ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

সন্তানের জন্মনিবন্ধন করতে বাবা-মায়ের কী কী তথ্য লাগে?

জাতীয় ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৬ ২০:৫০:০৫
সন্তানের জন্মনিবন্ধন করতে বাবা-মায়ের কী কী তথ্য লাগে?

সন্তানের জন্মনিবন্ধন করাতে গিয়ে অনেক অভিভাবকই জানতে চান, আবেদন করার সময় বাবা-মায়ের কোন কোন তথ্য ও কাগজপত্র লাগবে। অনলাইন আবেদনপত্রে বাবা ও মায়ের নাম, জন্মতারিখ, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জাতীয়তা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পাসপোর্টের তথ্য দিতে হয়। পাশাপাশি শিশুর জন্মের প্রমাণ, ঠিকানার তথ্য এবং আবেদনকারীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যও প্রস্তুত রাখতে হয়।

বাংলাদেশে জন্মনিবন্ধনের আবেদন করা যায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সরকারি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে। তবে আবেদন ফরম পূরণ করলেই নিবন্ধন সম্পন্ন হয় না। দেওয়া তথ্য ও সংযুক্ত নথি যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয় আবেদনটি নিষ্পত্তি করে।

জন্মনিবন্ধনের জন্য বাবা-মায়ের যেসব তথ্য প্রয়োজন

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার আগে বাবা ও মায়ের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যগুলো এক জায়গায় গুছিয়ে রাখলে ফরম পূরণ করা সহজ হয়। সরকারি আবেদনপত্রে মূলত নিচের তথ্যগুলো চাওয়া হয়।

১. বাবা ও মায়ের পূর্ণ নাম: বাবা ও মায়ের নাম বাংলায় এবং ইংরেজিতে লিখতে হয়। নামের বানান যেন তাঁদের বিদ্যমান সরকারি নথির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

২. জন্মনিবন্ধন নম্বর: আবেদনপত্রে বাবা ও মায়ের জন্মনিবন্ধন নম্বর দেওয়ার ঘর রয়েছে। তাঁদের জন্মনিবন্ধন সনদ থাকলে নম্বর ও সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রস্তুত রাখুন।

৩. জন্মতারিখ: বাবা ও মায়ের জন্মতারিখ দিতে হয়। জন্মনিবন্ধন সনদ বা প্রাসঙ্গিক পরিচয়পত্র থেকে সঠিক তারিখ দেখে নেওয়া উচিত।

৪. জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য: বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলে তার তথ্য ও নম্বর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হতে পারে। জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রে নামের বানান কিংবা জন্মতারিখে অমিল থাকলে আগে বিষয়টি যাচাই করে নেওয়া ভালো।

৫. জাতীয়তা: আবেদনপত্রে বাবা ও মায়ের জাতীয়তার তথ্য দিতে হয়। তাঁদের কেউ বিদেশি নাগরিক হলে বা একজন বিদেশে অবস্থান করলে প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

৬. পাসপোর্টের তথ্য: বিদেশে অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট বিশেষ পরিস্থিতিতে বাবা-মায়ের পাসপোর্ট নম্বরের তথ্য চাওয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ফরমে প্রযোজ্য ঘরগুলো পূরণ করতে হবে।

মনে রাখতে হবে, বাবা-মায়ের সব পরিচয়পত্রের সব তথ্য প্রতিটি আবেদনে একইভাবে বাধ্যতামূলক—এমন নয়। আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও সরকারি ফরমের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের জন্য শিশুর কী কী তথ্য লাগবে?

বাবা-মায়ের তথ্যের পাশাপাশি শিশুর পরিচয় ও জন্মসংক্রান্ত তথ্যও সঠিকভাবে দিতে হবে। অনলাইন আবেদন করার আগে নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন—

শিশুর নাম বাংলায় ও ইংরেজিতে

জন্মতারিখ

জন্মস্থান ও জন্মস্থানের ঠিকানা

স্থায়ী ঠিকানা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বর্তমান ঠিকানা

লিঙ্গ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরিচিতিমূলক তথ্য

বাবা ও মায়ের কততম সন্তান

আবেদনকারীর সঙ্গে শিশুর সম্পর্ক

শিশুর নামের ইংরেজি বানান নির্ধারণের সময় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে পাসপোর্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি কিংবা অন্যান্য সরকারি কাজে একই নাম ব্যবহার করতে হলে শুরু থেকেই বানান ঠিক রাখা সুবিধাজনক।

জন্মনিবন্ধন করতে বাবা-মায়ের কোন কাগজপত্র প্রস্তুত রাখবেন?

শুধু বাবা-মায়ের পরিচয়পত্র থাকলেই সব ক্ষেত্রে আবেদন সম্পন্ন হবে, এমন নয়। শিশুর জন্মের প্রমাণ এবং ঠিকানার সমর্থনে নথিও প্রয়োজন হতে পারে। আবেদন করার আগে নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখুন।

বাবা-মায়ের পরিচয়সংক্রান্ত নথি: বাবা ও মায়ের জন্মনিবন্ধন সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বা কপি, যেগুলো সংশ্লিষ্ট আবেদন ও যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন।

শিশুর জন্মের প্রমাণ: হাসপাতাল বা ক্লিনিকের ছাড়পত্র, জন্মসংক্রান্ত সনদ, টিকাদান কার্ড (ইপিআই কার্ড) অথবা বয়স ও জন্মের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য অন্য নথি। কোন নথি গ্রহণ করা হবে, তা শিশুর বয়স ও প্রযোজ্য নিয়মের ওপর নির্ভর করে।

স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ: সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য ঠিকানার দলিল বা প্রমাণপত্র প্রস্তুত রাখতে হতে পারে। এর মধ্যে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা, কর পরিশোধের প্রমাণ কিংবা জমি বা বাড়ির দলিলের মতো নথি থাকতে পারে।

আবেদনকারীর তথ্য: শিশুর বয়স ১৮ বছরের কম হলে সাধারণত বাবা, মা, আইনানুগ অভিভাবক বা বিধি অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আবেদনকারীর দায়িত্ব পালন করেন। সে অনুযায়ী আবেদনকারীর পরিচয় ও সম্পর্কের তথ্য দিতে হয়।

কাগজপত্রের নির্দিষ্ট তালিকা জানতে সরকারি আবেদনপোর্টালে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন। স্থানীয় নিবন্ধক কার্যালয়েও আবেদনকারীর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

সন্তানের বয়স অনুযায়ী কি কাগজপত্র আলাদা হয়?

হ্যাঁ, শিশুর বয়স ও জন্মের প্রমাণের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি ভিন্ন হতে পারে। জন্মের পরপরই আবেদন করলে চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের নথি বা টিকাদানসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে জন্মের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব হতে পারে। শিশুর বয়স বেশি হলে বয়স প্রমাণের জন্য শিক্ষাগত সনদ বা বিধিতে গ্রহণযোগ্য অন্য নথি প্রয়োজন হতে পারে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালায় জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে করা আবেদন এবং পরবর্তী সময়ে করা আবেদনের ক্ষেত্রে প্রমাণপত্রের বিষয়ে আলাদা বিধান রয়েছে। তবে ৪৫ দিন পার হলেই জন্মনিবন্ধন করা যাবে না—এমন নয়। বয়স অনুযায়ী প্রযোজ্য নথি দিয়ে আবেদন করতে হবে।

তাই আবেদন করার আগে শিশুর জন্মতারিখ অনুযায়ী কোন ধরনের প্রমাণপত্র গ্রহণযোগ্য, তা সরকারি পোর্টাল বা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয় থেকে জেনে নেওয়া উচিত।

বাবা বা মায়ের জন্মনিবন্ধন না থাকলে কী করবেন?

বাবা বা মায়ের জন্মনিবন্ধন না থাকলে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে করণীয় জেনে নেওয়া ভালো। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের প্রকাশিত FAQ অনুযায়ী, সন্তানের জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের বয়স প্রমাণের নথি, যেমন শিক্ষাগত সনদ অথবা আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য যাচাইসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য প্রয়োজন হতে পারে।

অর্থাৎ, বাবা বা মায়ের জন্মনিবন্ধন নেই বলে সন্তানের জন্মনিবন্ধন কখনোই করা যাবে না—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। তবে কোন ক্রমে আবেদন করতে হবে এবং কী কী নথি লাগবে, তা সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

বাবা-মায়ের একজনের তথ্য পাওয়া না গেলে কী হবে?

বিবাহবিচ্ছেদ, একজন অভিভাবকের অনুপস্থিতি বা নিখোঁজ থাকার মতো পরিস্থিতিতে সাধারণ নিয়মের বাইরে বিশেষ ব্যবস্থা প্রয়োজন হতে পারে। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের FAQ-তে বলা হয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে একজন অভিভাবকের তথ্য দিয়ে এবং অন্যজনের শুধু নাম উল্লেখ করে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকতে পারে।

তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা অতিরিক্ত যাচাই লাগতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে অনলাইনে অনুমান করে তথ্য না দিয়ে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের আবেদন করবেন যেভাবে

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের আবেদন করতে সরকারি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পোর্টালে প্রবেশ করে নতুন জন্মনিবন্ধনের আবেদন নির্বাচন করুন। এরপর শিশুর জন্মস্থান অনুযায়ী প্রযোজ্য নিবন্ধন কার্যালয় নির্বাচন করে ফরম পূরণ করতে হবে।

আবেদনের সাধারণ ধাপগুলো হলো—

১. সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন: https://bdris.gov.bd/br/application

২. শিশুর নাম, জন্মতারিখ, জন্মস্থান ও ঠিকানার তথ্য পূরণ করুন।

৩. বাবা ও মায়ের নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মতারিখ, জাতীয়তা এবং প্রযোজ্য অন্যান্য তথ্য দিন।

৪. প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র ও সংযুক্তি সম্পর্কে পোর্টালের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

৫. আবেদনকারীর সম্পর্ক ও যোগাযোগের তথ্য দিন এবং প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন করুন।

৬. সব তথ্য ভালোভাবে মিলিয়ে আবেদন জমা দিন। আবেদন জমা দেওয়ার আগে বাংলা ও ইংরেজি বানান, জন্মতারিখ এবং ঠিকানা বিশেষভাবে যাচাই করুন।

আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। অনলাইন আবেদনই চূড়ান্ত জন্মনিবন্ধন সনদ নয়; তথ্য যাচাই ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার আগে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন

সন্তানের জন্মনিবন্ধনের আবেদন করার সময় বাবা-মায়ের নামের বানান, জন্মতারিখ এবং পরিচয়পত্রের নম্বর ভুলভাবে লেখা থেকে বিরত থাকুন। শিশুর নাম বাংলা ও ইংরেজিতে একইভাবে লেখা হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করুন।

এ ছাড়া জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানার তথ্য গুলিয়ে ফেলবেন না। প্রয়োজনীয় নথিতে যে তথ্য রয়েছে, তার সঙ্গে আবেদনপত্রের তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি। কোনো নথি না থাকলে ভুল বা অনুমানভিত্তিক তথ্য না দিয়ে নিবন্ধক কার্যালয় থেকে করণীয় জেনে নিন।

সন্তানের জন্মনিবন্ধন সহজ করতে বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জাতীয়তা এবং প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্রের তথ্য আগে থেকেই প্রস্তুত রাখুন। শিশুর জন্মের প্রমাণ ও ঠিকানাসংক্রান্ত নথিও যাচাই করুন। আবেদন করার আগে সরকারি পোর্টালের নির্দেশনা দেখে নিলে অপ্রয়োজনীয় ভুল ও বারবার কাগজপত্র জমা দেওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. সন্তানের জন্মনিবন্ধন করতে বাবা-মায়ের কী কী তথ্য লাগে?

সাধারণত বাবা-মায়ের নাম বাংলা ও ইংরেজিতে, জন্মতারিখ, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জাতীয়তা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের তথ্য প্রয়োজন হয়।

২. বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে কি সন্তানের জন্মনিবন্ধন করা যাবে?

এটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি ও গ্রহণযোগ্য পরিচয়সংক্রান্ত নথির ওপর নির্ভর করে। প্রয়োজনীয় বিকল্প নথি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ের নির্দেশনা নিতে হবে।

৩. বাবা বা মায়ের জন্মনিবন্ধন না থাকলে কী করবেন?

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের FAQ অনুযায়ী, সন্তানের জন্মনিবন্ধনের পাশাপাশি বাবা-মায়ের জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। বয়স প্রমাণের নথি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিবন্ধক কার্যালয় থেকে জেনে নিন।

৪. শিশুর জন্মের কত দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করা উচিত?

জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করার বিধান রয়েছে। তবে পরে আবেদন করারও ব্যবস্থা আছে; সে ক্ষেত্রে বয়স অনুযায়ী প্রযোজ্য প্রমাণপত্র দিতে হয়।

৫. সন্তানের জন্মনিবন্ধনের আবেদন কোথায় করবেন?

সরকারি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা যায়: https://bdris.gov.bd/br/application। আবেদন জমা দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি যাচাই করে নিন।

তানভির ইসলাম/

পাঠকের মতামত: