MD. Razib Ali
Senior Reporter
পে স্কেল: পে কমিশনের সবশেষ পদক্ষেপ
নবম পে স্কেল প্রবর্তনের চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে পে কমিশন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল মন্ত্রণালয়ের ৭০ জনের অধিক সচিবের সঙ্গে চার দফায় গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় শেষে তাদের অভিমত গ্রহণ করা হয়েছে। এই সংগৃহীত পরামর্শগুলিকে সুপারিশমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং কমিশন আগামী মাসেই (ডিসেম্বর) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
পে কমিশনের একটি সূত্র রোববার (৩০ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে যে, নবম পে স্কেল তৈরির লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে চারবার বৈঠক করে তাদের অপরিহার্য অভিমত সংগ্রহ করা হয়েছে। এই আলোচনা চক্রে ৭০ জনের অধিক সচিব অংশ নেন। এসব সভায় বেতন স্কেল সংক্রান্ত বিবিধ প্রস্তাবনা ও নির্দেশনা উঠে আসে। তবে সচিবগণ এ ক্ষেত্রে কোনো আকাশচুম্বী নয়, বরং বাস্তবসম্মত সুপারিশ পেশ করার পক্ষে মত দিয়েছেন।
মতামতের প্রক্রিয়া ও চ্যালেঞ্জ
কমিশনের পরিচয় গোপন রাখতে ইচ্ছুক এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ৭০ জনের অধিক সচিবের ধারণা গ্রহণ করা ছিল বেশ দুরূহ একটি কাজ। সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া অসম্ভব—এই দিকটি বিবেচনা করেই চার ধাপে সভাগুলি আয়োজন করা হয়। প্রতিটি ধাপে ১৭ বা তারও বেশি সচিব অংশ নেন এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ অভিমত দেন। বর্তমানে এই মতগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা চলছে।
তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই কমিশন তাদের সুপারিশমালা জমা দিতে সক্ষম হবে বলে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।
এদিকে, সচিবদের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও অনলাইনে নাগরিকদের অভিমত গ্রহণের পাশাপাশি এ পর্যন্ত আড়াই শতাধিক সংগঠনের সঙ্গেও কমিশন আলোচনা সম্পন্ন করেছে।
চেয়ারম্যানের আশাবাদ: দ্রুত চূড়ান্ত রিপোর্ট
গত সোমবার প্রথম দফায় সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান জানান, আলোচনা ফলপ্রসূ হলেও সকলে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তাই পরবর্তী ধাপে অনুপস্থিতদের নিয়ে পুনরায় সভা করা হয়। আলাপ-আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা জানিয়েছেন, সুপারিশমালা চূড়ান্ত করার কাজ পূর্ণোদ্যমে চলছে। কাজের অর্ধেকেরও বেশি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী মাসেই চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হতে পারে।
বিশেষ অগ্রাধিকার ন্যূনতম বেতন ও গ্রেড পুনর্বিন্যাসে
কমিশনের সদস্যরা নিশ্চিত করেছেন যে, চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ন্যূনতম বেতন কাঠামো এবং গ্রেডগুলির নতুন করে সাজানোর (পুনর্বিন্যাস) বিষয়টিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি পে কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির। সাক্ষাৎ শেষে তিনি জানান, কমিশনের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি সন্তোষজনক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশন সদস্যদের নিজস্ব মতামতই প্রাধান্য পাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- শেয়ারবাজারে নতুন সুখবর, সহজ হচ্ছে মার্জিন বিধিমালা
- ব্যাংক-সঞ্চয় অফিসে যেতে হবে না, সঞ্চয়পত্র কেনায় আসছে নতুন নিয়ম
- SSC Board Result 2026: ঘরে বসেই Challenge করবেন যেভাবে
- আজকের স্বর্ণের দাম ও রুপার সর্বশেষ দাম
- মাইডাস ফাইন্যান্সিংয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- আজকের স্বর্ণের দাম: (বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬)
- বাংলাদেশের ভিসা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন, বাড়ল শ্রেণি
- ১৫ মাস ছুটি জমা থাকলেও আছে শর্ত, ২৮ দিনের ছুটি নিয়ে বড় ভুল ধারণা
- একটানা ৫ দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস, যা বলছে আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ২০২৪ সালের পর প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, কোথায় দেখা যাবে?
- গলায় রামদা ঠেকিয়ে এমপির সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ
- বিয়ে করলেই ৫ লাখ টাকা! তবে রয়েছে যেসব শর্ত
- এমপির বাড়ি-সম্পত্তি লিখে নিয়ে এরপর যা ঘটল সম্পত্তি
- ১০ বছর ধরে নিখোঁজ, ডায়েরিতে লেখা এক শব্দেই মিলল হদিস
- ডনের সঙ্গে সামিরার ছবি নিয়ে এতদিনের বিতর্কে নতুন তথ্য