MD. Razib Ali
Senior Reporter
today weather: কুয়াশার দাপটে রুদ্ধশ্বাস জনজীবন-রোদের দেখা মিলবে কবে?
কনকনে ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা দেশ। হাড়কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা আজ সকাল থেকেই কুয়াশার কবলে, যেখানে সূর্যের উত্তাপ কার্যত অনুপস্থিত। এমন পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।
কেন কাটছে না কুয়াশা?
আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারতের উত্তরপ্রদেশ অঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা হিমবাহের প্রভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে এসেছে। ফলে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, এই বৈরী আবহাওয়া এবং ঘন কুয়াশার দাপট এখনই কমছে না; বরং আগামী ৩ থেকে ৪ দিন এমন পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
তাপমাত্রার পারদ ও জনদুর্ভোগ
গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, যেখানে পারদ নেমেছিল ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র এই ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল বাসিন্দারা। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটছে নিম্ন আয়ের মানুষের।
কুয়াশার স্থায়ীত্ব নিয়ে নতুন বার্তা
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, এখন থেকে প্রতিদিন মধ্যরাত থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত সারা দেশেই মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে। ভৌগোলিক অবস্থান ভেদে কোনো কোনো এলাকায় কুয়াশার এই আবরণ দুপুর পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে, যার ফলে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঘরে ঘরে বাড়ছে রোগবালাই
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই ধাক্কা সরাসরি পড়ছে জনস্বাস্থ্যের ওপর। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীসহ সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে শিশুরা নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। চিকিৎসকরা এই সময়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।
আল-মামুন/