MD. Razib Ali
Senior Reporter
আবারও বাড়লো সোনার দাম
বিশ্ববাজারে আউন্সপ্রতি সোনার মূল্য প্রায় ৩৯৬৪ ডলারে, বিনিয়োগকারীরা সতর্ক
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত এবং মার্কিন মুদ্রার দুর্বলতা এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি। তবে বিনিয়োগকারীরা এখনো চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে সংশয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্সে ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩,৯৬৪.০৯ ডলারে পৌঁছায়।
মার্কিন মুদ্রার অবনতি ও ক্রয় ক্ষমতা
এদিন ডলার সূচকটি ০.২ শতাংশ হ্রাস পায়। এর আগের দিন, বুধবার, সূচকটি দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। মার্কিন মুদ্রার এই অবনতি অন্যান্য দেশগুলোর মুদ্রার ধারকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সোনা কেনাকে আরও সুবিধাজনক করে তুলেছে।
বিশ্লেষকের দৃষ্টিতে 'টেকনিক্যাল রিবাউন্ড'
ক্যাপিটাল ডটকমের বাজার বিশ্লেষক কাইল রডা এই মূল্যবৃদ্ধিকে কেবলই 'টেকনিক্যাল রিবাউন্ড' হিসেবে দেখছেন এবং এর পিছনে শক্তিশালী কোনো মৌলিক কারণ নেই বলে মনে করছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যদিও দীর্ঘমেয়াদে সোনার মূল্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে পারে, তবে ডিসেম্বরে ফেড কর্তৃক আবারও সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়া সোনার জন্য অনুকূল নয়।
ফেডের রেট কাট এবং পাওয়েলের সাবধানবাণী
বুধবার ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো সুদের হার এক-চতুর্থাংশ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে, যা বর্তমানে ৩.৭৫-৪ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।
ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েল ভবিষ্যতের নীতি নির্ধারণে কর্মকর্তাদের মধ্যে ঐকমত্যের অভাবের কথা জানান। তিনি বাজারকে সতর্ক করেছেন যে, ডিসেম্বরে আরও একটি হার কমানো হবে—এমন প্রত্যাশা করা উচিত হবে না।
চীন-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা
বৈশ্বিক বাণিজ্যের এই পরিস্থিতিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক হ্রাস করবে এবং তার বিনিময়ে চীন পুনরায় মার্কিন সয়াবিন কেনা শুরু করবে, বিরল ধাতুর রপ্তানি চালু রাখবে এবং অবৈধ ফেন্টানিল বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনার পর এই মন্তব্য করেন। এটি তার এশিয়া সফরের শেষ অংশ ছিল, যেখানে তিনি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তিতে অগ্রগতির দাবি করেন।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- পদত্যাগের পরে যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন
- স্পিকার জানালো রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবে কে
- রাষ্ট্রপতির শেষ চিঠিতে উঠে এলো যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
- বঙ্গভবন ছাড়ছেন চুপ্পু, নতুন যাত্রার সময় জানা গেল
- ৫ স্বাস্থ্য সমস্যার কথা উল্লেখ রাষ্ট্রপতি
- ম্যানইউর ১৫ বছরের বিস্ময়বালক গ্যাব্রিয়েলকে নিয়ে বড় ইঙ্গিত এমবেউমোর