ্ধতিতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। ভূমি প্রশাসন-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)-এর কাছে আপিল করা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় কমিশনার এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ভূমি আপিল বোর্ডে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপিলের সময়সীমা ও প্রযোজ্য আইনগত বিধান। তাই শুধু মৌখিক পরামর্শের ভিত্তিতে সময় পার না করে সিদ্ধান্তের কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা আইনজীবীর কাছ থেকে সঠিক আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত।

নামজারি আটকে থাকার সাধারণ কারণ কী?

নামজারি আবেদনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে থাকতে পারে—

আবেদনে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য;

দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি;

মালিকানা-সংক্রান্ত তথ্যের অসঙ্গতি;

রেকর্ডের সঙ্গে আবেদনের তথ্যের গরমিল;

সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন;

শুনানির প্রয়োজন হওয়া;

তথ্য বা নথির সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি নির্দেশিকাতেও ভুল তথ্য বা তথ্যের গরমিলের কারণে নামজারি আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে শুধু ‘আবেদন আটকে আছে’ বলেই এর নির্দিষ্ট কারণ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। আপনার নির্দিষ্ট আবেদনের স্ট্যাটাস ও আদেশ দেখে কারণ নিশ্চিত করতে হবে।

নামজারি নিয়ে অভিযোগ করার আগে যা হাতে রাখবেন

সমস্যা নিয়ে অফিসে বা ১৬১২২-এ যোগাযোগ করার আগে কিছু তথ্য প্রস্তুত রাখলে বিষয়টি বোঝানো সহজ হয়। যেমন—

নামজারি আবেদনের নম্বর;

আবেদনকারীর নাম;

মোবাইল নম্বর;

সংশ্লিষ্ট মৌজা ও দাগের তথ্য;

প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে খতিয়ান/দলিলের তথ্য;

আবেদন করার তারিখ;

অনলাইনে দেখানো বর্তমান স্ট্যাটাস;

নামঞ্জুরের আদেশ থাকলে তার কারণ।

এতে সমস্যাটি দ্রুত শনাক্ত করা সহজ হতে পারে।

দালালের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন?

নামজারি আটকে গেলে অনেকেই দ্রুত কাজ করানোর আশায় দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর কাছে যান। কিন্তু সরকারি ভূমি নির্দেশনায় নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ভূমিসেবা নিয়ে হয়রানি বা অতিরিক্ত অর্থ দাবি হলে ১৬১২২-এ জানানো যায়।

তাই নামজারি আটকে গেলে প্রথমে সরকারি অনলাইন ব্যবস্থা, সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস এবং সরকারি হটলাইন ব্যবহার করাই নিরাপদ পথ।

এক নজরে নামজারি আটকে গেলে করণীয়

সমস্যাপ্রথম করণীয়
আবেদন কোন পর্যায়ে আছে জানা যাচ্ছে না ই-নামজারি পোর্টালে আবেদনের স্ট্যাটাস দেখুন
আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে নামঞ্জুরের কারণ ও আদেশ দেখুন
কাগজপত্রের ঘাটতি আছে চাওয়া নথি বা তথ্য নির্ধারিত পদ্ধতিতে জমা দিন
শুনানির প্রয়োজন SMS-এ দেওয়া তারিখ ও নির্দেশনা অনুসরণ করুন
সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে সমস্যা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন
ভূমিসেবা নিয়ে অভিযোগ বা হয়রানি ১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করুন
সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ প্রযোজ্য আইন ও সময়সীমা অনুযায়ী আপিলের ব্যবস্থা নিন

জমির নামজারি আটকে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার বা সরাসরি দালালের শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রথমে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা ও আদেশ যাচাই করুন, এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন। ভূমিসেবা-সংক্রান্ত সহায়তা বা অভিযোগের জন্য ১৬১২২ নম্বরেও যোগাযোগ করা যায়।

আর আবেদন নামঞ্জুর হলে কারণ না জেনে নতুন আবেদন না করে আগে নামঞ্জুরের কারণ বুঝে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা তথ্য ঠিক করা জরুরি। সিদ্ধান্তে আপত্তি থাকলে নির্ধারিত আইনগত পথে আপিলের সুযোগও রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নামজারি সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় আবেদন নম্বর, আদেশ ও সরকারি রেকর্ডের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা। এতে পরবর্তী সময়ে অভিযোগ, পুনরায় কার্যক্রম বা আপিলের প্রয়োজন হলে নিজের অবস্থান প্রমাণ করা সহজ হয়।

FAQ

১. জমির নামজারি আটকে গেলে প্রথমে কোথায় যোগাযোগ করব?

প্রথমে ই-নামজারি পোর্টালে আবেদনের বর্তমান অবস্থা ও আদেশ যাচাই করা উচিত। এরপর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যোগাযোগ করা যায়।

২. নামজারি আবেদনের অবস্থা কীভাবে জানা যায়?

ই-নামজারি ব্যবস্থায় আবেদন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি অনুসরণ করা যায়। সিদ্ধান্ত হলে আবেদনকারীকে SMS-এর মাধ্যমে জানানো হয় এবং নামঞ্জুর হলে পোর্টালে কারণ দেখার সুযোগ রয়েছে।

৩. নামজারি নামঞ্জুর হলে কি আবার আবেদন করা যায়?

কেন নামঞ্জুর হয়েছে তার ওপর করণীয় নির্ভর করে। প্রয়োজনীয় তথ্য বা দলিলের ঘাটতির কারণে নামঞ্জুর হলে সংশ্লিষ্ট তথ্য/দলিল পাওয়ার পর পুনরায় নামজারি কার্যক্রম চালু বা Review করার বিধান রয়েছে।

৪. নামজারি নিয়ে অভিযোগ করতে কত নম্বরে ফোন করতে হবে?

ভূমিসেবা সংক্রান্ত সহায়তা, প্রশ্ন বা অভিযোগের জন্য সরকারি ১৬১২২ নম্বরে যোগাযোগ করা যায়।

৫. সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সিদ্ধান্তে আপত্তি থাকলে কী করা যায়?

প্রযোজ্য আইন ও নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)-এর কাছে আপিলের সুযোগ রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনার এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ভূমি আপিল বোর্ডে যাওয়ার বিধান রয়েছে।

সরকারি তথ্যসূত্র: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-নামজারি পোর্টাল · ভূমি তথ্য বাতায়ন

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ