Honda CB125 Hornet-এর ফিচার কী, বাংলাদেশে দাম কত?
১২৫ সিসির মোটরসাইকেল হয়েও Honda CB125 Hornet-এ রয়েছে গোল্ডেন ইউএসডি ফ্রন্ট ফর্ক, ৪.২ ইঞ্চির টিএফটি ডিসপ্লে, স্মার্টফোন কানেক্টিভিটি এবং সিঙ্গেল চ্যানেল এবিএস। স্পোর্টি নেকেড ডিজাইনের এই বাইকটি ভারতের বাজারে উন্মোচনের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে। তবে বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ হোন্ডার আনুষ্ঠানিক পণ্যতালিকায় CB125 Hornet-এর নাম বা স্থানীয় বিক্রয়মূল্য পাওয়া যায়নি।
ভারতে বাইকটির উদ্বোধনী এক্স-শোরুম মূল্য ছিল ১ লাখ ১২ হাজার রুপি। বাংলাদেশে আমদানি, কর, শুল্ক ও অন্যান্য খরচের বিষয় বিবেচনা না করে ভারতীয় মূল্যকে সরাসরি টাকায় রূপান্তর করে সম্ভাব্য বাংলাদেশি দাম নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। তাই এখনই বাংলাদেশে বাইকটির নির্দিষ্ট দাম বলা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশে Honda CB125 Hornet-এর দাম কত?
বাংলাদেশে Honda CB125 Hornet-এর আনুষ্ঠানিক দাম এখনো ঘোষণা করা হয়েছে—এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে Honda মোটরসাইকেলের পরিবেশক বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের (BHL) প্রকাশিত পণ্য ও সংবাদতালিকাতেও ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মডেলটির বাংলাদেশে বাজারজাতের ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
ভারতে ২০২৫ সালের ১ আগস্ট Honda Motorcycle & Scooter India (HMSI) CB125 Hornet উন্মোচন করে। সে সময় এর প্রারম্ভিক এক্স-শোরুম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ১২ হাজার রুপি। এটি ভারতের গুরুগ্রামের এক্স-শোরুম মূল্য, বাংলাদেশের দাম নয়।
বাংলাদেশের কিছু মোটরসাইকেলবিষয়ক ওয়েবসাইটে ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মতো সম্ভাব্য দাম দেখা যায়। কিন্তু এগুলোকে বাংলাদেশ হোন্ডার ঘোষিত মূল্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: Honda CB125 Hornet এবং বাংলাদেশে বিক্রি হওয়া Honda Hornet 2.0 একই মোটরসাইকেল নয়। Hornet 2.0-এর ইঞ্জিন ১৮৪.৪ সিসি এবং বাংলাদেশ হোন্ডার ওয়েবসাইটে এর আলাদা মূল্য রয়েছে।
Honda CB125 Hornet-এর ইঞ্জিন কত সিসি?
CB125 Hornet-এ রয়েছে ১২৩.৯৪ সিসির সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, চার স্ট্রোকের ইঞ্জিন। এতে PGM-FI বা প্রোগ্রামড ফুয়েল ইনজেকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
Honda-এর প্রকাশিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী, ইঞ্জিনটি সর্বোচ্চ ৮.২ কিলোওয়াট শক্তি উৎপাদন করে ৭ হাজার ৫০০ আরপিএমে। সর্বোচ্চ টর্ক ১১.২ নিউটনমিটার, যা পাওয়া যায় ৬ হাজার আরপিএমে।
ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে পাঁচ গতির গিয়ারবক্স। শহরের রাস্তায় দ্রুত গতি তোলা, যানজটে চলাচল এবং নিয়মিত যাতায়াতের কথা মাথায় রেখে বাইকটির ইঞ্জিন ও গিয়ারিং ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।
Honda-এর দাবি অনুযায়ী, বাইকটি শূন্য থেকে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে ৫.৪ সেকেন্ড সময় নেয়। এটি প্রস্তুতকারকের ঘোষিত পরীক্ষার তথ্য; বাস্তব ফলাফল চালক, রাস্তা ও অন্যান্য পরিস্থিতিতে ভিন্ন হতে পারে।
Honda CB125 Hornet-এ কী কী ফিচার রয়েছে?
বাইকটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক শুধু ইঞ্জিন নয়; এর প্রযুক্তি ও ডিজাইনেও বেশ কিছু আধুনিক সুবিধা রাখা হয়েছে।
১. ৪.২ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে
CB125 Hornet-এ রয়েছে ৪.২ ইঞ্চির রঙিন TFT ইন্সট্রুমেন্ট ডিসপ্লে। এতে বাইকের প্রয়োজনীয় তথ্য দেখা যায়। সাধারণ ডিজিটাল মিটারের তুলনায় এই ডিসপ্লের বিশেষত্ব হলো স্মার্টফোন সংযোগের সুবিধা।
২. Honda RoadSync কানেক্টিভিটি
Honda RoadSync-এর মাধ্যমে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্মার্টফোনের সঙ্গে মোটরসাইকেলটি সংযুক্ত করা যায়। এর সাহায্যে নেভিগেশন, কল ও এসএমএসের নোটিফিকেশন এবং হেডসেটের মাধ্যমে মিউজিক ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
তবে এসব সুবিধা ব্যবহারের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ স্মার্টফোন, অ্যাপ এবং প্রয়োজনীয় সংযোগ ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৩. গোল্ডেন USD ফ্রন্ট ফর্ক
সামনের সাসপেনশনে রয়েছে গোল্ডেন আপসাইড ডাউন (USD) ফর্ক। সাধারণ টেলিস্কোপিক ফর্কের তুলনায় এর গঠন আলাদা। বাইকের সামনের অংশের স্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
১২৫ সিসির মোটরসাইকেলে এই ধরনের সাসপেনশন বাইকটির অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য।
৪. পেছনে পাঁচ ধাপে সমন্বয়যোগ্য মনোশক
পেছনের চাকায় রয়েছে মনোশক সাসপেনশন। এটি পাঁচ ধাপে সমন্বয় করা যায়। ফলে চালক ও পেছনের যাত্রীর ওজন কিংবা রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী সাসপেনশনের সেটিং পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।
৫. সম্পূর্ণ LED লাইটিং
সামনে রয়েছে টুইন সিগনেচার LED হেডল্যাম্প ও LED DRL। পাশাপাশি পেছনের লাইট এবং টার্ন ইন্ডিকেটরেও LED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
এর ফলে বাইকটির সামনের অংশে আলাদা স্পোর্টি চেহারা তৈরি হয়েছে।
৬. USB Type-C চার্জিং পোর্ট
মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে Universal USB Type-C চার্জিং পোর্ট। চলার পথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিভাইস চার্জ করার জন্য এটি কাজে আসতে পারে।
৭. সিঙ্গেল চ্যানেল ABS
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে CB125 Hornet-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো সিঙ্গেল চ্যানেল অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম। সামনের চাকায় ২৪০ মিলিমিটারের পেটাল ডিস্ক ব্রেকের সঙ্গে ABS রয়েছে।
জরুরি ব্রেক করার সময় সামনের চাকা লক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে এটি সাহায্য করে। তবে পেছনের চাকায় ABS নেই। তাই এটিকে ডুয়াল চ্যানেল ABS মোটরসাইকেল বলা যাবে না।
৮. সাইড স্ট্যান্ড ইঞ্জিন কাট-অফ
বাইকটিতে সাইড স্ট্যান্ড ইন্ডিকেটরের পাশাপাশি ইঞ্জিন ইনহিবিটর রয়েছে। সাইড স্ট্যান্ড নামানো অবস্থায় গিয়ার যুক্ত করলে ইঞ্জিনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার মাধ্যমে এটি সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
৯. Silent Start প্রযুক্তি
Honda-এর নতুন প্রযুক্তিগত বিবরণে Silent Start with ACG সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে প্রচলিত স্টার্টারের তুলনায় কম শব্দ ও ঝাঁকুনিতে ইঞ্জিন চালু করা যায়।
Honda CB125 Hornet-এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন
ভারতের বাজারে প্রকাশিত মডেলটির উল্লেখযোগ্য কারিগরি তথ্য নিচে দেওয়া হলো—
ইঞ্জিন: ১২৩.৯৪ সিসি
ইঞ্জিনের ধরন: চার স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার
ফুয়েল সিস্টেম: PGM-FI
সর্বোচ্চ শক্তি: ৮.২ কিলোওয়াট, ৭ হাজার ৫০০ আরপিএমে
সর্বোচ্চ টর্ক: ১১.২ নিউটনমিটার, ৬ হাজার আরপিএমে
গিয়ারবক্স: পাঁচ গতির
সামনের সাসপেনশন: গোল্ডেন USD ফর্ক
পেছনের সাসপেনশন: পাঁচ ধাপে সমন্বয়যোগ্য মনোশক
সামনের ব্রেক: ২৪০ মিলিমিটার পেটাল ডিস্ক
পেছনের ব্রেক: ১৩০ মিলিমিটার ড্রাম
ABS: সিঙ্গেল চ্যানেল
সামনের টায়ার: ৮০/১০০-১৭
পেছনের টায়ার: ১১০/৮০-১৭
টায়ারের ধরন: টিউবলেস
ফুয়েল ট্যাংক: ১২ লিটার
ওজন: ১২৪ কেজি
হুইলবেস: ১ হাজার ৩৩০ মিলিমিটার
গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স: ১৬৬ মিলিমিটার
সিট: স্প্লিট সিট
এই স্পেসিফিকেশন ভারতের বাজারের CB125 Hornet-এর জন্য। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে ভিন্ন সংস্করণ এলে তার তথ্য আলাদা হতে পারে।
Honda CB125 Hornet-এর মাইলেজ কত?
Honda-এর প্রকাশিত CB125 Hornet-এর মূল স্পেসিফিকেশন ও পণ্যবিবরণীতে নির্দিষ্ট পরীক্ষিত মাইলেজের পরিমাণ উল্লেখ পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের কয়েকটি মোটরসাইকেলবিষয়ক ওয়েবসাইটে আনুমানিক ৫০ কিলোমিটার প্রতি লিটার মাইলেজের তথ্য দেওয়া হয়েছে। তবে এটিকে Honda-এর নিশ্চিত বা বাংলাদেশে পরীক্ষিত মাইলেজ বলা যাবে না।
বাস্তবে মাইলেজ নির্ভর করবে যানজট, গতি, রাস্তার অবস্থা, চালানোর ধরন, টায়ারের বাতাসের চাপ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর।
তাই শুধু অনলাইন মাইলেজের হিসাব দেখে বাইক কেনার সিদ্ধান্ত না নিয়ে বাজারে আসার পর ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করা ভালো।
বাইকটির ডিজাইন ও রঙের বিকল্প
CB125 Hornet-এ স্ট্রিট-নেকেড ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। সামনের টুইন LED হেডল্যাম্প, পেশিবহুল ফুয়েল ট্যাংক, ধারালো ট্যাংক শ্রাউড এবং স্পোর্টি মাফলার বাইকটির চেহারায় আলাদা বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে।
ভারতের বাজারে এটি চারটি রঙের সমন্বয়ে পাওয়া যায়—
Pearl Siren Blue with Lemon Ice Yellow
Pearl Siren Blue with Sports Red
Pearl Igneous Black
Pearl Siren Blue with Athletic Blue Metallic
বাংলাদেশে বাজারজাত করা হলে কোন কোন রঙের সংস্করণ পাওয়া যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বাংলাদেশে এলে CB125 Hornet কেন আলোচনায় আসতে পারে?
বাংলাদেশের ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের বাজারে সাধারণত জ্বালানি সাশ্রয়, দৈনন্দিন ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। CB125 Hornet এই পরিচিত শ্রেণিতে কিছু বাড়তি প্রযুক্তি যুক্ত করেছে।
বিশেষ করে USD ফ্রন্ট ফর্ক, TFT ডিসপ্লে, RoadSync কানেক্টিভিটি, USB Type-C চার্জিং এবং সিঙ্গেল চ্যানেল ABS—এই সুবিধাগুলো বাইকটিকে সাধারণ কমিউটার মডেল থেকে আলাদা করেছে।
তবে বাংলাদেশে এর দাম কত হবে, সার্ভিসিং সুবিধা কেমন থাকবে এবং যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা কতটা সহজ হবে—এসব বিষয় না জানা পর্যন্ত বাইকটির সামগ্রিক মূল্যায়ন করা কঠিন।
সব মিলিয়ে
Honda CB125 Hornet মূলত এমন একটি ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল, যেখানে স্পোর্টি ডিজাইনের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তার সুবিধা রাখা হয়েছে। ১২৩.৯৪ সিসির PGM-FI ইঞ্জিন, গোল্ডেন USD ফ্রন্ট ফর্ক, মনোশক সাসপেনশন, ৪.২ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে, RoadSync এবং সিঙ্গেল চ্যানেল ABS এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
তবে বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে এর আনুষ্ঠানিক বাজারজাত ও দাম নিশ্চিত নয়। ভারতে উদ্বোধনী মূল্য ১ লাখ ১২ হাজার রুপি হলেও সেটিকে বাংলাদেশের দাম হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
বাংলাদেশে বাইকটি আনুষ্ঠানিকভাবে আসার ঘোষণা, মূল্য ও বিক্রির তথ্য প্রকাশিত হলে তখনই প্রকৃত বাজারদর ও কেনার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ধারণা পাওয়া যাবে।
প্রাসঙ্গিক প্রশ্নোত্তর (FAQ)
১. বাংলাদেশে Honda CB125 Hornet-এর দাম কত?
৩০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ হোন্ডার পক্ষ থেকে বাইকটির আনুষ্ঠানিক দাম ঘোষণা বা বাংলাদেশে বাজারজাতের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই নির্দিষ্ট বাংলাদেশি দাম বলা যাচ্ছে না।
২. Honda CB125 Hornet-এর ইঞ্জিন কত সিসি?
এতে ১২৩.৯৪ সিসির সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, ফুয়েল-ইনজেকশন ইঞ্জিন রয়েছে।
৩. Honda CB125 Hornet-এ কি ABS আছে?
হ্যাঁ। এতে সামনের চাকায় সিঙ্গেল চ্যানেল ABS রয়েছে। পেছনের চাকায় ABS নেই।
৪. Honda CB125 Hornet-এর মাইলেজ কত?
Honda-এর অফিসিয়াল তথ্যসূত্রে নির্দিষ্ট পরীক্ষিত মাইলেজ প্রকাশিত হয়নি। কিছু স্থানীয় ওয়েবসাইটে আনুমানিক ৫০ কিলোমিটার প্রতি লিটারের হিসাব দেওয়া হয়েছে, তবে এটি নিশ্চিত প্রস্তুতকারক-ঘোষিত মাইলেজ নয়।
৫. Honda CB125 Hornet-এ কী কী আধুনিক ফিচার রয়েছে?
এতে ৪.২ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে, Honda RoadSync, Bluetooth কানেক্টিভিটি, গোল্ডেন USD ফ্রন্ট ফর্ক, মনোশক সাসপেনশন, LED লাইটিং, USB Type-C চার্জিং এবং সিঙ্গেল চ্যানেল ABS রয়েছে।
তানভির ইসলাম/