এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ দফা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসছে ২৬ জুন। লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হবে ওই দিন। শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৪ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।
চলতি বছরে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন, আর ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। আগের বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ৮২ হাজার।
শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড দিয়েছে ১২ দফা বিশেষ নির্দেশনা। চলুন জেনে নিই, পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে শিক্ষার্থীদের কী কী মানতে হবে—
পরীক্ষার্থীদের জন্য ১২ নির্দেশনা:
১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে হবে।
কোভিড-১৯ এখনও উধাও হয়নি। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি পালন বাধ্যতামূলক।
২. সময়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন।
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে। প্রথমে হবে বহুনির্বাচনী (MCQ), তারপর সৃজনশীল/রচনামূলক (CQ)।
৩. সময়জ্ঞান জরুরি।
৩০ নম্বর এমসিকিউ: সময় ৩০ মিনিট
৭০ নম্বর সৃজনশীল: সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
ব্যবহারিক যুক্ত বিষয়ে:
২৫ নম্বর এমসিকিউ: ২৫ মিনিট
৫০ নম্বর সৃজনশীল: ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট
৪. পরীক্ষা চলবে বিরতিহীনভাবে।
MCQ ও CQ-এর মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। একটানা পরীক্ষা হবে।
৫. প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিতরণের নির্দিষ্ট সময়:
সকাল ১০টার পরীক্ষা:
৯:৩০—উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট
১০:০০—এমসিকিউ প্রশ্ন
১০:৩০—সৃজনশীল প্রশ্ন
দুপুর ২টার পরীক্ষা:
১:৩০—উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট
২:০০—এমসিকিউ প্রশ্ন
২:৩০—সৃজনশীল প্রশ্ন
৬. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ীই পরীক্ষা হবে।
৭. প্রবেশপত্র সংগ্রহ করুন নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে।
৮. ওএমআর ফরম পূরণে সতর্ক থাকুন।
রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করুন। উত্তরপত্র কোনোভাবে ভাঁজ বা মার্জিনে লেখা যাবে না।
৯. আলাদা আলাদা অংশে পাস করতে হবে।
MCQ, CQ ও ব্যবহারিক—প্রত্যেক অংশে আলাদা করে পাস করতে হবে।
১০. নির্ধারিত বিষয়েই পরীক্ষা দিন।
প্রবেশপত্রে যেসব বিষয় লেখা আছে, কেবল সেগুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে।
১১. নিজ কলেজে পরীক্ষা নয়।প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা হবে অন্য কেন্দ্র/কলেজে। নিজের কলেজে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নেই।
১২. ক্যালকুলেটর ব্যবহার নিয়ে নির্দেশনা:
শুধু সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরীক্ষার সময় পিছিয়ে যাবে কি?
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের ভাষ্যমতে, দেশে করোনা পরিস্থিতি এখনো পরীক্ষার সময় পেছানোর মতো অবস্থায় পৌঁছেনি। তাই পূর্ব নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা শুরু হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জোর আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রিয় পরীক্ষার্থীরা, পরীক্ষাকে ভয় নয়—তাকে সঙ্গী করে পথ চলুন। নিয়ম-নীতিগুলো মেনে চললেই পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকবে না কোনো ঝামেলা। সাফল্যের জন্য প্রস্তুতি হোক সুসংগঠিত, আত্মবিশ্বাস থাকুক চূড়ায়।
শুভ কামনা সকল পরীক্ষার্থীর জন্য!
মো: রাজিব আলী/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- ক্যাপিটেক ফান্ডের বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ঘোষণা
- পে-স্কেল নিয়ে আবারও শঙ্কা, প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ
- জেনেক্স শেয়ার নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আদনানের দুই বিও হিসাব স্থগিত
- ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ঢাকা ব্যাংক, জানুন বন্ড ছাড়ার কারণ
- ১৬ আগস্ট আজকের স্বর্ণের দাম
- ভ্যানগার্ড ফাইন্যান্স ওয়ান ফান্ডের অর্থ বিতরণে বড় সংশোধনী
- ১৭ আগস্ট আজকের সোনার দাম
- ছুটির তালিকায় থাকা ২৬ আগস্ট নিয়ে মিলল স্পষ্ট তথ্য
- টিভিতে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ না দেখানোর আসল কারণ জানাল বোর্ড
- সর্বনিম্ন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১.৬ লাখ—নতুন পে স্কেলের হিসাব
- রমজান ও ঈদ নিয়ে বড় আপডেট, সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- ভুলে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ডিলিট? পুরোনো মেসেজ ফেরত পাবেন যেভাবে
- বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন তথ্য
- নতুন পে-স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত বার্তা দিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়