ঢাকা, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২

MD. Razib Ali

Senior Reporter

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মজুত কত দিন? জানাল বিপিসি

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১৩:৫৫:০৪
বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মজুত কত দিন? জানাল বিপিসি

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাল পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বাংলাদেশের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বর্তমানে দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিপিসি ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেন।

মজুতের বর্তমান চিত্র

বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, দেশের তেল ডিপোগুলোতে বর্তমানে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের সলিড মজুত রয়েছে। পণ্যভেদে এই মজুতের স্থায়িত্ব ভিন্ন। বর্তমানে যে পরিমাণ ডিজেল গচ্ছিত আছে তা দিয়ে ১৪ দিন এবং অকটেন দিয়ে ২৮ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এছাড়া দেশে ১৫ দিনের পেট্রোল, ৯৩ দিনের ফার্নেস অয়েল এবং বিমানে ব্যবহৃত জেড ফুয়েল রয়েছে অন্তত ৫৫ দিনের।

এলসি ও আমদানি পরিস্থিতি

সরবরাহ সচল রাখতে আমদানির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মো. রেজানুর রহমান বলেন, গতকাল পর্যন্ত নতুন করে সাতটি জাহাজের জন্য এলসি (ঋণপত্র) খোলার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আমদানিকৃত তেল নিয়ে ইতিমধ্যে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাস করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

বিপিসি’র তথ্যমতে, বিদ্যমান মজুত দিয়ে পরবর্তী ১৪ থেকে ২১ দিন কোনো বিঘ্ন ছাড়াই পার করা সম্ভব হবে। এরই মধ্যে নতুন চালানের তেল যুক্ত হলে মজুতের পরিমাণ আরও বাড়বে।

বিকল্প বাজার ও দামের পূর্বাভাস

ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কথা মাথায় রেখে সরকার কেবল একটি বাজারের ওপর নির্ভর না করে তেলের জন্য বিকল্প দেশের সন্ধান করছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের বাজারে এখনই জ্বালানির দাম বাড়ার কোনো ঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করেছে বিপিসি।

বিদ্যমান ঝুঁকি ও বিশ্লেষণ

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিশোধিত তেল নিয়ে বর্তমানে কোনো তাৎক্ষণিক বিপত্তি না থাকলেও যদি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে, তবে অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) আমদানিতে এক ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে। এই সংকট ঘনীভূত হলে বিশ্বব্যাপী তেল আমদানির চেইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত:

আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ

দুই লাখ শেয়ার হস্তান্তরের ঘোষণা

দুই লাখ শেয়ার হস্তান্তরের ঘোষণা

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতের অন্যতম পরিচিত প্রতিষ্ঠান জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মালিকানায় নতুন সমীকরণ দেখা দিয়েছে। পারিবারিক সম্পর্কের সূত্রে কোম্পানিটির বড়... বিস্তারিত