জরুরি পাসপোর্ট কীভাবে করবেন? আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজ
বিদেশে চিকিৎসা, চাকরি, পড়াশোনা কিংবা জরুরি ভ্রমণের প্রয়োজনে দ্রুত পাসপোর্ট হাতে পেতে চান? বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ডেলিভারির পাশাপাশি এক্সপ্রেস ও সুপার এক্সপ্রেস—দুই ধরনের দ্রুত সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে নতুন পাসপোর্টের আবেদনকারী এবং পুরোনো পাসপোর্ট নবায়ন বা রি-ইস্যু করতে চাওয়া সবার জন্য একই সুবিধা প্রযোজ্য নয়। তাই আবেদন করার আগে ডেলিভারির ধরন, ফি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।
ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে করতে হয়। এরপর নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হয়। আবেদনকারীর তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা হয়। তথ্যের অসংগতি থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হতে পারে।
জরুরি পাসপোর্ট বলতে কী বোঝায়?
বাংলাদেশে দ্রুত পাসপোর্ট সরবরাহের জন্য ই-পাসপোর্টে এক্সপ্রেস ও সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণ ডেলিভারির তুলনায় এসব ক্যাটাগরিতে বেশি ফি দিয়ে কম সময়ে পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ থাকে।
ই-পাসপোর্টের সরকারি ওয়েবসাইটে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী—
রেগুলার ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ১৫ কার্যদিবস বা ২১ দিনের মধ্যে।
এক্সপ্রেস ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ৭ কার্যদিবস বা ১০ দিনের মধ্যে।
সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ২ কার্যদিবসের মধ্যে।
এগুলো নির্ধারিত সেবা-সময়সীমা; প্রতিটি আবেদনেই নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। তথ্য যাচাই, আবেদনসংক্রান্ত জটিলতা বা অন্য প্রশাসনিক কারণে সময় বেশি লাগতে পারে।
নতুন আবেদনকারীরা কি সুপার এক্সপ্রেস পাসপোর্ট পাবেন?
এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন পাসপোর্টের আবেদনে সুপার এক্সপ্রেস সুবিধা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। আগে এ ধরনের আবেদনের জন্য প্রি-পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ব্যবস্থা থাকলেও ই-পাসপোর্ট সার্ভারে সেই সনদ আপলোডের সুযোগ না থাকায় নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সুবিধাটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বর্তমানে যাদের আগের পাসপোর্ট রয়েছে এবং কোনো তথ্য পরিবর্তন না করে রি-ইস্যুর আবেদন করতে চান, কেবল তারাই নির্দিষ্ট শর্তে সুপার এক্সপ্রেস সুবিধা পাচ্ছেন। এ আবেদন শুধু ঢাকায় অবস্থিত পাসপোর্ট অফিসগুলোতে করা যায়।
তাই প্রথমবার পাসপোর্ট করতে চাইলে এক্সপ্রেস ডেলিভারির নিয়ম ও ফি বিবেচনা করে আবেদন করাই বাস্তবসম্মত। সুপার এক্সপ্রেসের যোগ্যতা সম্পর্কে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকে নিশ্চিত হওয়া ভালো।
জরুরি ই-পাসপোর্ট করতে অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে
ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে প্রথমে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। আবেদন ফরমে দেওয়া তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সঙ্গে মিলিয়ে পূরণ করা জরুরি।
আবেদনের ধাপগুলো হলো—
১. প্রথমে https://www.epassport.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. Apply Online for e-Passport/Re-Issue অপশনে গিয়ে আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করুন।
৩. নিজের বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিস বা আবেদন জমা দেওয়ার স্থান নির্বাচন করুন।
৪. ব্যক্তিগত তথ্য, পিতা-মাতার তথ্য, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় ঘরগুলো পূরণ করুন।
৫. পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ এবং ডেলিভারির ধরন নির্বাচন করুন।
৬. আবেদন ফরমের সব তথ্য যাচাই করে জমা দিন।
৭. নির্ধারিত পদ্ধতিতে পাসপোর্ট ফি পরিশোধ করুন।
৮. আবেদন ফরমের কপি ও পেমেন্টের প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
৯. নির্ধারিত তারিখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করুন।
আবেদন জমা দেওয়ার আগে নাম, জন্মতারিখ, পিতা-মাতার নাম এবং ঠিকানার বানান ভালোভাবে মিলিয়ে নেওয়া উচিত। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্যের অমিল থাকলে যাচাইয়ের সময় সমস্যা হতে পারে।
জরুরি পাসপোর্ট করতে কী কী কাগজ লাগবে?
ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা দেওয়ার সময় আবেদনকারীর বয়স, নতুন নাকি রি-ইস্যু, তথ্য সংশোধন এবং অন্যান্য পরিস্থিতি অনুযায়ী কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে।
সাধারণভাবে যেসব কাগজ প্রস্তুত রাখতে হবে—
অনলাইনে পূরণ করা আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপি।
আবেদন ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের সারাংশ বা Application Summary।
পাসপোর্ট ফি পরিশোধের রসিদ বা পেমেন্ট স্লিপ।
জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি ও ফটোকপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।
অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের ইংরেজি সংস্করণের মূল কপি ও ফটোকপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে।
আগের পাসপোর্ট থাকলে সেটির মূল কপি ও ফটোকপি।
অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা অথবা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।
সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সরকারি আদেশ বা অনাপত্তি সনদ (NOC)।
বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন হলে বিবাহ সনদ বা কাবিননামার কপি।
বিবাহবিচ্ছেদ হলে সংশ্লিষ্ট বিচ্ছেদ বা তালাকের সনদ।
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে জিডির মূল কপি।
ছয় বছরের কম বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডের 3R সাইজের ছবি চাওয়া হয়। চোখের আইরিশ বা আঙুলের ছাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সমস্যা থাকলে প্রযোজ্য মেডিকেল সনদও প্রয়োজন হতে পারে।
সব আবেদনকারীর জন্য প্রতিটি কাগজ বাধ্যতামূলক নয়। আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত নথি চাইতে পারে পাসপোর্ট অফিস। তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের Documents Checklist দেখে নেওয়া উচিত।
জরুরি পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে?
বাংলাদেশের ভেতরে ই-পাসপোর্টের ফি পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরনের ওপর নির্ভর করে। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে প্রকাশিত ফি তালিকা অনুযায়ী, নিচের সব অঙ্কের মধ্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
| পাসপোর্টের ধরন | রেগুলার | এক্সপ্রেস | সুপার এক্সপ্রেস |
|---|---|---|---|
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৪,০২৫ টাকা | ৬,৩২৫ টাকা | ৮,৬২৫ টাকা |
| ৪৮ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৫,৭৫০ টাকা | ৮,০৫০ টাকা | ১০,৩৫০ টাকা |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ৫ বছর | ৬,৩২৫ টাকা | ৮,৬২৫ টাকা | ১২,০৭৫ টাকা |
| ৬৪ পৃষ্ঠা, ১০ বছর | ৮,০৫০ টাকা | ১০,৩৫০ টাকা | ১৩,৮০০ টাকা |
তবে সুপার এক্সপ্রেসের ফি তালিকায় থাকলেও এই সুবিধা নতুন আবেদনকারীদের জন্য বর্তমানে চালু নেই। তাই শুধু ফি জমা দিলেই নতুন পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সুপার এক্সপ্রেস পাওয়া যাবে—এমন ধারণা করা ঠিক হবে না।
পাসপোর্টের ফি কীভাবে জমা দেবেন?
ই-পাসপোর্টের ফি অনলাইন ও অফলাইন—দুই পদ্ধতিতেই পরিশোধ করা যায়।
অনলাইনে পেমেন্টের জন্য সরকারি পোর্টালে উল্লেখ করা A-Challan, DGePay ও ShurjoPay ব্যবহার করা যায়। এসব ব্যবস্থায় নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড ও মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অফলাইনে সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে A-Challan ব্যবহার করেও ফি জমা দেওয়া যায়। টাকা পরিশোধের পর রসিদ বা পেমেন্ট স্লিপ সংরক্ষণ করতে হবে। পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের সময় এটি প্রয়োজন হতে পারে।
পাসপোর্ট করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?
২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সরকারি ডেটাবেজের সঙ্গে মিললে পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য আলাদা পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় না। অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অনলাইন যাচাইকৃত জন্মনিবন্ধনের তথ্যের ভিত্তিতে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।
তবে আবেদনপত্রের তথ্যের সঙ্গে সরকারি ডেটাবেজের তথ্য না মিললে বা বিশেষ কোনো জটিলতা থাকলে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় সঠিক তথ্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আবেদন করার পর পাসপোর্টের অবস্থা জানবেন যেভাবে
আবেদন ও বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর আবেদনকারীর কাছে পাওয়া ডেলিভারি স্লিপ বা অ্যাপ্লিকেশন আইডি সংরক্ষণ করতে হবে। পাসপোর্টের অগ্রগতি জানতে সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালের নির্ধারিত স্ট্যাটাস চেকের সুবিধা ব্যবহার করা যায়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস থেকেও তথ্য নেওয়া সম্ভব।
পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় এনরোলমেন্টের পর দেওয়া ডেলিভারি স্লিপ সঙ্গে রাখতে হবে। পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নিজের নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বরসহ সব তথ্য ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।
জরুরি পাসপোর্ট করতে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
জরুরি প্রয়োজনে পাসপোর্ট করতে গিয়ে ভুল তথ্য বা দালালের মাধ্যমে আবেদন করলে উল্টো ভোগান্তিতে পড়তে পারেন। কয়েকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—
শুধু সরকারি ওয়েবসাইটে আবেদন করুন।
জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে আবেদনপত্রের তথ্য মিলিয়ে নিন।
পাসপোর্টের ফি সরকারি নির্ধারিত পদ্ধতিতে জমা দিন।
এক্সপ্রেস বা সুপার এক্সপ্রেসের সময়সীমাকে নিশ্চিত ডেলিভারির তারিখ মনে করবেন না।
সুপার এক্সপ্রেসের যোগ্যতা সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে নিশ্চিত না হয়ে এ ক্যাটাগরির জন্য অর্থ জমা দেবেন না।
পাসপোর্ট অফিসের বাইরে কাউকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দ্রুত পাসপোর্ট করানোর চেষ্টা করবেন না।
সব তথ্য সঠিকভাবে দিয়ে আবেদন এবং বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে নির্ধারিত ডেলিভারি ক্যাটাগরি অনুযায়ী পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। জরুরি ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন করাই ভালো।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
১. জরুরি ই-পাসপোর্ট পেতে কত দিন লাগে?
এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের পর ৭ কার্যদিবস বা ১০ দিনের মধ্যে সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে। সুপার এক্সপ্রেসে সময় ২ কার্যদিবস, তবে এটি সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।
২. নতুন পাসপোর্টের আবেদনে কি সুপার এক্সপ্রেস পাওয়া যায়?
না। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পাসপোর্টের আবেদনে বর্তমানে সুপার এক্সপ্রেস সুবিধা বন্ধ। আগের পাসপোর্ট থাকা এবং কোনো তথ্য পরিবর্তন ছাড়া রি-ইস্যুর আবেদনকারীরা নির্দিষ্ট শর্তে এ সুবিধা পাচ্ছেন।
৩. ৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি এক্সপ্রেস পাসপোর্টের ফি কত?
সরকারি ফি তালিকা অনুযায়ী, ৪৮ পৃষ্ঠা ও ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের এক্সপ্রেস ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা।
৪. পাসপোর্ট করতে কি পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে?
আবেদনকারীর তথ্য সরকারি ডেটাবেজের সঙ্গে মিললে সাধারণভাবে আলাদা পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয় না। তবে তথ্যের অসংগতি বা বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত যাচাই হতে পারে।
৫. জরুরি পাসপোর্ট করতে কি অনলাইনে আবেদন করতে হয়?
হ্যাঁ। সরকারি ই-পাসপোর্ট পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। এরপর ফি পরিশোধ করে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়।
তানভির ইসলাম/