বিদেশ যাওয়ার আগে মেডিকেলে আনফিট? এবার কী করবেন
বিদেশে যাওয়ার জন্য মেডিকেল পরীক্ষায় অনুপযুক্ত বা ‘আনফিট’ ঘোষণা করা হলে প্রথমেই পরীক্ষার ফলাফলের কারণ জানতে হবে। কোনো রোগ বা শারীরিক সমস্যার কারণে এমন ফল এসেছে, নাকি এক্স-রে, রক্ত পরীক্ষা কিংবা অন্য কোনো পরীক্ষার রিপোর্টে অসংগতি রয়েছে—তা নিশ্চিত না হয়ে নতুন করে মেডিকেল পরীক্ষা করানো ঠিক হবে না।
এ অবস্থায় পরীক্ষার রিপোর্ট সংগ্রহ, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম যাচাই করা জরুরি। কারণ সব ধরনের ‘আনফিট’ ফলের ক্ষেত্রে একই ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা নিয়ে শারীরিক অবস্থার উন্নতি সম্ভব হলেও কিছু রোগ বা পরীক্ষার ফল গন্তব্য দেশের নির্ধারিত স্বাস্থ্যমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া আটকে যেতে পারে।
বাংলাদেশ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে Wafid (আগের GAMCA) মেডিকেল ব্যবস্থার নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইউরোপ, মালয়েশিয়া বা অন্য দেশের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার পদ্ধতি আলাদা হতে পারে। তাই মেডিকেলে অনুপযুক্ত হওয়ার পর কী করবেন, তা নির্ভর করবে গন্তব্য দেশ, পরীক্ষার ধরন এবং রিপোর্টে উল্লেখ করা কারণের ওপর।
মেডিকেলে আনফিট হওয়ার পর প্রথমে যে কাজ করবেন
পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার পর আতঙ্কিত না হয়ে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করুন।
১. আনফিট হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ জানুন
শুধু ‘Unfit’ লেখা দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টার থেকে জানতে চান, কোন পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে আপনাকে অনুপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। রক্ত পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে, শারীরিক পরীক্ষা কিংবা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে এমন ফল আসতে পারে।
সম্ভব হলে পরীক্ষার রিপোর্টের কপি সংগ্রহ করুন। কোন পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেছে, সেটি জানা থাকলে পরবর্তী চিকিৎসা বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া সহজ হবে।
২. রিপোর্টে ভুল আছে কি না যাচাই করুন
কখনো পরীক্ষার তথ্য, পাসপোর্ট নম্বর, নাম, জন্মতারিখ বা অন্য কোনো ব্যক্তিগত তথ্যে ভুল থাকতে পারে। আবার পরীক্ষার ফল নিয়েও সন্দেহ তৈরি হতে পারে।
এমন কিছু মনে হলে নিজে থেকে রিপোর্ট পরিবর্তন বা নতুন মেডিকেল বুকিংয়ের চেষ্টা না করে যে মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা দিয়েছেন, সেখানে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যাচাইয়ের আবেদন করতে হবে।
Wafid-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, পাসপোর্ট নম্বর, নাম, জাতীয়তা, পেশা বা জন্মতারিখের মতো তথ্য ভুল হলে মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে তথ্য সংশোধনের অনুরোধ পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরিবর্তনের অনুরোধ নম্বর ও জমা দেওয়ার তারিখ জেনে রাখা উচিত।
কোন কোন কারণে মেডিকেলে আনফিট আসতে পারে?
বিদেশে কর্মী পাঠানোর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নির্দিষ্ট কিছু সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য Wafid-এর প্রকাশিত নির্দেশনায় কয়েকটি স্বাস্থ্যগত অবস্থাকে অনুপযুক্ততার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে—
এইচআইভি পজিটিভ ফল।
হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন পজিটিভ।
হেপাটাইটিস সি অ্যান্টিবডি পজিটিভ।
ম্যালেরিয়া ও মাইক্রোফাইলেরিয়ার মতো সংক্রমণ।
কুষ্ঠরোগ।
বুকের এক্স-রেতে যক্ষ্মার সক্রিয় বা অতীতের প্রমাণসহ নির্দিষ্ট অস্বাভাবিকতা।
কিডনি, লিভার বা হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অকার্যকারিতা।
নিয়ন্ত্রণহীন উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস।
নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসার।
কিছু মানসিক ও স্নায়বিক সমস্যা।
কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এমন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা।
এ ছাড়া Wafid-এর তালিকায় হিমোগ্লোবিনের নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে থাকাকেও অনুপযুক্ততার একটি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন দেশের জন্য কোন স্বাস্থ্যমান প্রযোজ্য, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
মনে রাখতে হবে, তালিকায় কোনো রোগের নাম থাকলেই প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত হবে—এমন নয়। রোগের অবস্থা, পরীক্ষার ফল এবং গন্তব্য দেশের স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
চিকিৎসা নিয়ে কি আবার মেডিকেল পরীক্ষা দেওয়া যায়?
এটি নির্ভর করে কোন সমস্যার কারণে আনফিট এসেছে তার ওপর। যদি পরীক্ষায় এমন কোনো সমস্যা ধরা পড়ে, যার চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, তাহলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে, কারও রক্তচাপ বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তা নিয়ন্ত্রণে আনার ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো সংক্রমণ বা এক্স-রেতে অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পরীক্ষা ও চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।
তবে চিকিৎসা নিলেই পুনরায় মেডিকেলে ফিট ঘোষণা করা হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। গন্তব্য দেশের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
Wafid মেডিকেলে আনফিট হলে আবার পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম কী?
সৌদি আরবসহ Wafid কর্মসূচির আওতাভুক্ত দেশে যাওয়ার জন্য মেডিকেল পরীক্ষা দিয়ে থাকলে ফলাফল ও পুনরায় বুকিংয়ের নিয়ম সরাসরি Wafid-এর ওয়েবসাইটে যাচাই করা উচিত।
Wafid-এর প্রকাশিত FAQ অনুযায়ী, কোনো আবেদনকারীর নামে সিস্টেমে বৈধ মেডিকেল রিপোর্ট থাকলে সেই রিপোর্টের তারিখ থেকে দুই মাস পর নতুন মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার সুযোগ রয়েছে। তবে এটি সাধারণ পুনরায় বুকিং-সংক্রান্ত নির্দেশনা; আনফিট রিপোর্টের ক্ষেত্রে আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কী নিয়ম প্রযোজ্য, তা Wafid বা সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এ জন্য—
১. প্রথমে Wafid-এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. ‘Medical Examination Result’ বা ফলাফল যাচাইয়ের অপশনে যান।
৩. পাসপোর্ট নম্বর ও জাতীয়তা অথবা স্লিপ নম্বর দিয়ে পরীক্ষার অবস্থা যাচাই করুন।
৪. রিপোর্টের তারিখ ও বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করুন।
৫. পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা ও সময়সীমা জানতে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টার বা Wafid-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
কোনো মধ্যস্থতাকারীর কথায় নির্ধারিত সময়ের আগে নতুন স্লিপ তৈরি বা পরীক্ষার জন্য টাকা দেবেন না।
রিপোর্ট ভুল মনে হলে কোথায় যোগাযোগ করবেন?
মেডিকেল রিপোর্টে ভুল, তথ্যের অসংগতি বা পরীক্ষার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। সমস্যার সমাধান না হলে Wafid-এর অফিসিয়াল যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ জানানো যায়।
Wafid-এর ওয়েবসাইটে দেওয়া যোগাযোগের ই-মেইল হলো: [email protected]। ই-মেইলে যোগাযোগের সময় পাসপোর্ট নম্বর, পরীক্ষার স্লিপ নম্বর, মেডিকেল সেন্টারের নাম এবং সমস্যার বিবরণ দিতে পারেন। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও স্ক্রিনশট সংযুক্ত করুন।
বাংলাদেশের বিদেশগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়েও সরকারি নীতিমালা রয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০২২ সালে এ বিষয়ে সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এটি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা-সংক্রান্ত সরকারি কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
মেডিকেল নিয়ে প্রতারণার শিকার হলে কী করবেন?
মেডিকেলে আনফিট হওয়ার পর অনেকেই দ্রুত বিদেশ যাওয়ার আশায় দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির কাছে যান। কেউ কেউ টাকা নিয়ে রিপোর্ট পরিবর্তন, দ্রুত ফিট করানো কিংবা অন্য মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিতে পারে।
এ ধরনের প্রলোভনে সতর্ক থাকুন। মেডিকেল রিপোর্ট পরিবর্তন, ভুয়া ফিটনেস সনদ তৈরি বা অবৈধ উপায়ে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।
কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি বা মধ্যস্থতাকারী মেডিকেল রিপোর্টকে কেন্দ্র করে প্রতারণা করলে লেনদেনের রসিদ, চুক্তিপত্র, মেডিকেল রিপোর্ট, পাসপোর্টের কপি ও যোগাযোগের প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান।
বাংলাদেশের প্রবাসী কর্মীদের জন্য BMET-এর অভিযোগ ব্যবস্থাও রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, BMET বিদেশে কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও রিক্রুটিং এজেন্সির কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করে।
প্রবাসী কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত সরকারি সেবা ও অভিযোগের তথ্য জানতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং BMET-এর ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। বিদেশগামী কর্মীদের সরকারি প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া যায় Overseas Employment Platform থেকে।
মেডিকেলে আনফিট হলে যে ভুলগুলো করবেন না
বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়া আটকে গেলে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেন। এতে আর্থিক ক্ষতি ও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই—
রিপোর্টের কারণ না জেনে নতুন করে মেডিকেল পরীক্ষা দেবেন না।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খেয়ে পরীক্ষার ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করবেন না।
ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট বা ফিটনেস সনদ তৈরি করবেন না।
অনুমোদনহীন মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা করাবেন না।
পুনরায় পরীক্ষার সময়সীমা না জেনে নতুন বুকিংয়ের জন্য টাকা দেবেন না।
কোনো এজেন্সিকে টাকা দিলে রসিদ ও লিখিত প্রমাণ রাখুন।
বিদেশে যাওয়ার আগে মেডিকেলে অনুপযুক্ত হওয়া মানেই সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাওয়া নয়। তবে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে আনফিট হওয়ার কারণ, গন্তব্য দেশের নিয়ম এবং চিকিৎসাগত অবস্থার ওপর। তাই প্রথমে রিপোর্ট সংগ্রহ করুন, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পুনরায় পরীক্ষা বা পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য জেনে নিন।
সঠিক নিয়মে এগোলে অপ্রয়োজনীয় খরচ, প্রতারণা ও ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
প্রাসঙ্গিক FAQ
১. বিদেশ যাওয়ার মেডিকেলে আনফিট হলে কি আবার পরীক্ষা দেওয়া যায়?
কিছু ক্ষেত্রে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। তবে তা গন্তব্য দেশ, মেডিকেল ব্যবস্থার নিয়ম এবং আগের রিপোর্টের অবস্থার ওপর নির্ভর করে। Wafid-এর ক্ষেত্রে নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময়সীমা তাদের অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী যাচাই করতে হবে।
২. Wafid মেডিকেলে আনফিট হলে কত দিন পর আবার পরীক্ষা দেওয়া যায়?
Wafid-এর FAQ অনুযায়ী, সিস্টেমে বৈধ মেডিকেল রিপোর্ট থাকলে রিপোর্টের তারিখ থেকে দুই মাস পর নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যায়। তবে আনফিট রিপোর্টের ক্ষেত্রে নিজের পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য নিয়ম Wafid বা সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টার থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
৩. মেডিকেল রিপোর্ট ভুল হলে কী করবেন?
প্রথমে যে মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা দিয়েছেন, সেখানে যোগাযোগ করুন। তথ্যগত ভুল হলে সংশোধনের অনুরোধ করতে পারেন। প্রয়োজন হলে Wafid-এর অফিসিয়াল ই-মেইল [email protected]এ যোগাযোগ করুন।
৪. মেডিকেলে আনফিট হলে চিকিৎসা নিয়ে ফিট হওয়া সম্ভব?
কোনো কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উন্নত হতে পারে। তবে চিকিৎসার পর ফিট ঘোষণা করা হবে কি না, তা নির্ভর করে নতুন পরীক্ষার ফল এবং গন্তব্য দেশের স্বাস্থ্যবিধির ওপর।
৫. মেডিকেলে আনফিট হওয়ার পর দালালের মাধ্যমে রিপোর্ট পরিবর্তন করা যাবে?
না। রিপোর্ট পরিবর্তন বা ভুয়া মেডিকেল সনদ তৈরি করা বৈধ পথ নয়। রিপোর্টে ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টার ও অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই বা সংশোধনের আবেদন করতে হবে।
তানভির ইসলাম/