ঢাকা, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশে Vivo-এর সেরা ১০ ফোন, দাম কত এখন?

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক . ২৪আপডেটনিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৮ ১৭:৫৯:২০
বাংলাদেশে Vivo-এর সেরা ১০ ফোন, দাম কত এখন?

বাংলাদেশে ভিভোর স্মার্টফোন কিনতে চাইলে একদিকে রয়েছে শক্তিশালী ক্যামেরা ও ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্সের মডেল, অন্যদিকে দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী তুলনামূলক সাশ্রয়ী ফোন। বর্তমান অফিসিয়াল তালিকায় ১৭ হাজার টাকার আশপাশের Y05e থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকার কাছাকাছি X300 Pro পর্যন্ত বিভিন্ন বাজেটের ফোন রয়েছে।

তবে বেশি দাম মানেই সবার জন্য সেরা ফোন নয়। যারা ছবি ও ভিডিও তোলাকে অগ্রাধিকার দেন, তাদের পছন্দ হতে পারে X300 Pro বা V70 FE। দীর্ঘ সময় চার্জ ছাড়া ফোন চালাতে চাইলে Y500 বা Y32 বিবেচনায় রাখা যায়। আবার সীমিত বাজেটে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য Y05e কিংবা Y11d বেশি উপযোগী হতে পারে।

২৮ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ভিভোর বাংলাদেশি অফিসিয়াল ই-স্টোর ও গ্রামীণফোনের প্রকাশিত মূল্যতথ্য ধরে এই তালিকায় ১০টি ফোন বাছাই করা হয়েছে। দাম মডেলের র‍্যাম-স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট এবং বিক্রয় অফার অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

বাংলাদেশের বাজারে ভিভোর সেরা ১০ ফোন ও দাম

১. Vivo X300 Pro — ক্যামেরা ও ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্সের জন্য

দাম: ১৬ জিবি র‍্যাম ও ৫১২ জিবি স্টোরেজের জন্য ১,৪৯,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)।

ভিভোর ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর মধ্যে X300 Pro-কে রাখা যায় তাদের তালিকায়, যারা ক্যামেরা, দ্রুত পারফরম্যান্স ও উন্নত ডিসপ্লে চান। ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট, MediaTek Dimensity 9500 প্রসেসর এবং ৫০, ৫০ ও ২০০ মেগাপিক্সেলের তিনটি পেছনের ক্যামেরা। সঙ্গে রয়েছে ৬৫১০ এমএএইচ ব্যাটারি ও ৯০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং।

কার জন্য ভালো: যারা নিয়মিত ছবি ও ভিডিও করেন, দূরের বিষয় জুম করে তুলতে চান, ভারী অ্যাপ ব্যবহার করেন এবং প্রিমিয়াম ফোনে বেশি বাজেট রাখতে পারেন।

কেন তালিকায়: ক্যামেরা হার্ডওয়্যার, শক্তিশালী প্রসেসর ও বড় স্টোরেজের সমন্বয়ের জন্য। তবে কেনার আগে অফিসিয়াল স্টোরে স্টক ও চূড়ান্ত মূল্য যাচাই করা উচিত।

২. Vivo V70 FE — ছবি তোলা ও দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য

দাম: ৮ জিবি/২৫৬ জিবি ৫৩,৯৯৯ টাকা; ১২ জিবি/২৫৬ জিবি ৬২,৯৯৯ টাকা।

মাঝারি থেকে উচ্চ বাজেটে ক্যামেরা ও ব্যাটারির ভারসাম্য চাইলে V70 FE বিবেচনা করা যায়। এতে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের OIS-সমর্থিত ক্যামেরা, ৭০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৯০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং ১.৫কে রেজল্যুশনের AMOLED ডিসপ্লে।

অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন বা OIS ছবি তোলার সময় হাত কাঁপার প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। ফলে ছবি ও ভিডিও ধারণের ক্ষেত্রে এটি কাজে আসতে পারে।

কার জন্য ভালো: যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশ করেন, ভ্রমণে ছবি তোলেন এবং বড় ব্যাটারির ফোন চান।

কেন তালিকায়: উচ্চ রেজল্যুশনের ক্যামেরা, OIS এবং বড় ব্যাটারির সমন্বয়। তবে শুধু মেগাপিক্সেল দেখে ক্যামেরার মান বিচার না করে বাস্তব ছবির নমুনাও দেখা ভালো।

৩. Vivo V80 Lite 5G — ৫জি ও আধুনিক ডিজাইনের জন্য

দাম: ৮ জিবি/১২৮ জিবি ৫৯,৯৯৯ টাকা; ৮ জিবি/২৫৬ জিবি ৬৯,৯৯৯ টাকা।

যারা নতুন ফোনে ৫জি নেটওয়ার্ক, বাঁকানো ডিসপ্লের নকশা ও ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপ চান, তাদের জন্য V80 Lite 5G একটি বিকল্প। এতে রয়েছে MediaTek Dimensity 7360 Turbo প্রসেসর, ৩২ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ৭০৫০ এমএএইচ ব্যাটারি।

কার জন্য ভালো: যারা সেলফি ও গ্রুপ ছবি তোলেন, নিয়মিত ভিডিও দেখেন এবং ৫জি-সমর্থিত ফোন চান।

কেন তালিকায়: ৫জি সংযোগ, ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা এবং বড় ব্যাটারির সমন্বয়। তবে আপনার এলাকায় ৫জি সেবা ও কাভারেজ আছে কি না, কেনার আগে তা যাচাই করুন।

৪. Vivo Y500 — ব্যাটারি ও ডিসপ্লেকে গুরুত্ব দিলে

দাম: ৬ জিবি/১২৮ জিবি ৩৯,৯৯৯ টাকা; ৬ জিবি/২৫৬ জিবি ৪৬,৯৯৯ টাকা।

দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ যাদের প্রধান চাহিদা, তাদের জন্য Y500 নজরে রাখার মতো। এতে রয়েছে ৮১০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ১.৫কে Infinity AMOLED ডিসপ্লে এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের Sony প্রধান ক্যামেরা। ফোনটির IP69 রেটিংয়ের কথাও ভিভোর অফিসিয়াল পণ্যের বিবরণে উল্লেখ রয়েছে।

কার জন্য ভালো: যারা দীর্ঘ সময় বাইরে থাকেন, নিয়মিত ভিডিও দেখেন, নেভিগেশন বা দৈনন্দিন কাজে ফোন ব্যবহার করেন এবং ঘন ঘন চার্জ দিতে চান না।

কেন তালিকায়: বড় ব্যাটারি, উচ্চ রেজল্যুশনের ডিসপ্লে ও প্রধান ক্যামেরার সমন্বয়। তবে ভারী গেমিংয়ের জন্য কেনার আগে প্রসেসরের পারফরম্যান্স ও গেমিং পরীক্ষার ফল দেখে নেওয়া ভালো।

৫. Vivo Y32 — বড় ব্যাটারি ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য

দাম: ৪ জিবি/১২৮ জিবি ৩০,৯৯৯ টাকা; ৬ জিবি/১২৮ জিবি ৩৪,৯৯৯ টাকা।

Y32-তে রয়েছে ৮০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, IP69 ধুলা ও পানি প্রতিরোধের রেটিং এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যাটারি স্বাস্থ্য ধরে রাখার বিষয়ে ভিভোর বিশেষ দাবি। ফোনটি তাদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে, যারা সাধারণ ব্যবহারে দীর্ঘ ব্যাকআপ চান।

কার জন্য ভালো: শিক্ষার্থী, অফিসগামী ব্যবহারকারী এবং যারা কল, মেসেজ, ব্রাউজিং ও ভিডিও দেখার জন্য ফোন ব্যবহার করেন।

কেন তালিকায়: এই দামের মধ্যে বড় ব্যাটারি ও পানি-ধুলা প্রতিরোধের রেটিংয়ের সমন্বয়। তবে IP69 থাকলেও প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা না মেনে ফোন পানিতে ব্যবহার করা উচিত নয়।

৬. Vivo Y31d — ব্যাটারি ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের জন্য

দাম: ৪ জিবি/১২৮ জিবি ২৭,৪৯৯ টাকা; ৬ জিবি/১২৮ জিবি ২৮,৯৯৯ টাকা; ৮ জিবি/১২৮ জিবি ৩৪,৯৯৯ টাকা; ৮ জিবি/২৫৬ জিবি ৩৬,৯৯৯ টাকা।

Y31d-তে রয়েছে ৭২০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং Snapdragon 6s Gen 2 প্রসেসর। ভিভোর বাংলাদেশি ই-স্টোরে একাধিক র‍্যাম ও স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রকাশ করা হয়েছে।

কার জন্য ভালো: যারা প্রতিদিনের কাজে ফোন ব্যবহার করেন, বড় ব্যাটারি চান এবং নিজের বাজেট অনুযায়ী র‍্যাম-স্টোরেজ বেছে নিতে চান।

কেন তালিকায়: ব্যাটারির ধারণক্ষমতা ও ভ্যারিয়েন্ট বাছাইয়ের সুযোগ। বেশি র‍্যাম থাকলেই সব অ্যাপ দ্রুত চলবে—এমন নয়; প্রসেসর ও সফটওয়্যারও গুরুত্বপূর্ণ।

৭. Vivo V60 Lite — দ্রুত চার্জিং ও ক্যামেরার জন্য

দাম: ৮ জিবি/২৫৬ জিবি ৩৪,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোনের ভিভো স্মার্টফোনের মূল্যতালিকায় V60 Lite-এর ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম ৩৪,৯৯৯ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। ফোনটিতে রয়েছে ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৯০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং Sony IMX882 ক্যামেরা সেন্সর।

কার জন্য ভালো: যারা তুলনামূলক মাঝারি বাজেটে বড় স্টোরেজ, দ্রুত চার্জিং এবং ছবি তোলার উপযোগী ক্যামেরা চান।

কেন তালিকায়: ব্যাটারি, চার্জিং ও স্টোরেজের সমন্বয়। কেনার আগে একই ভ্যারিয়েন্টের বর্তমান অফিসিয়াল মূল্য এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিত করুন।

৮. Vivo Y21d — সুরক্ষা ও ব্যাটারিকে অগ্রাধিকার দিলে

দাম: ৬ জিবি/১২৮ জিবি ২৬,৯৯৯ টাকা।

গ্রামীণফোনের প্রকাশিত মূল্যতথ্য অনুযায়ী, Y21d-এর ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের দাম ২৬,৯৯৯ টাকা। ফোনটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৪৪ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং IP68 ও IP69+ সুরক্ষা রেটিং।

কার জন্য ভালো: যারা বাইরে বেশি সময় কাটান, ব্যাটারি ব্যাকআপ চান এবং ধুলা বা পানির সংস্পর্শের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি এমন পরিবেশে ফোন ব্যবহার করেন।

কেন তালিকায়: বড় ব্যাটারি, দ্রুত চার্জিং ও সুরক্ষা রেটিংয়ের সমন্বয়। তবে সুরক্ষা রেটিংকে ফোন সম্পূর্ণ ক্ষতিমুক্ত থাকার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা উচিত নয়।

৯. Vivo Y11d — বাজেটের মধ্যে দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য

দাম: ৪ জিবি/১২৮ জিবি ২০,৯৯৯ টাকা।

কম বাজেটে ফোন কিনতে চাইলেও ব্যাটারি ও চার্জিং সুবিধাকে গুরুত্ব দিলে Y11d বিবেচনা করা যায়। গ্রামীণফোনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এতে রয়েছে ৬৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৪৪ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এবং ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা।

কার জন্য ভালো: যারা কল, মেসেজ, অনলাইন ক্লাস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সাধারণ ছবি তোলার কাজে ফোন ব্যবহার করেন।

কেন তালিকায়: এই মূল্যস্তরে বড় ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিংয়ের সুবিধা। তবে ভারী গেমিং বা পেশাদার ভিডিও ধারণের জন্য কেনার আগে পারফরম্যান্স পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

১০. Vivo Y05e — সীমিত বাজেটের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য

দাম: ৪ জিবি/৬৪ জিবি ১৭,৪৯৯ টাকা।

ভিভোর তুলনামূলক সাশ্রয়ী মডেলগুলোর মধ্যে Y05e রয়েছে। এতে রয়েছে ৫১৫০ এমএএইচ ব্যাটারি, IP64 ধুলা ও পানি প্রতিরোধের রেটিং এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক সুবিধা।

কার জন্য ভালো: যারা কম খরচে কল, মেসেজ, ব্রাউজিং ও হালকা অ্যাপ ব্যবহারের জন্য ফোন খুঁজছেন।

কেন তালিকায়: কম বাজেটে বড় ব্যাটারি ও মৌলিক সুরক্ষা সুবিধা। তবে ৬৪ জিবি স্টোরেজ দ্রুত পূর্ণ হয়ে যেতে পারে, বিশেষ করে বেশি ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ রাখলে।

বাজেট অনুযায়ী কোন Vivo ফোনটি কিনবেন?

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে নিচের পরামর্শগুলো কাজে আসতে পারে।

সেরা ক্যামেরা ও ফ্ল্যাগশিপ অভিজ্ঞতা: Vivo X300 Pro

ক্যামেরা ও বড় ব্যাটারির ভারসাম্য: Vivo V70 FE

৫জি ও আধুনিক ডিজাইন: Vivo V80 Lite 5G

দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ: Vivo Y500 বা Y32

মাঝারি বাজেটে দৈনন্দিন ব্যবহার: Vivo Y31d বা V60 Lite

সুরক্ষা ও ব্যাটারিকে গুরুত্ব দিলে: Vivo Y21d

কম বাজেটে দ্রুত চার্জিং: Vivo Y11d

সাশ্রয়ী দামের সাধারণ ফোন: Vivo Y05e

Vivo ফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো দেখবেন

প্রথমেই ঠিক করুন, ফোনটি কী কাজে বেশি ব্যবহার করবেন। ছবি তোলা, গেমিং, দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপ, ভিডিও দেখা কিংবা সাধারণ কাজ—প্রতিটি প্রয়োজনের জন্য সেরা ফোন আলাদা হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, একই মডেলের বিভিন্ন র‍্যাম ও স্টোরেজ সংস্করণের দাম মিলিয়ে দেখুন। বেশি স্টোরেজ দরকার হলে শুরুতেই ২৫৬ জিবি সংস্করণ নেওয়া দীর্ঘমেয়াদে সুবিধাজনক হতে পারে। তৃতীয়ত, অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি, বিক্রেতার নির্ভরযোগ্যতা এবং ফোনের সঠিক ভ্যারিয়েন্ট নিশ্চিত করুন।

দামও কেনার আগে আবার যাচাই করা জরুরি। ভিভোর ই-স্টোরে প্রদর্শিত মূল্য এবং অন্য বিক্রেতার মূল্য এক নাও হতে পারে। বিশেষ করে X300 Pro-এর মতো মডেলে ভ্যাট প্রযোজ্য থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাই প্রদর্শিত মূল্যকে সব ক্ষেত্রে চূড়ান্ত কর-সহ মূল্য ধরে নেওয়া উচিত নয়।

পাঠকের সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

১. বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে সবচেয়ে দামি ফোন কোনটি এই তালিকায়?

এই তালিকায় Vivo X300 Pro সবচেয়ে দামি। ১৬ জিবি র‍্যাম ও ৫১২ জিবি স্টোরেজ সংস্করণের প্রদর্শিত দাম ১,৪৯,৯৯৯ টাকা, এর সঙ্গে ভ্যাট প্রযোজ্য।

২. ক্যামেরার জন্য কোন Vivo ফোনটি ভালো?

উন্নত ক্যামেরা ও ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্স চাইলে X300 Pro বিবেচনা করতে পারেন। তুলনামূলক কম বাজেটে ২০০ মেগাপিক্সেলের OIS-সমর্থিত ক্যামেরার জন্য V70 FE-ও একটি বিকল্প।

৩. ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য কোন Vivo ফোনটি ভালো?

এই তালিকায় Y500-তে ৮১০০ এমএএইচ এবং Y32-তে ৮০০০ এমএএইচ ব্যাটারি রয়েছে। শুধু ধারণক্ষমতা নয়, আপনার ব্যবহার ও চার্জিংয়ের অভ্যাসও ব্যাকআপে প্রভাব ফেলে।

৪. ৩০ হাজার টাকার মধ্যে কোন Vivo ফোন কেনা যায়?

প্রকাশিত দামের ভিত্তিতে Y31d-এর ৪ জিবি/১২৮ জিবি সংস্করণ ২৭,৪৯৯ টাকা, Y21d ২৬,৯৯৯ টাকা এবং Y11d ২০,৯৯৯ টাকা। কেনার আগে বর্তমান দাম ও স্টক নিশ্চিত করুন।

৫. Vivo ফোন কেনার সময় অফিসিয়াল ও আনঅফিশিয়াল সেটের পার্থক্য কীভাবে বুঝব?

বিশ্বস্ত ও অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে ফোন কিনুন এবং ওয়ারেন্টি, ক্রয় রসিদ, মডেল নম্বর ও IMEI যাচাই করুন। শুধু কম দাম দেখে ফোন কেনা ঠিক নয়; বিক্রেতার কাছ থেকে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির শর্ত লিখিতভাবে নিশ্চিত করা ভালো।

আল-মামুন/

পাঠকের মতামত: