ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

নাভানা ফার্মার আয় ও নগদ প্রবাহে উন্নতি, সামনে বোর্ড সভা

শেয়ারনিউজ ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১১ ১৭:৩৭:০৮
নাভানা ফার্মার আয় ও নগদ প্রবাহে উন্নতি, সামনে বোর্ড সভা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নাভানা ফার্মা লিমিটেডের আর্থিক সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৫৯ টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩.৪৯ টাকা। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহও বেড়েছে ৫১.০৯ শতাংশ। অন্যদিকে, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ১২ বছর মেয়াদি ২৬.৬১ মিলিয়ন ইউরোর ঋণ সুবিধা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কোম্পানিটি। এখন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে ১৫ অক্টোবরের পরিচালনা পর্ষদের সভা, যেখানে ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে।

নয় মাসে ইপিএস বেড়েছে ৩১.৫২ শতাংশ

২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে নাভানা ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৪.৫৯ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩.৪৯ টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ১.১০ টাকা বা ৩১.৫২ শতাংশ।

কোম্পানির আর্থিক ফলাফলে এই প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পরিচালন নগদ প্রবাহেও উন্নতি দেখা গেছে। প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ বা এনওসিএফপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫.৪৪ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১০.২২ টাকা। ফলে এ সূচকে শেয়ারপ্রতি ৫.২২ টাকা বা ৫১.০৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিক্রয় আয় ও মোট মুনাফা বৃদ্ধি, অর্থায়ন ব্যয় কমে আসা এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনার উন্নতি আর্থিক ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক থেকেই উন্নতির ইঙ্গিত

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫ সময়ে, নাভানা ফার্মার সাধারণ শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১.৭১ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১.২৫ টাকা। সে হিসাবে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ০.৪৬ টাকা বা ৩৬.৮০ শতাংশ। ওই প্রান্তিকে ডাইলিউটেড ইপিএস ছিল ১.৬৯ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছিল। আগের বছরের ২ টাকা থেকে তা বেড়ে ৫.০৮ টাকায় পৌঁছায়, যা ৩.০৮ টাকা বা ১৫৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভি ছিল ৪৭.০৩ টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন এ সূচক ছিল ৪৫.২৯ টাকা। অর্থাৎ, তিন মাসে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছিল ১.৭৪ টাকা।

তবে প্রথম প্রান্তিকের ইপিএস প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রকাশিত তথ্যে অসংগতি রয়েছে। ১.২৫ টাকা থেকে ১.৭১ টাকায় বৃদ্ধির হিসাব অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি ৩৬.৮০ শতাংশ, যদিও সংশ্লিষ্ট তথ্যে ৬২.৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সঠিক হার নিশ্চিত করতে মূল আর্থিক প্রকাশনা যাচাই করা প্রয়োজন।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ডাইলিউটেড ইপিএস বেড়েছে ৬৫ শতাংশ

২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে নাভানা ফার্মার ডাইলিউটেড শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১.৬৫ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১ টাকা। ফলে প্রান্তিকভিত্তিক হিসাবে আয় বেড়েছে ৬৫ শতাংশ।

প্রথম ছয় মাসের হিসাবেও আয় আগের বছরের তুলনায় বেশি ছিল। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ডাইলিউটেড ইপিএস দাঁড়ায় ৩.৩৫ টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ২.২৫ টাকা। এই দুই অঙ্কের সরাসরি হিসাব অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪৮.৮৯ শতাংশ। তবে প্রকাশিত তথ্যে ৫০.২২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির উল্লেখ রয়েছে। এ ক্ষেত্রেও মূল প্রতিবেদন মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

ছয় মাসে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ ৩.১৬ টাকা থেকে বেড়ে ৮.১১ টাকা হয়। অর্থাৎ, শেয়ারপ্রতি ৪.৯৫ টাকা বা প্রায় ১৫৬.৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল ৪৮.৩২ টাকা, যা ওই বছরের ৩০ জুনের ৪৫.২৯ টাকার চেয়ে ৩.০৩ টাকা বেশি।

কোম্পানির দেওয়া ব্যাখ্যায় বিক্রয় আয় ও মোট মুনাফা বৃদ্ধি, অর্থায়ন ব্যয় হ্রাস এবং কর-পরবর্তী নিট মুনাফার উন্নতির কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, এ সময়ে নগদ অর্থ আদায়ের পরিমাণ নগদ পরিশোধের চেয়ে বেশি ছিল বলে জানানো হয়েছে।

তৃতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় ১.২২ টাকা

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে নাভানা ফার্মার সাধারণ শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১.২২ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১.০১ টাকা। ফলে এ প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ০.২১ টাকা বা প্রায় ২০.৭৯ শতাংশ।

তৃতীয় প্রান্তিকে ডাইলিউটেড ইপিএস ছিল ১.২০ টাকা। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে ডাইলিউটেড ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৪.৫৫ টাকা।

এখানে সাধারণ ইপিএস ও ডাইলিউটেড ইপিএসের পার্থক্য বিবেচনায় রাখা জরুরি। নয় মাসে সাধারণ ইপিএস ছিল ৪.৫৯ টাকা, আর ডাইলিউটেড ইপিএস ছিল ৪.৫৫ টাকা। দুটি আলাদা হিসাব হওয়ায় এগুলোকে একই সূচক হিসেবে দেখা উচিত নয়।

মার্চ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ৪৯.৫৩ টাকা

নাভানা ফার্মার শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্যও বেড়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ কোম্পানিটির এনএভি ছিল ৪৯.৫৩ টাকা। আগের অর্থবছরের শেষ দিন, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩০ জুন, এ পরিমাণ ছিল ৪৫.২৯ টাকা। ফলে এই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ৪.২৪ টাকা বা প্রায় ৯.৩৬ শতাংশ।

ইপিএস, পরিচালন নগদ প্রবাহ ও এনএভির এই পরিবর্তন কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। তবে শুধু এসব সূচকের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ মুনাফা বা শেয়ারদরের গতিপথ নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ২৬.৬১ মিলিয়ন ইউরোর ঋণ

ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জার্মানির AKA Ausfuhrkredit-Gesellschaft mbH থেকে ১২ বছর মেয়াদি ২৬,৬১০,০০০ ইউরোর ঋণ সুবিধা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে নাভানা ফার্মা। এ অর্থায়নের উদ্দেশ্য হলো কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো।

ঋণ ব্যবস্থার একমাত্র অ্যারেঞ্জার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশের KGMC Financial Services। তবে ঋণসংক্রান্ত সিদ্ধান্তটি এখনো প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন ও যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের শর্তাধীন। তাই অর্থায়ন চূড়ান্ত হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

ক্রেডিট রেটিংয়ে দীর্ঘমেয়াদে AA

ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেডের মূল্যায়নে নাভানা ফার্মা দীর্ঘমেয়াদে ‘AA’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘ST-2’ ক্রেডিট রেটিং পেয়েছে। রেটিংয়ের আউটলুক রাখা হয়েছে ‘Stable’।

২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী এবং রেটিং নির্ধারণের সময় পাওয়া অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এই মূল্যায়ন করা হয়েছে।

১৫ অক্টোবর বোর্ড সভা, সিদ্ধান্ত আসতে পারে লভ্যাংশে

নাভানা ফার্মার পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে। সভায় ২০২৬ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনা করা হবে।

বার্ষিক আর্থিক ফলাফলের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের নজর থাকবে লভ্যাংশের সিদ্ধান্তের দিকেও। তবে সভার আগে কোম্পানি কত শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা বা সুপারিশ করবে, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। চূড়ান্ত তথ্যের জন্য পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ও কোম্পানির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেখতে হবে।

আগের অর্থবছরে ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য নাভানা ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছিল। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ধরে এই হার অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়ায় ১.৪০ টাকা।

আগের বছরের লভ্যাংশের হার বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রাসঙ্গিক হলেও, একই হার পরবর্তী বছরেও বহাল থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। নতুন অর্থবছরের লভ্যাংশ নির্ভর করবে বার্ষিক আর্থিক ফলাফল ও পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের ওপর।

এবার কত লভ্যাংশ দিতে পারে নাভানা ফার্মা?

প্রথম নয় মাসের আর্থিক ফলাফলে প্রবৃদ্ধি থাকায় পূর্ণ বছরের আয় ও সম্ভাব্য লভ্যাংশ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হতে পারে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পূর্ণ বছরের ইপিএস কিংবা লভ্যাংশের হার এখনো নিশ্চিত নয়।

একটি সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, পূর্ণ বছরের ইপিএস ৫.৫০ থেকে ৬.১০ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে এটি কোম্পানির আনুষ্ঠানিক পূর্বাভাস নয়। একইভাবে, ১৪ শতাংশ লভ্যাংশ বহাল থাকা কিংবা ১৫–১৬ শতাংশ বা ১৭–১৮ শতাংশে উন্নীত হওয়ার যে সম্ভাব্য হিসাব আলোচনায় রয়েছে, সেগুলোও অনুমানমাত্র। বিশেষ করে উচ্চ হারে লভ্যাংশ দেওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত নিশ্চিত তথ্য নেই।

১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের অর্থ ১.৪০ টাকা। ১৫–১৬ শতাংশ হলে তা ১.৫০ থেকে ১.৬০ টাকা এবং ১৭–১৮ শতাংশ হলে ১.৭০ থেকে ১.৮০ টাকা হতে পারে। এগুলো কেবল হারভিত্তিক গাণিতিক হিসাব—কোম্পানির ঘোষিত লভ্যাংশ নয় এবং বিনিয়োগের পরামর্শও নয়।

বিনিয়োগকারীদের নজর এখন বার্ষিক ফলাফলে

নাভানা ফার্মার ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে ইপিএস, পরিচালন নগদ প্রবাহ ও নিট সম্পদমূল্য—তিনটি সূচকেই উন্নতি হয়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি ইউরো ঋণের উদ্যোগও কোম্পানির পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে ঋণ চূড়ান্ত হওয়ার শর্ত, পূর্ণ বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক ফলাফল এবং পরিচালনা পর্ষদের লভ্যাংশ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এখনো বিবেচ্য বিষয়।

১৫ অক্টোবরের বোর্ড সভার পর বার্ষিক আর্থিক ফলাফল ও লভ্যাংশ সম্পর্কে আরও নির্ভরযোগ্য ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তার আগে সম্ভাব্য লভ্যাংশের হারকে নিশ্চিত ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা না করে কোম্পানির আনুষ্ঠানিক তথ্যের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

১. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে নাভানা ফার্মার ইপিএস কত?

শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪.৫৯ টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল ৩.৪৯ টাকা।

২. নাভানা ফার্মার পরিচালন নগদ প্রবাহ কত বেড়েছে?

প্রথম নয় মাসে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ ১০.২২ টাকা থেকে বেড়ে ১৫.৪৪ টাকা হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ৫১.০৯ শতাংশ।

৩. নাভানা ফার্মার বোর্ড সভা কবে অনুষ্ঠিত হবে?

২০২৬ সালের ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

৪. আগের অর্থবছরে নাভানা ফার্মা কত শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছিল?

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করা হয়েছিল। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে এর পরিমাণ ১.৪০ টাকা।

৫. ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নাভানা ফার্মা কত শতাংশ লভ্যাংশ দেবে?

এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য নেই। ১৫ অক্টোবরের বোর্ড সভা ও কোম্পানির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর বিষয়টি জানা যেতে পারে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ