Md. Mithon Sheikh
Senior Reporter
তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কাঁপবে দেশ: জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নামবে ৬ ডিগ্রির নিচে
বিদায়ী ডিসেম্বরেই দেশের উত্তর জনপদে শুরু হয়েছে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার দাপট। প্রকৃতির এই রুদ্রমূর্তি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
উত্তরবঙ্গে শৈত্যপ্রবাহের পদধ্বনি
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। বিশেষ করে হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়ায় পারদ ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে আসায় সেখানে ইতিমধ্যেই হালকা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে।
কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে ভোর
আবহাওয়াবিদদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে। এর ফলে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকবে চারপাশ। দৃশ্যমানতা কমে আসায় সড়ক ও নৌপথে চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হতে পারে।
জানুয়ারিতে ধেয়ে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরের শেষভাগ থেকে জানুয়ারির শুরুর দিকে শীতের এই দাপট চরম সীমায় পৌঁছাতে পারে। নতুন বছরের শুরুতেই দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। তীব্র এই ঠান্ডার প্রভাবে বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ, বয়োবৃদ্ধ এবং শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যেতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের খামখেয়ালি আচরণ
আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে শীতের স্বাভাবিক চরিত্রে অনেকটা বদল এসেছে। কখনও হুট করে কয়েক দিনের জন্য হাড়কাঁপানো শীত পড়ছে, আবার কখনও দীর্ঘ সময় ধরে কুয়াশাচ্ছন্ন গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে। প্রকৃতির এই খামখেয়ালি আচরণের কারণেই শীতকালীন প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এখনই সর্বোচ্চ সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগামী কয়েক দিনের এই বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলায় সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও শীতবস্ত্র মজুত রাখা এখন সময়ের দাবি।
কেন এই প্রতিবেদনটি গুগল ফ্রেন্ডলি?
নতুন শব্দচয়ন: এখানে "তাপমাত্রা কমা"-র বদলে "পারদ নামা", "শীত বেড়েছে"-র বদলে "শৈত্যপ্রবাহের পদধ্বনি" বা "হাড়কাঁপানো দাপট" এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা রিডার রিটেনশন বাড়ায়।
আল-মামুন/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজ বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: কখন ও কোথায় দেখবেন সরাসরি?
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: টাইব্রেকারে শেষ ম্যাচ, জানুন ফলাফল
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: প্রথমার্ধ শেষ জানুন ফলাফল
- আজ বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: জানুন লাইভ দেখার উপায় ও সময়সূচি
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: ৯০ মিনিটের খেলা শেষ, জানুন ফলাফল
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- আজ বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: লাইভ দেখার সহজ উপায়
- আর বিশ্বকাপ খেলা হলো না নেইমারের
- চলছে বাংলাদেশ বনাম চীন ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন Live
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: ১০ মিনিট শেষ, সরাসরি দেখুন Live
- কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: সরাসরি দেখুন Live
- বাংলাদেশ বনাম ভারত ফাইনাল: টাইব্রেকারে গড়ালো ম্যাচ, সরাসরি দেখুন Live
- জ্বালানি তেল নিয়ে সুখবর দিল সরকার
- আজকের স্বর্ণের দাম: (শুক্রবার,৪ এপ্রিল ২০২৬)
- আজ বাংলাদেশ বনাম চীন ম্যাচ: কখন, কোথায় ও কীভাবে দেখবেন লাইভ