MD. Razib Ali
Senior Reporter
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল: উচ্চ বেতন হলেও বাতিলের মুখে একাধিক আর্থিক সুবিধা
সরকারের পক্ষ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং তা কার্যকর করার জোর প্রচেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে গঠিত জাতীয় পে কমিশন আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
আগামী বছরের শুরু থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই নতুন কাঠামোর সুবিধা পেতে পারেন। নতুন এই পরিবর্তন শুধু মূল বেতনের ক্ষেত্রেই নয়, বরং চিকিৎসা, শিক্ষা ও পদোন্নতির পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। তবে, জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন হলে প্রচলিত কিছু সুবিধা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সরকারের ব্যয় হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।
বিলুপ্ত হতে পারে যেসব সুবিধা
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোর কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বর্তমানে চালু থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা বাতিল হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে:
১. সম্মানী ও বিশেষ ভাতার বিলুপ্তি:
বিভিন্ন কমিটি, সেমিনার বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে পৃথক সম্মানী বা ভাতা গ্রহণ করে থাকেন, তা বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।
সমিতির মতে, নিজ নিজ পদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য এই পৃথক সম্মানী গ্রহণ নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
এই সুবিধাগুলো বাবদ বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়, যা বাতিল হলে সরকারের একটি বড় অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় হবে।
২. 'সাকুল্য বেতন' গ্রহণ করলে সব ভাতা বিলোপ:
পে-কমিশনের কাছে বিকল্প হিসেবে 'সাকুল্য বেতন' বা 'পারিশ্রমিক' নামে একটি নতুন বেতন কাঠামো প্রবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এই বিকল্প কাঠামো গ্রহণ করা হলে, বিদ্যমান বেতন কাঠামোর অধীনে থাকা ভাতাসহ কোনো ধরনের আর্থিক বা অনার্থিক সুবিধাই বহাল থাকবে না। এই ধরনের কাঠামো উন্নত এবং উন্নয়নশীল বহু দেশে চালু রয়েছে।
সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা বেতনের প্রস্তাব, কার্যকর হতে পারে জানুয়ারিতে
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার পে-কমিশনে নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। এই প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ২৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এই প্রস্তাব নিয়ে আজ (শুক্রবার) সমিতির নেতাদের সঙ্গে কমিশনের একটি বৈঠক নির্ধারিত আছে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন যে, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে যে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে, তার সংস্থান ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া চলতি বাজেট সংশোধনের সময় বরাদ্দ রাখা হবে। তিনি আরও জানান, গেজেট প্রকাশের ওপর এটির চূড়ান্ত বাস্তবায়ন নির্ভর করবে, তবে আগামী বছরের শুরুর দিকে এটি কার্যকর করা যেতে পারে।
আমিনুল ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- সৌদিতে ইকামা নবায়নে বড় পরিবর্তন, জানুন নতুন নিয়ম
- শেয়ারবাজারে আতঙ্কের মধ্যেই যা বললেনবিএসইসি চেয়ারম্যান
- বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬ কোম্পানির সুখবর
- অবশেষে sscresult 2026ফল প্রকাশের দিন-তারিখ জানাল বোর্ড
- সপ্তাহের শুরুতেই ফের পতন শেয়ারবাজারে, কারণ যা জানা গেল
- তিন বিমা কোম্পানির লাফ, বোর্ড সভা থেকে আর্থিক ফলাফল একনজরে
- সূচক পড়লেও যে ১০ শেয়ারে ক্রেতার হুড়োহুড়ি
- ১ম আর্ধের শেষদিকে দুর্দান্ত গোল নেইমারের, লাইভ দেখুন এখানে
- ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক
- এক ক্যাচেই বেঁচে গেল আফ্রিদির ৩০ বছরের রেকর্ড
- বিশ্বকাপের পর প্রথম মাঠে নেইমার,লাইভ দেখুন এখানে
- পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- প্রবাসীদের পাঠানো টাকায় চাঙ্গা জুলাই, এগিয়ে যে ব্যাংক
- ৩০ জুলাই নয়, এসএসসির ২০২৬ এর রেজাল্ট নিয়ে নতুন তথ্য
- সূর্যবংশীর ঝড়ে রানের পাহাড় গড়ল ভারত