দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সমঝোতা
প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি এবং কার্যকর যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। পাশাপাশি সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্থলবাহিনীর দশম সংলাপে (ল্যান্ড ফোর্সেস টকস—এলএফটি) এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সোমবার ও মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায় বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব
দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যকর যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান। দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি সামরিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করেন তাঁরা।
সংলাপে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, উন্নত প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব সম্প্রসারণের বিষয়গুলো উঠে আসে।
দুই দেশের প্রতিনিধিদলে যাঁরা ছিলেন
বাংলাদেশের পক্ষে সংলাপে নেতৃত্ব দেন সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের (ইউএসএআরপিএসি) কৌশল ও পরিকল্পনা বিভাগের উপকমান্ডার মেজর জেনারেল গাইলস জে. এস. কর্নেলিয়া।
সংলাপের প্রথম দিন, সোমবার, ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদরে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মেজর জেনারেল গাইলস জে. এস. কর্নেলিয়া।
সামরিক সম্পর্ক জোরদারে প্রত্যাশা
আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আইএসপিআর আশা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের বৈঠক বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। একই সঙ্গে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অগ্রগতিতে অবদান রাখবে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
১. বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সংলাপটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্থলবাহিনীর দশম সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২. সংলাপে প্রধানত কোন বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে?
প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি এবং কার্যকর যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশের সেনাবাহিনী একমত হয়েছে।
৩. বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কে?
বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান।
৪. যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন কে?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের কৌশল ও পরিকল্পনা বিভাগের উপকমান্ডার মেজর জেনারেল গাইলস জে. এস. কর্নেলিয়া।
৫. সংলাপে সামরিক সহযোগিতার কোন বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে?
প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে।
তানভির ইসলাম/
পাঠকের মতামত:
আপনার জন্য বাছাই করা কিছু নিউজ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত
- মালয়েশিয়া মেডিকেল কবে শুরু হবে ২০২৬, সর্বশেষ খবর
- Ballon d’Or 2026 Rankings: শীর্ষে ইয়ামাল, সেরা ১০ কারা?
- OPPO Find X10 Ultra: ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় কী থাকছে?
- এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬: রোল নম্বর দিয়ে ফল দেখবেন যেভাবে
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮, ২১ ও ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনার দাম